শিরোনাম
জি এম কাদেররা এখনও কীভাবে প্রকাশ্যে ঘোরে, প্রশ্ন সারজিসের
জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর ও সুবিধাবাদী ভণ্ড আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। জাতীয় পার্টিকে প্রতিহতের ডাকও দিয়েছেন সারজিস। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে এবং আওয়ামী লীগকে সরকারি দলের বৈধতা দিয়েছে।
লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের মিশন মোড়ে পথসভায় এ কথাগুলো বলেন সারজিস আলম।
সারজিস আলম বলেন, ‘জাতীয় পার্টির সবচেয়ে বড় ভণ্ডদের মধ্যে একজন হচ্ছেন জি এম কাদের। এই জি এম কাদের ইলেকশনের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে ইন্ডিয়া যেত, ক্ষমতার নেগোসিয়েশন করত, অর্থের নেগোসিয়েশন করত। বাংলাদেশে এসে বিড়ালের মতো চুপ হয়ে যেত, ইলেকশন হতো, ডামি ইলেকশনে জাতীয় পার্টি বিরোধী দল হতো, আওয়ামী লীগকে তারা সরকারি দলের সমর্থন দিত।’
তিনি বলেন, ‘এই জি এম কাদেররা এখনো কীভাবে প্রকাশ্যে ঘোরে? এই জাতীয় পার্টি, এই যে ডামি আওয়ামী লীগ যারা, তারা এখনো কীভাবে বাইরে?’
অসৎ পথে উপার্জন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে এনসিপি নেতা সারজিস বক্তব্যে বলেন, ‘আপনি বিভিন্নভাবে লাখ টাকা, কোটি টাকা অসৎভাবে উপার্জন করেন। পরে দেখেন, আপনার সন্তান আর পড়াশোনা পারে না। তাকে পড়াতে হচ্ছে মাসে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এই মিডিয়ামে, সেই মিডিয়ামে, তা–ও পাস করে না। আপনি দেখবেন একজন রিকশাচালক চাচাকে, মাসে একবারও হাসপাতালে যেতে হয় না, বছরে একবারও পুরো শরীর চেক আপ করতে হয় না। আর আপনার পেটে একবার শব্দ হলে সিঙ্গাপুরে যেতে হচ্ছে চিকিৎসার জন্য। এই যে মানসিক অশান্তি, এর চেয়ে রিকশাচালক চাচার মানসিক শান্তি অনেক বেশি।’
এর আগে গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে রংপুর নগরের সেনপাড়ায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা হয়। হামলাকারীরা জি এম কাদেরের বাড়ি দ্য স্কাই ভিউয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে। জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমানের অভিযোগ, এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত।
দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সব দল ডিসেম্বরেই নির্বাচন চায় : ১২ দলীয় জোট
১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেছেন, এ বছরের ডিসেম্বরে কেবল একটি দল নয়, দেশের সব দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নির্বাচন চায়। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই দেশের মুক্তি ও উন্নতির অভিমুখ নিশ্চিত করে। বারবার তা প্রমাণিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোট নেতারা এ কথা বলেন।
জাপানের নিক্কেই ফোরামে যোগ দিতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ডিসেম্বরে মাত্র একটি দল নির্বাচন চায়।’ এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, এক কথায় নিরেট মিথ্যাচার করেছেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনূস। কেবল একটি দলই নয়, দেশের সব গণতন্ত্রপন্থি দলগুলো স্পষ্টভাবে গত ৯ মাস ধরে ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছে। বরং তিনি নিজেই কিছু মৌলবাদী, জনসমর্থনহীন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক দলকে পাশে নিয়ে নির্বাচনের প্রশ্নটিকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছেন, করছেন।
জোট নেতারা বলেন, আমরা ১২ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দফায় দফায় এ বছরের জুনের মধ্যেই নির্বাচনের কথা বলেছি। দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো সভা, সমাবেশ, সেমিনার, বক্তব্য, বিবৃতি এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বারবার এই কথা উচ্চারণ করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হয়তো ভুলে যাচ্ছেন তিনি কথার মারপ্যাঁচ দিয়ে তার গদি রক্ষা করতে পারবেন না। পদত্যাগের নাটক করেও পারবেন না। বাংলাদেশের জনগণ তার নাটকবাজি বুঝে গেছেন।
আরও পড়ুন
সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ডক্টর ইউনূস যেসব রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই স্বৈরাচারী সরকারের পদলেহনকারী এবং স্বৈরাচারী হাসিনার আচলের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। আমি, তুমি ও ডামি নির্বাচন প্রতিরোধে তাদের ন্যূনতম কোনো ভূমিকা ছিল না ভোট বর্জনের ব্যাপারেও তারা ছিলেন নীরব। এমনকি জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। নিজের পায়ে চলতে পারে না এমন অনেক জনসম্পর্কবিহীন নেতৃত্বকে ডেকে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং গণঅভ্যুত্থনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী দল ও নেতাদের অপমান করেছেন, অবজ্ঞা করেছেন। তার এই অশোভন আচরণে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত দল এবং নেতারা ব্যথিত এবং দুঃখিত।
বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে, ১৯৯০ সালে, এমনকি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে জীবনক্ষয়ী সংগ্রাম করেছে, তার মূলে ছিল ভোট ও নির্বাচন উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোট নেতারা বলেন, তিনি কূটকৌশলে ক্ষমতা প্রলম্বিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হবে, তিনি ভিন্ন কোনো কিছু অর্জনের উদ্দেশে ভোট ও নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চাইছেন। আর তার সঙ্গে রয়েছেন কয়েকজন উপদেষ্টা।
জোট নেতারা বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন করা সম্ভব। দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও নানাভাবে বিষয়টি সামনে এসেছে। আমরা চাই দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া তিনি পূরণ করবেন। তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তী কাজ করার জন্য, স্থায়ী কোনো কাজ নয়। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া, ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচন করতে হবে। আগে প্রয়োজন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা। পাশাপাশি চলবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিচার। ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে এ প্রক্রিয়া চলমান হয়েছে।
অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে দেশ মহাসংকটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান ১২ দলীয় জোট নেতারা। তারা বলেন, অন্যথা দেশের মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তখন তিনি মৌলবাদী ও জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলকে পাশে পাবেন না। তার পরিণতি যেন আফগানিস্তানের পালিয়ে যাওয়া মোহাম্মদ আশরাফ গনি আহমদজাইয়ের মতো না হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এমএ মান্নান, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপির) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন।
গুঞ্জন
পদ হারালেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ হারিয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
শুক্রবার (৩০ মে) গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই গুঞ্জনের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এর আগে আজ সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রদল সভাপতি পদ হারিয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই গুঞ্জনের সত্যতার ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।
এই গুঞ্জনের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন, তিনি (রাকিব) অসুস্থ থাকায় আজকের প্রোগ্রামে উপস্থিত হতে পারেননি। খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়া। এমন কিছুই ঘটেনি।
একটি লোক নির্বাচন চায় না, সে হলেন ড. ইউনূস : মির্জা আব্বাস
একটি লোক নির্বাচন চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, বিদেশে বসে ড. ইউনূস বলেছেন— একটি দল নির্বাচন চায়। আমরা বলতে চাই, একটা লোক নির্বাচন চান না; তিনি হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উনি নির্বাচন চান না।
শুক্রবার (৩০ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন চেয়েছে ডিসেম্বরের মধ্যে এবং এই ডিসেম্বরের কথা কিন্তু ইউনূস সাহেব স্বয়ং বলেছেন। আমরা বলি নাই।
তিনি আরও বলেন, জুন মাসে নির্বাচনের কথা যদি বলেন, তাহলে এই নির্বাচন বাংলাদেশে কখনো হবে না। নির্বাচন যদি করতে হয়, ডিসেম্বরের মধ্যে করতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচন যদি করতে হয়, ডিসেম্বরের মধ্যেই করতে হবে। আর যদি নির্বাচন করতে না চান তাহলে দায় ড. ইউনূসের।’
ঢাবির বামপন্থীদের আপত্তিকর স্লোগানের প্রতিবাদ জানাল শিবিরের
ইসলামী ছাত্রশিবিরকে লক্ষ্য করে বামপন্থীদের আপত্তিকর স্লোগানের প্রতিবাদ ও ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপতৎপরতার অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে বুধবার রাতে হওয়া বামপন্থীদের মশাল মিছিলের এই স্লোগান এবং ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে নিন্দা জ্ঞাপন করে শিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এসএম ফরহাদ ও সেক্রেটারি মহিউদ্দীন খান বলেন, "বামপন্থীদের এই বিক্ষোভ থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে পুরোনো, পতিত ফ্যাসিবাদের স্লোগান প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। অতীতে স্বৈরাচারী হাসিনার আমলে যেসব স্লোগান ও রেটরিক ব্যবহার করে ছাত্রশিবিরকে অমানবিকীকরণ করে হত্যার বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছিল, তারই পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে। বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত বামপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে ‘বাঁশের লাঠি মিছিল হবে, শিবির তোমার মৃত্যু হবে’—এমন সন্ত্রাসী স্লোগানও দিতে দেখা গিয়েছে।
এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে বামপন্থীদের মধ্যে থাকা ছাত্রশিবিরকে হত্যার সুপ্ত হীন জিঘাংসা প্রতিফলিত হয়েছে। একইসাথে গত দুদিন যাবৎ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের প্রথম সভাপতি এটিএম আজহারের বেকসুর খালাস পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে সবার যেকোনো বিষয়ে বিক্ষোভ করার কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের অধিকার রয়েছে। ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই গণতান্ত্রিক নীতির প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল।"
শিক্ষার্থীদের ভুয়া স্লোগানের বিষয় টেনে নেতৃদ্বয় বলে, "নতুন বাংলাদেশে ক্যাম্পাসে এহেন হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতির পুনরাবৃত্তির অপচেষ্টাকে শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। গত মঙ্গলবার রাতে বামপন্থীদের মশাল মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া এলাকায় গেলে, সাধারণ শিক্ষার্থীরাই ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে দুয়োধ্বনি দিয়ে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। বুধবার রাতেও তারা একই এলাকায় গেলে শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে দুয়োধ্বনি দিতে দেখা গেছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ এবং যেকোনো যৌক্তিক প্রতিরোধকে ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের হত্যাযোগ্য করার এই ফ্যাসিবাদী ধারা সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমরা আরও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বামপন্থীদের এই বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিভিন্ন ধরনের উসকানি দেয়া হচ্ছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, বামপন্থীদের এই মিছিলে দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের অন্যতম সহযোগী সংগঠন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কয়েকজন নেতাকর্মীকেও অংশ নিতে দেখা গেছে, যারা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা বলতে চাই, বামপন্থীদের চলমান বিক্ষোভ থেকে ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু, গণতান্ত্রিক ও সহাবস্থানের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।"
ডাকসু নির্বাচন বানচাল করার অভিযোগ তুলে বলা হয়, "শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই সংগঠনগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ও সমর্থন না থাকায় তারা সবসময় ডাকসু নির্বাচন নিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনীহা প্রকাশ করে এসেছে। আমরা চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি—আসন্ন ডাকসু নির্বাচন—বানচাল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করছি। ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চলমান অগ্রগতি থামিয়ে দিতে এই ধরনের অপচেষ্টাকে শিক্ষার্থীরা ঘৃণার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছে।"
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য