ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

৮৪ বছর সংসার করে গিনেস বুকে ব্রাজিলিয়ান দম্পতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৩:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক
৮৪ বছর সংসার করে গিনেস বুকে ব্রাজিলিয়ান দম্পতি

ডেস্ক রিপোর্ট: বিবাহবিচ্ছেদের হার যখন বিশ্বব্যাপী বাড়ছে, তখন ভালোবাসার এক অনন্য নজির গড়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন ব্রাজিলের এক দম্পতি। ৮৪ বছর ৭৭ দিন ধরে একসঙ্গে সংসার করছেন ম্যানোয়েল অ্যাঞ্জেলিম ডিনো ও মারিয়া ডি সুসা ডিনো। এ অর্জনের স্বীকৃতিতে তারা পেয়েছেন বিশ্বের দীর্ঘতম জীবিত দম্পতির আনুষ্ঠানিক খেতাব।

ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (ইউপিআই)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৩৬ সালে প্রথম দেখা হয় ম্যানোয়েল (১০৫) ও মারিয়া (১০১)-এর। প্রেমের পর ১৯৪০ সালে ব্রাজিলের সিয়েরা রাজ্যের বোয়া ভেনচুরা চ্যাপেলে বিয়ে করেন তারা। সেই সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সংকট চলছিল, এরপর এসেছে মহামারি, অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা—কিন্তু কিছুই তাদের বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি।

এই দম্পতি দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে ১৩ সন্তান লালন-পালন করেছেন। বর্তমানে তাদের পরিবার আরও বড় হয়েছে রয়েছে—৫৫ জন নাতি-নাতনি, ৫৪ জন প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী, ১২ জন প্রপৌত্র-প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী।

শতবর্ষী ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণকারী লংগেভিকোয়েস্ট নামের একটি ওয়েবসাইট তাদের ৮৪ বছর ৭৭ দিন ধরে চলমান বৈবাহিক সম্পর্ক যাচাই করে। পরে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের দীর্ঘতম জীবিত দম্পতি ঘোষণা করে।

এর আগে সবচেয়ে দীর্ঘ বিবাহিত দম্পতির রেকর্ড ছিল ৮৮ বছর ৩৪৯ দিন। ডেভিড জ্যাকব হিলার ও সারাহ ডেভি হিলার ১৮০৯ সালে কানাডায় বিয়ে করেন এবং দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটান।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুমৃ’ত্যু নিয়ে ইউনিসেফের উদ্বেগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২:২৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুমৃ’ত্যু নিয়ে ইউনিসেফের উদ্বেগ

    ডেস্ক রিপোর্ট: জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশের পর এটিকে হৃদয়বিদারক উল্লেখ করে উদ্বেগ জানিয়েছে ইউনিসেফ।

    গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক অফিসের প্রতিবেদনটির বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে এক হাজার ৪০০ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শতাধিক শিশু ছিল। ইউনিসেফ এসব মৃত্যুর অনেকের বিষয়ে ইতোমধ্যে রিপোর্ট করেছে এবং মোট কত শিশু নিহত বা আহত হয়েছে—তা স্পষ্ট করার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের প্রত্যেকের জন্য শোক প্রকাশ করছি।

    অভ্যুত্থানে নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতার চিত্রও তুলে ধরে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, এ সময় নারীদের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার জন্য শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের হুমকিসহ নানাপ্রকার জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঘটনার নথি পাওয়া গেছে।

    তিনি আরও বলেন, শিশুরাও এই সহিংসতা থেকে রেহাই পায়নি। তাদের অনেককে হত্যা করা হয়, পঙ্গু করে দেওয়া হয়, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হয়, অমানবিক অবস্থায় আটক করে রাখা হয় এবং নির্যাতন করা হয়।

    বিবৃতিতে শিশুদের ওপর সহিংসতার তিনটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন ফ্লাওয়ার্স। তিনি বলেছেন, ‘একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে ধানমন্ডিতে, যেখানে ২০০টি ধাতব গুলি ছোড়ার কারণে ১২ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারী অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ফলে মারা যায়। আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে নারায়ণগঞ্জে, সেখানে ছয় বছর বয়সী এক কন্যাশিশু তার বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে সংঘর্ষ প্রত্যক্ষ করার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়। এই বিক্ষোভের সবচেয়ে ভয়ংকর দিন ৫ আগস্ট পুলিশের গুলি চালানোর বর্ণনা দিয়ে আজমপুরের ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে বলে— সব জায়গায় বৃষ্টিপাতের মতো গুলি চলছিল। সে অন্তত এক ডজন মৃতদেহ দেখতে পেয়েছিল সেদিন।’

    তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো অবশ্যই আমাদের সবাইকে আতঙ্কিত করে তুলছে।

    বাংলাদেশের শিশুদের সঙ্গে আর কখনোই যেন এমনটি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে দেশের সব মানুষের কাছে আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।

    প্রাপ্ত এসব ফলাফলের আলোকে এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা-বিষয়ক ইউনিসেফের আগের বিবৃতিগুলোর জের ধরে বাংলাদেশের সমস্ত নীতিনির্ধারক, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের শিশু, যুবসমাজ ও পরিবারগুলোকে শারীরিক ও মানসিক ক্ষত সারিয়ে ওঠার পাশাপাশি আশা সঞ্চার করে তাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।

    এজন্য তিনটি বিশেষ ক্ষেত্রে জরুরিভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে জাতিসংঘের শিশু-বিষয়ক এই সংস্থাটি। সেগুলো হলো-

    প্রথমত, যেসব শিশু প্রাণ হারিয়েছে, তাদের ও তাদের শোকাহত পরিবারের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

    দ্বিতীয়ত, যারা এখনও আটক অবস্থায় আছে এবং যাদের জীবন কোনো না কোনোভাবে এই ঘটনাগুলির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, তাদের সবার জন্য পুনর্বাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একজোট হওয়া।

    তৃতীয়ত, এ সময়টাকে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য সার্বিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সব রাজনৈতিক নেতা, দল ও নীতিনির্ধারকদের পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য একজোট হতে হবে, যাতে বাংলাদেশের কোনো শিশুকে আর কখনও এমন বিচার-বহির্ভূতভাবে ও যথাযথ প্রক্রিয়ার অভাবে আটক থাকতে না হয়। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে গিয়ে, যা তাদের অধিকার, তাদের যেন নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হতে না হয়। আর এভাবে বাংলাদেশের শিশুদের সুরক্ষা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের অধিকার সমুন্নত রাখা সম্ভব।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ফের পশ্চিমবঙ্গে ডুবলো বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৭:৫২
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ফের পশ্চিমবঙ্গে ডুবলো বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২

      ডেস্ক রিপোর্ট: পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বজবজ থেকে ফ্লাইঅ্যাশ নিয়ে যাওয়ার পথে বাংলাদেশি একটি জাহাজ ঘোড়ামারা দ্ধীপের কাছে ডুবে গেছে। জাহাজটি থেকে ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মীরা।

      বাংলাদেশি জাহাজটির নাম এমভিসি ওয়ার্ল্ড। এটি কিং ওশান শিপিং লাইন নামের একটি বাংলাদেশি কোম্পানির মালিকানাধীন।

      জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফ্লাইঅ্যাশ বোঝাই করে মুড়িগঙ্গা হয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পথে ঘোড়ামাড়া দ্বীপের কাছে একটি চরে ধাক্কা লাগে জাহাজটির। এরপর হঠাৎ করে জাহাজের তলায় প্রচন্ড শব্দ হয়। সঙ্গে সঙ্গে জাহাজের ভেতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। এরপরেই ধীরে ধীরে নদীতে তলিয়ে যেতে শুরু করে জাহাজটি।

      এ ঘটনার খবর দেওয়া হয় স্থানীয় সাগর থানায়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্পণা নায়েকর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পোঁছায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে জাহাজে থাকা ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করে।

      অর্পণা নায়েক জানিয়েছেন, জাহাজের ক্রু সদস্যদের প্রত্যেকেই সাগর থানা পুলিশের কাছে আশ্রয়ে আছেন। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাদের নেওয়া হয়েছে স্থানীয় রুদ্রনগর গ্রামীণ হাসপাতালে। ১৬ জন ক্রু সদস্যের প্রত্যেকেই সুস্থ আছেন। গোটা ঘটনার বিষয়ে জাহাজটির মালিক কোম্পানিকে জানিয়েছে জাহাজটির কর্মীরা। তাদের সিদ্ধান্ত জানার পরেই জাহাজ উদ্ধারের কাজ শুরু হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আওয়ামী লীগ বর্তমানে বিজেপির বাংলাদেশি শাখা: কলকাতার সাংবাদিক

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৬:৫৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        আওয়ামী লীগ বর্তমানে বিজেপির বাংলাদেশি শাখা: কলকাতার সাংবাদিক

        ডেস্ক রিপোর্ট: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির বাংলাদেশি শাখা বলে মন্তব্য করেছেন কলকাতা এবং লন্ডনভিত্তিক সাংবাদিক, গবেষক, অ্যাক্টিভিস্ট অর্ক ভাদুড়ি।

        শুক্রবার দুপুরে নিজের ফেসবুক ওয়ালে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার স্ট্যাটাসটি ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। অর্কর পোস্টটি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলমও তার ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন।

