শিরোনাম
দুর্নীতি দমন দপ্তরের অভিযান
ভয়ে জানালা দিয়ে বস্তাভর্তি টাকা উড়িয়ে দিলেন সরকারি কর্মকর্তা
ভারতের ওড়িশার ভুবনেশ্বরে দুর্নীতি দমন দপ্তরের অভিযানে রাজ্য সরকারের পল্লী উন্নয়ন দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বৈকুন্ঠ নাথ শরণগীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। একসাথে সাতটি স্থানে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা।
ভুবনেশ্বর, আনুগুল ও পিপিলির বিভিন্ন ফ্ল্যাট ও বাড়িতে এই তল্লাশি চালানো হয়। তার মধ্যে শুধু আনুগুলের বাড়ি থেকেই পাওয়া গেছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা, আর ভুবনেশ্বরের একটি ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া গেছে আরও ১ কোটি টাকা।
অভিযানের সময় সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনা ঘটে ভুবনেশ্বরের ফ্ল্যাটে। দুর্নীতি দমন কর্মকর্তারা দরজায় পৌঁছানোর আগেই বৈকুন্ঠ নাথ শরণগী জানালা দিয়ে বান্ডিল বান্ডিল টাকা বাইরে ছুঁড়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে এসব টাকা জব্দ করা হয়।
তার বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ২৬ জন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে ছিলেন আটজন ডিএসপি, ১২ জন ইন্সপেক্টর ও ৬ জন এএসআই।
দলটি এখনো জব্দকৃত টাকার হিসাব গুনে চলেছে। নগদ অর্থ ছাড়াও কিছু জমি-সম্পত্তি, ফ্ল্যাট, স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান নথিপত্র জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ওড়িশায় সরকারি স্তরে দুর্নীতির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এনডিটিভি
পুনরায় কি জোটবদ্ধ হচ্ছে চীন, ভারত ও রাশিয়া?
রাশিয়া, ভারত ও চীনের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক সহযোগিতা আবার শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তিনি বলেন, এই ত্রয়ীর কাজ আবার শুরু করার সময় এসেছে। খবর এনডিটিভির।
রাশিয়ার পারম শহরে ইউরোপ ও এশিয়ার সীমানায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্মেলনের মূল অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লাভরভ এ কথা বলেন। এ সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল ইউরেশিয়ায় একটি ন্যায্য ও যৌথ নিরাপত্তা ও সহযোগিতাব্যবস্থা গড়ে তোলা।
লাভরভ বলেন, রাশিয়া, ভারত ও চীন—এই ত্রিপাক্ষিক ফরম্যাট বহু বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়েভগেনি প্রিমাকভের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল। এরপর থেকে ২০ বারের বেশি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের মধ্যে নয়, বরং অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সংস্থাগুলোর মধ্যেও আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই ফরম্যাট আবার চালু করা সম্ভব।
এ সময় লাভরভ পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ন্যাটো প্রকাশ্যেই ভারতকে চীনা-বিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমার মনে হয়, ভারতীয় বন্ধুরা এই প্রবণতাকে স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছেন এবং গোপন আলোচনা থেকেই তা নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জুন মাসে গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে রাশিয়া-ভারত-চীন এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়।
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ, ফিরে আসবে হৃদয়ের টানে: রাজনাথ সিং
পাকিস্তান কাশ্মীরকে নিয়ে এক বার্তায় ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, সেই দিন আর খুব দূরে নয়, যখন পাক কাশ্মীরের মানুষ ভারতের মূলধারায় ফিরে আসবে আত্মিক পরিচয়, ঐতিহ্য এবং হৃদয়ের টানে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) নয়াদিল্লিতে কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি এর বার্ষিক সাধারণ সভা এবং ব্যবসায়িক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষ আমাদেরই পরিবারের অংশ। আমাদের ভাইয়েরা, যারা আজ ভৌগোলিকভাবে আলাদা, একদিন আত্মার কণ্ঠস্বর শুনে আবার আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ভালোবাসা, ঐক্য এবং সত্যের পথ ধরেই পাক কাশ্মির একদিন ফিরে আসবে এবং বলবে, ‘আমি ভারত, আমি ফিরে এসেছি।’ সিং দাবি করেন, পাক কাশ্মীরের অধিকাংশ মানুষেরই ভারতের সঙ্গে গভীর মানসিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ রয়েছে। মাত্র এক ক্ষুদ্র গোষ্ঠী বিভ্রান্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ভারতের অংশ হলেই সমস্যা সমাধান: জয়শঙ্করপাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ভারতের অংশ হলেই সমস্যা সমাধান: জয়শঙ্কর
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ভবিষ্যৎ আলোচনা কেবল দুটি বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। আর তা হলো সন্ত্রাসবাদ এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর। তিনি স্পষ্ট করে দেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি এখন পুনর্গঠিত হয়েছে। পাকিস্তানকে এখন বুঝতে হবে, সন্ত্রাস ছড়ালে এর মূল্য চোকাতেই হবে।’
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন : ভারত
জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে দ্রততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে কয়েক দিন আগে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘নয়াদিল্লি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে’ বলে যে অভিযোগ করেছিলেন তা নাকচ করেছেন জয়সওয়াল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, ‘‘বাংলাদেশের এসব অভিযোগ প্রকৃত সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা মাত্র।’’
তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সরকার যেহেতু উদ্বিগ্ন, সেক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও শাসনব্যবস্থার পূর্ণ দায়ভার তাদের সরকারের ওপরই বর্তায়।’’
‘‘এমন পরিস্থিতিতে যদি কেউ বলেন, বাইরের কোনও শক্তি বা অন্য কেউ এই অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী, তখন এটা মনে হয় যে, আসল সমস্যাগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে অন্যদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা চলছে। এই ধরনের বক্তব্য সমস্যার সমাধান করে না, বরং দায় এড়ানোর কৌশল বলেই মনে হয়।’’
গত রোববার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছিলেন, ‘‘প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের কারণে দেশ বড় সংকটের মধ্যে রয়েছে। এ জন্য পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকা দরকার বলে প্রধান উপদেষ্টা মনে করছেন।’’
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এমন মন্তব্যের কয়েক দিন পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছিলেন, ‘‘তিনি আলোচনা শুরু করেছেন এই কথা বলে যে আমরা অনেক বড় সংকটের মধ্যে আছি। এই সংকট বলতে উনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের ষড়যন্ত্রের কথা বলেছেন। ভারতীয় আধিপত্যবাদ আমাদের এই পরিবর্তনকে একেবারেই স্বীকার করতে চায় না। পারলে আমাদের এক দিনে ধ্বংস করে দিতে চায় এবং সেই জন্য যা যা করবার দরকার, সব তারা করছে। এই ছিল তার কথা।’’
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা প্রয়োজন; যাতে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও ম্যান্ডেট নিশ্চিত হয়।’’
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ইসরায়েলকে স্বীকৃতিতে প্রস্তুত সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ , কিন্তু শর্ত…
বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত, তবে তার শর্ত একটাই—ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে ইসরায়েলকে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। বুধবার (২৮ মে) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল তাদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রাবোও সুবিয়ান্তো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাই একমাত্র পথ। এটি সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায়। আমাদের ইসরায়েলের অধিকারকে স্বীকার করতে হবে। ইসরায়েল একটি সার্বভৌম দেশ এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যদি ইসরায়েল ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ইন্দোনেশিয়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে।
ইন্দোনেশিয়া সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। পাশাপাশি, ফ্রান্সের ভূমিকাও তিনি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ফ্রান্সও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা এবং শান্তির সমর্থনে পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহী থাকবে।
বর্তমানে, ইন্দোনেশিয়ার ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এবং দেশটি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর এই অবস্থান ইন্দোনেশিয়ার আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।
আরও পড়ুন
প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়া আগেও ফিলিস্তিনের প্রতি তার সমর্থন জানিয়ে এসেছে এবং এই পরিস্থিতিতে, তাদের শর্ত পুরণ হলে তারা ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে।
ইন্দোনেশিয়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা স্বীকৃতির পক্ষে বিশ্বব্যাপী সমর্থন বাড়ছে। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং আরও কিছু ইউরোপীয় দেশ রয়েছে।
এছাড়া, মাল্টা সম্প্রতি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট আবেলার মতে, গাজায় চলমান মানবিক ট্র্যাজেডির জন্য এই পদক্ষেপটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা ছিল।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁও গত মাসে ঘোষণা করেছেন যে, তারা ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত এবং জুন মাসে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। মাখোঁর মতে, ফ্রান্স এবং সৌদি আরব একযোগে একটি সম্মেলন আয়োজন করবে, যেখানে ফিলিস্তিনের সমস্যার সমাধানে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে।
২০১৪ সালে, সুইডেন প্রথম ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ হিসেবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। এরপর বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া এই পদক্ষেপ নেয়। এর আগে গত বছর, স্পেন, আয়ারল্যান্ড এবং নরওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।
বিশ্বে চলমান এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বব্যাপী চাপ বাড়ছে।
এখন, বিশ্বের অনেক দেশই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া তার অবস্থান পরিষ্কার করে বলেছে, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তাদের শর্ত হলো ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা। এর মাধ্যমে, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির পক্ষে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বিশ্ব।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য