শিরোনাম
স্কলারশিপে জাপানে উচ্চশিক্ষা, মাসিক ভাতা-বিমানে যাতায়াতসহ পাবেন সকল সুবিধা
জাপানের উচ্চশিক্ষার মান বর্তমানে সারা বিশ্বেই সমাদৃত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে পাড়ি জমাচ্ছেন। সামাজিক নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান এবং পড়ালেখার মান জাপানকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষস্থানে রেখেছে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ দেয় জাপান সরকার। এর মধ্যে অন্যতম হলো মেক্সট স্কলারশিপ। এই স্কলারশিপে আবেদন করতে বা ভর্তি হতেও কোনো ফি লাগে না। বরং মাসিক উপবৃত্তি, বিমানে যাতায়াত খরচসহ নানা সুযোগ-সুবিধা মেলে এই স্কলারশিপ পেলে। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
মেক্সট স্কলারশিপ-২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গত ৩০ এপ্রিল প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গবেষণা পর্যায়ে (মাস্টার্স ও পিএইচডি) ৩০ জন, আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ২৫ জন, কলেজ অব টেকনোলজি প্রোগ্রামের জন্য ১৫ জন এবং স্পেশালাইজড ট্রেনিং কলেজের জন্য ৫ জনকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হবে। নির্বাচিতদের জাপান দূতাবাসে অনুষ্ঠেয় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
মেক্সট স্কলারশিপের আওতায় অধ্যয়নের বিষয়—
গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, আর্থ সায়েন্স, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিস্টেম অ্যান্ড কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইকোনমিকস, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও কম্পিউটিং সায়েন্স, লাইফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।
সুযোগ-সুবিধা—
- বৃত্তিপ্রাপ্তদের কোনো টিউশন ফি বা ভর্তি ফি লাগবে না;
- আবেদন করতেও লাগবে না কোনো ফি;
- আসা-যাওয়ার বিমান খরচ মিলবে;
- আইইএলটিএস বা টোয়েফল স্কোর দেখাতে হবে না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা ও পরীক্ষা হয়েছে, সেটির প্রমাণ লাগবে;
- প্রতি মাসে ১ লাখ ১৭ হাজার ইয়েন ভাতা পাবেন। বিশেষভাবে নির্ধারিত অঞ্চলে অধ্যয়ন বা গবেষণা পরিচালনার জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা মাসিক ভাতার সঙ্গে অতিরিক্ত ২ বা ৩ হাজার ইয়েন পাবেন;
জাপান সরকারের বাজেট পরিস্থিতির কারণে এই অর্থের পরিমাণ প্রতি অর্থবছরে পরিবর্তিত হতে পারে। যদি কোনো গ্রহীতা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রস্তুতিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ওই সময়ের জন্য স্কলারশিপ স্থগিত রাখা হবে।
আবেদনের যোগ্যতা—
- বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
- স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির জন্য ১৯৮৯ সালের ২ এপ্রিলের পর জন্মগ্রহণকারীরা আবেদনের যোগ্য;
- স্নাতকের জন্য ২০০১ সালের ২ এপ্রিলের পর জন্মগ্রহণকারীরা আবেদনের যোগ্য;
- ট্রেনিং কলেজ প্রোগ্রামের জন্য ২০০১ সালের ২ এপ্রিলের পর জন্মগ্রহণকারীরা আবেদনের যোগ্য;
- আবেদনকারীদের প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক স্কুলে ন্যূনতম ৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;
- বর্তমানেও প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক স্কুলে কর্মরত রয়েছেন এমন প্রার্থী হতে হবে;
- জাপানি সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ থাকতে হবে;
- প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে আসার ইচ্ছা থাকতে হবে;
- প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সির ওপর প্রাধান্য দেওয়া হবে;
- সংশ্লিষ্ট সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র, পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র, আইইএলটিএস/টোয়েফল স্কোরশিট, শিক্ষকতার প্রত্যয়নপত্র ও অভিজ্ঞতার সনদ, অন্যান্য ডকুমেন্টসহ আবেদন করতে হবে;
- কোনো প্রার্থী একাধিক প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন না। যে কোনো একটি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র (সনদ, মার্কশিট) মন্ত্রণালয়ে যথাসময়ে জমা দিতে ব্যর্থ হলেও আবেদন বাতিল হতে পারে;
আবেদনে শিক্ষাগত যোগ্যতা—
- স্নাতকোত্তর ও ডক্টরাল: (First phase) পর্যায়ে আবেদনকারীকে অবশ্যই স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;
- ডক্টরাল কোর্স: (Second phase) পর্যায়ে আবেদনকারীকে অবশ্যই স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে অথবা স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ দুই বছর বা তদূর্ধ্ব সময় বিশ্ববিদ্যালয় বা কোনো গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে;
- ডক্টরাল কোর্স (faculties of medicine, dentistry, veterinary sciences, and certain areas in pharmaceutical) পর্যায়ে আবেদনকারীকে অবশ্যই স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে অথবা স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ দুই বছর বা তদূর্ধ্ব সময় বিশ্ববিদ্যালয় বা কোনো গবেষণা সংস্থায় গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে;
- আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও স্পেশালাইজড ট্রেনিং গ্রুপ পর্যায়ে আবেদনকারীকে উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে (যেসব আবেদনকারী মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন তারাও আবেদন করতে পারবেন। এমন প্রার্থীকে একাদশ শ্রেণির ফলাফল দাখিল করতে হবে)। College of Technology পর্যায়ে আবেদনকারীকে একাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হতে হবে;
আবেদন যেভাবে—
অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময়: আগামী ১২ মে ২০২৫, বিকেল ৫টা;
আবেদনকারীকে লিংকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার পরে সংশ্লিষ্ট সার্টিফিকেট, মার্কসিট, পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, আইইএলটিএস/টোয়েফেল এর সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য সব ডকুমেন্টের সত্যায়িত কপিসহ আবেদনের হার্ডকপি সচিবালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন অভ্যর্থনা কক্ষের ৯ নম্বর কাউন্টারে রক্ষিত নির্ধারিত বক্সে জমা দিতে হবে। হার্ডকপি জমা দেওয়া যাবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।
জাপানের বৃত্তির আবেদনসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আরও পড়ুন
ব্রিটেনে শিশুদের খেলার মাঠ থেকে ২য় বিশ্বযুদ্ধের ১৭৫টি বো-মা উদ্ধার
ডেস্ক রিপোর্ট: নর্থ ব্রিটেনে শিশুদের একটি খেলার মাঠে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পুঁতে রাখা ১৭৫টিরও বেশি অনুশীলন বোমা পাওয়া গেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ইউএস সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে খেলার মাঠে আরও কিছু বোমা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্কটল্যান্ড সীমান্তের কাছে ইংল্যান্ডের নর্থম্বারল্যান্ডের একটি ছোট শহর উলারে স্কটস পার্ক খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য একটি নির্মাণ প্রকল্প চলাকালীন বোমাগুলি আবিষ্কৃত হয়। যদিও এগুলি অনুশীলন বোমা, যা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবুও এগুলো এখনই চার্জ বহন করে। সেজন্যে বোমাগুলো ক্ষতিকারক হতে পারে। বোমাগুলো উদ্ধারের পর দেখা যায় ফিউজ এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, শ্রমিকরা মাঠে খনন করার সময় একটি সন্দেহজনক বস্তু খুঁজে পান। প্রথম বোমাটি পাওয়া যাওয়ার একদিন পর, নির্মাণ শ্রমিকরা দ্বিতীয়টি খুঁজে পান। এরপর ২৩ জানুয়ারি ওই কোম্পানি মোট ৬৫টি অনুশীলন বোমা খুঁজে পায়। প্রতিটির ওজন ১০ পাউন্ড।
ব্রিটেনে শিশুদের খেলার মাঠ থেকে ২য় বিশ্বযুদ্ধের ১৭৫টি বো-মা উদ্ধার
ডেস্ক রিপোর্ট: নর্থ ব্রিটেনে শিশুদের একটি খেলার মাঠে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পুঁতে রাখা ১৭৫টিরও বেশি অনুশীলন বোমা পাওয়া গেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ইউএস সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে খেলার মাঠে আরও কিছু বোমা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্কটল্যান্ড সীমান্তের কাছে ইংল্যান্ডের নর্থম্বারল্যান্ডের একটি ছোট শহর উলারে স্কটস পার্ক খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য একটি নির্মাণ প্রকল্প চলাকালীন বোমাগুলি আবিষ্কৃত হয়। যদিও এগুলি অনুশীলন বোমা, যা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবুও এগুলো এখনই চার্জ বহন করে। সেজন্যে বোমাগুলো ক্ষতিকারক হতে পারে। বোমাগুলো উদ্ধারের পর দেখা যায় ফিউজ এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, শ্রমিকরা মাঠে খনন করার সময় একটি সন্দেহজনক বস্তু খুঁজে পান। প্রথম বোমাটি পাওয়া যাওয়ার একদিন পর, নির্মাণ শ্রমিকরা দ্বিতীয়টি খুঁজে পান। এরপর ২৩ জানুয়ারি ওই কোম্পানি মোট ৬৫টি অনুশীলন বোমা খুঁজে পায়। প্রতিটির ওজন ১০ পাউন্ড।
গা-জা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার : জাতিসংঘ
ডেস্ক রিপোর্ট: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার। জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্স-২৪’ এ তথ্য জানায়।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গাজা পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠন শুরু করার জন্য একটি ‘রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো’ তৈরি করতে হবে। ইসরায়েলি দখলদারিত্ব দ্রুত শেষ করা এবং একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান প্রতিষ্ঠার জন্য একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করা যেতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি।
৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এরপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-এর আক্রমণের ফলে স্কুল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য অবকাঠামোসহ গাজার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
“প্রতিবেদনে গাজা উপত্যকা জুড়ে স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুমান করা হয়েছে ৫৩.১৪২ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে, প্রথম তিন বছরে প্রায় ২০.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে অনুমান করা হয়েছে।
গা-জা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার : জাতিসংঘ
ডেস্ক রিপোর্ট: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার। জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্স-২৪’ এ তথ্য জানায়।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গাজা পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠন শুরু করার জন্য একটি ‘রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো’ তৈরি করতে হবে। ইসরায়েলি দখলদারিত্ব দ্রুত শেষ করা এবং একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান প্রতিষ্ঠার জন্য একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করা যেতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি।
৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এরপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-এর আক্রমণের ফলে স্কুল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য অবকাঠামোসহ গাজার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
“প্রতিবেদনে গাজা উপত্যকা জুড়ে স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুমান করা হয়েছে ৫৩.১৪২ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে, প্রথম তিন বছরে প্রায় ২০.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে অনুমান করা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য