ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ মিউজিয়ামে রূপান্তর করা হবে: ফারুকী

অনলাইন ডেস্ক
১৯ মে, ২০২৫ ১৭:৫৯
অনলাইন ডেস্ক
জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ মিউজিয়ামে রূপান্তর করা হবে: ফারুকী

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ১৬ বছর বন্ধ ছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর জাদুঘরের যে বাজেট ছিল তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ মিউজিয়ামে রূপান্তর করা হবে। সেজন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। 

তিনি বলেন, ‘যেহেতু জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, তাই এ জাদুঘরে জিয়াউর রহমানের পুরো জীবনের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে। এটি সময়সাপেক্ষ বিষয়। এর জন্য জিয়াউর রহমানের জীবনী নিয়ে গবেষণা করা দরকার এবং জাদুঘরের বিষয়ে সুন্দর করে জানানোর জন্য কিউরেটর নিয়োগ করা দরকার।’

আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে চট্টগ্রামে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। 

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা অল্প কয়েকদিনের সরকার। ফলে আমাদের কাজ মূলত কালচারাল ক্ষেত্রে কিছু বড় পরিসরে কাজ করা। সেটা আপনারা ইতোমধ্যেই দেখেছেন যে স্বাধীনতার পরে এই বছর সবচেয়ে বড় নববর্ষ পালন করা হয়েছে। চাঁদ রাতে ঈদের অনুষ্ঠান হয়েছে আবার বৌদ্ধ পূর্ণিমার অনুষ্ঠানও হয়েছে। এগুলোর মূল কারণ হচ্ছে- বাংলাদেশের সংস্কৃতি যেন বাংলাদেশের সবার হয়ে ওঠে। কোনো একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর যেন না হয়। সেই কাজটা আমরা কিছু কিছু করছি।’

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য তুলে ধরে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘জব্বারের বলি খেলা দেশের সংস্কৃতির বড় একটি অংশ। চট্টগ্রামের নাম বললেই জব্বারের বলি খেলা চলে আসে। আগামী বছর থেকে জব্বারের বলিখেলা ও সাম্পান বাইচের সঙ্গে যুক্ত হবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। 

তিনি বলেন, ‘আমরা এটুকু বলতে পারি যে, জব্বারের বলি খেলা এখন থেকে বাংলাদেশের কালচার হেরিটেজের একটা গুরুত্বপূর্ণ  জিনিস হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটা আরও অনেক আগে হওয়া উচিত ছিল।’

সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘এগুলো মানুষেরই আয়োজন, স্থানীয় পর্যায়ে হচ্ছে। সরকারের সাহায্যের দিকে তারা কখনো তাকায়নি। কোনো স্বীকৃতিও তারা চায়নি। তারা তাদের কাজ করছে। কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে- তার দেশের মানুষের করা গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পৃথিবীর কাছে তুলে ধরা, এবং সেই কাজটা আমাদের করা উচিত। কিন্তু ৫৪ বছর দেরি হয়ে গেছে। জব্বারের বলিখেলা ও সাম্পান বাইচকে আমাদের কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে আমাদের ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা চট্টগ্রাম থেকে শুরু হলো। শুধু চট্টগ্রামে হবে তা না, সারাদেশের হবে। আমরা তালিকা করার কাজ শুরু করেছি।’ 

তিনি বলেন, ‘সাম্পান চট্টগ্রামের হার্ট। নিউইয়র্ক শহর যেমন কল্পনা করা যায় না হলুদ ট্যাক্সি ছাড়া তেমনি চট্টগ্রাম কল্পনা করা যায় না সাম্পান ছাড়া। তাই এবার চট্টগ্রাম আসার আগে প্রথমে এইসব উৎসবের তালিকা করার জন্য কাজ দিয়েছি আপাতত শিল্পকলা একাডেমিকে। তারা তালিকাটা করছে। এই তালিকা হওয়ার পরে এগুলো আমাদের ক্যালেন্ডারের মধ্যে ঢুকবে এবং ঢাকা থেকে আমরা এই কাজগুলোকে ফ্যাসিলেটেইড করার চেষ্টা করবো।’ 

দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার আগে ‘নোট টু সাকসেস’ নিয়ে প্রেস কনফারেন্স করা হবে জানিয়ে সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অনেকগুলো কাজ করছি। যাওয়ার আগে আমরা একটা ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছি; আগামী ৫ বছরে কী করা উচিত, ১০ বছরে কী করা উচিত। যাওয়ার আগে আমি একটা প্রেস কনফারেন্স করে নোট টু সাকসেস তৈরি করে যাবো। পরবর্তীতে আমার পরে যে আসবে নির্বাচিত হয়ে, তার উদ্দেশ্যে আমার উপলব্ধি নোট আকারে দিয়ে যাবো। উনি যদি ফিল করেন এখান থেকে উনার নেয়ার মতো কিছু আছে তাহলে উনি নিবেন। আশা করি দেশের কাজে লাগাবেন।’ 

এসময় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলিখেলা নিয়ে বক্তব্য রাখেন বলিখেলা আয়োজক কমিটি ২০২৫ এর আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান ও সাম্পান বাইচ নিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলীউর রহমান। 

মন্তব্য

অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্য জানালেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মে, ২০২৫ ১৯:২০
অনলাইন ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্য জানালেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা

দেশের রাজনীতির মাঠে থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে নানা সন্দেহ ও প্রশ্নের মুখে বিষয়টি খোলাসা করেছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ।তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকার দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে।দুটি উদ্দেশ্য কী- সেটিও তুলে ধরেছেন উপদেষ্টা।

রোববার জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেন। কিন্তু আমি মনে করি আমাদের উদ্দেশ্য দুটি। এক হলো- একটি সুশাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে একটা ভালো নির্বাচন দেওয়া এবং দুই হলো- সুশাসন নিশ্চিত করতে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করা। আমরা সেগুলো করছি। তাহলে আমাদের কাছে কেন এত দাবি?

তিনি বলেন, বিভিন্ন গোষ্ঠী ও শত শত সংগঠন তাদের বঞ্চনা দূর করতে আমাদের কাছে আন্দোলন করছে। এত বছরের বঞ্চনা আমরা এই অল্প সময়ে কিভাবে দূর করব? এসব চাপের কারণে তো আমরা সংস্কার নিয়ে ভাবতে ও সুস্থভাবে চিন্তা করতে পারছি না। সবাইতো বলে গণতান্ত্রিক সরকার অনেক বেশি সংবেদনশীল। তাহলে সেই সরকার আসলে তখনতো দাবিগুলো পূরণ করতে পারে।  

এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন বলেন, আগামী অর্থবছরে এডিপি যাতে শুরু থেকেই বাস্তবায়ন করা যায়, সেটি নিয়ে এনইসিতে আলোচনা হয়েছে। সেই প্রচেষ্টা থাকবে।

মন্তব্য

ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশের ব্যবসা চলমান থাকবে : বাণিজ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মে, ২০২৫ ১৮:৫০
অনলাইন ডেস্ক
ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশের ব্যবসা চলমান থাকবে : বাণিজ্য উপদেষ্টা
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আজ রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ব্যবসা চলমান থাকবে। ভারতের পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা এখনও অফিসিয়ালি কিছু জানি না।  আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানার পর ব্যবস্থা নিতে পারবো। যদি সমস্যা দেখা দেয় বা তৈরি হয় তাহলে উভয়পক্ষ আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করবো।

উপদেষ্টা আজ রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ও নিউজ থেকে আমরা জেনেছি তারা স্থলবন্দর বিশেষ করে আখাউড়া, ডাউকিস্থ বন্দরসহ  সীমান্তবর্তী কয়েকটি অঞ্চলের বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনই আমাদের বড় লক্ষ্য। এটা দু’দেশের জন্য লাভজনক বিষয়। আমরা মনে করি ভারত নিজেও একটা টেক্সটাইল বা বস্ত্র শিল্পে সমৃদ্ধ দেশ। এরপরও যখন আমাদের দেশ থেকে এসব পণ্য রফতানি হয় সেটা আমাদের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই হয়। 

তিনি আরো বলেন, ট্রান্সশিপমেন্টের প্রভাব আমাদের নেই। আমরা নিজেদের সক্ষমতা ব্যবহার করে নিজস্বভাবেই এ সমস্যার সমাধান করেছি।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আমরা যেহেতু ভৌগোলিকভাবে কানেক্টেড একটা দেশ, আমাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা, পরিবহণ ব্যয়সহ অন্যান্য বিষয়গুলো নির্দিষ্ট। এক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন সময় আমাদের কৃষিপণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করি, ভারতও করে। এটা বাণিজ্য ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া এবং আমরা সে বিষয়ে কাজ করছি। সেখানে যদি সমস্যা দেখা দেয় বা তৈরি হয় তাহলে উভয়পক্ষ আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করবো।

উপদেষ্টা বলেন, আমি উদার বাণিজ্যে বিশ্বাসী। আমার কাছে বাণিজ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমার দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য উদারীকরণ ও বাণিজ্য ইনক্লুশন ছাড়া আর কোনো রাস্তা আমি দেখি না। বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়ে তিনি আরো বলেন, আমাদের বৈচিত্র্যকরণ ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা বাণিজ্য বৃদ্ধিতে কাজ করবো।

মন্তব্য

ভারত যাচ্ছেন জয়, দেখা করবেন হাসিনা ও আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে!

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মে, ২০২৫ ১৬:১০
অনলাইন ডেস্ক
ভারত যাচ্ছেন জয়, দেখা করবেন হাসিনা ও আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মধ্যে শিগগিরই সাক্ষাৎ হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ভারতের গণমাধ্যম নিউজ ১৮ জানিয়েছে, শিগগির ভারত সফরে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর এটিই হবে মা-ছেলের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এই সফরে মায়ের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে সাক্ষাৎ ছাড়াও কলকাতা যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তার।

নিউজ ১৮ জানিয়েছে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়েছেন জয়। সূত্র জানায়, তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি আমেরিকার নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের মধ্যে জয়ের এই সম্ভাব্য সফর নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার ভারত সফরের প্রেক্ষাপট এমন এক সময়, যখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

গত ১২ মে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করে, যা দলটিকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব পথ বন্ধ করে দেয়। 

এর আগে, ১০ মে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহের সব অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের বিচার ও এর নেতাদের বিরুদ্ধে বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোনো ধরনের প্রচার, মিছিল, সভা, সেমিনার, গণমাধ্যমে প্রকাশনা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। প্রজ্ঞাপনটি সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হয়েছে।

একজন সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রী নিউজ ১৮-কে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, জয় শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং নির্বাসিত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সরকার যেভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে, তা সম্পূর্ণ অনৈতিক। এটি আগামী নির্বাচনে দলটিকে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখতে নেওয়া কৌশলের অংশ।’

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দেশত্যাগ করেন এবং তখন থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তাকে সামনাসামনি দেখেননি। এতদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সম্প্রতি পর্যন্ত ভিডিও কনফারেন্স ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছিলেন শেখ হাসিনা। তবে সরকারের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার ফলে আওয়ামী লীগের সব ধরনের কর্মকাণ্ড এখন স্থবির হয়ে পড়েছে।

মন্তব্য

‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মে, ২০২৫ ১৫:২৬
অনলাইন ডেস্ক
‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার

ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এজন্যে তিনি ‘ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি’ আইন করার কথা বলেছেন।

আজ শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই ব্যাংক প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর মতো হবে না। ব্যাংক চলবে বিশ্বাস ও আস্থার ওপর ভিত্তি করে। যেখানে ঋণ নিতে জামানত লাগবে না। এর পাশাপাশি এই ব্যাংকের বড় উদ্দেশ্য হবে সামাজিক ব্যবসাকে ছড়িয়ে দেওয়া।

তিনি বলেন, মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। আমরা ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়ার সরঞ্জাম তাঁর হাতে তুলে দেবো। বিনিয়োগের টাকা পেলে মানুষ বিশেষ করে তরুণরা নিজের বুদ্ধি দিয়ে ব্যবসা চালু করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস আরো বলেন, ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা মেরে চলে যায়নি। অথচ প্রচলিত ধারার অনেক ব্যাংক হাওয়া হয়ে গেছে। ব্যাংকের টাকা নিয়ে অনেকে উধাও হয়েছে। তাই আমাদের এখন প্রকৃত ব্যাংকের দিকে নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, সেটাই প্রকৃত ব্যাংক যার ওপর মানুষ বিশ্বাস রাখে,আস্থা রাখে যেমন- ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’।

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের ইতিহাস তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এমআরএ কেবল বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণের জন্য নয় বরং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জন্যও ভালো কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদ
    সর্বাধিক পঠিত