শিরোনাম
সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর টিমের জরুরী সংবাদ সম্মেলন
রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের জন্য গঠিত হতে যাওয়া অন্তবর্তীকালীন প্রশাসনের চূড়ান্ত অনুমোদনের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কালক্ষেপণের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী কর্মসূচি জানাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা।
আজ শুক্রবার (১৬ই মে) সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর টিমের অর্গানাইজিং উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, আগামীকাল শনিবার (১৭ মে) বিকাল ৪টায় ইডেন মহিলা কলেজের ১নং গেইটে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করার অভিপ্রায়ে, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ও অধিভুক্তি বাতিলের পরবর্তী অন্তবর্তীকালীন প্রশাসনের চূড়ান্ত অনুমোদনে কর্তৃপক্ষের কালক্ষেপণের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী কর্মসূচি সবার কাছে তুলে ধরতে জরুরি ভিত্তিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।
নবীনদের বরণ করলো রাজশাহী কলেজ জব প্রিপারেশন ক্লাব
'স্বপ্ন দেখেছি যখন জব প্রিপারেশন ক্লাবেই হবে পূরণ' অঙ্গিরাকে সামনে রেখে রাজশাহী কলেজ জব প্রিপারেশন ক্লাবের (আরসিজেপিসি) নবাগত নবীন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০ টায় রাজশাহী কলেজের মিলনায়তনে রাজশাহী কলেজ জব প্রিপারেশন ক্লাবের
উদ্যোগে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাজশাহী কলেজ জব প্রিপারেশন ক্লাবের (আরসিজেপিসি) সভাপতি মাহমুদ আল ফারাবি সেলিম ও কার্যনির্বাহী সদস্য মোছাঃ কুইন রাণী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী বলেন, যারা এই জব প্রিপারেশন ক্লাবের (আরসিজেপিসি) সদস্য হয়ে আজকে এখানে উপস্থিত হয়েছে তাদের জন্য এটি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। রাজশাহী কলেজ নিয়ে আমাদের যে গর্ব তার মূলে রয়েছে এখানকার শিক্ষাব্যবস্থা। সেই ধারাবাহিকতায় এই জব প্রিপারেশন ক্লাব।
তিনি বলেন, আমরা যারা শিক্ষকতায় থেকে তোমাদের গড়ে তোলার চেষ্টা করছি, আমরা চাই তোমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণ করে রাজশাহী কলেজের মুখ উজ্জ্বল করবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনিক পর্যায়ে তোমরা নিজেদের প্রমাণ করবে। যারা প্রশাসন বা শিক্ষাসহ অন্য ক্যাডার শাখায় কাজ করার স্বপ্ন দেখছো তারা আজ থেকেই চেষ্টা শুরু করবে। পরিশেষে তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে এইরকম কার্যক্রম কলেজের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে।
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ ইব্রাহিম আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উক্ত সংগঠনের আহ্বায়ক ও দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক প্রফেসর জনাব মোঃ ফারুক হোসেন।
নবীন সদস্যদের বক্তব্যে মনিকা বলেন, পড়াশোনা শেষ করে সফল হওয়ার একরাশ স্বপ্ন নিয়ে এই কলেজে ভর্তি হয়েছি। তবে শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভবিষ্যতে এই সংগঠনের হাত ধরে আমি আমার স্বপ্নকে পূর্ণতা দান করতে চাই।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান বলেন, আমি বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এই ক্লাবে এসেছি। তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে এই ক্লাবের মাধ্যমে তিনি তার স্বপ্নকে ছুঁতে চান।
অনুষ্ঠান শেষে প্রত্যেক নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে কোর্স প্ল্যান তুলে দেয়া হয় এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রাজশাহী কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠিত
রাজশাহী কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সম্মান ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ মে ) বেলা ১২ টায় রাজশাহী কলেজের মিলনায়তনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৪৮ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এই সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোঃ তায়েজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী।
এ সময় প্রফেসর মু. যহুর আলী উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা শিক্ষার্জন করে ভবিষ্যতে শিক্ষক, উকিল, রাজনীতিবিদসহ অন্যান্য যেকোনো কর্মে নিয়োজিত হবে। তবে যে পেশাতেই নিয়োজিত থাকো তাতে যেন তোমরা সৎ থাকতে পারো।
এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন ভবিষ্যতে জুলাই অভ্যুত্থানের আদর্শকে ধরে রাখে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ ইব্রাহিম আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীন। এছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলীসহ বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ রুহুল আমিন ও সুলতানা পারভীন রুকুর সঞ্চালনায় পুষ্পস্তবকের মাধ্যমে অতিথিদের বরণ করে নেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর ৪৮ তম ব্যাচেট শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ জাকি মুজাহিদ। বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য পাঠ করেন ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মিফতাহুল জান্নাত। এছাড়াও রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৪৮ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বিদায়ী মুহূর্তে তাদের এই ক্যাম্পাসে অনার্স জীবনের স্মৃতিচারণ নিয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করেন। বক্তব্য পর্ব শেষে অতিথিবৃন্দরা স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।
মধ্যাহ্নভোজের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ-গান-আবৃত্তির ছন্দে সমাপনী মুহুর্তকে চিরস্মরণীয় করে প্রিয় ক্যাম্পাস কে বিদায় জানায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪৮ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাসে আবারও ল্যাপটপ চুরির ঘটনা : নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষার্থীরা
রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসে কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ উঠেছে। পরপর এমন চুরির ঘটনায় ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি কে প্রশাসনের ব্যর্থতা বলেও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৪ মে) ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ভবনে ( সি-ব্লক) ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির বিষয়টি ছাত্রাবাসের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন মনোবিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের মোঃ রায়হান সরকার। তিনি ছাত্রাবাসের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ভবনের ( সি-ব্লক) ১০৬ নাম্বার রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, গতকাল রাতে ল্যাপটপ ব্যবহারের পর প্রতিদিনের ন্যায় তিনি ল্যাপটপ যথাস্থানে রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার ল্যাপটপটি সেই স্থানে নেই। পরবর্তীতে বিষয় স্যারদের অবগত করা হলে সিসিটিভির মাধ্যমে দেখা যায় একজন বহিরাগত ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তার রুমে ঢুকে ল্যাপটপ নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি এ বিষয়ে অভিযোগ করে বলেন, যারা গেটম্যান হিসেবে দায়িত্বে আছেন তারা একটু গভীর রাত হলেই বাসায় চলে যান এবং দেখা যায় ভোর পর্যন্ত কোনো গেটম্যান থাকে না এমনকি এর আগেও এমন চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি প্রশাসনের নিকট আহ্বান জানান যাতে তার এই চুরির বিষয়ে আশানুরূপ একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং ছাত্রাবাসের নিরাপত্তা যেন আরো জোরদার করা হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ (আবির) বলেন, রাজশাহী কলেজ প্রশাসন ও হোস্টেল প্রশাসন বারবার তার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত হোস্টেল থেকে ল্যাপটপ চুরি, টাকা চুরির ঘটনা তুচ্ছ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু তাদের কোন মাথা ব্যথাই নেই, নেই কোন জবাবদিহি! এভাবে আর কত????
তিনি আরো অভিযোগ করেন, ছাত্রাবাসে নেই পর্যাপ্ত গেটম্যান, নেই কোন শৃঙ্খলা। হোস্টেল থেকে ল্যাপটপ চুরি, ফোনচুরি, হওয়ার পরেও সিসিটিভি ফুটেজ থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন এ্যাকশন নেই??
রাজশাহী কলেজের হোস্টেলে অনেক গরীব মানুষের সন্তানরা লেখাপড়া করে এবং ল্যাপটপ দিয়ে তারা অনলাইনে কাজ করে সাময়িক কিছু টাকা ইনকাম করে তা দিয়ে পড়ালেখার খরচ বহন করে। কিন্তু এভাবে বারবার তাদের জিনিসগুলো চুরি হয়ে গেলে এর ভর্তুকি কি কলেজ প্রশাসন দেবে??
তিনি আরো বলেন, এইবার যদি কলেজ প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ না নেয়, তাহলে প্রয়োজনে আমরা সাধারণ ছাত্রদেরকে নিয়ে আন্দোলন করতে বাধ্য হব।
রাজশাহী কলেজ শাখার ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন বলেন, তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কে নিয়ে থানায় জিডি করেছেন এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চুরির বিষয়ে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান।
এ বিষয়ে ছাত্রাবাসের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক আবু জাফর মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা যেভাবে রাখতে চাই সেভাবে তো ছাত্ররা মানতে চায়না। আমরা বলি যে হোস্টেলের গেইট রাত ১২ টা থেকে ভোর অবধি বন্ধ রাখব, স্টুডেন্টরা এটা মানেনা ,তারা যেকোনো সময় যাতায়াত করে।
তিনি বলেন, কয়েকমাস আগে চুরি হয়েছিলো সি ব্লকে । এর জন্য বারান্দায় যে তিনটা গেইট আছে সেগুলোতে তালা লাগানোর ব্যবস্থা করা হলো। সব স্টুডেন্টদের চাবি দেওয়া হলো। ছয়মাস হয়নি বারান্দার দরজা খোলা রাখা হচ্ছে। তার ফলেই এরকম হচ্ছে বলে মনে করি।
উল্লেখ্য গত ২১ ডিসেম্বর ছাত্রাবাসের একই ভবনের আবাসিক শিক্ষার্থী আবু রায়হানের ল্যাপটপ চুরির হয়। কিন্তু দীর্ঘ দিন পার হলেও তার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনো নেওয়া হয়নি।
বাঙলা কলেজ মাঠে খেলাধুলায় সীমিত নিষেধাজ্ঞা; প্রয়োজন হবে অগ্রীম অনুমতি
সরকারি বাঙলা কলেজের নিজস্ব খেলার মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার ওপর সীমিত পরিসরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কলেজ প্রশাসন। প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রমে বারবার বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তবে একেবারে নিষেধাজ্ঞা না দিয়ে সীমিত পরিসরে খেলাধুলার আয়োজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর জন্য বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে কলেজ প্রশাসন হতে অনুমতি নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে এবং ক্লাস, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা ও পাবলিক পরীক্ষার সময় একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে অনিয়ন্ত্রিত খেলাধুলা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খেলাধুলায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নিজ নিজ বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মেনে মাঠ ব্যবহার করা যাবে।
তবে এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে মাঠ ব্যবহারের সুযোগ দিলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা হতো।
এ প্রসঙ্গে কলেজটির ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সৈকত বলেন, ‘ক্লাসে মনোযোগ বাড়াতে খেলার মাঠে খেলা বন্ধ করার প্রয়োজন নেই, বরং প্রয়োজন কোয়ালিটিফুল শিক্ষার। ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির বাধব্যাধকতা খাতা কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে এর যথাযথ প্রয়োগ করা উচিত।’
অনিয়মিত (ডিসকলেজিয়েট/ননকলেজিয়েট) শিক্ষার্থীরা জন্য সুপারিশের ব্যাবস্থা বন্ধ করতে পারলে ক্লাসে উপস্থিতির জন্য নোটিশ দিতে হবেনা বরং ক্লাস রুম বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয় আবেদন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
তবে কলেজ প্রশাসনের দাবি, এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই নয়, বরং কলেজের একাডেমিক পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এটি প্রয়োজনীয়। নিয়মের মধ্যে খেলাধুলার সুযোগ থাকায় কেউ চাইলেই একেবারে বঞ্চিত হচ্ছে না।
শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বও বিবেচনায় নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রণয়ন করবে, যাতে পড়াশোনা এবং খেলাধুলা উভয় কার্যক্রমই সমানভাবে পরিচালিত হতে পারে।v
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য