ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আল-আজহার থেকে ১ বছরে এমফিল অর্জনের নজির গড়লেন দারুননাজাতের শিক্ষার্থী

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:২৪
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
আল-আজহার থেকে ১ বছরে এমফিল অর্জনের নজির গড়লেন দারুননাজাতের শিক্ষার্থী

মিশরের ঐতিহ্যবাহী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস বিভাগ থেকে এক বছরের মধ্যে এমফিল ডিগ্রি অর্জনের নজির গড়েছেন বাংলাদেশের দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুহাম্মাদ শিহাব উদ্দীন আজহারী। বর্তমানে তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন।

২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত এমফিল থিসিস ডিসকাশনে তিনি সর্বোচ্চ গ্রেড “মুমতাজ” (Excellent) অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল: ইমাম নাসাফী (রহ.)-এর ‘আত-তাইসীর ফি আত-তাফসীর’ গ্রন্থে বর্ণিত মারফু ও মওকুফ হাদিসসমূহের তাহরিজ ও বিশ্লেষণ। কায়রোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমাম আহমদ আত-তাইয়্যিব হলে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন উসুলুদ্দীন অনুষদের হাদিস বিভাগের অধ্যাপক ড. খালিদ শাকির আতিয়াহ সুলাইমানসহ বিশিষ্ট গবেষক-শিক্ষকরা।

শিক্ষাজীবনের শুরু দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসায়। ২০১২ সালে দাখিল এবং ২০১৪ সালে আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি ২০১৫ সালে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ লাভ করেন। এরপর অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিল সম্পন্ন করে এখন তিনি পিএইচডি পর্যায়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় মুহাম্মাদ শিহাব উদ্দীন বলেন, এমফিল ডিগ্রি আমার জন্য একটি সোপান। আমি চাই পিএইচডির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অঙ্গনে ইসলামী জ্ঞানের গবেষণায় বড় অবদান রাখতে। এই সাফল্যের পেছনে ডেমরার ঐতিয্যবাহী দারুননাজাত ছিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা ও শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক বছরে এমফিল অর্জন বিরল ঘটনা। ফলে এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং দেশের জন্যও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন, মিশর এক বিবৃতিতে গবেষকের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাবির ইতিহাসে প্রথম ডাকসু নির্বাচনে লড়বেন স্বামী-স্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৪৯
    অনলাইন ডেস্ক
    ঢাবির ইতিহাসে প্রথম ডাকসু নির্বাচনে লড়বেন স্বামী-স্ত্রী

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে সবচেয়ে বড় চমক ছিল স্বামী-স্ত্রীর একই প্যানেলে প্রার্থী হওয়া। শিবিরের ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, কমনরুম সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উম্মে সালমা এবং সাধারণ সদস্য (এজিএস) পদে লড়ছেন তার স্বামী রায়হান উদ্দিন। তারা দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী। 


    প্যানেলে স্বামী-স্ত্রীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে ঢাবির ইতিহাসে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার নজির নেই।


    উম্মে সালমা বলেন, আমি ক্যাম্পাসে নারীদের উন্নয়নে অনেক দিন থেকে কাজ করে আসছি। ডাকসু নির্বাচনের জন্য যখন প্যানেল খুঁজছিলাম তখন শিবির আমাকে তাদের প্যানেলে নেয়।


    তিনি বলেন, অনেকে ভাবছেন আমি শিবির বা ছাত্রী সংস্থার পদধারী কেউ না হয়েও শিবিরের প্যানেলে। আমি যখন কমনরুম সম্পাদক পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিই, তখন বিভিন্ন আনুষঙ্গিক প্রয়োজনে একটি প্যানেল প্রয়োজন। সেই হিসেবে আমার শিবিরের প্যানেলে আসা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিশ্বের শীর্ষ ৫০ নারী নেত্রীর তালিকায় জবি শিক্ষার্থী শিফা

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১:৩৮
      অনলাইন ডেস্ক
      বিশ্বের শীর্ষ ৫০ নারী নেত্রীর তালিকায় জবি শিক্ষার্থী শিফা

      বিশ্বের শীর্ষ ৫০ নারী নেত্রীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী সাবিতা বিনতে আজাদ শিফা। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন ‘রোসাটম’, এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ‘অবনিন্সক টেক একাডেমি’ তাকে ‘ভিজিবল পাওয়ার ফিমেল লিডারশিপ’ ক্যাটাগরিতে মনোনীত করে। 


      সারা বিশ্বের আবেদনকারীদের মধ্য থেকে কয়েক ধাপের বাছাই প্রক্রিয়া শেষে শিফাকে নির্বাচিত করা হয়। এক্ষেত্রে তার পূর্ববর্তী কর্ম অভিজ্ঞতা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, অর্জিত পুরস্কার-স্বীকৃতি এবং গবেষণাকর্মকে মূল্যায়ন করা হয়।


      নির্বাচিত ৫০ নারী নেত্রী অংশ নেবেন রাশিয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যাটমিক উইক এবং আন্তর্জাতিক নারী নেতৃত্ব কর্মশালা ফিমেল লিডারশিপ ক্যাম্পে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১০ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী সমবেত হবেন পারমাণবিক শিল্পের ৮০ বছরের সাফল্য উদযাপনে।


      এর আগে একাধিকবার সম্মানজনকভাবে রাশিয়ায় একাধিক কনফারেন্স এবং সামিটে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। ভারতের মেঘালয়ের নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটিতে তার গবেষণা সংশ্লিষ্ট কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (UITS)-এ প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।


      শিফা ওয়ার্ল্ড ভিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের অধীনে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রকল্পে গ্রান্ট অ্যাকুইজিশন ম্যানেজমেন্টের লিড প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবেও কাজ করেছেন। বর্তমানে দেশের তরুণদের সফট স্কিল ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছেন এবং প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘ভিলেজ ইমপাওয়ারমেন্ট’ নামের একটি সংগঠন। এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও তিনি নিজেই।


      সাবিতা বিনতে আজাদ শিফার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরে। তার বাবা ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, যিনি দু’বার জাতিসংঘের স্কলারশিপ পেয়েছেন এবং মস্কোর পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া (লুমুম্বা ইউনিভার্সিটি) থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন এবং মা সোহরাত বেগম ছিলেন গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।


      শিফা এর আগে একাধিকবার রাশিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোচিতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশ থেকে ৮৫ তরুণ-তরুণীর সঙ্গে যোগ দেন। ২০২৪ সালের মে মাসে মস্কোতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেনস কমিটিতে বাংলাদেশের হেড হিসেবে নেতৃত্ব দেন। একই বছরের অক্টোবরে রাশিয়ার ওরেনবুর্গে অনুষ্ঠিত ইউরেশিয়া গ্লোবালে অংশ নেন। যেখানে বাংলাদেশকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে সমাপনী অনুষ্ঠানে টিম বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়।


      এছাড়া ২০১৯-২০ সালে টোস্টমাস্টার্স ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব পাবলিক স্পিকিংয়ে বাংলাদেশ থেকে ইন্টারন্যাশনাল স্পিচ কনটেস্ট চ্যাম্পিয়ন হন শিফা। পরে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সেমিফাইনালিস্ট হিসেবেও প্রতিযোগিতা করেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম অ্যাডভান্সড টোস্টমাস্টার্স ক্লাবের নারী সভাপতি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে দুটি ক্লাবের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারত ও নেপালে আন্তর্জাতিক বক্তা হিসেবে যোগ দিয়েছেন এবং নেপালের লাক্সমী ব্যাংকে বক্তব্য রেখেছেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘মাহরিন চৌধুরী অ্যাওয়ার্ড’

        শিক্ষক মাহরিনের নামে অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত

        অনলাইন ডেস্ক
        ৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:৫৫
        অনলাইন ডেস্ক
        শিক্ষক মাহরিনের নামে অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত
        মাহরিন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

        রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহরিন চৌধুরীর নামে অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


        বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


        তিনি জানান, জীবন বাজি রেখে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে গিয়ে মাহরিন চৌধুরীর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে তার নামে একটি পুরস্কার চালু করা হবে।


        প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম ও প্রধান কাজ হলো আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।

         

        আরও পড়ুন: বিমান দুর্ঘটনা: রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাবেন নিহত ২ শিক্ষিকা

         

        তিনি আরও জানান, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, গত ৫ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। এর পর দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে।

         

        প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টাদের উদ্দেশে বলেন, ‘নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব।’


        এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উপদেষ্টাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত কয়েকটি নির্ধারিত বিষয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          চা-বাগানে বেড়ে ওঠা মেধাবী ছাত্রীকে সংবর্ধনা

          জেলা প্রতিনিধি
          ৩০ জুন, ২০২৫ ১২:৩৯
          জেলা প্রতিনিধি
          চা-বাগানে বেড়ে ওঠা মেধাবী ছাত্রীকে সংবর্ধনা

          মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল চা-বাগানে বেড়ে ওঠা মেধাবী ছাত্রী ইতি গৌড় এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ফিন্যান্স বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। উপজেলার বরমচাল চা-বাগান থেকে এই প্রথম কোনো শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেন।  

          এই অনন্য অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসক‌‌‌ এর পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। 

          রবিবার (২৯শে জুন) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার এম. কে. এইচ. জাহাঙ্গীর হোসেন, পিপিএম-সেবা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ইতিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে শুভেচ্ছা জানান, মিষ্টিমুখ করান এবং তার সাফল্যের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আর্থিক পুরস্কার প্রদান করেন।

          পুলিশ সুপার বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার স্বপ্ন বাংলাদেশে সবাই দেখে, তবে পরিশ্রমী ও মেধাবীরাই সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। চা-বাগানের সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও ইতি যেভাবে মেধা ও অধ্যবসায়ে সাফল্য অর্জন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” 

          তিনি আরও বলেন, “জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা তার সফলতার স্বীকৃতিস্বরূপ কিছু অর্থ পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছি। ইতি গৌড় ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে সাফল্য অর্জন করে মৌলভীবাজারের নাম উজ্জ্বল করবে। চা বাগানের অন্য ছেলে মেয়েরাও ইতি গৌড়ের মত এগিয়ে যাবে সেই কামনা করি।''

          অন্যদিকে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ ইসরাইল হোসেনের বিষয়টি নজরে আসলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে ভর্তির সুযোগ হয়েছে এই প্রথম চা-বাগান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। "তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার উদ্যোগ নেন রবিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ইতি গৌড়'কে জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।"

          ইতির পিতা শংকর গৌড় এই সম্মাননা ও সহযোগিতার জন্য জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসক‌‌‌ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করেছেন।
           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত