ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দুদকের তলবে হাজির হননি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দুই পিও

অনলাইন ডেস্ক
২০ মে, ২০২৫ ২০:৩৯
অনলাইন ডেস্ক
দুদকের তলবে হাজির হননি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দুই পিও
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সাবেক (পিও) তুহিন ফারাবি ও ডা. মাহমুদুল হাসান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ডাকে হাজির হননি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সাবেক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) তুহিন ফারাবি ও ডা. মাহমুদুল হাসান।  

ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদেরকে মঙ্গলবার (২০মে) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানের কথা ছিল। তবে তারা কেউই হাজির হননি।

মঙ্গলবার (২০ মে) দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন এ বিষয়ে বলেন, তলবকৃত দুই ব্যক্তিকে আজ তলব করা হলেও তারা উপস্থিত হননি। এমনকি সময় বৃদ্ধির জন্য তারা কোনো আবেদনও করেননি। এটা তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল দুদকের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারা যদি এ সুযোগ না নেন এটা তাদের বিষয়।

তিনি বলেন, তাদের অনুপস্থিতির কারণে দুদকের অনুসন্ধান থেমে থাকবে না। দুদকের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলমান থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ হলে দুদকের টিম তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দিবে। প্রতিবেদনের আলোকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ মে তাদের তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। একই দিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে ২১ মে এবং যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনকে ২২ মে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি দেওয়া হয়।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল উপদেষ্টাদের এপিএস ও পিওর দুর্নীতি অনুসন্ধান শুরু করার দাবি নিয়ে দুদকে আসে যুব অধিকার পরিষদ। মার্চ টু দুদক কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুদকে আসে। পরে দলটির পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল দুদকে স্মারকলিপি জমা দেয়।

এ ছাড়া হাইকোর্টের দুই আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাদিম মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামও প্রায় একই ধরনের অভিযোগ দুদকে দাখিল করেন। অভিযোগে ওই দুজন ছাড়াও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (ছাত্র প্রতিনিধি) ডা. মাহমুদুল হাসানেরও নাম রয়েছে।

গত ২২ এপ্রিল যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন পদত্যাগ করেন। এর আগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের পিও ছাত্র প্রতিনিধি তুহিন ফারাবিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

গত ২৫ এপ্রিল নিজের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের বিষয়ে দুদককে তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে জানান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

অন্যদিকে, গত ২১ এপ্রিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে দল থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। চলতি বছরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবই ছাপানোর কাগজ কেনায় কমিশন বাণিজ্য নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে তার নাম উঠে আসে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ধর্ষণ মামলায় কারাগারে সংগীতশিল্পী নোবেল

    অনলাইন ডেস্ক
    ২০ মে, ২০২৫ ১৫:৩৯
    অনলাইন ডেস্ক
    ধর্ষণ মামলায় কারাগারে সংগীতশিল্পী নোবেল

    অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (২০ মে) দুপুরে নোবেলকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডেমরা থানার পুলিশ পরিদর্শক মুরাদ হোসেন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্র পক্ষে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া উদ্দিন আহমেদের আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    এর আগে সোমবার রাত ২টার দিকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারের বাসা থেকে নোবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান জানান, গতকাল ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে অপহরণ, জিম্মি করে বিয়ের প্রলোভনে সাত মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছিল অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, (মামলা নং ৩২)।

    জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেলের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। 

    এর আগে ২০২৩ সালে নোবেলকে গ্রেপ্তার করেছিল ডিবি পুলিশ। প্রতারণার অভিযোগে এক মামলায় সেবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।

    মন্তব্য

    সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্ক
    ২০ মে, ২০২৫ ১১:৪৫
    অনলাইন ডেস্ক
    সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল গ্রেফতার

    নারী নির্যাতন মামলায় সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তার করেছে ডেমরা থানা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২০ মে) ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স) মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিন দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানায় পুলিশ।

    নোবেল এক সময় গান দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নিলেও ব্যক্তিগত জীবন ও নানা বিতর্কিত আচরণে তিনি আজ অনেকটা ভিন্ন পরিচিতিতে পরিচিত।

    এর আগেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন নোবেল। দুই বছর আগে প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। অভিযোগ ছিল, একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য অগ্রিম অর্থ নিয়েও তিনি সেখানে যাননি। সেই ঘটনায় ২০২৩ সালে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: আছিয়ার রায় ১২ কার্যদিবসে, বাকি ধর্ষণ মামলাগুলোও কি ৯০ দিনে রায় পাবে?

    গানের মঞ্চেও বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন এই শিল্পী। ২০২৩ সালে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী ডিগ্রি কলেজের ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়ে মদ্যপ অবস্থায় উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত দর্শকরা তার দিকে জুতা ও পানির বোতল ছুড়ে মারেন। সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

    গানের রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-তে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। ‘তোমায় দিলাম’, ‘তোমার মনের ভেতর’—এর মতো গান দিয়ে বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেন। কিন্তু জনপ্রিয়তার পাশাপাশি নিয়মিতভাবেই তার নাম উঠে এসেছে বিভিন্ন বিতর্কে।

    ব্যক্তিগত জীবনেও অস্থিরতা পিছু ছাড়েনি। একাধিকবার বিয়ের খবর এসেছে সংবাদ শিরোনামে। ২০১৯ সালে সালসাবিল মাহমুদকে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন, তবে সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি—অভিযোগ ছিল, তিনি মাদক ছাড়তে পারেননি। এরপর ২০২৩ সালের শেষ দিকে ফের বিয়ের খবরে সামনে আসেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নিরীহ কাউকে হয়রানি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৯ মে, ২০২৫ ১৮:২৬
      অনলাইন ডেস্ক
      নিরীহ কাউকে হয়রানি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

      নিরীহ কাউকে হয়রানি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। 

      সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে জুলাই আন্দোলনের গ্রেফতারের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

      জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গার্মেন্টস কর্মীদের বোনাস মে মাসের মধ্যে ও বেতন ১-৩ জুনের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি মালিকদের মানতে হবে। তবে, অযৌক্তিক কোন দাবি নিয়ে রাস্তায় নামলে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।

      স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রতি বছরের মতো ঈদের আগে আমরা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা করলাম। এখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সেক্টরের অনেকেই ছিলেন। আপনারা জানেন যে আমাদের গরুর হাটগুলো শৃঙ্খলার মধ্যে থাকে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে যেসব গরুর গাড়ি আসবে, সে সবের সামনে সুনির্দিষ্ট হাটের তথ্য থাকতে হবে। যেখানে-সেখানে গরু নামাতে পারবে না। নামালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তায় গরু না নামিয়ে, নির্ধারিত স্থানে নামাতে হবে।

      জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো  বলেন, প্রতিটি হাটেই আনসার রাখতে হবে। কিছু হাটে ৭৫ জন করে আবার কিছু হাটে এর কম-বেশি হতে পারে। নিরাপত্তার পাশাপাশি পশুর চিকিৎসক থাকতে হবে। 

      তিনি বলেন, কোনোভাবেই যেন অসুস্থ গরু বিক্রি না হয়। অনেক সময় গরুর আঘাতে মানুষ আহত হয়, এজন্য ফার্স্ট এইডেরও ব্যবস্থা রাখতে হবে।

      গরুর হাটের হাসিলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বছর শতকরা ৫ টাকা হাসিল নিলেও আগামী বছর ১০০ টাকায় ৪ টাকা নিতে হবে। টেন্ডার হয়ে যাওয়ায় এ বছরই এটা করতে পারলাম না। এ নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছি। আর ঈদের ৫ দিন আগে থেকে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। ঈদের পর তিন দিন চলাচল বন্ধ থাকবে। এটা কোনো অবস্থায় রাতে চলতে পারবে না।

