ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসা সেবা

গোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য পপুলারে ৩০ ভাগ ছাড়

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৫ মে, ২০২৫ ১৬:৫৮
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
গোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য পপুলারে ৩০ ভাগ ছাড়

স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসা সেবা পেতে খুলনার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) প্রশাসন। এই চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি'তে ছাড় প্রদান করবে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

এ লক্ষ্যে আজ রবিবার (২৫ মে) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখরের উপস্থিতিতে উপাচার্যের বাসভবনে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। এই চুক্তির ফলে এখন থেকে গোবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা পপুলারের খুলনা শাখায় সকল ল্যাব পরীক্ষায় ৩০ ভাগ, সকল ধরনের রেডিওলজি এন্ড ইমেজিংয়ে ২৫ ভাগ এবং বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ২৭ ভাগ ছাড় পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন এবং খুলনা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পক্ষে শাখা ব্যবস্থাপক মো. সিরাজুল কবির।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পবিপ্রবির শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও একাধিক বিয়ের অভিযোগ

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৫ মে, ২০২৫ ১৬:২৮
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    পবিপ্রবির শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও একাধিক বিয়ের অভিযোগ
    অভিযুক্ত শিক্ষক রমন বিশ্বাস

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন, একাধিক বিয়ে ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক রমন বিশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনুষদের অধ্যাপক।

    তার স্ত্রী শ্রাবন্তী বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, “২০১১ সালে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে আমাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই তিনি গোপনে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে আরও দুটি বিয়ে করেন এবং ছাত্রীসহ একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বিভিন্ন সময়ে আমাকে মারধর করে আহত করেছেন। বর্তমানে তিনি আমাদের তিন সন্তান এবং আমাকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করছেন।”

    শ্রাবন্তী বিশ্বাস তার সন্তানদের ভরণপোষণ ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ আমরা আশা করি না। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।”

    এ বিষয়ে অধ্যাপক রমন বিশ্বাস বলেন, “এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। এ নিয়ে আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাই না।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, “বিষয়টি মৌখিকভাবে জেনেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    রেজিস্টার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন, “আমার কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।”

    এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মহসীন হোসেন খান বলেন, “আমার কাছেও কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।”
     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মাভাবিপ্রবির শাহজামান দীঘির দখলকৃত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৫ মে, ২০২৫ ১৬:০
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      মাভাবিপ্রবির শাহজামান দীঘির দখলকৃত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

      ‎‎টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত ঐতিহাসিক পীর শাহজামান দীঘির অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। দীঘির ইতিহাস যেমন গৌরবোজ্জ্বল, তেমনি তার বর্তমান চিত্র উদ্বেগজনক। এ প্রেক্ষাপটে দীঘিটি সংরক্ষণ ও সংস্কারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল।

      ‎‎দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী আগে, ১৬৬৮ সালে পীর শাহজামান (রহঃ) দীঘিটি খনন করান। পরবর্তীতে এটি সন্তোষ জমিদারের দখলে চলে গেলেও, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর উদ্যোগে এবং খোশনদপুর ওয়াকফের প্রমাণসহ আদালতে উপস্থাপনার মাধ্যমে দীঘিটি পুনরুদ্ধার হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে বিচারক মামলার রায় দেন মওলানা ভাসানীর পক্ষে, ফলে এটি আবার জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত হয়।

      ‎বর্তমানে এই ঐতিহাসিক দীঘিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এর চারপাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অননুমোদিত দোকানপাট। বিশেষ করে প্রধান ফটক থেকে দ্বিতীয় ফটক পর্যন্ত দীঘির দক্ষিণ সীমানায় খুঁটি ও বাঁশ পুঁতে দোকান নির্মাণ করা হয়েছে, যা একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য নষ্ট করছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে দীঘির পানি ক্রমেই দূষিত হয়ে উঠছে। ফলে এ জলাধার যেমন পরিবেশগত ভারসাম্য হারাচ্ছে, তেমনি হারাতে বসেছে তার ঐতিহাসিক গৌরবও।

      আজ ২৫মে (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে। বিক্ষোভ মিছিলটি শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে ২য় গেট-১ম গেট হয়ে প্রত্যয় একাত্তরের সামনে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা ভাইস-চ্যান্সেলর বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

      এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ বলেন, "আমরা আমাদের স্থাপনাগুলো কিভাবে সুন্দর করা যায় সেবিষয়গুলো দেখছি। শিক্ষার্থী এই দাবিগুলোও আমরা দেখবো কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।" 

      টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো: ফোরকান হোসেন বলেন, "আমাদের মাননীয় ভিসি স্যারের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা রাখছি, মাননীয় ভিসি স্যারসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই আমাদের দীঘিটি সংস্কারে বিশেষ ভুমিকা পালন করবেন। আমরা চাই দীঘিটির দক্ষিণ পাশের দোকান পাটগুলো সরিয়ে এর চারপাশ বাধাই করে হাটার ব্যবস্থা করা এবং গাছপালা দিয়ে পরিবেষ্টিত করে এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।"

      সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থী আখতারুজ্জামান সাজু বলেন, "পীর শাহজামান দিঘি প্রায় ৩৫০ বছরের ঐতিহ্য ও স্মৃতি বহন করে। এলাকাবাসি সেই দিঘির পাশে অবৈধ দোকানপাট স্থাপন করেছে যা দিঘির সৌন্দর্য বিনষ্ট করেছে। দোকান গুলোর বর্জ্য সরাসরি দিঘিতে ফেলে  দিঘির পরিবেশ নষ্ট করছে। আমরা চাই এই অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দিঘির সংস্কার করা হোক।

      গণিত শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সোহাগ বলেন,  "আজকের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী পীর শাহজামান দীঘীর সৌন্দর্যবর্ধন এবং দীঘির পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট অপসারণের জোর দাবি জানাচ্ছি। এই দীঘিটি শুধু একটি জলাধার নয়, এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা লক্ষ্য করছি, দীঘির আশেপাশে গড়ে উঠেছে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা, যা পরিবেশদূষণ এবং নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি করছে। শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং ঐতিহ্যবাহী এ দীঘির সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা এই অন্যায় অবস্থা মেনে নিতে পারি না।"

      স্মারকলিপিতে উল্লেখিত পাঁচ দফাগুলো:
      ‎১. দীঘির চারপাশে বাঁধ নির্মাণ করে হাঁটার উপযোগী রাস্তা তৈরি।
      ‎২. প্রধান ফটক থেকে দ্বিতীয় ফটক পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানায় প্রাচীর নির্মাণ।
      ‎৩. দীঘির চারপাশে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা।
      ‎৪. নির্দিষ্ট দূরত্বে একাধিক ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থান স্থাপন।
      ‎৫. দীঘির পাশে একটি স্থায়ী প্রচারপত্র বা ফলক স্থাপন, যেখানে এর ইতিহাস ও গুরুত্ব সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হবে।

      ‎বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, পরিবেশ এবং নান্দনিকতা রক্ষায় এ ধরনের পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে পীর শাহজামান দীঘি যেমন নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও গৌরবও অটুট থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সবাই।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যবিপ্রবিতে কনফারেন্স কার্নিভাল ২০২৫ এর পর্দা উঠলো

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৪ মে, ২০২৫ ১৭:৪৩
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      যবিপ্রবিতে কনফারেন্স কার্নিভাল ২০২৫ এর পর্দা উঠলো

      যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার মধ্য দিয়ে পর্দা উঠলো মাস ব্যাপী কনফারেন্স কার্নিভাল ২০২৫’র। মাসব্যাপী এই কনফারেন্স কার্নিভাল ২০২৫ এর শুভ উদ্ধোধন করেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ।

      গবেষণা ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্দেশ্যে দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যবিপ্রবির ২৭ টি বিভাগ ও একটি অনুষদের আয়োজনে ২৪ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কনফারেন্স কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। আজ শনিবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে ‘টেকফ্রন্টিয়ারস: টেকনোলজি ফর দ্যা ফিউচার’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করে যবিপ্রবির ইইই বিভাগ। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ।

      প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাসব্যাপী এই কনফারেন্স কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। মাসব্যাপী এধরনের ন্যাশনাল কনফারেন্স দেশের মধ্যে প্রথম আয়োজন করছে যবিপ্রবি। দুই বছর অন্তর অন্তর যবিপ্রবিতে এই কনফারেন্স কার্নিভাল এবং প্রতি বছর আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজিত হবে। এধরনের সেমিনারের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি যবিপ্রবি গবেষণা ও র‌্যাঙ্কিয়ে আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, তোমাদের পাওয়ার এনার্জি সেক্টরের দিকে ফোকাস রাখতে হবে। তাহলে দেশের পাওয়ার সেক্টরে যে ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে তোমরা অবদান রাখতে পারবে।

      সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেড এর সাউথ এশিয়া সার্ভিস এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনের প্রধান প্রকৌশলী চন্দ্র শেখর। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রযুক্তিবিদ্যা, নেটওয়ার্ক সিস্টেম, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত তথ্য আলোকপাত করেন।

      সেমিনারের প্রথম পর্ব শেষে দুপুর সাড়ে ১২ টায় শুরু হয় পোস্টার প্রেজেন্টেশন। ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। পোস্টার প্রেজেন্টেশন শেষে বিকালে প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি) ডিজাইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শিক্ষা দেয় ওয়াল্টন ডিজিটেক ইন্ড্রাস্ট্রিস লিমিটেড এর উপ-পরিচালক মো. নাদিম মোস্তফা ও উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন। 

      সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সেমিনারের আহবায়ক ও ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ইঞ্জি. ইমরান খান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার পরিচালনা করেন ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাতুল হাসান ও জান্নাতুল নাঈম।

      একই দিনে যবিপ্রবির ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসের ভেটেরিনারি ও মেডিসিন অনুষদের আয়োজনে অডিটরিয়ামে ‘অল অ্যানিম্যাল ডিসার্ভ অ্যা গুড লাইফ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে “ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর অ্যাপলাইড ইথোলজি (আইএসএই) সপ্তম অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ওয়ার্কশপ ইন বাংলাদেশ ২০২৫” অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ভেটেরিনারি ও মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি অ্যান্ড অফসটেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, আমেরিকার মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি অ্যানিম্যাল সাইন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. জ্যানিক সিয়েগফোর্ড, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সাইন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিনসহ প্রমুখ। বক্তারা দিনব্যাপী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অ্যানিম্যাল সাইন্সের উপর বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য আলোকপাত করেন।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষা বোর্ডের ৩৩ দফা নির্দেশনা

      প্রতি ২০ পরীক্ষার্থীর জন্য থাকবেন ১ পরিদর্শক, আসনে থাকবে ৩ ফুট দূরত্ব

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৪ মে, ২০২৫ ১৬:২৬
      অনলাইন ডেস্ক
      প্রতি ২০ পরীক্ষার্থীর জন্য থাকবেন ১ পরিদর্শক, আসনে থাকবে ৩ ফুট দূরত্ব

      এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ৩৩ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। 

      শনিবার (২৪ মে) বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতি ২০ পরীক্ষার্থীর জন্য ১ জন কক্ষ পরিদর্শক এবং কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার্থীর আসন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। আর এসব নির্দেশনা কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্যও বলা হয়েছে।

      নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সব পরীক্ষার্থীকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টা এবং বিকেল ২টায়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারিতে থাকা প্রশ্নপত্র যাচাই করতে হবে এবং সেট অনুযায়ী নিরাপদ খামে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

      নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে আসন বিন্যাস করতে হবে। এছাড়া প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ পরিদর্শক নিয়োজিত থাকবেন, তবে প্রতিটি কক্ষে সর্বনিম্ন দুইজন পরিদর্শকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

      প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার দিন সকালে প্রাপ্ত এসএমএস অনুসারে নির্ধারিত সেট ব্যবহার করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী খাম খোলা যাবে। অব্যবহৃত সেট অক্ষত অবস্থায় বোর্ডে ফেরত পাঠাতে হবে। প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে আনার সময় থানার ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

      পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে প্রবেশ, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পরীক্ষার ৩০ মিনিট পূর্বেই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ সময়ের পর কেউ এলে তার নাম, রোল নম্বরসহ বিস্তারিত রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং পরীক্ষা শেষে সেটি বোর্ডে জমা দিতে হবে।

      পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে ভিড় বা জটলা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি করতে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বোর্ড থেকে সরবরাহকৃত নকল প্রতিরোধমূলক পোস্টার কেন্দ্রের প্রবেশপথে দৃশ্যমান স্থানে টানানোর নির্দেশনা রয়েছে।

      প্রবেশপত্রে কোনো ভুল থাকলে তা চার কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে শুধু এনালগ কাটাযুক্ত ঘড়ি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্ষাকালে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হলে যেন সমস্যা না হয়, এজন্য স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

      পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র সঠিকভাবে গুছিয়ে বোর্ডে প্রেরণের বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে। আলাদা সেটে সিকিউ ও এমসিকিউ উত্তরপত্র, ইংরেজি ভার্সনের জন্য পৃথক খাতা ব্যবস্থাপনাসহ সব বিষয়ে কঠোরভাবে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

      পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য অনলাইন তথ্য ব্যবস্থাপনায়ও সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনার শেষাংশে বোর্ডের ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালাও যথাযথভাবে অনুসরণের জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত