শিরোনাম
গোবিপ্রবি’তে প্রথমবারের মতো ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন শিক্ষার্থীরা
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতি দিতে প্রথমবারের মতো চালু করা হয়েছে ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড। একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার ১৪ বছর পর প্রশাসনিকভাবে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সম্মাননা প্রদান এই প্রথম। এ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে একাধিক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলতে এবং ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি দিতে এ পুরস্কার চালু করা হয়।
মঙ্গলবার (২০ মে) সকাল ১১টায় একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ৩৩টি বিভাগের প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী মোট ৭১ জন শিক্ষার্থীকে সনদ ও চেক প্রদান করা হয়। পুরস্কার বিতরণ করেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন,
“আজকের দিনটি শিক্ষার্থীদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা ভবিষ্যতে যেখানেই থাকুক, তাদের সিভিতে এই অ্যাওয়ার্ডের উল্লেখ থাকতে পারবে, যা হবে সম্মানের প্রতীক এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণা।”
তিনি আরও বলেন,
“বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, ল্যাব এবং বাজেট সংকট থাকলেও এখান থেকে মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি হচ্ছে, যারা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আমি আশা করি, আজকের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আমাদের পরিচয় আরও সমৃদ্ধ করবে।”
তিনি আরও বলেন,
“বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, ল্যাব এবং বাজেট সংকট থাকলেও এখান থেকে মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি হচ্ছে, যারা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আমি আশা করি, আজকের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আমাদের পরিচয় আরও সমৃদ্ধ করবে।”
আরও পড়ুন
ভবিষ্যতেও এই অ্যাওয়ার্ড কার্যক্রম চালু রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন,
“আমি একসময় থাকবো না, কিন্তু চাই এই অ্যাওয়ার্ড চালু থাকুক। যাতে এটি শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার পথে সহায়ক হয়।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাম্পাসে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাত আহত রাবি শিক্ষার্থী; ছাত্রদল-শিবিরের নিন্দা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নিজ ক্যাম্পাসে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (১৯ মে) রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আমীর আলী হলের রাস্তার পাশে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে নিজ ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপর ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রতিবাদের নিন্দা ও বিচারের দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। একইসাথে নিরাপত্তাহীন ক্যাম্পাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
বর্তমানে আহত শিক্ষার্থী আরাফাত শাওন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৮-১৯ বর্ষের শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে সৈয়দ আমীর আলী হলের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে হলে ফিরছিলেন শাওন। এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী তাঁর পথ রোধ করে। তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নিতে চাইলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা তার পেটের দুই জায়গায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এরপর তিনি নিজেই দ্রুত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে আসেন। সেখান থেকে তাকে রামেক-এ ভর্তি করা হয়। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান জানিয়েছেন, "আরাফাতের পেটে দুই জায়গায় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। কাল রাতেই তাঁর অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন তিনি এখন বিপদমুক্ত। এ ঘটনায় তারা প্রত্যক্ষদর্শী কাউকে পাচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে তাদের প্রক্টরিয়াল বডি কাজ করছে।"
ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন "এ ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতার কারণেই শিক্ষার্থীরা আজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং ক্যাম্পাস ও হল এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।"
এছাড়াও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাসের জন্য প্রতিটি স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিয়মিত নিরাপত্তা টহল এবং গেট নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত উন্নয়নের দাবি জানান
তাঁরা।
আরও পড়ুন
অবৈধ অর্থ লেনদেন: চবি’র ডেপুটি রেজিস্ট্রার বরখাস্ত
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়াকে।
মঙ্গলবার (২০ মে) দুপুরে অস্থায়ী নিয়োগের নামে ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাম কিবরিয়া একজনের সঙ্গে চবির অগ্রণী ব্যাংকে ঢুকে নগদ অর্থ তোলেন। তিনি এক লাখ টাকা নেওয়ার পাশাপাশি বাকি অর্থ নিয়ে দর কষাকষি করেন।
আরও পড়ুন
জানা গেছে,‘জেরিন গ্রুপ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের এমডি ফরিদের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নিরাপত্তা দপ্তরে অস্থায়ী নিয়োগের কথা বলে বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেন চবির নিরাপত্তা প্রধান গোলাম কিবরিয়া।
এ ঘটনার পরপরই চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে গোলাম কিবরিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী জীবিকা ভাতা পাবেন। পাশাপাশি ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক নিয়োগের ভুল প্রজ্ঞাপন ঘিরে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক নিয়োগের ভুল প্রজ্ঞাপন ঘিরে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে সাত কলেজের স্থানে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় শব্দ ব্যবহার করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল সোমবার (১৯ মে) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত একটি প্রজ্ঞাপন লক্ষ্য করা যায়। উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ০৭ (সাত) কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরবর্তী কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস (০১০৪), অধ্যক্ষ, ঢাকা কলেজকে শর্ত সাপেক্ষে তাঁর মূল পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের নিমিত্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।”
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা মাউশির ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে এ ধরণের কোনো প্রজ্ঞাপন পাওয়া যায় নি।
জানা যায়, সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসক নিয়োগের যে প্রজ্ঞাপন বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়েছে, সেখানে শব্দগত কিছু ভুল থাকায় সেটি এখনও মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি সমাধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আলোচনা করে প্রজ্ঞাপনের ভুল সংশোধনের পর সাত কলেজের প্রশাসক নিয়োগের মূল প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
মূলত, সাত কলেজকে এখনো বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করা হয়নি। তবে প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয় শব্দ উল্লেখ থাকা এবং এটি নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় এক ধরণের বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
/ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, সরকারি বাঙলা কলেজ
নকলে ব্যবহৃত মোবাইল ফেরত, কুবি ছাত্রদল নেতার প্রভাবের অভিযোগ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ইংরেজি বিভাগের সেমিস্টার চূড়ান্ত পরীক্ষায় দুজন শিক্ষার্থীকে নকলসহ আটক করা হয়। তারা হলেন ১৬তম আর্বতনের কাজী তাহাসিন এবং সেলিম আহমেদ শিমুল। আটককৃত শিক্ষার্থীদের থেকে নকলে ব্যবহৃত মোবাইল জব্দ করলেও পরে তা তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। যা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের নিয়ম বহির্ভূত। নিয়ম মতে নকলে ব্যবহার্য সরঞ্জাম তদন্তের জন্য পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে জমা দিতে হয়। অভিযোগ রয়েছে নকলসহ আটক শিক্ষার্থীদের বিষয়টি ‘বিবেচনা’ করার জন্য ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এম.এম শরিফুল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন কুবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান এই বিষয়টি নিয়ে ওই দিনই হল রুমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উক্ত পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা।
বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২ থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত (১৫ মে) ইংরেজি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ইন্ট্রোডাকশন টু ফিকসন (ইএনজি- ১১০৪) কোর্সের সেমিস্টার চ‚ড়ান্ত পরীক্ষা ছিলো। পরীক্ষাটি ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ আবর্তনের শিক্ষার্থী সেলিম আহমেদ শিমুল এবং কাজী তাহাসিন ইম্প্রুভমেন্ট (মানোন্নয়ন) পরীক্ষা দেন। ওই দুজন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল থেকে নকল করা অবস্থায় আটক করেন পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এমডি আবুল হায়াত। এসময় তাঁদের উত্তরপত্র ও মোবাইল নিয়ে ফেলেন তিনি। কিন্তু পরে তাদের থেকে “নকল করেছে” এমন লিখিত স্বীকারোক্তী নিয়ে মোবাইল দিয়ে দেন বিভাগীয় প্রধান শরিফুল করিমের।
কিন্তু নিয়ম অনুসারে উত্তরপত্র এবং নকলে ব্যবহার করা সরঞ্জাম পরীক্ষানিয়ন্ত্রক দপ্তরে জমা দিতে হয়। এসকল কিছু তদন্ত করে শিক্ষার্থীর অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে পরীক্ষাশৃঙ্খলা কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নকলকৃত পরীক্ষা বাতিল হওয়াটা শাস্তি নয়, এটি নিয়ম। এমনটি জানান পরীক্ষানিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ নরুল করিম চৌধুরী। কিন্তু উক্ত শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়ায় তাদের বিষয়ে তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে।
বিভাগের দুজন শিক্ষক ও সেদিন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, “নকলের জন্য আটক হওয়া দুজন শিক্ষার্থীর বিষয়টি নিয়ে কুবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ মুঠোফোনে বিভাগীয় প্রধান ও বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের নেতা অধ্যাপক শরিফুল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন” তবে মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি অস্বীকার করেন। এই বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা হল রুমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন “হুহ, নেতা দিয়ে কল দেয়, কত বড় সাহস” এমনটি জানান হল রুমে অবস্থান করা কয়েকজন পরীক্ষার্থী। এই বিষয়ে শারমিন সুলতানাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “এই বিষয়টি বিভাগের কনফেডিনশিয়াল, তাই এখন কিছু বলতে পারছি না।
ছাত্রদল নেতার ফোন কলের বিষয়ে শরিফুল করিম বলেন, “আমার সাথে অনেকের ইনফরমাল কথা হয়। এই বিষয়ে তো আমি কাওকে বক্তব্য দিবো না।”
নকলের বিষয়ে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী জানান, আমাদের ওই দিনই মোবাইল দিয়ে দেওয়া হয়। তবে এবং এই পরীক্ষাটি বাতিল করেছে এমনটি জানানো হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য