শিরোনাম
আদালত অবমাননার অভিযোগে
শেখ হাসিনাকে আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগ নেতা শাকিল আলম বুলবুলকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বহুল প্রচারিত দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আগামী ৭ দিনের মধ্যে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় পত্রিকায় এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।
প্রসিকিউসনের আবেদনে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এ আদেশ দেন। সেই সাথে আগামী ৩ জুন এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেন ট্র্যাইব্যুনাল।
আজ ট্র্যাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এসময় অন্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।
‘আমার বিরুদ্ধে ২২৭টি মামলা হয়েছে, তাই ২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি,’ বলে ‘শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের’ একটি অডিও ভাইরাল হয়। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ওই কথপোকথনের ফরেনসিক পরীক্ষা করে সেটি হাসিনার বলে সত্যতা পায়। পরবর্তীতে এই বক্তব্যের বিষয়ে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয় ট্রাইব্যুনালে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি গ্রহণ করে ১৫ মে'র মধ্যে তাদের জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন। কিন্তু ১৫ মে জবাব দাখিল না করায় তাদেরকে আজ ২৫ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আজ ২৫ মে তারা হাজির না থাকায় প্রসিকিউসনের আবেদনে শেখ হাসিনাসহ দুজনকে আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বহুল প্রচারিত দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য
ক্ষমা চাইতে সারজিস আলমকে লিগ্যাল নোটিশ
হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় লিখিতভাবে ও সংবাদ সম্মেলন করে প্রকাশ্য ক্ষমা চাইতে এনসিপি নেতা সারজিস আলমকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৪ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন সারজিস আলমকে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন।
গত ২২ মে হাইকোর্ট ইশরাক হোসেনকে ঢাকার মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট খারিজ করে আদেশ দেন। এ আদেশের পর ফেসবুকে পোস্ট এনসিপি নেতা সারজিস আলম লেখেন, ‘মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি?
এ পোস্টকে কেন্দ্র করে পাঠানো নোটিশে সারজিস আলমকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে নোটিশ পাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে সংবাদ সম্মেলন ডেকে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে বলে জানান আইনজীবী।
তদবির বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ
এনসিপির সাবেক নেতা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সাবেক দুই পিওকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক
তদবির বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং এনসিপির সাবেক নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।
বুধবার (২১ মে) সকাল ১০ টায় দুদকের সেগুনবাগিচা কার্যালয়ে হাজির হন তারা। এরপরই সংস্থাটির পৃথক অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
এনসিপির সাবেক নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, এনসিটিবি কাগজ সরবরাহে ৪শ কোটি টাকা কমিশন নিয়েছেন। এছাড়া ডিসি নিয়োগে তদবীরসহ নানা অভিযোগ আছে এনসিপির সাবেক এই নেতার বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন
অপরদিকে, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তুহিন ফারাবী ও ডাক্তার মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে তদবির বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে শত কোটি টাকা সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। যদিও গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তার নির্ধারিত তলবের দিন ছিল। তবে একদিনে পরে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তারা।
খালেদা জিয়াকে হয়রানির অভিযোগে
দুদকের সাবেক ৩ চেয়ারম্যান ও এক সচিবের বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ মামলা দায়ের করে হয়রানির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক তিন চেয়ারম্যান এবং এক সচিবের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
আজ রোববার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- দুদকের সাবেক তিন চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরি, মো. হাবিবুর রহমান, আবুল হাসান মনজুর এবং সাবেক সচিব মোখলেছ উর রহমান।
অভিযোগে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে হয়রানি করতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘মিথ্যা’ মামলা দায়ের করেন তৎকালীন দুদক কর্মকর্তারা।
মামলার আইনজীবী মো. হোসেন আলী খান হাসান বলেন, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা আইনের পরিপন্থি।
রমনায় বোমা হামলা মামলা : যাবজ্জীবন ২ জন, বাকীদের ১০ বছর করে সাজা
বহুল আলোচিত ২০০১ সালে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা তাজ উদ্দিন ও জুয়েলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিদের ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ মে) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে ৯ আসামির সাজা কমিয়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে মারা যান এক জন।
এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৪ সালের ২৩ জুন বিচারিক আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। এরপর ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিলের শুনানির জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে।
বিস্তারিত আসছে...
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য