ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করলেন ইশরাক

অনলাইন ডেস্ক
২১ মে, ২০২৫ ১২:৫৪
অনলাইন ডেস্ক
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করলেন ইশরাক
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ছবি: সংগৃহীত

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।

বুধবার (২১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।

ওই পোস্টে ইশরাক লেখেন, গণতান্ত্রিক ভাষায়, রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে যৌক্তিক কারণে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। যেহেতু এটা প্রতীয়মান যে আপনারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, হয়ত আগামীতে সরাসরি যুক্ত হবেন। এবং এটাও অনেকটা স্পষ্ট আপনারা নির্বাচন করবেন। তাহলে আপনাদের পদত্যাগের দাবি কি অযৌক্তিক? নাকি এটাই সঠিক পদক্ষেপ হবে এবং আপনাদের নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটবে।

আপনাদেরই নাহিদ ইসলাম যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছে সেটাই অনুসরণ করুন। উনি চাইলে হয়ত আরও কিছুদিন মন্ত্রিত্ব করে তারপর এনসিপিতে যেতে পারতেন। একটা সময় ছিল সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহরা জোরালোভাবে দাবি করলে ওনারাও হয়ত মন্ত্রিত্ব নিতে পারতেন। কিন্তু তারা রাজনীতি করবেন বলে সেই কর্মপন্থা বেছে নিয়েছেন। হয়ত একদিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে পূর্ণাঙ্গভাবে মন্ত্রীর দায়িত্ব, ক্ষমতা ও সম্মান আবার পাবেন।

dhakapost

আপনারা পদত্যাগ করলে বর্তমান সরকারের নিরপেক্ষতার ইমেজই বৃদ্ধি পাবে। এখনও মনে করি সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দলীয় ও সাংগঠনিক কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারলে দেশ ও জনগণকে আপনারা আরও ভালো কিছু দিতে পারবেন।

আর ক্ষমতা ধরে রাখলে আপনাদের দলের লোকজনকে বিশেষ সুবিধা দিতেই হবে, এটা থেকে বিরত থাকার বা শতভাগ নিরপেক্ষ থাকার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা অথবা ক্ষমতা আপনাদের নাই। কারোরই থাকে না। কাঁঠাল ভাঙবে আপনাদের মাথায়, খাবে কিন্তু অন্য সবাই।

এখন নিশ্চয়ই বলবেন বা ভাববেন ক্ষমতার লোভে অবৈধ মেয়র হওয়ার জন্য দিনের পর দিন আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়ে জনভোগান্তি তৈরি করে নিজেকে সাধু বানিয়ে আমাদের নীতিবাক্য শোনাচ্ছেন, তাই না? আমি নিজেও কি কম সমালোচনার শিকার হয়েছি এটি করতে গিয়ে? কিন্তু আমার আর কোনো উপায় ছিল না। আপনাদেরকে যে ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে সেটা জনগণকে বোঝানো দেশের জন্য প্রয়োজন ছিল। এবং আজ অবধি আমাকে বাধা দেওয়ার কাজটি যৌথ সিদ্ধান্তে হচ্ছে, এটা মিনিমাম রাজনৈতিক বোধ সম্পন্ন মানুষ বোঝে।

কিন্তু আমি বলব এটা ছিল ওনাদের ভুল পলিসি, ব্যবহার হলেন আপনি আসিফ ভূঁইয়া। আইন-আদালত মেনে নিতে না পারলে কোথা থেকে দেশ সংস্কার শুরু হবে? তারপর যত ইচ্ছা সমালোচনা করতেন, দেখতেন আসলে কি করি। এখন পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া আমাকে সম্পন্ন করতেই হবে।

বন্দোবস্ত তো আগেরটাই অনুসরণ হচ্ছে। আরও পাকাপোক্ত করা হচ্ছে বললেও ভুল হবে না। আপনাদের পদত্যাগের দাবি থেকে সরার কোনো সুযোগ নাই। আপনারাই বা কেন থাকতে চাচ্ছেন?

মন্তব্য

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক

অনলাইন ডেস্ক
২০ মে, ২০২৫ ২১:৪৫
অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামীকাল সকাল ১১টা বিক্ষোভ সমাবেশ করবে দলটি।

মঙ্গলবার (২০ মে) রাতে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, অনতি বিলম্বের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আমলে নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি। এই দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে সকাল ১১টায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মওদুদের এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক দেখভালোর দায়িত্বে জেলা বিএনপি

    জেলা প্রতিনিধি
    ২০ মে, ২০২৫ ১৫:৪৯
    জেলা প্রতিনিধি
    মওদুদের এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক দেখভালোর দায়িত্বে জেলা বিএনপি

    নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করবেন জেলা বিএনপি। এ আসনে ৫ আগস্টের পর সাংগঠনিক নেতা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নোয়াখালী-৫ আসনে পাঁচবার এমপি ছিলেন।  

    সোমবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ নির্দেশনা দেন। এতে তারেক রহমান লন্ডন থেকে স্কাইপিতে যুক্ত ছিলেন।  

    দলীয় সূত্র জানায়, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারেক রহমান লন্ডন থেকে স্কাইপিতে যুক্ত ছিলেন। বৈঠকে দলের নানা বিষয় উঠে এসেছে। বৈঠকে জেলার সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জেলা নেতৃবৃন্দকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান করেন। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা কমিটি সমূহ গঠনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।

    জানা যায়, বৈঠকে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম হায়দার বিএসসি নোয়াখালী-৫ কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট উপজেলায় বিএনপির সাংগঠনিক অভিভাবক শূন্যতার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অবহিত করেন। ওই সময় এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) নির্বাচনী এলাকা দেখবে জেলা বিএনপি।

    জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন,নোয়াখালী-৫ কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম জেলা কমিটির ওপর ন্যস্ত করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  
     
    চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক দলনেতা আহমেদ আজম খানের নেতৃত্বে বৈঠকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদ, সদস্য গোলাম হায়দার বিএসসি, সদস্য এডভোকেট আবদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।  
     

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নগর ভবনে ‘ব্লকেড’

    অন্তর্বর্তী সরকার ও এনসিপি নেতাদের কড়া কথা বললেন ইশরাক

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৯ মে, ২০২৫ ১৯:৫২
    অনলাইন ডেস্ক
    অন্তর্বর্তী সরকার ও এনসিপি নেতাদের কড়া কথা বললেন ইশরাক

    আদালতের রায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ঘিরে নেতাকর্মীদের কর্মসূচি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ও এনসিপি নেতাদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে মুখ খুলেছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। দীর্ঘ নীরবতার পর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার লোভ এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

    সোমবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি বলেছেন, মেয়র ফেওর কিছু না। অন্তর্বর্তী সরকারের কতিপয় ব্যক্তির অন্তরে ক্ষমতার লোভ এবং এটি চিরস্থায়ী করার কুৎসিত সত্যটা বের করে আনাটাই ছিল মুখ্য উদ্দেশ্য।

    তিনি অভিযোগ করেন, সর্বশক্তি দিয়ে এরা ঢাকায় বিএনপির মেয়র আটকানোর চেষ্টার মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী ভূমিকা পালন করবে তা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিল।

    ইশরাক হোসেন আরও বলেন, কোনো কথা চলবে না, যারা নিরপেক্ষতা শুধু বিসর্জন দিয়েছে নয় বরং একটি দলের প্রতিনিধির কাজ করেছে তাদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। এরা হাসিনার মতোই বিচারকদের হুমকি দিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছে, উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করেছে এবং আমলাতন্ত্র হাসিনার দোসরদের সাথে নিয়ে লম্বা কুচক্র পরিকল্পনা করছে। একদিন এদের সবার নামপরিচয় প্রকাশ পাবে।