      চলমান অনেকগুলো আন্দোলনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দাবি-দাওয়া তো থাকবেই। এ জন্যই তো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দাবি-দাওয়া থাকবে, পূরণ হবে। আবার কেউ নতুন দাবি নিয়ে আসবে। আমি বলবো, যাদের যৌক্তিক দাবি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যেন তা মেনে নেয়। কেউ যেন অযৌক্তিক দাবি না করে। আর আমি সবার কাছে অনুরোধ করবো, দাবির আন্দোলন যাতে নিজস্ব কমপ্লেক্সের মধ্যে হয়। রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বা সাধারণ জনগণের ভোগান্তি করে যেন না হয়।

      মন্তব্য

      বিএনপি গায়ের জোরে নগর ভবন বন্ধ করে আন্দোলন করছে : উপদেষ্টা আসিফ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৯ মে, ২০২৫ ১৮:১৭
      অনলাইন ডেস্ক
      বিএনপি গায়ের জোরে নগর ভবন বন্ধ করে আন্দোলন করছে : উপদেষ্টা আসিফ

      বিএনপি গায়ের জোরে নগর ভবন বন্ধ করে আন্দোলন করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

      ডিএসসিসি মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে নগর ভবনের সামনে চলমান আন্দোলন নিয়ে সোমবার (১৯ মে) বিকেলে ফেসবুকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

      আসিফ মাহমুদ ওই পোস্টে লিখেছেন–

      প্রথমত,
      আর্জি সংশোধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায় ভায়োলেট করে নির্বাচন কমিশন ট্রাইবুনাল এই রায় প্রদান করেছে।

      দ্বিতীয়ত,
      নির্বাচন কমিশন শুনানিতে অংশগ্রহণ না করায় একপাক্ষিক রায় হয়েছে এবং পরবর্তীতে কমিশন আপিলও করেনি।

      তৃতীয়ত,
      আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হলেও মতামত দেওয়ার আগেই এবং একইসঙ্গে দুইজন নাগরিকের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশ উপেক্ষা করে রাত ১০টায় গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

      dhakapost

      চতুর্থত,
      ওই মামলায় স্থানীয় সরকার বিভাগ পক্ষভুক্ত ছিল না এবং রায়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি কোনো নির্দেশনার উল্লেখ নেই।

      পঞ্চমত,
      শপথ না দেওয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বিভাগকে বিবাদী করে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, যা এখনও বিচারাধীন।

      ষষ্ঠত,
      বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত মামলায়, আর্জি সংশোধন সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়কে আমলে নিয়ে খারিজ করেছে ট্রাইব্যুনাল। ফলে ট্রাইবুনালের দ্বিমুখী অবস্থান বোধগম্য হচ্ছে না।

      সপ্তম,
      মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিয়েছে; কতদিন মেয়র থাকবেন বা আদৌ মেয়াদ আছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

      অষ্টম,
      নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে ‘কোনো প্রকার আইনি জটিলতা না থাকলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ’ এর কথা বলা হয়েছে। স্পষ্টতই বিতর্কিত রায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি কোনো নির্দেশনা না থাকা, লিগ্যাল নোটিশ এবং রিট পিটিশন বিচারাধীন থাকা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা রয়েছে।

      নবম,
      এই জটিলতা নিরসনে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।

      দশম,
      আওয়ামী আমলের অবৈধ নির্বাচনগুলোকে বৈধতা দেওয়ার প্রশ্নও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বীকার করে যে আওয়ামী আমলের নির্বাচনগুলো বৈধ, তবে সরকারের জন্য এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে না।

       

      উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং উপরোল্লিখিত জটিলতা নিরসন না করা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ সম্ভব নয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি এ আন্দোলন চালাচ্ছে। ফলে সিটি কর্পোরেশনের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হওয়াসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

      এসব জটিলতা নিরসন হলে স্থানীয় সরকার বিভাগের শপথ দিতে কোনো সমস্যা নেই। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে ইশরাক হোসেনের এই আক্রমণাত্মক ও অপমানজনক কার্যক্রমের কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না! আবার কেও বলবেন না যে এটা সাধারণ জনগণ করছে, কারণ বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন গ্রুপের নির্দেশনা এবং গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী দলীয় নেতাকর্মীরাই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত