শিরোনাম
বিএনপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের প্রতীক রওনকুল ইসলাম
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত বিএনপির ২৩৭টি আসনের প্রার্থীদের তালিকায় বিশেষভাবে নজর কাড়ছেন কাজী রওনকুল ইসলাম (শ্রাবণ)। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি এখন আলোচনায়। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এই তরুণ নেতা এবার যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।
গতকা সোমবার বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে ২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। সেখানেই যশোর-৬ আসনে কাজী রওনকুল ইসলামের নাম আসে আনুষ্ঠানিকভাবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রওনকুল ইসলামই সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী। বয়স ৪০ হলেও রাজনীতিতে তাঁর পথচলা প্রায় দুই দশকের।
যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামের সন্তান রওনকুল ইসলাম ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়ন শুরু করেন। এখানেই ছাত্ররাজনীতির মাটিতে নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন রওনকুল ইসলাম। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং দ্রুতই সহপাঠীদের কাছে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। ২০২২ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে ২০২৩ সালের আগস্টে ‘অসুস্থতার কারণ’ দেখিয়ে তাঁকে সেই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর অল্পদিন পর, একই বছরের অক্টোবর মাসে তাঁকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মনোনয়ন পাওয়ার পর গণমাধ্যম-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় রওনকুল ইসলাম বলেন, “এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কেশবপুর আসনটি দীর্ঘদিন ধানের শীষের দখলে ছিল না। আমি জনগণের ভোটে এই আসন পুনরুদ্ধার করতে চাই। দল আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে, তার প্রতিদান দিতে চাই জনগণের সেবার মাধ্যমে।”
নিজেকে বিএনপির সবচেয়ে তরুণ প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “বিএনপির ৩১ দফায় তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে বিশেষ করে কেশবপুরের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, তাঁদের মাদক থেকে দূরে রেখে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিচর্চায় যুক্ত করা, এবং তাদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করা—এসব হবে আমার অগ্রাধিকার।”
ফেব্রুয়ারিতে সর্বদলীয় নির্বাচন দেখতে চান জামায়াত আমির
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন মতবিরোধে পরিণত না হয় সেজন্য সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেখতে চাই।
এবার এককভাবে নয়, আরও অনেক দলকে ধারণ করে যথাসময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান জামায়াত আমির।
সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ভোরে দেশে ফেরেন ডা. শফিকুর রহমান। পরে সকাল ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, গত মাসের ১৯ তারিখে ওমরার উদ্দেশে দেশত্যাগ করি। তিনদিনে ওমরাহ সম্পন্ন করে ২২ অক্টোবর আমেরিকা পৌঁছি। সেখানে ৮ দিন আমি সরকারি, বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়েছি। সেখানে বিপুলসংখ্যক বসবাসকারী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মিলিত হয়েছি। তাদের কথাগুলো শোনার সুযোগ হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করে এসেছি। বিশেষ করে একটি ম্যাসেজ দিয়েছি, বাংলাদেশ আমাদের সকলের। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে দেশ মুক্তি পেয়েছে। সেখানে প্রবাসীদের লড়াইও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের ভোটের অধিকার আমরাই প্রথম তুলেছি, সেটা ছেড়ে দিইনি। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর ও নির্বাচন কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গায় আমরা কথা বলেছি।
‘সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ, এবারই প্রথম প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় ব্যাপকভিত্তিক সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। অক্টোবরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। যে সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়েছিল তা কাজ করেনি প্রপারলি। সংগত কারণে অনেকে আগ্রহ ও চেষ্টা সত্ত্বেও ভোটার হতে পারেননি।’
নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কমপক্ষে আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে দেওয়া হোক। যে জটিলতাগুলো আছে তা সহজ করা হোক। যেসব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে তা শিথিল করা হোক। একজন নাগরিকের প্রমাণের জন্য তার এনআইডি যথেষ্ট। পাশাপাশি যদি একটা ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে তাহলে তো আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। এগুলো সহজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদসহ সরকার পরিচালনা, দেশ গঠনে পিআর সিস্টেমেই প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করবেন। হয়ত সময় লাগবে, তবে এটা নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ। এটা আমাদের স্বপ্ন।
‘আমেরিকা সফর শেষে যুক্তরাজ্য ও তুরস্ক সফর করে আজ দেশে ফিরেছি। দুনিয়ার সকলের সঙ্গেই আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতার ভিত্তিতে সম্মানজনক সম্পর্ক চাই। আমরা যত জায়গায় গিয়েছি সকলের আগ্রহ সম্মান পেয়েছি।’
বিএনপি গতকাল দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করেছেন, জামায়াত কবে করবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি যেটা করেছে সেটিও শুনলাম চূড়ান্ত নয়। ২৩৭টা আসনে তারা মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেছেন, তবে সেটি চূড়ান্ত নয় বলেছেন। এর মধ্যেও পরিবর্তন হতে পারে।
জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এক বছর আগে আমরা আঞ্চলিকভাবে তালিকা জানিয়ে দিয়েছি। আমরা চূড়ান্ত তালিকা সময়মতো জানিয়ে দেব।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একা নির্বাচন করব না, দেশ ও জাতির স্বার্থে আরও অনেককে আমরা ধারণ করব। সবদিক বিবেচনা করে যথাসময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নের চূড়ান্ত তালিকা জানিয়ে দেওয়া হবে।
লন্ডনে অবস্থানকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আপনার বৈঠকের কথা শোনা গেছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি শুনেছেন, আমি শুনিনি।
নানাভাবে এ ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য দেখা গেছে। এটি কেন? জানতে চাইলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মতানৈক্য হোক কিন্তু মতবিরোধ যাতে না হয়। মতের ভিন্নতা থাকবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা সকলের মতকে শ্রদ্ধা করি। সব দলের তো ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। এর মানে এই নয় যে, মতানৈক্যের কারণে বিরোধ বা অনৈক্যে দেশ অস্থির হয়ে গেছে, তা মানতে রাজি নই।
এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনা করে সরকারকে জানানোর আহ্বান প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সরকার সময় বেঁধে দেননি, অনুরোধ করেছেন। রাজনৈতিক দলগুলো বসে যদি একটা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে তাহলে তা সরকারের জন্য ভালো। আমরাই সবার আগেই আহ্বান জানিয়েছি, নায়েবে আমির তাহের খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে দেশ ও জাতির স্বার্থে সমাধানে পৌঁছার আহ্বান জানিয়েছেন। আশা করি অন্যরা এ আহ্বানে সাড়া দেবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও মাওলানা আ.ন.ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাইফুল আলম খান মিলন, মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় উত্তরার আঞ্চলিক জামায়াত নেতারা।
২৩৭টি আসনে প্রাথমিক তালিকায় নেই রুমিন ফারহানার নাম
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের একক প্রার্থী ঘোষণা করছে বিএনপি। প্রাথমিকভাবে ২৩৭ আসনে প্রার্থী মনোনীত এবং প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে।
এই প্রাথমিক তালিকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নাম দেখা যায়নি।
তার এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে খালি রাখা হয়েছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির প্রার্থী তালিকায় নেই রুমিন ফারহানার নাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৩৭টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। তবে এ তালিকায় নাম নেই বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তালিকা প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন রুমিন ফারহানা। তবে আসনটিতে আপাতত প্রার্থী হিসেবে কারও নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি।
রুমিন ফারহানা একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি পদত্যাগ করেন।
ঢাকার আসনগুলোতে ধানের শীষের মনোনয়ন পেলেন যারা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। সোমবার (৩ নভেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মনোনয়ন পাওয়াদের মধ্যে ঢাকা-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আসনে আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ আসনে তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা-৫ নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা-৬ ইসরাক হোসেন, ঢাকা-৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।
এ ছাড়া ঢাকা-১১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম তুলি, ঢাকা-১৫ আসনে মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৬ আসনে আমিনুল হক, ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, ঢাকা-১৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, ঢাকা-১৯ আসনে ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য