    তিনি আরও বলেন, হাসিনারেও বলছিলাম কবরটা ঠিক করাই আছে, আল্লাহর হুকুম থাকলে সেখানেই হবে ইনশাআল্লাহ। লড়াই শেষ হয় নাই। হয় দাবি আদায় করব, না হয় আল্লাহর নির্ধারিত স্থানে মাটির নিচে শায়িত হব। গণতন্ত্রের সাথে, জনগণের ভোটার অধিকারের সাথে এক চুল ছাড় হবে না।

    মন্তব্য

    এনসিপির অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন নাহিদ ইসলাম

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৯ মে, ২০২৫ ১৬:২৯
    অনলাইন ডেস্ক
    এনসিপির অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে আজ কয়েকটি বিষয়ে এনসিপি’র অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের সাম্য, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদার আদর্শ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই এনসিপির পথচলা। এছাড়াও আমরা বাংলার হিন্দু-মুসলমান-দলিতের উপনিবেশবিরোধী ও ব্রাহ্মণ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করি।’

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এনসিপি নাগরিকের ধর্মবিশ্বাস ও আত্মিক অনুভবের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম-তার নৈতিকতা ও মানবিকতা এবং বাঙালি মুসলমানের ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনচর্চাকে এনসিপি মূল্যায়ন করে। সংখ্যালঘু ধর্মীয় ও নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এনসিপি।’

    তিনি বলেন, ‘এনসিপি মনে করে রাষ্ট্রের উচিত প্রতিটি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অখণ্ডতা রক্ষা করা। এনসিপি ইসলামবিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা করে এবং ধর্মীয় উগ্রতা বা চরমপন্থাকে সমর্থন করে না। এনসিপি সেকুলারিস্ট বা ধর্মতান্ত্রিক (Theocratic)—কোনো মতবাদকেই আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করে না। বরং ধর্মীয় সহাবস্থান, সম্প্রীতি ও দায়-দরদ অনুশীলনের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়াই এনসিপির লক্ষ্য।’

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এনসিপি জাতি, ধর্ম বা গোত্রভিত্তিক পরিচয়ের পরিবর্তে সভ্যতাগত জাতীয় পরিচয় ধারণ করে। বহু ভাষা ও সংস্কৃতির মিলনক্ষেত্র বঙ্গীয় বদ্বীপের সভ্যতাগত পরিচয়কে ধারণ করে জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলবে এনসিপি।’

    তিনি বলেন, ‘নারীর মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন এনসিপির অন্যতম মূলনীতি। নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, নেতৃত্ব ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতে এনসিপি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। পারিবারিক আইনের আওতায় সম্পত্তিতে নারীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে এনসিপি কাজ করবে।’

    দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদ বাংলাদেশের জন্য একটি সাংস্কৃতিক ও ভূরাজনৈতিক হুমকি উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এনসিপি এই আধিপত্যবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করবে। এনসিপি মনে করে বাংলাদেশের উচিত ন্যায্যতা, মর্যাদা, সভ্যতা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে অন্য রাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি করা।’

    তিনি বলেন, ‘এনসিপি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত  আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলবে যা একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের অনুরূপ হবে। শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, জলবায়ু, নগর ব্যবস্থাপনা, শ্রম অধিকার ও কর্মসংস্থান হবে এনসিপির প্রধান নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্র। বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একটি নতুন অর্থনৈতিক জোন তৈরির ভিশন আছে এনসিপির।’

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এনসিপি বিশ্বাস করে, একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে হলে রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন, প্রতিষ্ঠান সংস্কার এবং নতুন সংবিধান প্রণয়ন জরুরি। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ঘটিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করা এনসিপির প্রধানতম রাজনৈতিক কর্তব্য। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের জন্য প্রথম ধাপটি হচ্ছে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ও নতুন সংবিধান প্রণয়ন।’

    মন্তব্য
    সর্বশেষ সংবাদ
      সর্বাধিক পঠিত