শিরোনাম
নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট স্থগিত রাখতে ইসিতে এনসিপি নেত্রীর চিঠি
উচ্চ আদালতের রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ না করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। রোববার ( ৩ মে ) দুপুরের দিকে এই চিঠিটি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়।
মনিরা শারমিন চিঠিতে জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার গত ২৩ ও ২৭ এপ্রিলের আপিল আদেশের বিরুদ্ধে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছেন।
মামলাটি আগামীকাল সোমবার ( ৪ মে ) হাইকোর্ট বিভাগের একটি ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এই মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপর প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিতে কমিশনকে অনুরোধ করেন তিনি।
মনিরা শারমিন তার চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, যেহেতু দল থেকে প্রথমে তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, সেহেতু হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের জন্য নির্বাচন কমিশনের অপেক্ষা করা উচিত।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন থেকে নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশিত না হওয়ায় আজ তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের অন্যান্য নবনির্বাচিত সদস্যদের সাথে শপথ নিতে পারেননি।
রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ বিরোধী দলের, সংসদ থেকে ওয়াকআউট
অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তর করার প্রক্রিয়ায় ‘রাজনৈতিক সমঝোতা’ ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে বিরোধী দল। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ সংশোধিত আকারে পাস এবং ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না করায় ক্ষোভ জানিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী জোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী জোটের সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।
আলোচনার সূত্রপাত হয় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ নিয়ে। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, বিশেষ কমিটিতে ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই পাসের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছিল। কিন্তু বিলটি পাসের মাত্র ৩০ মিনিট আগে রহস্যজনকভাবে একটি সংশোধনী আনা হয়।
সংশোধনীতে জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান হিসেবে বিশেষজ্ঞের পরিবর্তে সংস্কৃতিমন্ত্রীকে রাখার প্রস্তাব করা হয়। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এটি সরাসরি দলীয়করণের প্রতিফলন। আমরা চেয়েছিলাম সাহিত্য, ইতিহাস ও জাদুঘর বিশেষজ্ঞরা এটি পরিচালনা করবেন। এভাবে শেষ মুহূর্তে সমঝোতা ভেঙে সংশোধনী আনা রাজনৈতিক জোচ্চুরি।’
বিরোধিতার জবাবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘এই সংশোধনী সরকার আনেনি, এটি একজন বেসরকারি সদস্যের (আনিসুর রহমান) প্রস্তাব। আর পর্ষদের প্রধান হিসেবে মন্ত্রী থাকা একটি সাধারণ রেওয়াজ; এটি দলীয়করণ নয়।’
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যেকোনো সদস্য সংশোধনী আনতে পারেন। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যাতে পর্ষদের কেউ দুর্নীতি বা জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট-বিরোধী কাজ করলে তাকে অপসারণ করা যায়।’
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সরকারের এই অবস্থানে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আলোচনা ছাড়া শেষ মুহূর্তে সংশোধনী আনলে আস্থার সংকট তৈরি হয়। আজ রাত ১২টার মধ্যে অধ্যাদেশগুলো বিল হিসেবে পাস না হলে সেগুলো তামাদি হয়ে যাবে। আপনারা ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ (দুদক, মানবাধিকার কমিশন, তামাক নিয়ন্ত্রণ) আটকে রেখেছেন কেন?’
জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনসহ ১৬টি অধ্যাদেশকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করার জন্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এগুলো পরবর্তীতে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করেই আনা হবে। তবে এতে বিরোধী দল আস্থা রাখতে পারেনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আস্থা হারিয়ে এখানে থাকা অর্থহীন। এখানে বিশ্বাস রক্ষা করা হয়নি। এই দুঃখ নিয়েই আমরা ওয়াকআউট করছি।’
এ সময় স্পিকার বলেন, ‘আপনারা যদি ওয়াকআউট করার জন্য আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, মোস্ট ওয়েলকাম, নো প্রবলেম।’
বিরোধীদলীয় নেতা তখন বলেন, ‘এতে আরও দুঃখ পেলাম। প্রথম দিন আশা করেছিলাম, আপনিও বলেছিলেন যে জাস্টিস মেনটেন করবেন। আপনি অনেক করেছেন, কিন্তু আজকের এই সময়ে এসে জাস্টিস পেলাম না।’
স্পিকার বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা, চিফ হুইপ অ্যাসিউরেন্স করেছেন যে প্রত্যেকটি বিল আগামী সেশনে আসবে। আপনার প্রধান জিজ্ঞাসা তো এটাই ছিল?’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বিশেষ কমিটিতে বিল আসা, বিশেষ কমিটির আশ্বাস, সবই তো উলটপালট হয়ে যাচ্ছে। উনারা বিশ্বাসের জায়গাটা রাখলেন না। আমরা সহযোগিতা করেই যাচ্ছিলাম। ঐকমত্য দেওয়া হয়েছিল যে আমরা আর কথা বলব না, আমরা হ্যাঁ-তেই ভোট দিয়ে চলব এবং চলেছি। কিন্তু এখন দেখছি আমাদের ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হচ্ছে। আমরা কেন ব্ল্যাকআউট হব?’
স্পিকার বলেন, ‘আপনার প্রধান প্রশ্ন ছিল যে বিলগুলো এই অধিবেশনে ওঠেনি সেগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে?’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আপনি বলেছিলেন রাত ১২টা হলেও অধিবেশন কন্টিনিউ করবেন এবং সবগুলো আলোচনা হবে। সেটি হলে আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত অংশগ্রহণ করতাম। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে উত্থাপন করা হবে না; উনারা আস্থার জায়গাটি নষ্ট করে ফেলেছেন। ভবিষ্যতে উনারা যখন আনবেন, তখন বেঁচে থাকলে অংশগ্রহণ করব।’
এরপর বিরোধী জোট ওয়াকআউট করে সংসদ থেকে বের হয়ে যায়। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সকল স্বৈরাচার-বিরোধী সংগ্রামের ইতিহাস এখানে সংরক্ষিত থাকবে। এটি কোনো দলের নয়, এটি জাতির সম্পদ।’
এমএসআই/এমএসএ
মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কারো বদনামী করা মহা পাপ : মির্জা আব্বাস
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এমপি তার নির্বাচনী এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীসহ এনসিপি নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, মুরুব্বিরা শিক্ষা দেয়, মিথ্যা বলা মহাপাপ। সুতরাং মিথ্যা বলো না। একটি লোকের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা এটিও মহা পাপ। এই পাপ থেকে দয়া করে নিজে দূরে থাকুন এবং আমাদেরকেও দূরে রাখুন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনার দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মাহফিলের আয়োজন করে রমনা থানা বিএনপি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রতিপক্ষের উদ্দেশে মির্জ আব্বাস বলেন, আমার এলাকায় নির্বাচনে ভোট কারচুপি না হলে ওরা এত ভোট পেতে পারে না। ঢাকা ৮ আসনের একটি ওয়ার্ডে আপনার কোন আত্মীয় আছে যে আপনাকে ভোট দিয়েছে, তা বলতে পারবেন না। আর আমি মির্জা আব্বাস নাম ধরে বলে দিবো কারা কারা আমাকে ভোট দিয়েছে। আপনি কসম খেয়ে বলেন- এতগুলো ভোট আমি সিল মেরে নিয়েছেন! নাকি আকাশ থেকে এসেছে!
তিনি বলেন, আমরা রাতের বেলায় কয়েকটি স্কুলে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করেছি। না হলে সব কেন্দ্র সিল মেরে নিয়ে যেতেন। অদ্ভুত কায়দায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। চাপিয়ে দিচ্ছেন বিএনপির উপরে।
প্রধানমন্ত্রীল রাজনৈতিক এ উপদেষ্টা বলেন, আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই। আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কিভাবে পেলেন? সেটি আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারবো আপনারা কারচুপি করেছেন।
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকল এনসিপি
হঠাৎ জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দেশের চলমান পরিস্থিতি ও সমসাময়িক ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে এ আয়োজন করেছে দলটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটায় ঢাকার বাংলামোটরে অবস্থিত দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বার্তায় ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা বা নতুন কর্মসূচি আসতে পারে।
আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান
দীর্ঘ দুই যুগ পর রংপুর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও রংপুর নগরীতে আয়োজিত জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে বগুড়া থেকে পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরে গিয়ে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান। পরে তিনি রংপুর নগরীর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জনসভা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জনসভাকে কেন্দ্র করে রংপুরজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। সকাল থেকেই রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীতে আসতে শুরু করেছেন। জুমার নামাজের পর জনসমাগম আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে মঞ্চ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জনসভা এলাকায় একাধিক ডিজিটাল এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হয়েছে, যাতে দূরবর্তী স্থান থেকেও বক্তব্য দেখা ও শোনা যায়। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে মাইক ও স্ক্রিন বসানো হয়েছে।
এদিকে জনসভাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, পুরো এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশ এবং রুফটপে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, জনসভা এলাকা ও চলাচলের পথগুলো নিরাপদ রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর চেম্বার ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। এতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুর অঞ্চলে বিএনপির পক্ষে গণজাগরণ তৈরি হয়েছে। জনসভায় তার প্রতিফলন দেখা যাবে।
তিনি বলেন, বৃহত্তর রংপুর দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বিমানবন্দর চালু, ভারী শিল্পে গ্যাস সংযোগ, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন ও শহীদ আবু সাঈদের নামে একটি বড় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের দাবিসহ একাধিক বিষয় তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
রাজশাহী থেকে উত্তরাঞ্চল সফর শুরু করেন তারেক রহমান। রাজশাহী, নওগাঁ ও বগুড়ায় পৃথক জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য