ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চবিতে পরীক্ষামূলক ভাবে ই-কার সেবা চালু

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ মে, ২০২৫ ১৫:৬
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
চবিতে পরীক্ষামূলক ভাবে ই-কার সেবা চালু

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে ইলেকট্রিক কার (ই-কার)।

মঙ্গলবার (১৩ মে) থেকে আগামী দুইদিন চবি ক্যাম্পাসে ৪টি ই-কার পরীক্ষামূলকভাবে চলবে বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, আজ থেকে আগামী দুইদিন চবি ক্যাম্পাসে পরীক্ষামূলকভাবে ই-কারগুলো চলবে। কার্যক্রম সফল হলে আগামী জুন মাস থেকে ২০টি ই-কার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেবা চালু করা হবে।

ড. কামাল আরও বলেন, ই-কারগুলো ঢাকা থেকে আজ ক্যাম্পাসে আনা হয়েছে। ই-কারের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরাই সিদ্ধান্ত নিবে তারা ই-কার চায় কিনা।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ইবিতে শিক্ষার্থীদের হাতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ মে, ২০২৫ ১৪:২৬
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
ইবিতে শিক্ষার্থীদের হাতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কৃষিশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সায়মুম খান

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কৃষিশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সায়মুম খান কে আটক করে পুলিশে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তার বিরুদ্ধে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

সোমবার (১২ মে) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট থেকে তাকে আটক করে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী খায়রুল ও তার বন্ধুরা। পরবর্তীতে তাকে নিকটস্থ ইবি থানায় সোপর্দ করা হয়। 

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সায়মুম গতবছরের ৫ জুন আনুমানিক রাত ০৭.১৩ মিনিটে টুরিজম বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিফাত সিদ্দিকের মাধ্যমে কল দিয়ে শেখ রাসেল হল বর্তমানে শহীদ আনাস হলে) ৪০৩ নাম্বার রুমে নিয়ে যায়। কথাবার্তার একপর্যায়ে সায়মুম ভুক্তভোগী খায়রুলকে ছাদে নিয়ে যায় এবং ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। পরবর্তীতে সে খায়রুলকে বেপরোয়াভাবে মারধোর করে এবং ধাক্কা দিয়ে সিড়িতে ফেলে দেয়। এসময় খায়রুল হাতে পায়ে ব্যথা পায় এবং তার শরীরের বিভিন্নস্থানে রক্তক্ষরণ হয়।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী খায়রুল বলেন, আমার বিভাগের ফ্রেন্ড ওর প্রেমিকা ছিল। আমার ফ্রেন্ড হওয়ার সুবাদে আমি ওর সাথে ঘুরতেছিলাম সেটা দেখে এই সায়মুম আমাকে ডেকে নেয়। এরপর আমাকে ছাদে নিয়ে ভীষণভাবে মারধর করে, লাথি দিয়ে নীচে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। সেদিন আমি অনেক কষ্টে ওখান থেকে বেচে আসি। পরবর্তীতে এঘটনার বিচার চেয়ে প্রক্টর বরাবর লিখিত আবেদন দিলেও ছাত্রলীগের চাপে কোন বিচার হয়নি বলে জানায় সে। 

এবিষয়ে ইবি থানার এসআই রাকিব বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আমরা ভুক্তভোগীর অভিযোগপত্র পেয়েছি। ওসি স্যার একটি কাজে বাইরে থাকায় আমরা এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত নেইনি। ওসি স্যার এসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবেন৷

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনে ববি শিক্ষার্থীরা

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ মে, ২০২৫ ১১:৩২
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনে ববি শিক্ষার্থীরা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শূচিতা শরমিনের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার (১২ই মে) রাত সাড়ে নয়টার দিকে আমরণ অনশনে বসেছেন একদল শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রান্ডফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। আজ রাত ১১টার থেকে অনশনে বসবে তারা। 

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের পক্ষে সুজয় বিশ্বাস শুভ বলেন, "আমরা বিশ্ববিদ্যালয়টির আচার্য, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তাদের যথেষ্ট সময় দিয়েছি। আমরা বারবার তাদের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা শিক্ষার্থীদের আকুতি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।"

তিনি আরও বলেন, "এই মুহূর্তে থেকে আমরা ঘোষণা করছি, যতক্ষণ পর্যন্ত এই উপাচার্যকে অপসারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আমরণ অনশনে থাকবে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই অনশন থেকে উঠব না।"

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রো-ভিসিকে পরীক্ষার কমিটি করায় ৩মাস আঁটকে আছে ফাইল

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১২ মে, ২০২৫ ২০:৫৩
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    প্রো-ভিসিকে পরীক্ষার কমিটি করায় ৩মাস আঁটকে আছে ফাইল

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সমাজকর্ম বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের ১ম সেমিস্টার পরীক্ষা ভিসি অধ্যাপক ড শূচিতা শরমিন এর একটি সাক্ষরের জন্য ৩ মাস ধরে আটকে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সব ক্লাস শেষ হওয়ার পরও শুধুমাত্র ভিসির একটি স্বাক্ষর না থাকায় পরীক্ষাটি সঠিক সময়ে নিতে পারে নি সমাজকর্ম বিভাগ। যদিও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ১৫ এপ্রিল নির্ধারিত ছিলো। তবে  প্রশাসনিক জটিলতায় তা আটকে পড়েছে। যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।  

    সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী সমাজকর্ম বিভাগের একটি কোর্সে পড়িয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, যিনি কোর্সটি পড়ান, সেই শিক্ষকই ওই কোর্সের প্রথম পরীক্ষক হন। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ফাইলে অধ্যাপক রব্বানীকেই প্রথম পরীক্ষক করে প্রস্তাব পাঠানো হয়। তবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শূচিতা শরমিন এতে আপত্তি জানান এবং প্রোভিসিকে পরীক্ষা কমিটি থেকে বাদ দিতে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে তিনি কোনো লিখিত নির্দেশনা না দিলেও, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের মাধ্যমে সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যানকে মৌখিকভাবে জানান। কিন্তু লিখিত নির্দেশনা না থাকায় বিভাগের চেয়ারম্যান বিষয়টি পরিষ্কার করতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে একটি লিখিত চিঠি পাঠান, যেখানে ফাইলের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রো-ভিসিকে পরীক্ষা কমিটি থেকে বাদ না দেওয়ায় উপাচার্য ওই ফাইলে স্বাক্ষর করেননি। এর ফলে প্রায় তিন মাস ধরে ফাইলটি উপাচার্য দপ্তরে আটকে আছে, যার কারণে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কার্যক্রমও পিছিয়ে পড়েছে।

    সমাজকর্ম বিভাগের দুজন শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা সব ক্লাস ও সংশ্লিষ্ট বিষয় শেষ করে বসে আছে শুধু পরীক্ষা নেয়ার অপেক্ষায় । চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২৬ তারিখে চিঠি দেয়া হয়েছে । সর্বশেষ চিঠির অগ্রগতি জানতে চেয়ে এপ্রিলের ২৯ তারিখে চিঠি দেয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। পরীক্ষা ১৫ই এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা ছিলো । কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কারনে শিক্ষার্থীদেরকে অনেক পিছিয়ে পড়তে হবে বলে জানান তারা । 

    সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান অসীম কুমার নন্দী জানান, আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে চিঠি দিয়েছে। আমাকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো প্রোভিসি ক্লাস নেয় কিনা। তবে তাকে সরানোর জন্য লিখিত কোনো চিঠি পাই নি । এ বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সাথে আমার কয়েকবার কথা হয়েছে।   

    সদ্য সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেন বলেন,

    "আমরা একসাথে তখন উপাচার্য ম্যামের কাছে কয়েকটি ফাইল পাঠিয়েছিলাম। কিছুদিন পর তিনি সেগুলো সংশোধনের জন্য ফেরত দেন, আর আমি তা সংশোধন করে পুনরায় জমা দিই। একদিন ভিসি ম্যাম আমাকে ডেকে বলেন, একটি কোর্সে প্রথম পরীক্ষক হিসেবে প্রোভিসি স্যারকে রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী ঠিক নয়। তিনি বলেন, সরকার আমাদের কিছু নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে, যার ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। আমি তখন বলি, 'ম্যাম, আমি বিষয়টি জানতাম না। একটু চেয়ারম্যান স্যারের সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছি।' এরপর আমি চেয়ারম্যান স্যারের সঙ্গে আলোচনা করি এবং জানতে চাই এটি কি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায় কিনা। তিনি তখন আগের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিনের উদাহরণ টেনে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। শেষে আমি যখন ভিসি ম্যামকে বিষয়টি জানাই, তিনি বলেন, 'যদি কোনো বিকল্প থাকে তাহলে চেয়ারম্যানকে বলেন, প্রোভিসিকে পরিবর্তন করে আমাকে নতুন ফাইল পাঠাতে।'"

    এ বিষয় জানতে চাইলে ভিসি ড.শূচিতা শরমিন বলেন, আমি কোনো বিষয় নিয়েই আর কথা বলতে চাই না। এ বলেই তিনি ফোন কেটে দেন । তবে ফোন করা হলে কোনো সাড়া মেলেনি। 

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অচল: দক্ষিণবঙ্গ অচলের ঘোষণা

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১২ মে, ২০২৫ ২০:৩৭
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অচল: দক্ষিণবঙ্গ অচলের ঘোষণা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শূচিতা শরমিনের পদত্যাগের দাবিতে আগামীকাল (মঙ্গলবার) দক্ষিণবঙ্গ অচল করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

    সোমবার (১২ই মে) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রান্ডফ্লোরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই অবরোধের ঘোষণা আসে।

    বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা বলেন, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আজ ২৮তম দিনে তারা ব্লকেড কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, বারবার রাষ্ট্রপক্ষকে জানানোর পরেও কোনো সাড়া মেলেনি। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, যদি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ হয়, তার জন্য কর্তৃপক্ষই দায়ী থাকবে। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানান, আগামীকাল দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে যদি উপাচার্য শূচিতা শরমিনকে অপসারণ করা না হয়, তবে তারা দক্ষিণবঙ্গ অচল করে দেবেন।

    আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী সুজয় বিশ্বাস শুভ বলেন, "আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন মেনে নিয়ে উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কথায় কোনো কর্ণপাত করেননি। আগামীকাল ২টার মধ্যে যদি উপাচার্য পদত্যাগ না করেন, তাহলে আমরা দক্ষিণবঙ্গ অচল করে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।"

    আরেক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, "আন্দোলনের ২৮তম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আগামীকাল থেকে ব্লকেড কর্মসূচিতে যাচ্ছি।"

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মুস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, "আমরা শিক্ষার্থীদের সকল যৌক্তিক আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করছি।"

    কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, "এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী উপাচার্যের স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে কেউই ভালো নেই। এই ফ্যাসিস্ট মনোভাবের স্বৈরাচারী ভিসি যদি বহাল থাকেন, তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে যাবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার স্বার্থে আমরা শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে তাদের পাশে আছি।"

    মন্তব্য
    সর্বশেষ সংবাদ
      সর্বাধিক পঠিত