ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার শীর্ষে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ২১:৪৫
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার শীর্ষে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

চলতি বছরের পরীক্ষায় কলেজটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৭৫৮ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৭৫৪ জন শিক্ষার্থী, আর জিপিএ–৫ পেয়েছে ৩৭৬ জন। ফলে পাসের হারের দিক থেকে বোর্ডের প্রথম স্থানে অবস্থান করেছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ময়মনসিংহ বোর্ডে এবছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৫,৮৫৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৩৫,৬০৭ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৪০,২৪৮ জন। মোট পাশকৃত পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৩৯,০৯৬ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।

পাশের হার অনুযায়ী দেখা যায়— ছাত্রদের পাশের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ (১৬,৬৭৬ জন) এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ (২২,৪২০ জন)।

এ বছর ময়মনসিংহ বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২,৬৮৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১,১১৭ জন এবং ছাত্রী ১,৫৬৭ জন।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আতাউর রহমান বলেন, আজ দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, আমাদের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হারের দিক থেকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিষ্ঠা।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় উপাচার্য মহোদয় ও গভর্নিং বোর্ডের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের নিবেদিত অংশগ্রহণের সম্মিলিত ফলেই এই সাফল্য এসেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এইচএসসিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দুই বোনের বড় চমক

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ২১:৮
    অনলাইন ডেস্ক
    এইচএসসিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দুই বোনের বড় চমক

    দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোসা. ফিরোজা খাতুন ও তার ছোট বোন মোসা. সোনিয়া খাতুন। তারা দুই বোন খুলনার পিএইচটি সেন্টারের নিবাসী। এবারের এইচএসসিতে চমক দেখিয়েছেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এই দুই বোন। খুলনার দৌলতপুর মুহসীন মহিলা কলেজ থেকে পরীক্ষায়  অংশ নেন তারা। তাদের স্বপ্ন শিক্ষক হয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের পাঠদান করাবেন।

    বৃস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত দুই বোন।

    এবার এইচএসসির ফল বিপর্যয়ের মধ্যেও তাদের সফলতায় খুশি পিএইচটি সেন্টার কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক ও সহপাঠীরা। বাধা থাকলেও নিজেদের মেধায় এগিয়ে রয়েছেন তারা। এবারের এইচএসসির ফলাফলে দুইজনই পেয়েছেন ‘এ’ গ্রেড। দুজনই জানালেন তাদের স্বপ্নের কথা।

    বড় বোন ফিরোজা খাতুন বলেন, খুলনার পিএইচটি সেন্টারে প্রথম শ্রেণিতে আমি ও আমার ছোট বোন ভর্তি হয়েছিলাম। ১৩ বছর ধরে এখানেই রয়েছি আমরা। একসঙ্গে লেখাপড়া করেছি। দৌলতপুর মুহসীন মহিলা কলেজ থেকে দুইজনই এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। ফলাফল পেয়েছি। আমি এবার ৪.০০ পয়েন্ট পেয়ে পাস করেছি। আর ছোট বোন সোনিয়া ৪.৬৭ পয়েন্ট পেয়েছে। আমরা দুইজনই ‘এ’ গ্রেড পেয়েছি।

    নিজের স্বপ্নের কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি শিক্ষক হতে চাই। শিক্ষক হয়ে প্রতিবন্ধী ছোট ভাই—বোনদের লেখাপড়া শেখাবো।

    ছোট বোন সোনিয়া খাতুন বলেন, এবার এইচএসসিতে পাসের হার কমেছে। আরও ভালো করা সম্ভব হতো যদি সব ধরনের সুবিধা থাকতো। বিশেষ করে বেইল পদ্ধতির বইগুলো থাকলে। আইসিটি, বাংলা ও ইংরেজি বেইল পদ্ধতির বই ছিল। বাকিগুলো শুনে শুনে মুখস্থ করতে হতো। পরীক্ষায় আমি বলেছি এবং একজন শ্রুতি লেখক সেটা লিখেছে। ফল বিপর্যয়ের মধ্যেও আমরা দুই বোন ভালো রেজাল্ট করেছি। এতেই আমরা খুশি।  

    তিনি বলেন, ২০১৩ সালে পিএইচটি সেন্টারে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আমরা দুই বোন একইসঙ্গে লেখাপড়া করতাম। সেখানকার শিক্ষকরা আমাদের খুব বেশি সহযোগিতা করেছেন। আমাদের গ্রামের বাড়ি কয়রা উপজেলায় হলেও ২০১৬ সালে বাবা—মা দুজনই কাজের জন্য ভারতে গিয়েছেন। এখনো তারা সেখানেই রয়েছেন। নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। রেজাল্ট পেয়েই তাদের জানিয়েছি। তারা খুবই খুশি। এখন স্বপ্ন পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। প্রতিবন্ধী শিশুদের লেখাপড়া শিখানো। এ জন্য শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে।

    শুধু ফিরোজা আর সোনিয়াই নয়, এইচএসসিতে অংশ নেওয়া পিএইচটি সেন্টারের অংশ নেওয়া শতভাগ দৃষ্টি ও বাক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পাস করেছে। তাদের দুইজনের সঙ্গে এবারের এইচএসসিতে পাস করেছে বাক প্রতিবন্ধী শাম্মী আক্তারও। তিনি কথা বলতে ও শুনতে না পারলেও শিক্ষকদের সঙ্গে ইশারায় কথা বলেন। একইসঙ্গে লিখে নিজের কথা জানাতে পারেন। কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় ইশারায় প্রশ্ন করা হয় শাম্মীকে। তিনি লিখে ও ইশারায় তার উত্তর দেন।

    শাম্মী জানান, বাবা ফরিদপুরের ছালাম শেখ এবং মা জাহানারা বেগম। এবারের পরীক্ষায় পাস করে তিনি খুব খুশি। খুলনার গোয়ালখালী পিএইচটি সেন্টারের ৫ জন নিবাসী এবারের এইচএসসিতে অংশ নিয়ে পাস করেছেন।

    এছাড়া পিএইচটি সেন্টারের নিবাসী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ময়না খাতুন রুনা জিপিএ ৩.৭৫ ও বাকশ্রবণ প্রতিবন্ধী মিতু ৩.০৪ পেয়ে পাস করেছেন।

    খুলনার গোয়ালখালী পিএইচটি সেন্টারের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক নার্গিস আক্তার বলেন, আমাদের এখানকার নিবাসী ফিরোজা ও সোনিয়া দুই বোন খুবই ভালো ফলাফল করেছে। এবারের এইচএসসিতে অংশ নেওয়া ৫ জনই একসঙ্গে পাস করেছে। এতে আনন্দিত, রেজাল্ট পেয়ে আমরা খুশি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী

      অনলাইন ডেস্ক
      ৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৯
      অনলাইন ডেস্ক
      পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী

      চলতি বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জন ক্লার্ক, মিশেল দেভোরেট ও জন মার্টিনিস। ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য এই তিন মার্কিন বিজ্ঞানীকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

      মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কারের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করে।

      রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বলেছে, তাদের এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আর এর পুরস্কার স্বরূপ তাদের নোবেলে ভূষিত করা হয়েছে।

      কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটির ওপর এ বছরের পদার্থে নোবেলের বিষয় ছিল।

      পুরস্কারপ্রাপ্ত এ তিন বিজ্ঞানী তাদের ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, যে এই ঘটনাটি সম্ভব। তারা এমন একটি অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা তৈরি করেন, যা একটি অবস্থা থেকে সরাসরি অন্য অবস্থায় 'টানেল' করে যেতে পারে। বিষয়টি দেখে মনে হয় যেন একটি জিনিস দেওয়ালের মধ্যে দিয়ে ভেদ করে চলে গেছে।

      তারা আরও দেখিয়েছেন যে এই ব্যবস্থাটি নির্দিষ্ট মাত্রার বা সুনির্দিষ্ট ‘ডোজ’-এ শক্তি শোষণ করে এবং বিকিরণ করে। যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।

      নোবেল পুরস্কারের ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার সমানভাবে ভাগ করে নেবেন এই তিন পদার্থবিজ্ঞানী।

      গতবছর পদার্থের নোবেল পেয়েছিলেন ‘মেশিন লার্নিং’ এর দুই পথিকৃত যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জন জে হপফিল্ড এবং কানাডার গবেষক জেওফ্রে ই হিন্টন।

      বরাবরের মতই চিকিৎসা বিভাগের পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে সোমবার চলতি বছরের নোবেল মৌসুম শুরু হয়। বুধবার রসায়নে চলতি বছরের নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার আসবে সাহিত্যের নোবেল ঘোষণা। এরপর শুক্রবার শান্তি এবং আগামী ১৩ অক্টোবর অর্থনীতিতে এবারের নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

      ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে নোবেল পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রাজশাহী কলেজের শাখাওয়াত পেলেন “স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫”

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:১৩
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        রাজশাহী কলেজের শাখাওয়াত পেলেন “স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫”

        রাজশাহী কলেজের মার্কেটিং বিভাগের এক তরুণ শিক্ষার্থী মো. শাখাওয়াত হোসেন। সাধারণ পরিবারের সন্তান হলেও তাঁর ভেতরে ছিল এক অসাধারণ স্বপ্ন নিজেকে গড়ে তোলা আর অন্যদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা। সেই স্বপ্নকেই মূর্ত করে তুললেন তিনি। আর সেই অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ গত শনিবার (৪ অক্টোবর ২০২৫) রাজধানীর সেগুনবাগিচার কচিকাঁচা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত “স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫” এ ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং ক্যাটাগরিতে সম্মানিত হয়েছেন তিনি।

        মানবাধিকার প্রতিদিনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্টার বাংলাদেশ মিডিয়ার আয়োজিত এই পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক আসরে দেশের বিচারপতি, গণমাধ্যম, ব্যবসা ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন খাতের ৩০ জন গুণীজনের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা। এর মধ্যে তরুণ উদ্যোক্তা শাখাওয়াত হোসেনের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে।

        ২০১৭ সালে অনলাইনে টি শার্ট ব্যবসার মাধ্যমে উদ্যোক্তা জীবনের শুরু করেছিলেন শাখাওয়াত। শুরুর পথে ব্যর্থতা তাঁকে দমাতে পারেনি, বরং আরও শক্তি যুগিয়েছে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন Liking Plus, যা আজ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্র্যান্ডিং, মার্কেটিং ও ব্যবসা উন্নয়নের নির্ভরযোগ্য সহযাত্রী হয়ে উঠেছে।
        এ পর্যন্ত ২০০–এরও বেশি উদ্যোক্তাকে ব্যবসা দাঁড় করাতে সহায়তা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু তাই নয়, তরুণ শিক্ষার্থী ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে।

        শুধু উদ্যোক্তা হিসেবেই নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের জন্য একজন রোল মডেল হয়ে উঠছেন শাখাওয়াত হোসেন। রাজশাহীর মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন স্বপ্ন, পরিশ্রম আর দৃঢ় সংকল্প থাকলে যেকোনো তরুণই পরিবর্তন আনতে পারে সমাজে।
        আজকের এই অর্জন নিঃসন্দেহে রাজশাহীর গর্ব, বাংলাদেশেরও গর্ব।

        পুরস্কার হাতে নিয়ে শাখাওয়াত আবেগভরে বলেন, “আমার লক্ষ্য শুধু নিজের সাফল্য নয়, রাজশাহী কলেজসহ দেশের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ শেখা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের প্ল্যাটফর্ম দিতে পেরেছি, এটাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দুই বোনের একসঙ্গে বিসিএস জয়

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২০:২৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          দুই বোনের একসঙ্গে বিসিএস জয়

          একসঙ্গে বিসিএস জয় করেছেন রাজবাড়ীর আপন দুই বোন ডা. সিলমা সারিকা শশী এবং ডা. সিলমা সুবাহ আরশি। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তারা। দুই বোনের এ সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবারটি।

          শশী ও আরশি রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর নিবাসী রাজবাড়ী সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আক্কাস আলী মোল্লা এবং বালিয়াকান্দির মীর মোশাররফ হোসেন কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর মালেকা আক্তার শিখা দম্পতির মেয়ে। ২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।

          এরপর সিলমা সারিকা শশী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং সিলমা সুবাহ আরশি ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে তারা ২০২২ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর তারা ইন্টার্নশিপ করেন। পরে তারা দুজনই বিসিএসের প্রস্তুতি নেন এবং ৪৮তম বিসিএস পরীক্ষা দেন।

          শশী ও আরশির বাবা আক্কাস আলী বলেন, আমার দুই মেয়ে ছোট বেলা থেকেই অনেক মেধাবী ছিল। তাদের স্বপ্ন ছিল তারা বড় হয়ে চিকিৎসক হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে তারা পড়ালেখা করেছে। আমি এবং তাদের মা আমরা দু’জনই আমার দুই মেয়েকে মানসিকভাবে সবসময় সাপোর্ট করেছি। তারা দুই বোনই একই বয়সী হওয়ায় এসএসসি এবং এইচএসসি একই স্কুলে একই সঙ্গে পড়েছে। সেখানে তারা দু’জনই জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করে। তিনি আরও বলেন, শশী ময়মনসিংহ মেডিকেল ও আরশী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে। পরে তারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে ৪৮তম বিসিএস পরীক্ষা দেয়। গত বৃহস্পতিবার তাদের ফলাফল দিয়েছে। তারা দু’জনই স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। তাদের জীবনের প্রথম বিসিএস পরীক্ষা ছিল এটি। আমি আমার দুই মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।শশী ও আরশীর মামা রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. রকিবুল হাসান পিয়াল কালবেলাকে বলেন, আমার দুই ভাগ্নির একসঙ্গে বিসিএস জয়ে আমরা আনন্দিত। তারা যেন মানবিক চিকিৎসক হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে পারে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। দুই বোনের একসঙ্গে বিসিএস জয়ের এই সাফল্যে তাদের পিতা-মাতা, ভাই-বোন সবার পাশাপাশি রাজবাড়ীবাসী আনন্দিত।

           
           
          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত