ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২০ মে, ২০২৫ ২০:৩০
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। মঙ্গলবার (২০ মে) পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর অর্থায়নে এবং ছাত্র বিষয়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মাসব্যাপী এই  কর্মসূচির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আট শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান এবং পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিরা শহীদ মিনার চত্বরে চারটি পলাশ গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, বাউরেস পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, অধ্যাপক ড. মো. মাসুম আহমাদ, রেজিস্ট্রার ভারপ্রাপ্ত ড. মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, বোটানিক্যাল গার্ডেনের কিউরেটর অধ্যাপক ড. মো. নেছার উদ্দীনসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পূবালী ব্যাংক বাকৃবি শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা গাছ কাটি, আবার নতুন করে রোপণ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাঁরা গাছপালার রক্ষণাবেক্ষণ বা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ থাকবে তারা যেন প্রতিটি গাছের বয়স, প্রজাতি ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে গবেষণা করেন এবং এসব তথ্য সংরক্ষণ করেন। শুধু কৃষ্ণচূড়া বা রাধাচূড়া নয়, আমসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ রোপণ করতে হবে, যেন আমাদের শিক্ষার্থীরা সেই ফল ভোগ করতে পারে।

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, পরীক্ষা ১২ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ এপ্রিল, ২০২৫ ২০:৫২
নিজস্ব প্রতিবেদক
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, পরীক্ষা ১২ এপ্রিল

বাকৃবি প্রতিনিধি:

কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ এপ্রিল। এ উপলক্ষে সব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে । পরীক্ষার্থীদের কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকায় একই দিন ‘মার্চ টু গাজা’ কর্মসূচির কারণে সড়কে যানজটের আশঙ্কা থাকায় সময় নিয়েই কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছে। এ বছর গুচ্ছ পদ্ধতির নেতৃত্বে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) রেজিস্ট্রার অফিসের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কৃষি গুচ্ছের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীন।

তিনি বলেন, এ বছর গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র ও ১৩টি উপকেন্দ্রে। পরীক্ষার্থীদের কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকায় একই দিনে “মার্চ টু গাজা” কর্মসূচির কারণে সড়কে যানজটের সম্ভাবনা থাকায় সময় নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কেন্দ্র পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাকৃবি ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, এ বছর গুচ্ছ পদ্ধতিতে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৮৬৩ এবং সর্বমোট ৯৪ হাজার ২০ জন ছাত্র-ছাত্রী আবেদন করেছে। আবেদনকারীদের মধ্যে ৪৬ হাজার ৯৩২ জন ছাত্র এবং ৪৭ হাজার ৮৮ জন ছাত্রী রয়েছে। প্রতিটি আসনের জন্য প্রতিযোগিতা করছে ২৫ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী । আগামী ১২ এপ্রিল ৯টি কেন্দ্রে ও ১৩ টি উপকেন্দ্রে বিকাল ৩ টা থেকে ৪টা একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও সম্ভাব্য আগামী ১৫ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কৃষি গুচ্ছ কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীন, বাকৃবি ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম ও শিক্ষা বিষয়ক শাখার এডিশনাল রেজিস্ট্রার মো. সারওয়ার জাহান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যবৃন্দ।

বাকৃবি কেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য ভর্তি পরীক্ষার দিন বেলা ১২ টার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও পরীক্ষার আগেরদিন রাত থেকে সকল স্থানে বিশেষ করে নদের পাড় এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। সন্ধ্যা ৭ টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নদে কোনো নৌকা চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস যাতে কোনোভাবেই না হয় সে বিষয়ে সর্বদা নজর রাখা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র প্রতিটি কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থা রাকা হয়েছে যাতে কতদূর, কেথায় প্রশ্ন পত্র যাচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করা যায়। এছাড়াও সর্বদা বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশের আগে তাদেরকে পুরোপুরিভাবে তল্লাশী করা হবে যাতে কোনো ডিভাইস বা পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের কোনো উপকরণ তাদের কাছে না থাকে।

উল্লেখ্য, কৃষি গুচ্ছের অওতাভূক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা,পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাকৃবিতে বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৮ নভেম্বর, ২০২৩ ১৯:১৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাকৃবিতে বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত

    বাকৃবি প্রতিনিধি: গাছের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৃক্ষমেলায় দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের সৌন্দর্য বর্ধনকারী গাছের চারার স্টল রাখা হয়েছিল।

    শনিবার (১৮ নভেম্বর) টিএসসি মিনি সম্মেলেন কক্ষে এই বৃক্ষমেলার আয়োজন করে বাকৃবি প্লান্ট লাভারস সংগঠন। মেলাটি সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গাছের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা যেন তাদের আবাসিক হলের রুমে, বারান্দায়, জানালার পাশে এইসব সৌন্দর্য বর্ধনকারী গাছের চারা টবে রেখে যত্ন করতে পারে এজন্য মেলায় দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস, সাকুলেন্ট, পথজ ইত্যাদি গাছের চারা বিক্রয় ও দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শন করা হয়। সল্প জায়গায় এসব গাছ লালনপালন করা যায় বলে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এই সমস্ত গাছের চারা মেলায় রাখা হয়েছিল। মেলায় গাছের চারার ১২ টি স্টল ছিল যার সবগুলো বাকৃবি শিক্ষার্থী পরিচালিত। এসব তথ্য জানান বাকৃবি প্লান্ট লাভারের প্রতিষ্ঠাতা ও এই মেলার প্রধান আয়োজনকারী কৃষিবিদ সানজিদা সাকি বৈশাখি।

    মেলা পরিদর্শন করতে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আফরিনা মুস্তারি, সহকারী প্রক্টর মো. শরীয়ত-উল্লাহ ও ড. মো. আরিফ সাকিল।

    এসময় সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আফরিন মুস্তারি বলেন , এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ছাত্ররা যারা বিভিন্ন সৌন্দর্য বর্ধনকারী গাছ লাগায় সেই গাছগুলো সহজপ্রাপ্য করা। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশন থেকে চেষ্টা করব আগামী বছর থেকে এই মেলাটি বড় পরিসরে হেলিপ্যাড বা করিডোর এরকম উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন করতে। যাতে অনেক দর্শণার্থী এই মেলায় আসতে পারে। প্রকৃতি কন্যা খ্যাত বাকৃবিতে এমনিতে অনেক ধরনের গাছ পাওয়া যায় তারপরও আমাদের শিক্ষার্থীরা এর ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি এরকম মেধাবৃত্তিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সব সময় পাশে থাকবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাকৃবি এসোসিয়েট প্রফেসর’স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৪ অক্টোবর, ২০২৩ ১৬:৫৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বাকৃবি এসোসিয়েট প্রফেসর’স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

      বাকৃবি প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সহযোগী অধ্যাপকদের সংগঠন এসোসিয়েট প্রফেসর'স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ সায়েম সভাপতি এবং এনাটমি এন্ড হিস্টোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান সিদ্দিকী সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।

      সংগঠনের আহবায়ক ড. রাখী চক্রবর্ত্তী এবং সদস্য সচিব ড. মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।

      নবগঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোছা সোনিয়া পারভীন, কোষাধ্যক্ষ কৃষি অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রিফাত আরা জান্নাত তমা, যুগ্ম-সম্পাদক সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রায়হানা নাসরীন ফেরদৌসী, সাংগঠনিক সম্পাদক পশুপুষ্টি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মমতা রানী দেবী, তথ্য-প্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া মনোনীত হয়েছেন।

      এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন- কৃষি রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মৌসুমি আক্তার, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খালিদ মাহমুদ, ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মরিয়ম, কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মো শরীয়ত-উল্লাহ, কৃষিতত্ত¡ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো শফিকুল ইসলাম।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বাকৃবিতে গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদানের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ২১:৩৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বাকৃবিতে গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদানের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

        বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আন্তর্জাতিক ছাত্র সংগঠন স্মার্ট এগ্রো টেকনোলজি ইনোভেশন ইয়ুথ নেটওয়ার্ক (সায়ান) আয়োজিত গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদান প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। ‘ভবিষ্যৎ কৃষির অবকাঠামো গঠনে স্মার্ট উদ্ভাবন’ শীর্ষক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দলীয় ধারণা উপস্থাপন করেন বিজয়ী প্রতিযোগীরা।

        প্রতিযোগিতায় প্রাথমিকভাবে সেরা দশটি গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে সেরা তিনটি ধারণা উপস্থাপনকারী প্রতিটি দলকে পুরস্কার হিসেবে সনদ, ক্রেস্ট এবং চারশত ডলার দেওয়া হয়। দলগুলো হলো খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রো-প্রটেক্টর দল, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় অব টেকনোলজির সমন্নিত জেন-গ্যাপ দল এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইলেজ-স্যাভি দল।

        অনুষ্ঠানে সেরা তিনটি দল তাদের ধারণার বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি ধারণগেুলোকে গবেষণায় কাজে লাগিয়ে কৃষির ওপরে তার প্রভাব নিয়েও আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থাপিত ধারণাগুলোর উপর একটি উম্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজিত হয়।

        অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন কনসোর্টিয়াম (এএসএমসি) প্রকল্প পরিচালক ও যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রশান্ত কে. কালিতা এবং সেনেগালের ইন্সটিটিউট সেনেগালাইস দ্য রিসারসেস এগ্রিকোলস এর পরিচালক ড. অ্যালিয়ুু ফায়ে।

        এসময় কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশে আমরা এখন কৃষি যান্ত্রিকীকরণের খুব একটা সম্ভাব্য সময়ে আছি। দেশকে শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে নিতে দিনে দিনে শিল্পকারখানার সংখ্যা বাড়ছে। ফলস্বরূপ কৃষি শ্রমিকেরা শিল্পকারখানাগুলোর দিকে বেশি ঝুঁকছেন। এই শ্রমিক সংকট দূর করার জন্য হলেও কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ জরুরি। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ গবেষণার এসকল ছোটো আকারের উদ্ভাবনী চিন্তাগুলোর মাধ্যমেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। স্মার্ট কৃষির স্বপ্নকে লালন করতে হবে। স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

        এসময় ড. অ্যালিয়ুু ফায়ে বলেন, সেনেগালের জলবায়ু কৃষি কাজের জন্য খুব একটা উপযোগী নয়। বিশেষ করে সেনেগালে খুবই অল্প পরিমাণে বৃষ্টি হয় যার কারণে আমাদের কৃষিজ উৎপাদন অনেক কম। বর্তমানে আমাদের দেশেও কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তরুণসমাজকে কৃষির সাথে সম্পৃক্ত হতে অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে।

        অধ্যাপক প্রশান্ত কে. কালিতা বলেন, কৃষি এবং যান্ত্রিকীকরণ একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। যান্ত্রিকীকরণ ছাড়া বর্তমান কৃষি চিন্তা করা যায় না। বিশেষত বাংলাদেশের মতো ছোটো আয়তনের দেশে যান্ত্রিকতার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের সাথে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করাও এখন কৃষির একটি লক্ষ্য। ছাত্রদের কাছে থেকে বিভিন্ন গবেষণার যে ধারণাগুলো পাওয়া যায় সেগুলো নিয়ে আরো বিস্তারিত কাজ করা দরকার। বাংলাদেশের জমিগুলো দিনে দিনে খন্ডিত হচ্ছে। জমির আকার ছোটো হচ্ছে। ছোটো জমির জন্যে উপযুক্ত যন্ত্রপাতি তৈরি করতে হবে। সেগুলোর অর্থনৈতিক সুবিধা কৃষকদের বোঝাতে হবে।

        উল্লেখ্য, সায়ান থেকে গত ২৮ মার্চ কৃষি বিষয়ক গবেষণার বিষয়বস্তু ধারণা প্রদানের জন্য সার্কুলার দেওয়া হয়। জমাকৃত ধারণাগুলো থেকে ২৮ আগস্ট সেরা দশটি ধারণা বাছাই করে ফলাফল জানানো হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত