ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর রত্ন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৬ মে, ২০২৫ ১৩:৩০
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর রত্ন

বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজের পদ্মপুকুর তার অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য সুপরিচিত। প্রাচীন স্থাপত্যের দৃষ্টিনন্দন  ভবন, সবুজ গাছের সমারোহ এবং মনভোলানো শান্ত পরিবেশের মধ্যে অবস্থিত এই পুকুরটি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের অবসর সময়ের প্রিয় স্থান। বর্ষা ও শরৎকালে পুকুরের পানিতে ভাসমান ফুটে থাকা গোলাপি, সাদা ও লাল পদ্মের পাশাপাশি বাহারি রঙের শাপলা ফুল

ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যে সংমিশ্রণ ঘটায় নৈসর্গিক পরিবেশের। পদ্ম আর শাপলা ফুলে আচ্ছাদিত এই পরিবেশ যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক নিপুণ চিত্রকর্ম।

রাজশাহী কলেজের দৃষ্টিনন্দন লাল প্রাচীন স্থাপত্য প্রশাসন ভবনের পেছনে অবস্থিত পদ্ম পুকুরটি বছরের বেশিরভাগ সময় জুড়েই পদ্ম আর শাপলা ফুল ভরপুর থাকে। ভোরের সূর্যের আলো যখন পদ্মপাতার উপর শিশির বিন্দুর সাথে প্রতিফলন সৃষ্টি করে, তখন সেই দৃশ্য মনের সকল খারাপ লাগাকে দূরে ঠেলে প্রকৃতির প্রেমকে কাছে টানে। পুকুরের চারপাশে সবুজ ছায়াঘেরা গাছ, ভোরের পাখিদের কলকাকুলি আর দক্ষিণা বাতাসের মৃদু শিহরণ সব মিলিয়ে  প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্য কে বিলিয়ে দিয়েছে। 

পদ্ম পুকুর শুধু সৌন্দর্য উপভোগ করাই নয়, ক্লাস শেষে  শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তির এক বিরল স্থান। ক্লাস শেষে  অথবা পরীক্ষার পূর্বে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ নিরসনে পদ্ম পুকুর তার সবটুকু ভালোবাসা বিনিয়ে শিক্ষার্থীদের মনকে প্রশান্তি দিয়ে থাকে। অবসর সময়ে শিক্ষার্থীরা পদ্ম পুকুরের ধারে বসে কবিতা, ছবি এঁকে প্রকৃতিকে অনুভব করে।

বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা: রাবেয়া খাতুন তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, পদ্মফুল প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি যা সৌন্দর্য, পবিত্রতা ও শান্তির প্রতীক। পদ্মফুল শুধু একটি ফুল নয়, এটি আমাদের জীবনের নানা দিক উন্মোচন করে। এর রং সৌন্দর্য আমাদের বিমোহিত করে। এমনই একটি বিমোহিত স্থান আমাদের রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর যা সবসময় শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী রবিউল হাসান মিন্টু বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাস শেষে একঘেয়েমি দূর করতে অথবা মন খারাপের দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের মন ভালো করতে পদ্ম পুকুর নিত্য দিনের সঙ্গী। পদ্ম পুকুর শুধু রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে নয়, বিভিন্ন দর্শনার্থী মাঝেও তার সৌন্দর্যে স্থান করে নিয়েছে।

কলেজ প্রশাসনের সহযোগিতায় ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পদ্ম পুকুর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কারের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তার সৌন্দর্য দিয়ে সকলকে মুগ্ধ করে চলছে।   

দেশের প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর কেবল একটি জলাধার নয়, এটি প্রকৃতির এক জীবন্ত চিত্র। এটি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের সৌন্দর্য, প্রশান্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস। 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

তরুণদের দ্বীনের পথে আহ্বানে রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির ব্যতিক্রমি উদ্যোগ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৫ মে, ২০২৫ ১৭:৫৯
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
তরুণদের দ্বীনের পথে আহ্বানে রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির ব্যতিক্রমি উদ্যোগ

রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির উদ্যোগে সম্প্রতি তরুণদের ইসলামের মূল মূল্যবোধ ও দ্বীনের পথে চলার প্রতি উদ্বুদ্ধকরণে ফিলিস্তিন ও উম্মাহর প্রতি দায়িত্ব শীর্ষক ব্যতিক্রম সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বর্তমান সময়ের তরুণ সমাজ নানা প্রলোভন ও বিভ্রান্তির শিকার বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের দ্বীনি শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করতে আলোচকরা বক্তব্য রাখেন।

রবিবার (২৫ মে ) সকাল ১০ টায় রাজশাহী কলেজের কেন্দ্রীয় মসজিদে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী এই সেমিনারটির উদ্বোধন করেন। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আদ-দাওয়াহ ইলাল্লাহর পরিচালক আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক। আরো উপস্থিত ছিলেন, মুহতামিম জামিয়া আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা মুফতি আব্দুল্লাহ তালহা (হাফি.), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার মাহমুদুল হাসান, রাজশাহী কলেজ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব ষষ্টিতলা শাইখ মুফতি নূর মুহাম্মাদ (হাফি)। 

সেমিনারে প্রধান আলোচক আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক  বর্তমান ফিলিস্তিনের দুর্দশার কথা তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মের সামনে ইসলামিক নানা দিক বিষয়ে আলোচনা রাখেন। তিনি বলেন এই যুগের মুসলমানরা আজকের বানু ইসরাইল। গোলামি আজকের দিনের মুসলমানদের রক্তে মিশে আছে। মুসলমানরা আজকে গোলামি ছাড়া স্বাধীনভাবে কিছু চিন্তা করতে পারে না।

তিনি বলেন আমাদের কে অতীতের বানু ইসরাইল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। মুসলমানরা আজ পর্যন্ত কখনো নিজেদের শক্তির বলে কোনো যুদ্ধ জয় করতে পারেনি, জয় করেছে আল্লাহর প্রতি ইমান আর ভরসা রাখার ফলে।
আমাদের কে গোলামি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, তা না হলে আমরা কখনো পূর্ণ বিজয়ের স্বাদ অর্জন করতে পারবো না।

সেমিনারে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। 

উল্লেখ্য রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটি শিক্ষার্থীদের দ্বীনের প্রতি আহ্বানে বিভিন্ন সময় কলেজ ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা, ইসলামি শাসনব্যবস্থা, নৈতিকতা, জীবন দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির এই ব্যাতিক্রমি উদ্যোগ তরুণদের দ্বীনের পথে নিয়ে আসতে ভবিষ্যতে ভবিষ্যতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড আরও প্রসারিত হলে যুব সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত হবে এবং দেশের সার্বিক নৈতিক উন্নতি সাধিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সংগঠনটির আয়োজকরা।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘আমি যেন বার বার ফিরে আসতে পারি আপনাদের হৃদয়ে’

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৪ মে, ২০২৫ ১৭:৫১
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ‘আমি যেন বার বার ফিরে আসতে পারি আপনাদের হৃদয়ে’
    সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা

    দীর্ঘ ৩১ বছর ৫ মাসের অনন্য শিক্ষকতা জীবনের ইতি টেনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছেন সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা। চাকরি জীবনে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরজনিত ছুটিতে গমন করেছেন তিনি। এই সুদীর্ঘ পথচলায় রেখে গেছেন অসংখ্য স্মৃতি, ভালোবাসা, সাফল্যের গল্প এবং অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষী। 

    বৃহস্পতিবার (২২ মে) কলেজের অডিটোরিয়ামে অবসরগ্রহণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুসজল ভালোবাসায় সিক্ত হন গুণী এই অধ্যাপিকা।

    কুমিল্লা শহরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা পেশাগত জীবনে যাত্রা শুরু করেন ১৯৯৩ সালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে। পরবর্তীতে তিনি ইডেন মহিলা কলেজে প্রায় পাঁচ বছর এবং ধামরাই সরকারি কলেজে এক বছর দুই মাস শিক্ষকতা করেন। ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি সরকারি বাঙলা কলেজে যোগ দেন এবং এখানেই শিক্ষকতা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি অতিক্রম করেন।

    শুধু একাডেমিক শিক্ষাদানেই নয়, শিক্ষার্থীদের মানবিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশেও তিনি রেখেছেন অসামান্য অবদান। মঞ্চনাটক, বিতর্ক, উপস্থাপনা ও সাহিত্যচর্চায় শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে গড়ে তুলেছেন এক উজ্জ্বল অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

    বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক প্রতিনিধি, স্পোর্টস কমিটির সদস্য এবং কলেজের সাহিত্য সাময়িকী ম্যাগাজিনের সঙ্গেও যুক্ত। প্রতিটি ভূমিকায় তিনি রেখেছেন পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর ও মমতার পরশ।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবেগঘন কণ্ঠে অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা বলেন, “জীবনের তিনটি বড় প্রাপ্তি—সুস্থতা, সম্মান ও অর্জন। আমি তা পেয়েছি। আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমি চাই, ভালোবাসার মধ্যেই যেন বারবার ফিরে আসতে পারি আপনাদের হৃদয়ে।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা স্মৃতিচারণ করেন তার পাঠদান, স্নেহ এবং পথপ্রদর্শনার কথা। কেউ কেউ চোখ মুছতে মুছতে বলেন—“তিনি শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন একজন অভিভাবক, একজন আশ্রয়।”

    অধ্যাপক সাবিহা সুলতানার বিদায় যেন এক যুগের অবসান হলেও, তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ, চিন্তাধারা ও মূল্যবোধ চিরকাল বেঁচে থাকবে শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে। শিক্ষকতা পেশার অনন্য আলো হয়ে তিনি রয়ে যাবেন সকলের অনুপ্রেরণায়।

    মন্তব্য

    ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন ১ম পুনর্মিলনীতে

    প্রাক্তনদের পদচারণায় মুখরীত হতে যাচ্ছে হাপুনিয়া মহাবাগ স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাস

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ মে, ২০২৫ ১৫:৫৪
    অনলাইন ডেস্ক
    প্রাক্তনদের পদচারণায় মুখরীত হতে যাচ্ছে হাপুনিয়া মহাবাগ স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাস

    শেরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাপুনিয়া মহাবাগ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বহু প্রতীক্ষিত পুনর্মিলনী ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    ‘চলো মাটি উচ্ছ্বাসে, ফিরে যাই ক্যাম্পাসে’—এই প্রাণবন্ত স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজক কমিটি সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

    প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে র‍্যালি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, আলোচনা সভা, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় আয়োজন থাকবে। এছাড়াও, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন  গঠন করা হবে যা হবে অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান অংশ।

    আয়োজকরা জানিয়েছেন, অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে ১২ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত। আগ্রহী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুনর্মিলনী নিয়ে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর প্রিয় ক্যাম্পাসে পা রাখতে পারা পুরনো স্মৃতি আর ছাত্রজীবনের সোনালি দিনগুলোকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেবে।

    আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ব্যতিক্রমী এই পুনর্মিলনী হবে স্মরণীয় এক মিলনমেলা।

    তাঁদের বিশ্বাস, এই পুনর্মিলনী পুরনো বন্ধুদের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

    মন্তব্য

    সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের আল্টিমেটাম শেষ হচ্ছে বিকেলে

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১৮ মে, ২০২৫ ১৪:১২
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের আল্টিমেটাম শেষ হচ্ছে বিকেলে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের প্রজ্ঞাপনের দাবিতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (১৮ মে) বিকেল ৪টায়এ আল্টিমেটাম শেষ হচ্ছে। 

    গতকাল শনিবার (১৭ মে) বিকেল ৪টায় ইডেন মহিলা কলেজের ১ নম্বর গেটের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এই আল্টিমেটামসহ ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে যৌথভাবে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর টিমের সদস্য ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী জাফরিন আক্তার এবং ঢাকা কলেজের ছাত্র তানজিমুল আবিদ।

    বক্তব্যে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা। দাবিগুলো হলো:
    ১) রোববারের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
    ২) অন্তর্বর্তী প্রশাসকের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর সেশনজট নিরসনসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে ভুতুড়ে ফলাফলেরর সমাধান, বিভিন্ন ইস্যুতে অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধসহ যাবতীয় অসঙ্গতিগুলো স্পষ্টভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
    ৩) অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠনের পরবর্তী ২ কার্যদিবসের মধ্যে ২০২৪-২৫ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
    ৪) আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা এবং লোগো/মনোগ্রাম প্রকাশ করতে হবে।
    ৫) আগামী এক মাসের অর্থাৎ আগামী ১৬ জুন, ২০২৫ খ্রি. এর মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। একই সঙ্গে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাজেটে নবগঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে।

    লিখিত বক্তব্যে সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘রোববারের মধ্যে যদি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি না হয়, তাহলে সোমবার (১৯ মে) থেকে আমরা আবার মাঠের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। এ কর্মসূচি কেমন হবে, সেটা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেব। একই সঙ্গে আমরা বাকি দাবিগুলোর বিষয়েও নজর রাখবো। আমাদের যদি আবার মাঠে নামতে হয়, তাহলে এবার নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ নিয়েই ক্যাম্পাসে ফিরবো। এজন্য সড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির পরিবর্তে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিগুলো আমরা বেছে নেব।’

    উল্লেখ্য, চব্বিশ ঘন্টার আল্টিমেটাম প্রায় শেষ হলেও সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের রূপরেখা প্রকাশ করে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় নি।

    মন্তব্য
    সর্বশেষ সংবাদ
      সর্বাধিক পঠিত