ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ছাত্রদল কর্মী রাফির হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ

জেলা প্রতিনিধি
২৫ মে, ২০২৫ ১৬:১৮
জেলা প্রতিনিধি
ছাত্রদল কর্মী রাফির হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ

নোয়াখালীর সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে ছাত্রদলকর্মি আবুল হোসেন রাফির (১৯) হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে।

রোবরার (২৫ মে) বেলা ১১টা থেকে এলাকাবাসীর ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে নিহত রাফির বাবা, মা, স্বজন ও এলাকাবাসী ছাড়াও বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সমাবেশে রাফির বাবা আবুল কালাম আজাদ ও অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল ইসলামসহ এলাকাবাসী এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মিরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তাগণ ঘটনার চারদিনেও ছাত্রদলকর্মি আবুল হোসেন রাফির হত্যাকারী পল্লী চিকিৎসক গিয়াস উদ্দিন শাহীনকে গ্রেপ্তার না করায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। সমাবেশে রাফির হত্যাকারীকে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।


প্রসঙ্গত, গত বৃহস্প্রতিবার বিকেলে অশ্বদিয়া ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলছিলেন রাফি। খেলায় এক বন্ধুর ঠোঁট কেটে গেলে পল্লী চিকিৎসক গিয়াস উদ্দিন শাহীনের(৬০) কাছে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাফির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে রাফিকে ছুরিকাঘাত করেন শাহীন। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাতে মারা যান রাফি।

এ ঘটনায় রাফির বাবা আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে পল্লী চিকিৎসক গিয়াস উদ্দিন শাহীনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

 সুধারাম মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পর অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক এলাকা থেকে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে পুলিশ।

মন্তব্য

নোয়াখালীতে আন-নূর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের পুরস্কার বিতরণ

জেলা প্রতিনিধি
২৪ মে, ২০২৫ ১৭:২৯
জেলা প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে আন-নূর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের পুরস্কার বিতরণ

 

পবিত্র কোরআনের হাফেজদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে কুরআন মুখস্থ করতে ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নোয়াখালীতে  প্রথম বারের মতো আন্তর্জাতিক ক্বারীদের উপস্থিতিতে আন-নূর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র‍্যান্ড ফিনালের পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। এতে বিজয়ীদের মাঝে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

শুক্রবার রাতে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আন-নূর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আন-নুর গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান।

এরআগে শুক্রবার দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের হাফেজগন সুন্দর ও বিশুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন অংশ থেকে তেলাওয়াত করেন। তাদের সুমধুর কণ্ঠে কোরআনের আয়াত শ্রবণ করে উপস্থিত দর্শক ও বিচারকমণ্ডলীরা অভিভূত হন।



আন- নুর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র‍্যান্ড ফিনালে নুর ফাউন্ডেশন ও নুর গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মতিঝিল মিছবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস শায়খ মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান।

এসময় কুরআন তেলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশের প্রধান ক্বারী শায়খ আহমাদ বিন ইউছুফ আযহারী। এতে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাগ্রত কবি শিল্পী মুহিব খান, গ্র‍্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানের আহবায়ক মোহাম্মদ ইয়াকুব প্রমূখ।

আন-নূর ফাউন্ডেশন ও নুর গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেন, পবিত্র কোরআনের হাফেজদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে কুরআন মুখস্থ করতে ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আমরা নোয়াখালীতে এই প্রথম বারের মতো আন-নূর হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। আল-কুরআনের আলো আরো প্রসারিত করতে আগামীতেও এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

কুরআন প্রতিযোগিতায়, ৮০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২০ জনকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মায়ের চোখের সামনে ট্রাক চাপায় শিশুর মৃত্যু

    জেলা প্রতিনিধি
    ২৪ মে, ২০২৫ ১৭:২৫
    জেলা প্রতিনিধি
    মায়ের চোখের সামনে ট্রাক চাপায় শিশুর মৃত্যু

    নোয়াখালীর সেনবাগ বাজারে ট্রাক চাপায় মো.মুজাক্কির নামে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৪ মে) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সেনবাগ বাজারের সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।    

    নিহত মুজাক্কির নরসিংদী জেলার দুলালপুর গ্রামের ফকির বাড়ির মো.আকরামের ছেলে। আকরাম দম্পতি বর্তমানে সেনবাগের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল।  

    নিহতের বাবা আকরাম জানান, মুজাক্কির একটু চঞ্চল ছিল। দুপুরের সে তার মায়ের সাথে সেনবাগ বাজারে যান। ওই সময় মায়ের হাত ধরে রাস্তার একপাশে হাঁটছিল। হঠাৎ মায়ের হাত ছেড়ে দৌড় দেয় ছেলেটি। তাৎক্ষণিক দ্রুত ছুটে আসা একটি ট্রাক সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পিষে ফেলে দেড় বছরের শিশুটিকে। ঘটনাস্থলেই নিহত হয় শিশু মুজাক্কির।

    সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন ট্রাকসহ চালককে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ট্রাকসহ চালককে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মাদারীপুরে এনসিপি নেতা সিফাত

      ড. ইউনূসকে পদত্যাগ করালে বিপ্লবী সরকার গঠন করবে ছাত্র-জনতা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৪ মে, ২০২৫ ১২:৫১
      অনলাইন ডেস্ক
      ড. ইউনূসকে পদত্যাগ করালে বিপ্লবী সরকার গঠন করবে ছাত্র-জনতা

      জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মেহরাব সিফাত বলেছেন, আমরা চব্বিশের ছাত্র-জনতা ড. ইউনূসের উপরে যে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছি, তা পূরণ করতে সে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাও যদি বৈদেশিক চক্রের কোনো ষড়যন্ত্রের কারণে ঘরোয়া কোনো চাপের মধ্যে তাকে পদত্যাগ করানোও হয়, ইতিহাসের পাতায় তা লেখা থাকবে। কিন্তু তার থেকেও সবচেয়ে বড় ইতিহাস আবার এই বাংলার মাটিতে একবারে বিপ্লবী সরকার গঠন করবে ছাত্র-জনতা।

      শুক্রবার (২৩ মে) রাত ১০ টার দিকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট তালুকদার ডিজিটাল প্লাজায় অনুষ্ঠিত এনসিপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

      মেহরাব সিফাত বলেন, ড. ইউনূসকে জোর করে কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হলে ছাত্র-জনতাকে সেই দায় নিতে হবে। নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সমাজ ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা গঠন করে নতুনের রাজত্ব কায়েম করে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে তারপরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এ দেশকে ছাড়বে ছাত্র-জনতা।

      তিনি বলেন, চব্বিশের রাজপথ রক্তে রঞ্জিত করা শহীদ ও আহত ছাত্র-জনতার আত্মা ড. ইউনূসের কাছে সমর্পণ করেছে এবং তাদের প্রতিজ্ঞাও ড. ইউনূসের কাছে আছে। সে যদি আমাদের জন্য নতুন বন্দোবস্ত, সমাজ ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থার রোডম্যাপ এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু না করে দিয়েই চলে যায়, তাহলে জুলাইয়ের প্রতি তার এই বেইমানি আমরা সহ্য করবো না।

      আপনারা কেউ ঘরে ফিরে যাবেন না মন্তব্য করে মেহরাব সিফাত ছাত্র-জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘মনে করবেন না যে দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের অনেক বেশি সংগঠিত হওয়ার দরকার। যেহেতু ১৭ বছরের আওয়ামী জাহিলিয়াতির সময় একটি কেন্দ্রীয় ডাকে নিপীড়িত সকলে রাজপথে নেমেছিলেন। কিন্তু এবারের আন্দোলন ভাঙা নয়, গড়ার আন্দোলন। এবারের আন্দোলনে আমাদের নতুন ব্যবস্থা গড়ে দেখাতে হবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সকল গোষ্ঠীকে একতাবদ্ধ হতে হবে।’

      তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আহত ও শহীদদের বিচার ব্যবস্থা এখনো শুরু হয় নাই। বিচারের আগ পর্যন্ত এই হত্যার প্রশ্নে, রক্তের প্রশ্নে ছাত্র-জনতা ও আওয়ামী লীগ ব্যতীত সকল দলকে একতাবদ্ধ থাকতে হবে। যাদের মধ্যে ফ্যাসিবাদী, টেম্পু স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, দোকানে দোকানে গিয়ে ডাকাতি-ছিনতাই ও মানুষকে জোর জবরদস্তি হুকুম দেওয়ার বৈশিষ্ট্য নাই সেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী জনতাকে একত্রিত থাকতে হবে।’

      তিনি আরও বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে যেকোনো দলকে স্বাগতম। কিন্তু অবশ্যই চব্বিশের ছাত্র-জনতা ও আন্দোলনকে অস্বীকার করে কোন ধরনের রাজনৈতিক, কোনো ধরনের বন্দোবস্ত করা চলবে না। যদি ঘোষণাপত্র করতে হয় তবে এটাই হবে নতুন ঘোষণাপত্র। সারাদেশে আন্দোলনকারীদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বন্দোবস্ত করতে হবে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম যত জনগণ আছে প্রত্যেকটি জনগণকে সেই নতুন বন্দোবস্তের আওতায় আনতে হবে এবং আপামর ক্ষমতা থাকবে জনগণের কাছে, ক্ষমতার কাছে না।’

      জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিসি) সদস্য আজগর শেখের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক নেয়ামত উল্লাহ, সদস্যসচিব মাসুম বিল্লাহ, এনসিসির রাজৈর উপজেলার সদস্য মহাসিন ফকির, জাবের হাওলাদার, রাজৈর উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা আফরান জামিসহ জেলা ও উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিসির বিভিন্ন নেতাকর্মী।

      মন্তব্য

      টিকটকের মাধ্যমে প্রেম

      বিয়ের দাবিতে প্রবাসী প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে প্রেমিকা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৩ মে, ২০২৫ ১৮:০
      অনলাইন ডেস্ক
      বিয়ের দাবিতে প্রবাসী প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে প্রেমিকা

      নড়াইলের লোহাগড়ায় সৌদি আরব প্রবাসী প্রেমিক আশিকুর রহমান সাব্বিরকে (২৫) বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক কলেজছাত্রী। শুক্রবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের চাপুলিয়া গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে ওই কলেজছাত্রী অনশন শুরু করেন।

      এদিকে কলেজছাত্রী বাড়িতে এসে বিয়ের দাবি নিয়ে অনশনে বসলে সাব্বিরের বাবা হায়দার আলি মেয়েটির সাথে দুর্ব্যবহারের চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়দের বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। মেয়েটি স্থানীয় একটি কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের ছাত্রী।

      স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোটাকোল ইউনিয়নের চাপুলিয়া গ্রামের হায়দার  আলীর ছেলে  আশিকুর রহমান সাব্বিরের সঙ্গে ৭ মাসে আগে টিকটকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ওই কলেজছাত্রীর। সাব্বির মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইলে ভিডিও কলে কথা বলতে থাকেন। দুইজনের ফোনে কথাবার্তার একপর্যায়ে  মোবাইলে আপত্তিকর ছবি লেনদেন করা হয়। আপত্তিকর ওই ছবি দিয়ে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা  করেন সাব্বির। এরপর মেয়েটি যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে তার ভাইয়ের ফোনে ও ওই ছবি পাঠিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করতে  গেলে পরিবারের লোক বুঝিয়ে  রাখে। আজ সকাল ৮টার দিকে মেয়েটি ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।

       

      ওই কলেজছাত্রী বলেন, আমি যেহেতু এ বাড়িতে এসেছি। আমি আর যাব না। এ বাড়িতে থাকব। আমি এখানে বিষ খাব, গলায় দড়ি নেব। মরে যাব। তাও বাড়ি থেকে যাব না। 

      তিনি বলেন, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হওয়ার পর সাব্বিরের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাব্বির আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েছে। সে আমাকে পাসপোর্ট করে বিদেশ নিয়ে যাবে বলেছে। তার সাথে ভিডিও কলে কয়েকবার কথা হয়েছে। আমার কাছ থেকে আপত্তিকর ছবি নিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে এখন। ওই ছবি আমার স্বজনদের নিকট দিয়েছে। আমার মরে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। আর মরলে এই বাড়িতেই মরব।

      অভিযুক্ত সাব্বিরের বাবা হায়দার মোল্যা বলেন, মেয়েটির সঙ্গে আমার ছেলের কোনো সম্পর্ক নেই। যে সব ছবি দেখাচ্ছে ওগুলো এডিট করা। 

      তবে সাব্বিরের মা বলেন, সম্পর্ক আছে। মেয়েটি আমার ছেলের কাছ থেকে ১ লাখ টাকাও নিয়েছে।

      কোটাকোল ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমি ছেলেটির বাবাকে মেয়েটিকে মেনে নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছি। বিষয়টি মীমাংসার জন্য বলেছি। কিন্তু আমাকে তারা গুরুত্ব দেয়নি। 

      লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কেউ জানায়নি। কেউ অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত