শিরোনাম
ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে চান আনচেলত্তি
পথ হারা ব্রাজিলকে কক্ষপথে আনতে ব্রাজিলে অবস্থান করছেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলত্তি। গত ২৬ মে আনুষ্ঠানিকভাবে সেলেসাওদের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যেই শেষ করেছেন পরিচয় পর্ব। কথা বলেছেন মন খুলে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল নিয়ে তার ধারণা, নিজের খেলোয়াড়ি ও কোচিং ক্যারিয়ার, সিনেমা দেখার নেশা এবং লেখালেখিসহ আরও অনেক কিছু নিয়ে কথা বলেন আনচেলত্তি।
নিজের স্বপ্নের কথাও জানান ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা এ কোচ। ঐতিহ্যাবাহী মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিল দলের কোচ হিসেবে ডাগআউটে দাঁড়াতে চান আনচেলত্তি। শুধু তাই নয় ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ফুটবল বিশ্বকে বেস্ট সেলার বই উপহার দিতে যান এই ইতালিয়ান মাষ্টারমাইন্ড। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের অধরা ‘হেক্সা’ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে চান তিনি।
আরও পড়ুন
আনচেলত্তি বলেন, আমি এখন পর্যন্ত তিনটি বই লিখেছি। ‘আই প্রেফার দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ’ বইটি আত্মজীবনীমূলক। ‘মাই ক্রিসমাস ট্রি’ বইয়ে আমি ব্যাখ্যা করেছি গত ২০ বছরে কৌশলগত ও কাজের জায়গা থেকে ফুটবল পাল্টেছে এবং অন্যটি ‘কুয়ায়েট লিডারশিপ’। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল নিয়ে চতুর্থটি শিগগিরই বের হবে। তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতলে যে বইটি লিখব সেটি বেস্টসেলার বই হবে।
এখন পর্যন্ত ৪০ জন ব্রাজিলিয়ানকে কোচিং করিয়েছেন আনচেলত্তি। তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিভাবান কে— এমন প্রশ্নের জবাবে রোনালদো নাজারিওকে সবার উপরে রেখেছেন তিনি। এসি মিলানে আনচেলত্তির অধীনে খেলেছেন ব্রাজিলের হয়ে দুবার বিশ্বকাপজয়ী রোনালদো।
তিনি বলেন, রোনালদো টেকনিক্যালি সেরা। তার খেলার ধরণ, মাঠে তার প্রভাব অবিশ্বাস্য। সে বিশ্বের সবচেয়ে মজার মানুষও। কাফু ছিল সবচেয়ে পেশাদার। তবে মজার মানুষ আরও অনেকেই আছে। এই যেমন মিলিতাও, ভিনিসহ আরও অনেকে। ভিনি খুব বিনয়ী। আমার সবার সঙ্গেই খুব ভালো সম্পর্ক। অনেকেই আমাকে ফোন করে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছে।
খেলোয়াড় হিসেবে আনচেলত্তির ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ ব্রাজিলের বিপক্ষে ১৯৯২ সালে। কোচিংয়ে নামার পর ইতালির সহকারী কোচ হিসেবে ১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছেন ব্রাজিলের। ভাগ্যই তাকে ব্রাজিল পর্যন্ত টেনে এনেছেন বলে মনে করেন আনচেলত্তি।
উল্লেখ্য, ব্রাজিলকে ২০২৬ বিশ্বকাপ জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে দলটির কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন আনচেলত্তি। আপাতত তার দায়িত্ব হলো ব্রাজিলকে আগামী বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার টিকিট পাইয়ে দয়া। আনচেলত্তির প্রথম অ্যাসাইনম্যান্ট আগামী ৫ জুন ইকুয়েডরের বিপক্ষে।
পদত্যাগ করতে পারেন ফারুক, দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আমিনুল
দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নাজমুল হাসান পাপনের জায়গায় বিসিবিপ্রধানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ। তবে এখন জোরাল গুঞ্জন পদত্যাগের করতে যাচ্ছেন তিনি। তার জায়গায় বিসিবির নতুন প্রধান হতে যাচ্ছেন সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বাসভবনে গিয়েছিলেন বিসিবিপ্রধান ফারুক। ক্রীড়া উপদেষ্টা আলোচনায় ফারুককে বার্তা দিয়েছেন, তিনি বিসিবির শীর্ষ পদে পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন। যদিও কেন পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন, সে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি ফারুককে।
এর আগে, গত বছরের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত দুই পরিচালক জালাল ইউনুস ও আহমেদ সাজ্জাদুল আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের পরিবর্তে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ এবং ক্রিকেট কোচ ও বিশ্লেষক নাজমূল আবেদীনকে এনএসসি তাদের নতুন পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেয়। পরে পরিচালকদের ভোটে বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হন ফারুক। এর আগে বোর্ড সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন নাজমুল হাসান।
এদিকে বিসিবির বোর্ডে পরিবর্তন আনার কথা ভাবলেও ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে আইসিসির কঠোর অবস্থানের বিষয়টি মাথায় রাখতে হচ্ছে। কেননা, সরকার চাইলেই বিসিবির পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনতে পারে না। বিসিবির পরিচালক এবং সভাপতিকেও হতে হয় নির্বাচিত।
অবশ্য ফারুক আহমেদ যদি নিজ থেকে সরে দাঁড়ান, তাহলে ভিন্ন কথা। সে পথেই নাকি হাঁটার কথা ভাবছেন ফারুক আহমেদ। একটি সূত্রে জানা গেছে, পদত্যাগ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য দু–এক দিন সময় চেয়েছেন ফারুক।
এদিকে কয়েক দিন ধরেই গুঞ্জন, তিন মাসের জন্য বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব নিতে পারেন জাতীয় দলের আরেক সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আগামী মাসেই যার আইসিসিতে চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
এদিকে আমিনুল ইসলাম বিসিবির দায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমাকে বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব নিতে এখনো বলা হয়নি। ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বোর্ড সভাপতির সঙ্গে গতকালের সভায়ও আমি ছিলাম না। তবে ১০-১৫ দিন আগে আমার সঙ্গে উপদেষ্টার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। তারা আমাকে কোনো একটা ভূমিকায় কিছু সময়ের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটে চাচ্ছেন। আমিও তাতে রাজি হয়েছি।’
তবে বিসিবির দায়িত্ব নিলেও যে সেটা লম্বা সময়ের জন্য নয় সেটাও জানিয়েছেন আমিনুল, ‘আমার বিসিবিতে লম্বা সময় ধরে থাকার ইচ্ছা নেই। আমাকে হয়তো আবেগ প্রবণ ভাবতে পারেন, তবে একটা দেশের যখন সৈনিক দরকার হয়, ওই সৈনিক কিন্তু তার পারিশ্রমিক বা নিজের স্বার্থ দেখে না। কাজটাই তার কাছে আগে। আমার চিন্তাও সেরকম। বিসিবির যে কোনো দায়িত্ব নিতে আমি প্রস্তুত। দেখা যাক কি হয়।’
বিকেএসপিতে তায়কোয়ানডো কোচ নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও নিপীড়নের অভিযোগ
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর তায়কোয়ানডো বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ মো. নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। চেহারায় শান্ত-সৌম্য, কথায় ধর্মীয় আবহের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বিভাগে দুর্নীতির রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
সূত্র জানায়, নূরুল ইসলাম বাংলাদেশের তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের বিতর্কিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা ওরফে রণজিৎ দাসের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ফেডারেশনের অন্দরমহলে তিনি ‘ক্রাইম কোর’-এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবেই পরিচিত।
২০১২ সালে বিকেএসপিতে তায়কোয়ানডো কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ভর্তি প্রক্রিয়ায় তিনি ঘুষ গ্রহণ করেছেন, কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের সরকারি বাহিনীতে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন এবং খেলোয়াড়দের পারিবারিক দুর্বলতা পুঁজি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
দুই সাবেক ক্যাডেট মো. ইমন হাসান ও আকাশ শেখ অভিযোগ করেন, তারা নূরুল ইসলামকে ৪ লাখ টাকা করে ঘুষ দিয়েছেন। পরবর্তীতে তারা রানা সাহেবকে ২ লাখ টাকা করে দিয়ে সেনাবাহিনী ও আনসারে চাকরি পান।
একইভাবে, মো. সাইমুল হাসান সাদকে রাশিয়ায় খেলার সুযোগ পাইয়ে দিতে মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করা হয়। পরে আনসারে চুক্তিভুক্ত হয়ে তিনি মাসিক ৮ হাজার টাকা করে রানা সাহেবকে দিতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুন
এছাড়া বিকেএসপির ক্যাডেট নং ১১, মো. ইউসুফ, গুরুতর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। অন্যদিকে, ক্যাডেট মুমিত হাসান ট্রেনিংয়ের সময় চোখে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর কোচ তা গোপন রাখেন এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমনকি চিকিৎসা খরচ আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আরেক ছাত্র মো. রাসেল, যিনি দরিদ্র ও অসুস্থ ছিলেন, তাকে তুচ্ছ অভিযোগে বহিষ্কার করে সাজানো নথি তৈরি করা হয়। অভিযোগ, কোচ তার পরিবার থেকে আর্থিক সুবিধা না পেয়ে প্রতিহিংসামূলকভাবে এই ব্যবস্থা নেন।
বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ এসেছে, কোচ নূরুল ইসলাম মহিলা অভিভাবকদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, যেসব অভিভাবক প্রস্তাবে সাড়া দেননি, তাদের সন্তানদের বহিষ্কার কিংবা কোণঠাসা করা হয়েছে।
এছাড়া, বিকেএসপির অভ্যন্তরীণ তথ্য নিয়মিতভাবে ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা সাহেবের কাছে সরবরাহ করতেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। জাতীয় প্রতিযোগিতায় বিকেএসপির দলকে বাদ দিয়ে রানা সাহেবের পছন্দের দলকে জয়ী করতে একাধিকবার কারসাজি করার অভিযোগও রয়েছে।
