শিরোনাম
শেখ মুজিবের ছবি অপসারণের দায়ে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ছাত্রদলের প্রতিবাদ
ঢাকার উত্তরার বেসরকারি শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অপসারণ এবং বিএনপির রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি পালনের জেরে ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ৮ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে দাবি জানান।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে কলেজ গেটে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের নেতৃত্ব দেন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম। মানববন্ধন শেষে কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধনে ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম বলেন, ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। যদিও গত জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটে, তবুও তার অনুসারীরা এখনো বহাল তবিয়তেই আছে।
তিনি বলেন, এই মেডিকেল কলেজের ইতিহাস দীর্ঘ। আশির দশকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের জায়গায় ‘উম্মাহ মেডিকেল’ নামে একটি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপিত হয়। ১৯৯৫ সালে উম্মাহ মেডিকেল কলেজ হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পালাবদলে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন হয়ে সর্বশেষ আওয়ামী লীগের শাসনামলে শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ নামকরণ করা হয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ নাসিমের পরিবার—তার স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ, ছেলে তমাল মনসুর এবং তানভীর শাকিল—এটি দখল করে রাজনৈতিক কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করতে থাকেন।
শ্যামল মালুম আরও বলেন, গত গণঅভ্যুত্থানের সময় এই হাসপাতালের গেট বন্ধ করে অসংখ্য আহত ছাত্র-জনতাকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়। যার ফলে অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পরও কলেজের দেয়ালে দীর্ঘদিন ধরে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানিয়ে রাখা হয়। ১৯ নভেম্বর সচেতন কিছু ছাত্র-জনতা ছবি অপসারণ করলে নাসিম পরিবার এবং তাদের পোষ্য কর্মকর্তাদের দিক থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়। পরবর্তীতে মিথ্যা মামলার পাশাপাশি ৮ জন শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়।
ছাত্রদল এ বহিষ্কারাদেশ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানায়। শ্যামল মালুম বলেন, শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা এবং মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে ছাত্রদল অঙ্গীকারবদ্ধ।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল দুপুর ১২টার মধ্যে অধ্যক্ষ তাদের দাবির ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আন্দোলনের কর্মসূচি আরও কঠোর হবে।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি রেহেনা আক্তার শিরিন ও রেজওয়ানুল হক সবুজ, যুগ্ম-সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারিক, গাজী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, নুরুজ্জামান চন্দন, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান লিপকন, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম আকাশ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তানজিম রুবায়েত আফিফসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করলো ব্র্যাক ইউনিভার্সিট
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।
রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী উৎসব, যা চলবে আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক, এই উৎসব আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে এবং সকলকে একত্রিত করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম ও প্রবেশপথগুলোকে গ্রামীণ পরিবেশে সাজানো হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীরা ঐতিহ্যবাহী রঙিন পোশাকে অংশ নেন উৎসবে। নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীরা ফুলের মালায় নিজেদের সাজিয়ে উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলেন।
সাভার ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা রঙিন আলপনায় পুরো ক্যাম্পাসকে সজ্জিত করেন। আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলা, যেখানে হস্তশিল্পের নানা স্টল এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন ছিল।
মেলার পর ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে সংগীত পরিবেশন করে জনপ্রিয় ব্যান্ড দল 'বাউলা'। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অডিটোরিয়ামে এই আয়োজন উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড এবং অফিস অফ কমিউনিকেশনসের পরিচালক খায়রুল বাশার।
সপ্তাহব্যাপী এ উৎসব ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত করেছে, যা বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের এক অসাধারণ উদাহরণ।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিতে বিজয়ী ডিআইইউ
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে " ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার সুফল " নিয়ে ছায়া সংসদ বির্তক প্রতিযোগিতায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি'র ডিবেট টিম জয় লাভ করেছে।
শনিবার ( ২৭ মে) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-এ ভোক্তা-অধিকার নিয়ে উক্ত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি'র আয়োজনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক জনাব এ. এইচ. এম সফিকুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ডিআইইউ দলকে পুরষ্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি'র চেয়ারম্যান জনাব হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
বিজয়ী ডিআইইউ ডিবেট টিমের সদস্য ফাহমিদা আক্তার ইমার কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ডিবেট আমার আবেগের জায়গা। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলার মধ্যেও ডিবেটের জন্যে আলাদা করে সময় দিই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এবং এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আমাদের সব সময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে"।
উল্লেখ্য, “ভোক্তা-অধিকার নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার সুফল পাওয়া যাচ্ছে” শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বিরোধী দল হিসেবে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করে।
ডিআইইউতে ফেসবুকে সংবাদ শেয়ার করায় শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ
টিআরসি রিপোর্টঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিক সমিতির (ডিআইইউসাস) ফেসবুক গ্রুপে সংবাদ শেয়ার দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে তার কাছা থেকে কোন নিউজ শেয়ার না করার মুচলেকা চাওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থী পড়ের বিশ্ববিদ্যালয়টির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। একই সাথে তিনি ক্যাম্পাস লাইভ২৪ ডটকমের প্রতিনিধি।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) বহিষ্কারের হুমকি ও মুচলেকা চাওয়ার কথা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আবুল কালাম বলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া ‘শিক্ষক নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীকে কাছে টানার চেষ্টা, গভীর রাতে ভিডিও কল’ শিরোনামে একটি নিউজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির (ডিআইইউসাস) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করি। পরবর্তী সময়ে ওই দিন দুপুরের পরে আমার কাছে কল আসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে বিভাগের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ আহমেদ শোভন আমাকে কয়েকঘণ্টা বসিয়ে রেখে নানান তির্যক প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে এমন সংবাদ শেয়ারের জন্য আমার ছাত্রত্ব বাতিল ও বহিষ্কারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে এমন নিউজ শেয়ার করবো না, এমন মুচলেকাও চেয়ে বসেন। এঘটনায় আমি ভীত ও অনিরাপদ বোধ করছি।
এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাংবাদিক সমিতি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের হুমকি ও হেনস্তার ঘটনা বেড়েই চলছে। এসব ঘটনার কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে না। আবুল কালামকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি এবং মুচলেকা চাওয়ার ঘটনা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বাধা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থি।
তারা আরও বলেন, এ ঘটনায় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইনে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত শিক্ষক সাজ্জাদ আহমেদ শোভন এ বিষয়ে বলেন, বিষয়টি আসলে ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে। আমি তাকে এভাবে বলতে চাইনি।
ডিআইইউ সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির (ডিআইইউসাস) উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুছা মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলের উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিক সমিতির উপদেষ্টা ও একুশে টেলিভিশনের সংবাদ উপস্থাপক রাজিউর রহমান, সমিতির উপদেষ্টা ও জনপ্রিয় লেখক সামসুল আলম সাদ্দাম ও দৈনিক দেশ দেশান্তরের সম্পাদক ও প্রকাশক আজিজুল হক রতন।
এসময় সাংবাদিক সমিতির উপদেষ্টারা বলেন , পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য অনেক। রমজান আমাদের মাঝে সংযম ও সহমর্মিতা বয়ে আনে। আমাদেরকে রমজানের এই শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। রমজানের এই শিক্ষা আমরা যেন সেটা বাকী সময়ে কাজে লাগাতে পারি।
উপদেষ্টারা আরো বলেন এটা খুবই ভালো বিষয়, সবাইকে এক সাথে নিয়ে ইফতার করা। সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনগুলো জাতির সামনে তুলে ধরে। সাংবাদিকরাই বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশবাসীর সামনে প্রতিনিধিত্ব করে। সাংবাদিকদের লেখার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক নানা খবর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকলে সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে তা উঠে আসে।
ইফতার মাহফিলে সাংবাদিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য,সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য