শিরোনাম
‘কুইন্স কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতায়’ জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জ জিতলেন অমরাবতী
কুইন্স কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতা বিশ্বের অতি সুপ্রাচীন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। ২০২৪- এই প্রতিযোগিতার ৭৫তম বর্ষপূরণের সন।
জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের উপর এর প্রভাব ও চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে কুইন্স কমনওয়েলথ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ এর রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
তারা অংশগ্রহণকারীদের ক্রমবর্ধমান সমস্যা সঙ্কুল পৃথিবীতে নিজস্ব সম্প্রদায় ও সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা ও সমাজে স্থিতিস্থাপকতা ও অনূকূল পরিবেশ তৈরির নানা বিষয় প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে।
অনলাইনে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩৫০০০ প্রতিযোগী জুনিয়র ও সিনিয়র ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে।
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ এর সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অমরাবতী অস্মি এ বছর জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেছে।
তার রচনার বিষয়বস্তু ছিল পিতামহের সাথে আশা ও স্থিতিস্থাপকতা নিয়ে কথোপকথন।
তার রচনায় অগ্রজ প্রজন্মের সাথে নতুন প্রজন্মের মেলবন্ধন ফুটে উঠেছে। রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটির এক্সিকিউটিভ চেয়ার ড: লিন্ডা ইউয়ে কর্তৃক অনুমোদিত পদকপ্রাপ্তিতে এই খুদে প্রতিযোগীর ভবিষ্যত আরো আলোকময় হয়ে উঠবে।
মক্কায় কোরআন প্রতিযোগিতায় একইসঙ্গে প্রথম হলেন ২ বাংলাদেশি
সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৪তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় জোড়া সাফল্য বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের দুই প্রতিযোগী। এই দুই বিজয়ী হলেন হাফেজ আনাছ বিন আতিক্ব ও হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ। ১২৩টি দেশের ১৭৪ জন প্রতিযোগীর মধ্যে পৃথক দুটি গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তারা।
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার ৩য় গ্রুপে ১ম স্থান অর্জন করেছেন রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজের ছাত্র হাফেজ আনাছ বিন আতিক্ব। একই প্রতিযোগিতার ৪র্থ গ্রুপে ১ম স্থান অর্জন করেছেন রাজধানীর মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামি ঢাকার কিতাব বিভাগের ছাত্র হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।
পুরস্কার হিসেবে হাফেজ আনাছ সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ দুই লাখ রিয়াল পুরস্কার লাভ করেন। আর হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ দেড় লাখ রিয়াল পুরস্কার লাভ করেন।
প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে। প্রতিযোগিতা শেষে বুধবার (২১ আগস্ট) এশার নামাজের পর (বাংলাদেশ সময় রাত বারোটার পর) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন মক্কার ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল বিন আবদুল আজিজ।
পাঁচ বিভাগে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সর্বমোট ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল পুরস্কার দেয়া হয়। পাঁচ ক্যাটাগরি হলো- ১. শাতেবি পদ্ধতিতে সাত কেরাতসহ সুন্দর কণ্ঠে পূর্ণ কোরআন হিফজ, ২. তাজবিদসহ সুন্দর কণ্ঠে পূর্ণ কোরআন হিফজ এবং একক শব্দগুলোর তাফসির, ৩. তাজবিদসহ সুন্দর কণ্ঠে পূর্ণ কোরআন হিফজ, ৪. তাজবিদসহ ১৫ পারা হিফজ, ৫. তাজবিদসহ পাঁচ পারা হিফজ (শেষোক্ত বিভাগটি ওয়াইসিভুক্ত নয়- এমন দেশের জন্য প্রযোজ্য)।
এবারের প্রতিযোগিতায় হিফজ দুই গ্রুপে দুইজন হাফেজে কোরআন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। হাফেজ আনাছ ৩০ পারা গ্রুপের প্রতিযোগী। তিনি শায়খ নেছার আহমাদ আন নাছেরী পরিচালিত মারকাজুত তাহফিজের ছাত্র। এতে হাফেজ আনাছ সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ দুই লাখ রিয়াল পুরস্কার লাভ করেন।
আর হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ ১৫ পারা গ্রুপের প্রতিযোগী। তিনি মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম পরিচালিত মারকাযু ফয়জিল কুরআনের শিক্ষার্থী। তিনি সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ দেড় লাখ রিয়াল পুরস্কার লাভ করেন।
প্রতিযোগিতার তত্ত্বাবধায়ক সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল লাতিফ বিন আবদুল আজিজ আলে শায়খ জানিয়েছেন, এ বছরের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছে।
১৩ বছর পূর্বে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া সাবিত হলেন ক্যাডার, বললেন—‘যোগদান সম্ভব না’
১৩ বছর আগে বিসিএসের পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছিলেন মো. ইব্রাহিম সাবিত। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গতকাল বুধবার (১৪ আগস্ট) তিনিসহ ২৫৯ জন ক্যাডার হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়েছেন। তবে সাবিত এতে যোগদান করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। ফেসবুকে নিজের আইডিতে একটি পোস্টে তিনি এ তথ্য জানয়েছেন।
পোস্টে সাবিত লিখেছেন, সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পরিচিত জনদের মেসেজ - আপনি তো বিসিএস ক্যাডার হয়ে গেলেন। বলে কি? আমি থাকি আমেরিকা, সম্প্রতি তো বিসিএস দেওয়াই হয়নি। যাই হোক- ১৩ বছর আগে বিসিএস এর পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছিলাম: আলহামদুলিল্লাহ। এখন প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে একটা প্রাইভেট ফার্মে কর্মরত আছি- সেটাও আলহামদুলিল্লাহ। বাংলাদেশের কয়জন মানুষ ঠিকমতো জানত যে, গত ১৫ বছরে দেশ থেকে শুধু ১১ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়নি, অন্তত ২৫৯ জনকে বিসিএস
এর ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও গেজেট প্রকাশের সময় বাদ দেয়া হয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। চিন্তা করতে পারেন, কত লক্ষ মেধাবীকে বাদ দিয়ে শুধু দলকানা দালালকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে?
আমার প্রফেশনাল ক্যারিয়ার নিয়ে আমার বিন্দুমাত্রও আক্ষেপ নেই। বিসিএস না হলেও আমি এশিয়া প্যাসিফিকের মতো স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটিতে পড়িয়েছি, তিতাস গ্যাসে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং মেধাক্রমে ছিলাম ১ এ, আমেরিকাতে ফুল ফান্ডিং নিয়ে উচ্চতর শিক্ষায় আসি, মাস্টার্স শেষে গত ৫ বছরে চারটি ফেস-টু-ফেস ইন্টারভিউ দিয়ে ৪টি চাকরিই পেয়েছি। সম্প্রতিই উপজেলা/কাউন্টি লেভেলে ডেপুটি চিফ অফ ইঞ্জিনিয়রিং সার্ভিস এর ইন্টারভিউ দিয়ে এলাম- আক্ষেপ করার কী কোন কারণ আছে?
একটু হয়তো আছে - ১৩ বছর আগে এ চাকরিটা হয়ত আমি চেয়েছিলাম, হয়ত আমার রেমিট্যান্সের বদলে মেধা দেশের কাজে একটু হলেও লাগাতে পারতাম। একটু হিউমিলিয়েশনও কি ফেস করিনি? রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পরিবার থেকে কাউকে বিসিএসের মতো সিস্টেমে চাকরি দেওয়া হবে না- একটা স্বৈরাচার সরকারের এমন আচরণের কি ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব ছিল আমার পরিচিতজনদের?
তিনি বলেন, চাকরি না দিয়ে আমাকে যদি অপমান করার চেষ্টা হয়, তাহলে আমি তো বলব, আল্লাহ আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন, দিয়েছেন উত্তম রিজিকও। বিভিন্ন প্রফেশনাল ও স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনে আমি তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই করেছি ভাল কিছু করার!
But I would like to note the bright side of all of these. Along the way, I have met lots of beautiful minds and learned a lot from them. আমার মনে পড়ে না, আমার আচরণে ইচ্ছে করে কাউকে কষ্ট দেয়ার উদ্দেশ্য কখনোই ছিল, কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। স্বাধীন বাংলাদেশ আরও উন্নত হোক- মেধায়, মননে আর প্রাতিষ্ঠানিকতায়। এই মুহূর্তে এই চাকরিতে যোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না - ইনশা’আল্লাহ ভবিষ্যতে চিন্তা করব কিভাবে দেশের উন্নতিতে অবদান রাখতে পারি। Thank you my family and all my friends for all of your supports.
আমেরিকার টাফটস ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং স্কলার হলেন শেকৃবি’র প্রফেসর সাইফুল ইসলাম
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) এর এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন এবং মেডিসিন এন্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশের ভেটেরিনারি শিক্ষা, গবেষণা ও চিকিৎসার অতি পরিচিত মুখ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক, বাংলাদেশে পোষাপ্রাণীর চিকিৎসা আধুনিকায়নের পথিকৃৎ প্রফেসর ড. কে, বি, এম, সাইফুল ইসলাম আমেরিকার টাফটস ইউনিভার্সিটির কামিংস স্কুল অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন এর ভিজিটিং স্কলার হিসেবে আমন্ত্রন লাভ করেছেন।
১৮৫২ সালে মেডফোর্ড, ম্যাসাচুসেটসে স্থাপিত টাফটস ইউনিভার্সিটি আমেরিকার অন্যতম প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় যা প্রাণিচিকিৎসা ও গবেষণার জন্য সারা বিশ্বে সুপরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কুল অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন নর্থ গ্রাফটনে ৬০০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টির ৭ টি ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে যার মাধ্যমে প্রতিবছর লক্ষাধিক প্রাণীর চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
প্রফেসর ড. কে, বি, এম, সাইফুল ইসলাম ভিজিটিং স্কলার হিসেবে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীর চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী দুইটি সুপ্রসিদ্ধ স্থাপনা হেনরী এন্ড লইস ফস্টার হাসপাতাল এবং টাফটস এট টেক কমিউনিটি ভেটেরিনারি ক্লিনিকে আগামী ০৮-২৩ জুলাই অ্যাডভ্যান্সড ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস, কেমোথেরাপি ও ক্যান্সার ম্যানেজমেন্ট, রুটিন ও অ্যাডভ্যান্সড ডায়াগনস্টিক টেস্ট, পোষাপ্রাণীর ডেন্টিস্ট্রি এবং ভেটেরিনারি প্র্যাকটিসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন, সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি তিনি কামিংস স্কুল অফ ভেটেরিনারি মেডিসিনের ডিন, হেনরী এন্ড লইস ফস্টার হাসপাতালের পরিচালক এবং টাফটস এট টেক কমিউনিটি ভেটেরিনারি ক্লিনিকের পরিচালকের সাথে একাধিক সভায় অংশগ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের প্রাণিচিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণায় এক অনন্য পরিচিত মুখ প্রফেসর ড. কে, বি, এম, সাইফুল ইসলাম (মিরাজ)। তিনি একাধারে শিক্ষক, গবেষক এবং চিকিৎসক। নিজ মেধা এবং পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ২০ বার বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক পূরস্কার, বৃত্তি, স্বীকৃতি ও সম্মাণ অর্জন করার পাশাপাশি নিজ দেশের সরকারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকর্তৃক বৃত্তি ও সম্মাননা পেয়েছেন ১০ বার। প্রথম বাংলাদেশি একাডেমিক ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে তিনি ২০১৯ সালে জাপানের ইম্পেরিয়াল শ্রেণীভুক্ত কৃষি ও প্রানিচিকিৎসা শিক্ষা প্রদানকারি বিশ্ববিদ্যালয় হক্কাইডো ইউনিভার্সিটির গ্রাজুয়েট স্কুল অফ এগ্রিকালচারের ডিভিশন অফ ফান্ডামেন্টাল এগ্রিসায়েন্স রিসার্চ গ্রুপের অধীনস্থ গবেষণাগারে ভিজিটিং রিসার্চ স্কলার এবং ২০১৭ সালে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন প্রাণিচিকিৎসা শিক্ষা প্রদানকারি বিশ্ববিদ্যালয় ফ্রান্সের ন্যাশনাল ভেটেরিনারি স্কুল অফ এলফোর্ট (এনভা) এর ভিজিটিং স্কলার হবার বিরল সম্মান অর্জন করেন।
এছাড়াও তিনি ২০২৩ সালে লাওসে এসএএডিসি ইয়াং ইনভেস্টিগেটর স্কলারশিপ, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আইসিএএসভিএম এর ইনোভেটিভ রিসার্চ এওয়ার্ড, ২০১৫ইং সালে থাইল্যান্ডে এসএএডিসি ইয়াং সায়েনটিস্ট এওয়ার্ড, ২০১৪ইং সালে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনফরমেশন ইনস্টিটিউট, সায়েন্টিফিক রিসার্চ এবং ওপেন এক্সেস লাইব্রেরীর যৌথ উদ্যোগে প্রদত্ত ইয়ং রিসার্চার এওয়ার্ড, কানাডার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ মাইক্রোবায়োলজিক্যাল সোসাইটি প্রদত্ত ট্রাভেল গ্রান্ট-২০১৪ এবং ২০১১ইং সালে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ মাইক্রোবায়োলজিক্যাল সোসাইটি (আইইউএমএস) কর্তৃক প্রদত্ত “এশিয়ান ইয়ং ল্যাব সাইন্টিস্ট এওয়ার্ড’ এ ভূষিত হন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের একমাত্র ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে পরপর তিনবার ২০১৫ইং সালে ভিয়েতনাম ও ফিলিপিনসে এবং ২০১৬ইং সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে “কি ওপিনিয়ন লিডার” এর স্বীকৃতি অর্জন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এর আগে তিনি ২০০৬ সালে ডেনমার্ক সরকারের ড্যানিডা ফেলোশিপ এবং ২০০৬ ও ২০০৮ সালে জাপান সরকার প্রদত্ত মনবুকাগাকুশো বৃত্তি লাভ করেন।
টাফটস ইউনিভার্সিটির কামিংস স্কুল অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন এর ভিজিটিং স্কলার মনোনীত হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে ড. ইসলাম বলেন বিশ্বখ্যাত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং স্কলার হিসেবে স্বীকৃতি অবশ্যই আনন্দ ও অনুপ্রেরণার। এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহন টাফটস ইউনিভার্সিটির ভেটেরিনারি স্কুলের সাথে শেকৃবি’র এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্র সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
শেকৃবি’র উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. অলক কুমার পাল বলেন, আমেরিকার প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় টাফটস ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে আমাদের দেশ থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেউ যাচ্ছে এটা আমাদের জন্য গর্বের এবং একই সাথে এটা আমাদের জন্য ভালো একটি অর্জন। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের পদ থেকে এবং ব্যক্তিগত জায়গা থেকে প্রফেসর ড. কে, বি, এম, সাইফুল ইসলামকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আশাকরছি ভিজিটিং স্কলার হিসেবে তার এই অংশগ্রহণ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের এএসভিএম অনুষদ এবং ভেট সাইন্স এন্ড এএইচ ডিগ্রির জন্য ভালো কিছু নিয়ে আসবে।
শেকৃবি’র উপাচার্য প্রফেসর ড. শহীদুর রশীদ ভূইয়া বলেন, আমেরিকা সকল দিক দিয়ে আমাদের থেকে অনেক অগ্রসর। ।টেকনোলজি, পড়াশোনার পদ্ধতি, গবেষণা এসব দিক দিয়ে তারা অনেক এডভান্স। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এএসভিএম অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. কে, বি, এম, সাইফুল ইসলামের ভিজিটিং স্কলার হিসেবে সুযোগ প্রাপ্তি এবং কাজের মাধ্যমে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করবে তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং এএসভিএম অনুষদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগবে। এছাড়াও এই যাত্রার মাধ্যমে নতুন কোনো পথ উন্মুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমার পক্ষ থেকে আমি তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
ভিজিটিং স্কলার হিসেবে টাফটস ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ড. ইসলাম আগামীকাল ০৬ জুলাই শনিবার ভোরে টার্কিস এয়ারলাইন্সের বিমানযোগে বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন।
ঢাবি শিক্ষার্থী অংকনের গিনেস রেকর্ড
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেধাবী শিক্ষার্থী রাগীব শাহরিয়ার অংকন গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেছেন। অংকন ঢাবির কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগে স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। তার বাড়ি নলছিটি পৌর শহরের হাইস্কুল সড়কে।
(Guinness World Record এ `The Most Football (Soccer) Toe Taps in one minute' category অর্থাৎ এক মিনিটে সর্বোচ্চ ২২০ বার ফুটবলে ট্যাপ করে তিনি এ রেকর্ড অর্জন করেছেন। আগের রেকর্ড ছিল ২১২ বার। মঙ্গলবার অংকন অফিসিয়ালি সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছেন। এর আগে তার এ কৃতিত্বের জন্য গত ২০ ফেব্রুয়ারি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড ওয়েবসাইটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়।
এ ব্যাপারে অংকন বলেন, এ রেকর্ড গড়তে পারায় আমি খুব খুশি। এজন্য আমি দীর্ঘদিন অনুশীলন করেছি। দৃঢ় প্রচেষ্টা ও অনুশীলনে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য