শিরোনাম
মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কারো বদনামী করা মহা পাপ : মির্জা আব্বাস
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এমপি তার নির্বাচনী এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীসহ এনসিপি নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, মুরুব্বিরা শিক্ষা দেয়, মিথ্যা বলা মহাপাপ। সুতরাং মিথ্যা বলো না। একটি লোকের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা এটিও মহা পাপ। এই পাপ থেকে দয়া করে নিজে দূরে থাকুন এবং আমাদেরকেও দূরে রাখুন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনার দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মাহফিলের আয়োজন করে রমনা থানা বিএনপি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রতিপক্ষের উদ্দেশে মির্জ আব্বাস বলেন, আমার এলাকায় নির্বাচনে ভোট কারচুপি না হলে ওরা এত ভোট পেতে পারে না। ঢাকা ৮ আসনের একটি ওয়ার্ডে আপনার কোন আত্মীয় আছে যে আপনাকে ভোট দিয়েছে, তা বলতে পারবেন না। আর আমি মির্জা আব্বাস নাম ধরে বলে দিবো কারা কারা আমাকে ভোট দিয়েছে। আপনি কসম খেয়ে বলেন- এতগুলো ভোট আমি সিল মেরে নিয়েছেন! নাকি আকাশ থেকে এসেছে!
তিনি বলেন, আমরা রাতের বেলায় কয়েকটি স্কুলে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করেছি। না হলে সব কেন্দ্র সিল মেরে নিয়ে যেতেন। অদ্ভুত কায়দায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। চাপিয়ে দিচ্ছেন বিএনপির উপরে।
প্রধানমন্ত্রীল রাজনৈতিক এ উপদেষ্টা বলেন, আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই। আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কিভাবে পেলেন? সেটি আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারবো আপনারা কারচুপি করেছেন।
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকল এনসিপি
হঠাৎ জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দেশের চলমান পরিস্থিতি ও সমসাময়িক ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে এ আয়োজন করেছে দলটি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটায় ঢাকার বাংলামোটরে অবস্থিত দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বার্তায় ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা বা নতুন কর্মসূচি আসতে পারে।
আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান
দীর্ঘ দুই যুগ পর রংপুর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও রংপুর নগরীতে আয়োজিত জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে বগুড়া থেকে পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরে গিয়ে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান। পরে তিনি রংপুর নগরীর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জনসভা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জনসভাকে কেন্দ্র করে রংপুরজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। সকাল থেকেই রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীতে আসতে শুরু করেছেন। জুমার নামাজের পর জনসমাগম আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে মঞ্চ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জনসভা এলাকায় একাধিক ডিজিটাল এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হয়েছে, যাতে দূরবর্তী স্থান থেকেও বক্তব্য দেখা ও শোনা যায়। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে মাইক ও স্ক্রিন বসানো হয়েছে।
এদিকে জনসভাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, পুরো এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশ এবং রুফটপে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, জনসভা এলাকা ও চলাচলের পথগুলো নিরাপদ রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর চেম্বার ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। এতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুর অঞ্চলে বিএনপির পক্ষে গণজাগরণ তৈরি হয়েছে। জনসভায় তার প্রতিফলন দেখা যাবে।
তিনি বলেন, বৃহত্তর রংপুর দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বিমানবন্দর চালু, ভারী শিল্পে গ্যাস সংযোগ, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন ও শহীদ আবু সাঈদের নামে একটি বড় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের দাবিসহ একাধিক বিষয় তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
রাজশাহী থেকে উত্তরাঞ্চল সফর শুরু করেন তারেক রহমান। রাজশাহী, নওগাঁ ও বগুড়ায় পৃথক জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে: তারেক রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ এবং পদ্মা নদীর ওপরে ব্যারেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী মাদরাসা মাঠে এক নির্বাচনী সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান এই প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি বলেন, রাজশাহী বললেই বোঝায় পদ্মা নদী। এখন দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে পদ্মাই বলেন, তিস্তাই বলেন, ব্রহ্মপুত্রই বলেন, যে নদীই বলেন, পানি আছে কোনো? কোনো পানি নাই, পদ্মা নদীর সাথে যে খালগুলো আছে সেখানেও পানি নাই। আমাদের নদীতে পানি দরকার। এই এলাকার খালগুলো আমরা খনন করতে চাই। ধানের শীষ ইনশাল্লাহ বিজয়ী হলে আমরা পদ্মা ব্যারেজ করতে চাই। ইনশাল্লাহ আমরা পদ্মা ব্যারেজের কাজে হাত দেবে।”
‘যেহেতু রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত, যদিও সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ কৃষি পেশার সাথে জড়িত, দেশের বৃহৎ একটি অংশ কৃষি পেশার সাথে জড়িত। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষভালো থাকবে, কৃষি যদি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয় তাহলে দেশের মানুষ সহজেই কৃষি উৎপাদিত পণ্য সামগ্রি সেগুলো তারা ক্রয় করতে পারবে। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ১০ হাজার টাকা পর্যান্ত কৃষি ঋণ আছে ইনশাল্লাহ আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষ বিজয় হয়ে সরকার গঠন করলে আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণসুদসহ মওকুফ করব ইনশাল্লাহ।
একই সঙ্গে কৃষি কার্ড চালুর মাধ্যমে কীটনাশক ওষুধ, সার, বীজসহ বিভিন্ন উপকরণও কৃষকদের সহায়তা করা হবে বলে জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।
উত্তরাঞ্চলে বন্ধ থাকা বরেন্দ্র প্রকল্প চালু, রাজশাহীর আইটি পার্ক সচল, রাজশাহী বিভাগে একটি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপন, একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ, আম সংরক্ষণে হিমাঘার নির্মাণ, এবং কৃষি সংক্রান্ত শিল্প স্থাপনে উৎসাহী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদান কথা হবে জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘কেন এসব কাজ করছি? এই পরিকল্পনার কথাগুলো আপনাদেরকে এজন্য বললাম, এই কাজগুলোর কথা এই জন্য বললাম বিগত ১৬/১৭ বছর এই দেশের সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার যেমন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, এদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার যেমন কেড়ে নেয়া হয়েছিলো ঠিক দেশের মানুষের জন্য তারা (বিগত সরকার) কোনো কাজ করে নাই। আমরা দেখেছি, কিভাবে তারা মেগা মেগা প্রকল্প করেছে এবং এই মেগা প্রকল্পের উদ্দেশ্যই ছিল মেগা দুর্নীতি। এলাকার মানুষের জন্য রাস্ত-ঘাট নির্মাণ, কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো, মা-বোনদের পাশে দাঁড়ানো, এলাকায় হাসপাতাল, এলাকায় স্কুল কলেজ ঠিক করা, হাসপাতাল ঠিক করা— এসব কোনো কাজ বিগত সরকারের সময়ে হয়নি। কাজেই ২৪ সালের ৫ আগস্ট যে পরিবর্তন হয়েছে এর মাধ্যমে যেন জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। সেজন্য ১২ তারিখে নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সমাবেশে তারেক রহমান রাজশাহী, নাটোর ও চাপাই নবাবগঞ্জের ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের জন্য ভোট চান। প্রার্থীরা হলেন, শাহজাহান মিয়া,আমিনুল হক, হারুনুর রশীদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরীফ উদ্দিন, মিজানুর রহমান মিনু,শফিকুল ইসলাম মিলন, ডিএম জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, আবু সাঈদ চাঁন, ফারজানা শারিমিন পুতুল, রুহুল কুদ্দন তালুকদার দুলুম, আনোয়ার হোসেন আনু, আব্দুল আজিজ উপস্থিত ছিলেন।
‘আগামীতে দেশ কোনো দিকে যাবে?’
তারেক রহমান বলেন, ১২ তারিখে বাংলাদেশের মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আগামী দিন আমরা দেশকে কোন দিকে পরিচালিত করব। দেশকে আমরা গণতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করব নাকি দেশ অন্য কোনো দিকে চলে যাবে.. এই বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গণতন্ত্রের দিকে যদি আমরা দেশকে ধাবিত করি, গণতন্ত্রের পথে যদি দেশকে আমরা পরিচালিত করি তাহলে আজকে আমরা যেসব পরিকল্পনার কথা বললাম, আপনাদের যে দাবিগুলোর কথা তুলে ধরলাম, মানুষের উপকার হয় সেই কাজগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি গণতন্ত্রকে ধরে রাখতে না পারি তাহলে মেগা প্রজেক্ট হবে , জনগণের কোনো প্রজেক্ট হবে না। জনগণের প্রজেক্ট যদি বাস্তবায়ন করতে হয় তাহলে অবশ্যই গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে হবে, গণতন্ত্রের ভিত্তিকে মজবুত করতে হবে। তাহলেই জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। আসুন আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে,ঐক্যবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।
তারেক বলেন, অবস্থার পরিবর্তনের অর্থ যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, গণতন্ত্রের ঝান্ডাকে উপরে তুলে ধরা। কোনোভাবে যেন জনগণের ঝান্ডা নেমে যেতে না পারে এ ব্যাপারে সকলকে দৃষ্টি রাখতে হবে।
জেলা সভাপতি মামুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান লিটনের সঞ্চালনায়সমাবেশে বিএনপির নেতা শাহীন শওকত,দেবাশীষ রায় মধু, সাইফুল ইসলাম মার্শাল,বিশ্বনাথ সরকারসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
মঞ্চে তারেক রহমানের সাথে তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানও ছিলেন।
ঢাকায় মহিলা জামায়াতের সমাবেশ স্থগিত
জামায়াতে ইসলামীর মহিলা শাখা আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীতে যে সমাবেশ আয়োজন করার কথা ছিল, সেটি স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘অনিবার্য কারণে’ এ সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মো. তাহের এই সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সারা দেশে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছিলেন, ‘জামায়াতের ৪৩ শতাংশ সদস্যই নারী। এবারের নির্বাচনে তাঁরা অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। আমাদের প্রতিপক্ষরা নারী সমর্থকদের আধিক্য দেখে ভীত হয়ে তাঁদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে এবং ভীতি প্রদর্শন করছে। যারা নারী অধিকারের কথা বেশি বলে, তারাই নারীদের ওপর বেশি আক্রমণ করছে। আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্বলতা লক্ষ করছি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) হয়তো ক্ষমতাহীন অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে তারা একপক্ষ হয়ে গেছে।’
আগামী শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী তা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে দলের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য