শিরোনাম
গুচ্ছের 'বি' ইউনিটের ভর্তিপরীক্ষায় গোবিপ্রবি কেন্দ্রে উপস্থিতির হার ৯৫%
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান প্রথম বর্ষের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটভুক্ত মানবিক শাখার ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিলো প্রায় ৯৫ শতাংশ।
আজ শুক্রবার (০২ মে ২০২৫) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৯৫০ জন আবেদনকারীর মধ্যে অংশ নেয় ২৮০২ জন ভর্তিচ্ছু। অনুপস্থিত ছিলো ১৪৮ জন। তবে কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি।
পরীক্ষার শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান পৃথকভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, আজকে ‘বি’ ইউনিট ভুক্ত মানবিক শাখার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেনি। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, মেডিকেল টিম, স্বেচ্ছাসেবক টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান ও প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব।
প্রসঙ্গত, চলতি শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছভুক্ত বিজ্ঞান শাখার (এ ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৯ মে সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বিজ্ঞান শাখার অধীন আর্কিটেকচার বিভাগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। চলতি শিক্ষাবর্ষে সি ইউনিটে ২৫০, বি ইউনিটে ৫০০ এবং এ ইউনিটে ৭৫৫ টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন রয়েছে ১৫০৫টি।
মাভাবিপ্রবিতে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার প্রায় ৯৫ শতাংশ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২রা মে) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনে এই পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন-৩ কেন্দ্রে আয়োজিত এই পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৮ শত ১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যেখানে উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশ।
পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী ছাত্র শিবির, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি)’ ও ‘রোটারেক্ট ক্লাব অব মাভাবিপ্রবি’ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে। পরীক্ষার্থীদের সেবায় ক্যাম্পাসে বিনামূল্যে সুপেয় পানি বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ৯ মে (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে।
মো.জাহিদ হোসেন/
আবু সাঈদের জীবন দান দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দার্শনিক ঘটনা: ফরহাদ মজহার
বিশিষ্ট কবি ও দার্শনিক ফরহাদ মজহার বলেছেন, নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে আবু সাঈদ বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছে। শহীদ আবু সাঈদ প্রবেশ করেছে এক অবিনশ্বর জীবনে। আবু সাঈদের জীবনদান দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দার্শনিক ঘটনা বলে অভিহিত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (০১ মে , ২০২৫) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এর ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘গণঅভ্যুত্থানত্তোর আলাপচারিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট রাষ্ট্রচিন্তক, লেখক ও মানবাধিকার কর্মী ফরহাদ মজহার এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আবু সাঈদের মধ্যে একটা অভিপ্রায় বা ইচ্ছা ছিল। এই অভিপ্রায়টি নিজের জন্য নয় বরং সামষ্টিক, যার বাস্তবায়ন সে দেখতে চেয়েছে। এই সামষ্টিক অভিপ্রায়টা ছিল গণঅভ্যুত্থান। আবু সাঈদের আত্ম বলিদানের কারণে তার নাম শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে আলোচিত হবে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ফরহাদ মজহার বলেন, যদি আমরা বিশ্বসভায় শক্তিশালী স্থান অর্জন করতে চাই, তাহলে বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রে আমাদের অনেক উঁচু স্তরে পৌছাতে হবে।
আলোচনা সভায় বেরোবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, মৃত্যুর সামনে শহীদ আবু সাঈদের দুই হাত প্রসারিত ছবি পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের কর্ম ও চিন্তা সারা পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকবে। উপাচার্য আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামী দিনে শহীদ আবু সাঈদের এই বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠের আসনে অধিষ্ঠিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আলোচনা সভায় গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মোঃ হারুন-অর রশিদ এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্র্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াছ প্রামানিক বক্তব্য রাখেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবহন সংকটে জর্জরিত বাঙলা কলেজে শিক্ষার্থীদের স্বস্তির মুক্তি
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি বাঙলা কলেজ। প্রায় পনেরো হাজার শিক্ষার্থী সমৃদ্ধ এই কলেজটি নানা সমস্যা আর সংকটে জর্জরিত। এর মধ্যে অন্যতম হলো নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থার স্বল্পতা।
ছাত্র-ছাত্রী পরিবহণের জন্য এতোদিন বাস ছিলে মাত্র দুটো। ‘স্বাধীনতা’ ও ‘বিজয়’ নামে এ দুটো বাস নিয়মিত পরিবহন-সেবা দিয়ে আসলেও প্রায় সময়েই একটি চলমান থাকলে অপরটি বসিয়ে রাখতে হতো। যার ফলে, পর্যাপ্ত পরিবহনের অভাবে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিয়মিত ক্যাম্পাসে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের পড়তে হতো নানা ভোগান্তিতে। ভাড়া নিয়ে বাসের হেল্পারের সাথে বাক-বিতণ্ডা, নারী শিক্ষার্থীদের সাথে পরিবহন শ্রমিকদের অসদাচরণ; এসবের জেরে বাস আটকানো এখানকার নিয়মিত ঘটনা। ফলে প্রায়ই কলেজ প্রশাসনকে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সাথে আলোচনায় বসতে হতো। শিক্ষার্থীরা বার বার আলোচনায় বসার পরেও সমাধান না পেয়ে যারপরনাই বিরক্ত।
অবশেষে তাদের কিছুটা স্বস্তি মিলছে। কলেজের পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধিতে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে কলেজ প্রশাসন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কলেজের পরিবহণ পুলে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয়েছে বিআরটিসির একটি ডাবল ডেকার বাস, যার নামকরণ করা হয়েছে ‘মুক্তি’। নতুন এই বাস পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।
কলেজের পরিবহন কমিটি জানিয়েছে, ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীদের চাহিদা মেটাতে এই নতুন বাস সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (৩০শে এপ্রিল) সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে বাসটির উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কামরুল হাসান। নব সংযোজিত ‘মুক্তি’ বাসের উদ্বোধন পর্ব শেষে অধ্যক্ষ বলেন, “আজ আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা পরিবহন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল এবং আমার কাছে এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছিল। শিক্ষার্থীদের পরিবহন সমস্যা সমাধানে আমরাও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। মুক্তি বাস যুক্ত হওয়া একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। ভবিষ্যতে আরও বাস সংযোজনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সুগম করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
নতুন বাস যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করলেও আরো বাসের দাবি জানিয়েছেন তারা। শিক্ষার্থীদের মতে, বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর তুলনায় বাসের সংখ্যা এখনো অপ্রতুল। তিনটি বাস থাকলেও পরিবহনের দুর্ভোগ এখনো পুরোপুরি কমেনি। পরিবহনব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ উন্নতির জন্য আরও বাস সংযোজন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং রুট সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। তারা আশা করছেন, প্রতিশ্রুত বাসগুলো দ্রুত সরবরাহ করা হলে তাদের দীর্ঘদিনের পরিবহন দুর্ভোগ অনেকাংশে কমবে।
এ ব্যাপারে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাশেদুজ্জামান মন্ডল বলেন, ‘নতুন বাস আমাদের জন্য একটি বড় স্বস্তির বিষয়। এটি যাতায়াতকে আরও সহজ, নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী করবে। এখন থেকে ক্লাসে ছাত্রদের নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধির আশা করছি। তবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় আরও বাস যুক্ত না হলে পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়। আমরা আশা করি, কর্তৃপক্ষ দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে।’
কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘মুক্তি’ বাসটি প্রতিদিন সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে নবীনগর থেকে যাত্রা শুরু করে সাভার, হেমায়েতপুর, গাবতলী হয়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাবে এবং বেলা আড়াইটায় ক্যাম্পাস থেকে নবীনগরের উদ্দেশে রওনা দেবে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ৯ম বার্ষিক নাট্যোৎসব
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে আগামী ৪ মে থেকে শুরু হচ্ছে ৯ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৫।
আগামী ১২ মে পর্যন্ত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের জিয়া হায়দার থিয়েটার ল্যাবে ৯ দিনব্যাপী এই নাট্যোৎসব চলবে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নাট্য নির্দেশনা (ব্যবহারিক) কোর্সের (৪৬৫ নং) পরীক্ষার অংশ হিসেবে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা এবং ৭টা ৩০ মিনিটে দুটি করে ভিন্নধর্মী ও চিন্তাশীল নাটক মঞ্চস্থ হবে, যার মাধ্যমে মোট ১৮টি নাটক দর্শকদের সামনে উপস্থাপিত হবে।
এবারের নাট্যোৎসবে বাংলা সাহিত্য, বিশ্বসাহিত্য এবং সমকালীন জীবনের বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা ফুটে উঠবে। নবীন নাট্যনির্দেশকদের সৃজনশীলতা, নাট্যদৃষ্টি এবং পারফরম্যান্সের দক্ষতার মাধ্যমে প্রতিটি প্রযোজনা নান্দনিকভাবে মঞ্চায়নের জন্য তারা নিরলস পরিশ্রম করছেন। এই কোর্সের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।
৪ মে থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে প্রতিদিন দুটি করে নাটক মঞ্চস্থ হবে। উৎসবের উদ্বোধনী দিনে মঞ্চস্থ হবে ‘ইতি বিনোদিনী’ (নির্দেশনা: তৃপ্তি রাণী রায়) এবং ‘কোকিলারা’ (নির্দেশনা: মনিসা সাহা)। এরপর ৫ মে মঞ্চে আসবে ‘তেজ’ (নির্দেশনা: আফিয়া জাহান প্রার্থনা) এবং ‘ভার্সেস অব ব্লাড এন্ড ফায়ার’ (নির্দেশনা: মো. শাকিল আহমেদ)। ৬ মে উপস্থাপিত হবে ‘কোয়েশ্চান মার্ক’ (নির্দেশনা: জাফরিন হক তরু) এবং ‘লেডি আওই’ (নির্দেশনা: পিপাসা সাহা গৌরী)।
৭ মে দর্শকরা দেখতে পাবেন ‘বীক্ষণ’ (নির্দেশনা: পরাগ বর্মণ) এবং ‘পাখি’ (নির্দেশনা: ইশরাত জান্নাত)। ৮ মে মঞ্চস্থ হবে ‘ভেরোনিকার নতুন জীবন’ (নির্দেশনা: রাফেল আফ্রাদ) এবং ‘অতসী মামী’ (নির্দেশনা: ফারহানা আমবেরীন লিওনা)। ৯ মে প্রদর্শিত হবে ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’ (নির্দেশনা: পল্লব কুমার বিশ্বাস) এবং ‘জিনের বাদশা’ (নির্দেশনা: ফাতেমা তুজ যাহরা)।
১০ মে মঞ্চে আসবে ‘লবিং’ (নির্দেশনা: মো. শাহীন আলম) এবং ‘মৃত্যুঞ্জয়’ (নির্দেশনা: সামিয়া সুলতানা চারু)। ১১ মে উপস্থাপিত হবে ‘ডলস হাউজ’ (নির্দেশনা: প্রিয়াংকা রাণী দাস) এবং ‘গেম অব গ্রিড’ (নির্দেশনা: লাবণী রাণী পন্ডিত)। উৎসবের সমাপনী দিন ১২ মে মঞ্চস্থ হবে ‘দ্যা স্টেশনারি শপ অব তেহরান’ (নির্দেশনা: সুমাইয়া খান কানিজ) এবং ‘মুক্তি?’ (নির্দেশনা: হাবিবা আক্তার পিংকী)
আয়োজকরা বলেন, ‘থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি এই নাটকগুলো দর্শকদের জন্য একই সঙ্গে শিক্ষামূলক এবং আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হবে বলে আশাবাদী।’
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য