        অর্ক ভাদুড়ির স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

        “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমেরিকায় গিয়েছেন।তাকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শাখা ‘ওয়েলকাম নরেন্দ্র মোদি’ লেখা ব্যানার নিয়ে জমায়েত করেছে। আওয়ামী ছাত্রলীগের অফিসিয়াল পেজ এই ভিডিও শেয়ার করেছে। ছাত্রলীগের পোস্টটি কমেন্ট সেকশনে শেয়ার করছি। ভিডিওর ডানদিকে ব্যানারটি দেখা যাবে।

        বিজেপি এবং আওয়ামী লীগ এখন আর আলাদা দুটি দল নয়। আওয়ামী লীগ বর্তমানে বিজেপির বাংলাদেশি শাখা। সেই কারণেই মোদিকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার হাতে আমেরিকায় জমায়েত করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতা ভারতে আছেন। আওয়ামী লীগের আইটি সেলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ভারতে এসে আরএসএস-এর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন। করতেই পারেন। এগুলি তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

        প্রশ্ন হলো, বিজেপির সিস্টার কনসার্ন হিসাবে ক্রিয়াশীল আওয়ামী লীগ কি আদৌ বাংলাদেশের রাজনীতিতে কামব্যাক করতে পারবে? সম্ভবত নয়। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আছে, ক্ষোভ আরও বাড়বে। কিন্তু তার সুফল আওয়ামী লীগ ঘরে তুলবে না, তুলবে অন্য রাজনৈতিক শক্তি।

        জুলাই-আগস্টের সহিংসতা নিয়ে শেখ হাসিনাকে দায়ী করে রাষ্ট্রসংঘের (জাতিসংঘ) রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের বিপদ আরও বেড়েছে। কিংবদন্তি আওয়ামী লীগ নেতা, মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিনের পুত্র সোহেল তাজ এ বিষয়ে যে পোস্ট করেছেন, কমেন্ট সেকশনে সেটি শেয়ার করলাম। এই দুরবস্থায়, খোলাখুলি নরেন্দ্র মোদির পক্ষে ব্যানার নিয়ে মিছিল করে আদৌ বিচক্ষণতার পরিচয় দিচ্ছে আওয়ামী লীগ?”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে নতুন বিল পাস

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৬:২০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে নতুন বিল পাস

          ডেস্ক রিপোর্ট: অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি বিল পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস)। ‘দ্য এজেন্স রাউল গঞ্জালেস অফিসার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ নামের সেই বিলটিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো নথিবিহীন অভিবাসী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো অপরাধ করেন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা বা সীমান্তরক্ষীদের ওপর হামলা চালান, সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

          বুধবার বিলটি উত্থাপনের পর সেটির পক্ষে ভোট দেন প্রতিনিধি পরিষদের ২৬৪ জন সদস্য এবং বিপক্ষে ভোট দেন ১৫৫ জন। বিধি অনুযায়ী, এখন বিলটি পাঠানো হবে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে। সেখানে সেটি পাস হলে তা যাবে প্রেসিডেন্টের দপ্তরে এবং তিনি তাতে স্বাক্ষরের পরেই আইনে পরিণত হবে বিলটি।

          গত ২০ জানুয়ারি নথিবিহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপর থেকে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে শুরু হয়েছে অভিযান, যা এখনও জারি আাছে। এবার সেই অভিযানকে আরও দৃঢ় করতে নতুন একটি বিল পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস)।

          সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বরত রক্ষী ও কর্মকর্তাদের ফাঁকি দেয়ে প্রবেশের মতলবে কোনো অভিবাসনপ্রত্যাশী যদি সীমান্ত এলাকার ১০০ মাইল বা ১৬১ কিলোমিটারের মধ্যে গাড়ি, মোটরসাইকেল বা অন্য কোনো মোটরযান নিয়ে প্রবেশ করেন, তাহলেও ওই অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেই বিলে।

          বিলটি পাসের পর এক ব্রিফিংয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার মাইক জনসন বলেন, এই বিল একটি দৃঢ় বার্তা দিচ্ছে আমাদের, তা হলো— যারা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে এবং আমাদের কর্মকর্তা-কর্মীদের নিরাপত্তাকে সংকটে ফেলছে, তাদেরকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে হবে এবং সেই ক্ষতিপূরণ হবে গুরুতর।

          ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য টেক্সাসের সীমান্তে দায়িত্বপালনের সময় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ইচ্ছুক অবৈধ অভিবাসীদের হামলায় নিহত হয়েছিলেন মার্কিন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য রাউল গঞ্জালেস। তার নামেই নামকরণ করা হয়েছে বিলটির।

          সূত্র : এপি

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত