শিরোনাম
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিতে বিজয়ী ডিআইইউ
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে " ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার সুফল " নিয়ে ছায়া সংসদ বির্তক প্রতিযোগিতায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি'র ডিবেট টিম জয় লাভ করেছে।
শনিবার ( ২৭ মে) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-এ ভোক্তা-অধিকার নিয়ে উক্ত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি'র আয়োজনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক জনাব এ. এইচ. এম সফিকুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ডিআইইউ দলকে পুরষ্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি'র চেয়ারম্যান জনাব হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
বিজয়ী ডিআইইউ ডিবেট টিমের সদস্য ফাহমিদা আক্তার ইমার কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ডিবেট আমার আবেগের জায়গা। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলার মধ্যেও ডিবেটের জন্যে আলাদা করে সময় দিই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এবং এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আমাদের সব সময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে"।
উল্লেখ্য, “ভোক্তা-অধিকার নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার সুফল পাওয়া যাচ্ছে” শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বিরোধী দল হিসেবে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করে।
ডিআইইউতে ফেসবুকে সংবাদ শেয়ার করায় শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ
টিআরসি রিপোর্টঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিক সমিতির (ডিআইইউসাস) ফেসবুক গ্রুপে সংবাদ শেয়ার দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে তার কাছা থেকে কোন নিউজ শেয়ার না করার মুচলেকা চাওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থী পড়ের বিশ্ববিদ্যালয়টির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। একই সাথে তিনি ক্যাম্পাস লাইভ২৪ ডটকমের প্রতিনিধি।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) বহিষ্কারের হুমকি ও মুচলেকা চাওয়ার কথা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আবুল কালাম বলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া ‘শিক্ষক নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীকে কাছে টানার চেষ্টা, গভীর রাতে ভিডিও কল’ শিরোনামে একটি নিউজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির (ডিআইইউসাস) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করি। পরবর্তী সময়ে ওই দিন দুপুরের পরে আমার কাছে কল আসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে বিভাগের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ আহমেদ শোভন আমাকে কয়েকঘণ্টা বসিয়ে রেখে নানান তির্যক প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে এমন সংবাদ শেয়ারের জন্য আমার ছাত্রত্ব বাতিল ও বহিষ্কারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে এমন নিউজ শেয়ার করবো না, এমন মুচলেকাও চেয়ে বসেন। এঘটনায় আমি ভীত ও অনিরাপদ বোধ করছি।
এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাংবাদিক সমিতি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের হুমকি ও হেনস্তার ঘটনা বেড়েই চলছে। এসব ঘটনার কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে না। আবুল কালামকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি এবং মুচলেকা চাওয়ার ঘটনা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বাধা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থি।
তারা আরও বলেন, এ ঘটনায় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইনে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত শিক্ষক সাজ্জাদ আহমেদ শোভন এ বিষয়ে বলেন, বিষয়টি আসলে ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে। আমি তাকে এভাবে বলতে চাইনি।
ডিআইইউ সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির (ডিআইইউসাস) উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুছা মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলের উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিক সমিতির উপদেষ্টা ও একুশে টেলিভিশনের সংবাদ উপস্থাপক রাজিউর রহমান, সমিতির উপদেষ্টা ও জনপ্রিয় লেখক সামসুল আলম সাদ্দাম ও দৈনিক দেশ দেশান্তরের সম্পাদক ও প্রকাশক আজিজুল হক রতন।
এসময় সাংবাদিক সমিতির উপদেষ্টারা বলেন , পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য অনেক। রমজান আমাদের মাঝে সংযম ও সহমর্মিতা বয়ে আনে। আমাদেরকে রমজানের এই শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। রমজানের এই শিক্ষা আমরা যেন সেটা বাকী সময়ে কাজে লাগাতে পারি।
উপদেষ্টারা আরো বলেন এটা খুবই ভালো বিষয়, সবাইকে এক সাথে নিয়ে ইফতার করা। সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনগুলো জাতির সামনে তুলে ধরে। সাংবাদিকরাই বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশবাসীর সামনে প্রতিনিধিত্ব করে। সাংবাদিকদের লেখার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক নানা খবর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি থাকলে সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে তা উঠে আসে।
ইফতার মাহফিলে সাংবাদিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য,সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডিআইইউ'র নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম। আগামী ৪ বছরের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হামিদ।
সম্প্রতি এ নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়৷ এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপ-সচিব ড.মোঃ ফরহাদ হোসেন৷
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমোদনক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৩৩ (১) অনুযায়ী অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম কে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর ট্রেজারার পদে নিম্নোক্ত শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
শর্তসমূহঃ
ট্রেজারার পদে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ হবে যোগদানের তারিখ হতে ৪ (চার) বছর।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এই নিয়োগ আদেশ বাতিল করতে পারবেন।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত বেতনভাতা প্রাপ্য হবেন এবং পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন।
তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন।
ডিআইইউ'র আবাসিক হলগুলোতে মশার রাজত্ব
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ সবখানেই মশা! সকাল হোক কিংবা সন্ধ্যা; সবসময় যেন মশাদের রাজত্ব। দিনে একটু মশার উৎপাত কম হলেও সন্ধ্যা নামার সাথেই মশার উৎপাত বৃদ্ধি পায়। পড়তে বসলেই মশা কানের কাছে শুরু হয় মশার ভনভন শব্দ। অনিয়ন্ত্রিত ভাবে পরিচালিত আবাসিক হলগুলোতে মশাদের রাজত্ব থাকলেও নেই কার্যকর কোন পদক্ষেপ। ফলে বাধ্য হয়েই শিক্ষার্থীরা মশাবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। পড়তে বসলেই একটার পর একটা মশা কামড়াতে থাকে। মশার তাড়নায় শিক্ষার্থীরা একদিকে যেমন বেশি সময় পড়তে পারছেন না তেমনি আবার ক্ষতিকারক
কয়েলের ধোঁয়া জ্বালাতেও পারছেন না। এমন চিত্র দেখা গেছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আবাসিক হলগুলোতে। মশা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আকাশচুম্বী অভিযোগ থাকলেও যেন নেই সুরাহার পথ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকপক্ষ থেকে শুরু করে কারো যেন দায় নেই।
পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে ৯ টি আবাসিক হল রয়েছে। এসব হলে প্রায় ৮০০ এর বেশি শিক্ষার্থী বসবাস করছেন। আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত মশার জন্যে কষ্টে রাত্রি যাপন করছে। মশার যন্ত্রণায় ঠিকমতো ঘুমানো কিংবা পড়াশোনা করতে পারছেন না বলে অভিযোগ- আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের। সেই সাথে মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন অনেকেই। শীতকালে মশা একটু কম থাকলেও গরম বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে মশার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে হলগুলোতে। ফলে ডেঙ্গুর ভয়ে দিনের বেলায় মশারি টাঙিয়ে পড়াশোনা করতে দেখা যায় আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের। এদিকে বেশকিছু শিক্ষার্থী মশাবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তিও হয়েছেন।
মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ উল্লেখ করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আবাসিক হলের শিক্ষার্থী রিয়াদ হোসাইন বলেন,মশার সংখ্যা এতটাই বেড়েছে যে সন্ধ্যার পর রুমের দরজা ও জানালা খোলা যায় না। খোলার সাথে সাথে রুমে মশার সংখা বেড়ে যায় এবং রুমে থাকা কঠিন হয়ে যায়।
আবাসিক হলের আরেক শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, মশার কামড়ে পড়ালেখা, ঘুমানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার পর কয়েল ছাড়া পড়ার টেবিলে বসা যায় না। স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর দেখে বেশি সময় কয়েল জ্বালিয়ে রাখা সম্ভব হয় না।মশার জন্যে আমার সামনে সেমিস্টার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে আবাসিক হলের শিক্ষার্থী ফারিয়া বলেন, আমাদের হলগুলোতে শিক্ষার্থীরা দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে অথবা মশারি টাঙিয়ে পড়াশোনা করেন। সন্ধ্যার পর মশার উৎপাত বেড়ে যায়।ফলে আমাদের স্বাভাবিক পড়াশোনার ব্যাঘাত ঘটে।
মশার নিয়ন্ত্রনে হলগুলোতে বিশেষ কোন পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে হল সুপার ঠাকুর মণ্ডল দাস বলেন, এখন সারা দেশেই মশার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে।আমাকে প্রশাসন থেকে এই বিষয়ে কিছু বলা নাই। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দেশনা আসলেই এই বিষয়ে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে মশার উৎপাত নিয়ন্ত্রণে কোনে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে কিনা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গণেশ চন্দ্র সাহাকে একাধিকবার কল করেও ফোনে পাওয়া যায়নি।
আশরাফুল ইসলাম সুমন/
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য