শিরোনাম
একটি লোক নির্বাচন চায় না, সে হলেন ড. ইউনূস : মির্জা আব্বাস
একটি লোক নির্বাচন চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, বিদেশে বসে ড. ইউনূস বলেছেন— একটি দল নির্বাচন চায়। আমরা বলতে চাই, একটা লোক নির্বাচন চান না; তিনি হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উনি নির্বাচন চান না।
শুক্রবার (৩০ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন চেয়েছে ডিসেম্বরের মধ্যে এবং এই ডিসেম্বরের কথা কিন্তু ইউনূস সাহেব স্বয়ং বলেছেন। আমরা বলি নাই।
তিনি আরও বলেন, জুন মাসে নির্বাচনের কথা যদি বলেন, তাহলে এই নির্বাচন বাংলাদেশে কখনো হবে না। নির্বাচন যদি করতে হয়, ডিসেম্বরের মধ্যে করতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচন যদি করতে হয়, ডিসেম্বরের মধ্যেই করতে হবে। আর যদি নির্বাচন করতে না চান তাহলে দায় ড. ইউনূসের।’
ঢাবির বামপন্থীদের আপত্তিকর স্লোগানের প্রতিবাদ জানাল শিবিরের
ইসলামী ছাত্রশিবিরকে লক্ষ্য করে বামপন্থীদের আপত্তিকর স্লোগানের প্রতিবাদ ও ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপতৎপরতার অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে বুধবার রাতে হওয়া বামপন্থীদের মশাল মিছিলের এই স্লোগান এবং ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে নিন্দা জ্ঞাপন করে শিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এসএম ফরহাদ ও সেক্রেটারি মহিউদ্দীন খান বলেন, "বামপন্থীদের এই বিক্ষোভ থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে পুরোনো, পতিত ফ্যাসিবাদের স্লোগান প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। অতীতে স্বৈরাচারী হাসিনার আমলে যেসব স্লোগান ও রেটরিক ব্যবহার করে ছাত্রশিবিরকে অমানবিকীকরণ করে হত্যার বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছিল, তারই পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে। বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত বামপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে ‘বাঁশের লাঠি মিছিল হবে, শিবির তোমার মৃত্যু হবে’—এমন সন্ত্রাসী স্লোগানও দিতে দেখা গিয়েছে।
এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে বামপন্থীদের মধ্যে থাকা ছাত্রশিবিরকে হত্যার সুপ্ত হীন জিঘাংসা প্রতিফলিত হয়েছে। একইসাথে গত দুদিন যাবৎ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের প্রথম সভাপতি এটিএম আজহারের বেকসুর খালাস পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে সবার যেকোনো বিষয়ে বিক্ষোভ করার কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের অধিকার রয়েছে। ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই গণতান্ত্রিক নীতির প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল।"
শিক্ষার্থীদের ভুয়া স্লোগানের বিষয় টেনে নেতৃদ্বয় বলে, "নতুন বাংলাদেশে ক্যাম্পাসে এহেন হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতির পুনরাবৃত্তির অপচেষ্টাকে শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। গত মঙ্গলবার রাতে বামপন্থীদের মশাল মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া এলাকায় গেলে, সাধারণ শিক্ষার্থীরাই ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে দুয়োধ্বনি দিয়ে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। বুধবার রাতেও তারা একই এলাকায় গেলে শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে দুয়োধ্বনি দিতে দেখা গেছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ এবং যেকোনো যৌক্তিক প্রতিরোধকে ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের হত্যাযোগ্য করার এই ফ্যাসিবাদী ধারা সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমরা আরও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বামপন্থীদের এই বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিভিন্ন ধরনের উসকানি দেয়া হচ্ছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, বামপন্থীদের এই মিছিলে দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের অন্যতম সহযোগী সংগঠন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কয়েকজন নেতাকর্মীকেও অংশ নিতে দেখা গেছে, যারা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা বলতে চাই, বামপন্থীদের চলমান বিক্ষোভ থেকে ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু, গণতান্ত্রিক ও সহাবস্থানের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।"
ডাকসু নির্বাচন বানচাল করার অভিযোগ তুলে বলা হয়, "শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই সংগঠনগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ও সমর্থন না থাকায় তারা সবসময় ডাকসু নির্বাচন নিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনীহা প্রকাশ করে এসেছে। আমরা চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি—আসন্ন ডাকসু নির্বাচন—বানচাল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করছি। ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চলমান অগ্রগতি থামিয়ে দিতে এই ধরনের অপচেষ্টাকে শিক্ষার্থীরা ঘৃণার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছে।"
ঢাবি ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী ও সেক্রেটারির পরিচয় সম্পর্কে যা জানা গেল
অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থা।
বুধবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সাথে সাক্ষাৎ করে নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে স্বারকলিপি জমা দেওয়ার মাধ্যামে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে তারা। স্বারকলিপি জমা দেওয়ার সময় ঢাবি শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী, সেক্রেটারিসহ মোট সাত জন উপস্থিত ছিলেন।
প্রথামিকভাবে সংগঠনটির সভানেত্রী ও সেক্রেটারির পরিচায় জানা গেছে।
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর নাম সাবিকুন্নাহার তামান্না। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কবি সুফিয়া কামাল হলের আবাসিক ছাত্রী।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সেক্রেটারির নাম মোছা:আফসানা আক্তার। তিনি ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের আবাসিক ছাত্রী।
স্বারকলিপি জমা দেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নাহার তামান্না বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতন নিপীড়নের কারণে দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে ক্যাম্পাসে আমরা কাজ শুরু করার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এই সময়ের মাঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী সংস্থার প্রাথমিক কাঠামো গঠন সম্ভব হয়েছে।
বর্তমানে শাখা সভানেত্রী ও সেক্রেটারির দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চালু করবো’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি আফসানা আক্তার বলেন, ‘বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রী সংস্থা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহৎ ছাত্রী সংগঠন। ১৯৭৮ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সংগঠন ছাত্রীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রী সংস্থার কার্যক্রমের রয়েছে বিরাট ইতিহাস।
অতীতে ছাত্রী সংস্থা ডাকসুতেও অংশগ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের জন্য কাজ করেছি।
সব মামলা থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (২৮ মে) সাজার বিরুদ্ধে জুবাইদা রহমানের দায়ের করা আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এ রায়ের মধ্যদিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব মামলায় খালাস পেলেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আইনজীবীরা জানান, মামলার এবং বিচার প্রক্রিয়া বিদ্বেষমূলক হওয়ায় আপিল না করেও খালাসের সুবিধা পাবেন তারেক রহমানও। এরমধ্যদিয়ে মামলা মুক্ত হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
ডা. জুবাইদার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাজাহান বলেন, এ রায়ে প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশ ছাড়া জিয়া পরিবারের কোনো ঠিকানা নেই।
এদিকে ত্রুটিপূর্ণ মামলা, বিচারের নানা অসঙ্গতির বিষয়টি স্বীকার করেন দুদকের আইনজীবী আসিফ হাসান।
২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের আগস্টে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৯ বছর ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন আদালত।
২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের পর আপিলের শর্তে জুবাইদা রহমানের সাজা এক বছর স্থগিত করে সরকার।
১৭ বছর পর গত ৬ মে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফেরেন ডা. জুবাইদা রহমান। ১৪ মে বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মামলায় জুবাইদা রহমানকে জামিন দেন। একইসঙ্গে সাজার বিরুদ্ধে জুবাইদা রহমানের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।
এর আগে ১৩ মে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে জুবাইদা রহমানকে আপিলের অনুমতি দেন হাইকোর্ট। এ জন্য ৫৮৭ দিন বিলম্ব মার্জনা চেয়ে তার করা আবেদনও মঞ্জুর করেন আদালত।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিপক্ষ বানাবেন না : সরকারকে তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসা নষ্ট হয় এমন কোনো পদক্ষেপ অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ঠিক হবে না। রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিপক্ষ বানাবেন না।
বুধবার (২৮ মে) বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে বিএনপির একাধিক উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। যে কোনো দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হলে দরকার নির্বাচিত সরকার। তবে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা চলছে। অল্প ও বেশি সংস্কারের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে এ আলোচনা। সরকারের মনে হচ্ছে সরকারের কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে।
বিস্তারিত আসছে...
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য