২০১৩ সালে ব্ল্যাক বেল্ট পরীক্ষার নামে ১৪ জন ক্যাডেটের কাছ থেকে জনপ্রতি ২১০ ডলার করে আদায় করা হলেও প্রকৃত খরচ ছিল মাত্র ১০৫ ডলার। অতিরিক্ত অর্থের কোনও হিসাব আজও পাওয়া যায়নি।
এই অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও, আজও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
এ বিষয়ে বিকেএসপি ও বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বিকেএসপির এক সাবেক কর্মকর্তা বলেন, “এই ধরনের অপকর্মের তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে, ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদরা অন্ধকারেই হারিয়ে যাবে।”
সাবেক ক্যাডেট ও অভিভাবকরা যথাযথ তদন্ত ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে বলেন, জাতীয় ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও গুণগত মান রক্ষায় এখনই সময় উদ্যোগী হওয়ার।
পাকিস্তান-বাংলাদেশ টি২০ সিরিজে নিরাপত্তা দেবে সেনাবাহিনী
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আসন্ন সিরিজে নিশ্চিন্দ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে পাকিস্তান সরকার।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাতে সামা টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আসন্ন বাংলাদেশ সিরিজে পাকিস্তান সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুরো সিরিজজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীও মোতায়েন থাকবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত-পাকিস্তানের সামরিক সংঘাতের কারণে এই সিরিজ হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে নতুন করে বিসিবিকে পরিবর্তিত সূচি পাঠিয়েছিল পিসিবি। অন্তর্বর্তী সরকারের ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার পর সম্মতি জানিয়েছে বিসিবি।

প্রথমে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও দুবাইয়ে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এবং বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমূল আবেদীনের মধ্যে বৈঠকের পর তিন ম্যাচের সিরিজ খেলার ব্যাপারে চূড়ান্ত হয়।
আগামী ২৮ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে সিরিজের সবকটি ম্যাচই হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। দুই দলের ২০ ওভারের এই লড়াই শুরু হবে ২৮ মে প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে। এরপর ৩০ মে এবং ১ জুন সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে বাংলাদেশ পাকিস্তানে পা রাখবে ২৫ মে। পরবর্তী দু’দিন অনুশীলন ক্যাম্প করবে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দলটি। সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই শুরু হবে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়)। বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজটি গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের আলোয় রোমাঞ্চকর হবে বলে আশাবাদী পিসিবি।
সিরিজ খেলতে পাকিস্তানে কবে যাচ্ছে বাংলাদেশ?
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাজেভাবে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ দল। এরপর থেকে আলোচনায় আছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। ওই সিরিজ শেষেই তারা বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন না। কারণ আগামী রোববারই যে তাদের পাকিস্তানের উদ্দেশে দুবাই ছাড়তে হচ্ছে। সালমান আলি আগা নেতৃত্বাধীন দলটির বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে লিটন দাসের দল।
এদিকে, ইতোমধ্যে আরব আমিরাত সিরিজ শেষ করে আসন্ন সিরিজের স্কোয়াডে না থাকা সৌম্য সরকার এবং নাহিদ রানা ঢাকায় পা রেখেছেন। তাদের মধ্যে নাহিদ ব্যক্তিগত কারণে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছেন এবং সৌম্য ছিটকে গেছেন পিঠের চোটের কারণে। ফলে উভয়ই বাংলাদেশের পাকিস্তান সফরের দলে নেই।
আরও পড়ুন
নাহিদ রানা নাম প্রত্যাহার করায় নতুন করে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। বর্তমানে পিএসএল খেলতে পাকিস্তানেই অবস্থান করছেন তিনি, একই সঙ্গে রিশাদ হোসেনও রয়েছেন সেখানে। এ ছাড়া আইপিএল শেষে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলা মুস্তাফিজুর রহমান ভারত থেকে সরাসরি পাকিস্তানের বিমান ধরবেন।
আগামী ২৮ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে সিরিজের সবকটি ম্যাচই হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। দুই দলের ২০ ওভারের এই লড়াই শুরু হবে ২৮ মে প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে। এরপর ৩০ মে এবং ১ জুন সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য