শিরোনাম
আজ থেকে শুরু হচ্ছে সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম
রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পৃথকীকরণ এবং কলেজগুলোর সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের কার্যক্রম আজ মঙ্গলবার (২৭ মে) থেকে শুরু হচ্ছে।
সোমবার (২৬ মে) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রধান ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ কে এম ইলিয়াস।
তিনি বলেন, “আগামীকাল(আজ) সকাল ১০টায় ইউজিসির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম সভার মাধ্যমে সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম শুরু হবে। এ সভায় ইউজিসির নীতিনির্ধারক কর্মকর্তা ,সাত কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।”
সভার কার্যপরিধির বিষয়ে তিনি বলেন, “এ সভায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এই সভা থেকে একটি পজিটিভ রেজাল্ট আসবে, পরবর্তীতে নতুনভাবে প্রজ্ঞাপন দিয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনিক্যাল সহযোগিতা নিয়ে আমরা এবার ভর্তি কার্যক্রমের কাজগুলো করবো। তাদের ছাড়া আমরা তো কাজ এগিয়ে নিতে পারবো না। তারা বলেছে আমাদের দ্ব্যর্থহীনভাবে সহযোগিতা করবে। কারণ আমাদের হাতে এমন কোন ম্যাকানিজম নাই যার মাধ্যমে আমরা ভর্তি পরীক্ষার কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারবো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় অন্তর্বর্তী প্রশাসনের অধীনে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।”
নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরিক্ষা আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা যত দ্রুত সম্ভব ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে চিন্তা করছি। আমরা চেষ্টা করছি দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে যেন ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়। রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন হবে না।”
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত থাকা রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নামে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ব্যাপারে ইউজিসি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলেজগুলোর অধিভুক্তি বাতিল ও নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহজীকরণের লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ কে এম ইলিয়াসকে প্রধান করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠন করা হয়েছে। কলেজসমূহ হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে সরকারি বাঙলা কলেজে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত
যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলা সাহিত্যের দুই কিংবদন্তি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে রাজধানীর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি বাঙলা কলেজে।
এ উপলক্ষে সোমবার (২৬ মে ২০২৫) কলেজ অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রবীন্দ্র নজরুল জয়ন্তী ঘিরে নানা আয়োজনের মধ্যে শুরুতেই ছিলো আলোচনা সভা, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুল হাসান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নাহিদা পারভীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক কামরুল হাসান তার বক্তব্যে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দুই কবির সাহিত্যকীর্তি এবং তাঁদের চিরন্তন আবেদন নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই অনন্য উচ্চতা। তাঁদের জীবনদর্শন, কাব্যচিন্তা ও মানবতাবোধ বর্তমান প্রজন্মের জন্য অমূল্য পথনির্দেশনা হয়ে থাকবে।”
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজন করা হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে সরকারি বাঙলা কলেজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা পরিবেশন করেন। পরিবেশনায় ছিল একাধিক নজরুলগীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত, যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবেশিত হয় শাস্ত্রীয় ও সৃজনশীল নৃত্য। দর্শকরা আনন্দঘন পরিবেশে এই সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করেন।
পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল সাহিত্যপ্রেম, দেশাত্মবোধ ও সংস্কৃতি চর্চার এক অনন্য সম্মিলন। এমন আয়োজনে আগামী দিনগুলোতেও সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননের চর্চায় আরো অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে সরকারি বাঙলা কলেজে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত
যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলা সাহিত্যের দুই কিংবদন্তি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে রাজধানীর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি বাঙলা কলেজে।
এ উপলক্ষে সোমবার (২৬ মে ২০২৫) কলেজ অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রবীন্দ্র নজরুল জয়ন্তী ঘিরে নানা আয়োজনের মধ্যে শুরুতেই ছিলো আলোচনা সভা, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুল হাসান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নাহিদা পারভীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক কামরুল হাসান তার বক্তব্যে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দুই কবির সাহিত্যকীর্তি এবং তাঁদের চিরন্তন আবেদন নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই অনন্য উচ্চতা। তাঁদের জীবনদর্শন, কাব্যচিন্তা ও মানবতাবোধ বর্তমান প্রজন্মের জন্য অমূল্য পথনির্দেশনা হয়ে থাকবে।”
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজন করা হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে সরকারি বাঙলা কলেজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা পরিবেশন করেন। পরিবেশনায় ছিল একাধিক নজরুলগীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত, যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবেশিত হয় শাস্ত্রীয় ও সৃজনশীল নৃত্য। দর্শকরা আনন্দঘন পরিবেশে এই সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করেন।
পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল সাহিত্যপ্রেম, দেশাত্মবোধ ও সংস্কৃতি চর্চার এক অনন্য সম্মিলন। এমন আয়োজনে আগামী দিনগুলোতেও সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননের চর্চায় আরো অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।
রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর রত্ন
বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজের পদ্মপুকুর তার অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য সুপরিচিত। প্রাচীন স্থাপত্যের দৃষ্টিনন্দন ভবন, সবুজ গাছের সমারোহ এবং মনভোলানো শান্ত পরিবেশের মধ্যে অবস্থিত এই পুকুরটি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের অবসর সময়ের প্রিয় স্থান। বর্ষা ও শরৎকালে পুকুরের পানিতে ভাসমান ফুটে থাকা গোলাপি, সাদা ও লাল পদ্মের পাশাপাশি বাহারি রঙের শাপলা ফুল
ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যে সংমিশ্রণ ঘটায় নৈসর্গিক পরিবেশের। পদ্ম আর শাপলা ফুলে আচ্ছাদিত এই পরিবেশ যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক নিপুণ চিত্রকর্ম।
রাজশাহী কলেজের দৃষ্টিনন্দন লাল প্রাচীন স্থাপত্য প্রশাসন ভবনের পেছনে অবস্থিত পদ্ম পুকুরটি বছরের বেশিরভাগ সময় জুড়েই পদ্ম আর শাপলা ফুল ভরপুর থাকে। ভোরের সূর্যের আলো যখন পদ্মপাতার উপর শিশির বিন্দুর সাথে প্রতিফলন সৃষ্টি করে, তখন সেই দৃশ্য মনের সকল খারাপ লাগাকে দূরে ঠেলে প্রকৃতির প্রেমকে কাছে টানে। পুকুরের চারপাশে সবুজ ছায়াঘেরা গাছ, ভোরের পাখিদের কলকাকুলি আর দক্ষিণা বাতাসের মৃদু শিহরণ সব মিলিয়ে প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্য কে বিলিয়ে দিয়েছে।
পদ্ম পুকুর শুধু সৌন্দর্য উপভোগ করাই নয়, ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তির এক বিরল স্থান। ক্লাস শেষে অথবা পরীক্ষার পূর্বে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ নিরসনে পদ্ম পুকুর তার সবটুকু ভালোবাসা বিনিয়ে শিক্ষার্থীদের মনকে প্রশান্তি দিয়ে থাকে। অবসর সময়ে শিক্ষার্থীরা পদ্ম পুকুরের ধারে বসে কবিতা, ছবি এঁকে প্রকৃতিকে অনুভব করে।
আরও পড়ুন
বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা: রাবেয়া খাতুন তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, পদ্মফুল প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি যা সৌন্দর্য, পবিত্রতা ও শান্তির প্রতীক। পদ্মফুল শুধু একটি ফুল নয়, এটি আমাদের জীবনের নানা দিক উন্মোচন করে। এর রং সৌন্দর্য আমাদের বিমোহিত করে। এমনই একটি বিমোহিত স্থান আমাদের রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর যা সবসময় শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী রবিউল হাসান মিন্টু বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাস শেষে একঘেয়েমি দূর করতে অথবা মন খারাপের দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের মন ভালো করতে পদ্ম পুকুর নিত্য দিনের সঙ্গী। পদ্ম পুকুর শুধু রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে নয়, বিভিন্ন দর্শনার্থী মাঝেও তার সৌন্দর্যে স্থান করে নিয়েছে।
কলেজ প্রশাসনের সহযোগিতায় ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পদ্ম পুকুর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কারের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তার সৌন্দর্য দিয়ে সকলকে মুগ্ধ করে চলছে।
দেশের প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজের পদ্ম পুকুর কেবল একটি জলাধার নয়, এটি প্রকৃতির এক জীবন্ত চিত্র। এটি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের সৌন্দর্য, প্রশান্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস।
তরুণদের দ্বীনের পথে আহ্বানে রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির ব্যতিক্রমি উদ্যোগ
রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির উদ্যোগে সম্প্রতি তরুণদের ইসলামের মূল মূল্যবোধ ও দ্বীনের পথে চলার প্রতি উদ্বুদ্ধকরণে ফিলিস্তিন ও উম্মাহর প্রতি দায়িত্ব শীর্ষক ব্যতিক্রম সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বর্তমান সময়ের তরুণ সমাজ নানা প্রলোভন ও বিভ্রান্তির শিকার বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের দ্বীনি শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করতে আলোচকরা বক্তব্য রাখেন।
রবিবার (২৫ মে ) সকাল ১০ টায় রাজশাহী কলেজের কেন্দ্রীয় মসজিদে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী এই সেমিনারটির উদ্বোধন করেন। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আদ-দাওয়াহ ইলাল্লাহর পরিচালক আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক। আরো উপস্থিত ছিলেন, মুহতামিম জামিয়া আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা মুফতি আব্দুল্লাহ তালহা (হাফি.), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার মাহমুদুল হাসান, রাজশাহী কলেজ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব ষষ্টিতলা শাইখ মুফতি নূর মুহাম্মাদ (হাফি)।
সেমিনারে প্রধান আলোচক আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক বর্তমান ফিলিস্তিনের দুর্দশার কথা তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মের সামনে ইসলামিক নানা দিক বিষয়ে আলোচনা রাখেন। তিনি বলেন এই যুগের মুসলমানরা আজকের বানু ইসরাইল। গোলামি আজকের দিনের মুসলমানদের রক্তে মিশে আছে। মুসলমানরা আজকে গোলামি ছাড়া স্বাধীনভাবে কিছু চিন্তা করতে পারে না।
তিনি বলেন আমাদের কে অতীতের বানু ইসরাইল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। মুসলমানরা আজ পর্যন্ত কখনো নিজেদের শক্তির বলে কোনো যুদ্ধ জয় করতে পারেনি, জয় করেছে আল্লাহর প্রতি ইমান আর ভরসা রাখার ফলে।
আমাদের কে গোলামি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, তা না হলে আমরা কখনো পূর্ণ বিজয়ের স্বাদ অর্জন করতে পারবো না।
আরও পড়ুন
সেমিনারে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটি শিক্ষার্থীদের দ্বীনের প্রতি আহ্বানে বিভিন্ন সময় কলেজ ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা, ইসলামি শাসনব্যবস্থা, নৈতিকতা, জীবন দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। রাজশাহী কলেজ দ্বীনি সোসাইটির এই ব্যাতিক্রমি উদ্যোগ তরুণদের দ্বীনের পথে নিয়ে আসতে ভবিষ্যতে ভবিষ্যতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড আরও প্রসারিত হলে যুব সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত হবে এবং দেশের সার্বিক নৈতিক উন্নতি সাধিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সংগঠনটির আয়োজকরা।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য