ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
 
শিরোনাম

ঢাবির ফার্মেসি অনুষদের ১২ শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ মার্চ, ২০২৩ ১২:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবির ফার্মেসি অনুষদের ১২ শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের বি.ফার্ম, প্রফেশনাল পরীক্ষায় অসাধারণ ফল অর্জন করায় ঢাবির ফার্মেসি অনুষদভুক্ত বিভিন্ন বিভাগের ১২জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সেনেট ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে ফার্মেসি অনুষদের কয়েকজন কৃতী শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটি স্বর্ণপদক, কথাশিল্পী সরদার জয়েন উদ্দীন পদক ও বদরুন্নেছা গফুর মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি দেওয়া হয়।

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- ফারিয়া তাসনিম, মোকাদ্দাস ফ্লোরা অনন্ত, ফয়সাল আবদুল্লাহ ইমন, নাজিফা তাবাচ্ছুম, মো. সাব্বির হোসেন, সায়মন শাহরিয়ার, রাশমিয়া নার্গিস রিদা, কাজী মিলেনুর রহমান প্রত্যয়, আসেফ রাজ, আহাদ চৌধুরী, সাদিয়া তাসনিম মিনা ও নুসরাত জাহান শাওন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা রকিবুল এখন মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২১ মার্চ, ২০২৩ ১৮:৩০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা রকিবুল এখন মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

    দিনের বেলা হইহুল্লোড়, বন্ধুদের সাথে কাদাপানিতে খেলাধুলা করেই বেড়ে উঠেছেন। রাতে কেরোসিনের কুপি জ্বালিয়ে করেছেন ক্লাসের পড়া। গ্রামে তখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। এই ছিলো এস এম রকিবুল হাসানের রুটিন। আশপাশে পড়ালেখায় কারো আগ্রহ না থাকলেও খেলার মাঠের সাথে খেলার সাথিও জটে যেত অনায়াসেই।

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার রায়পুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হয়েছে রকিবুলের ছেলেবেলার পড়াশোনা। নামী কোনও স্কুল ছিল না। শিক্ষকের সংখ্যাও হাতে গোনা। সেই রকিবুল এখন যুক্তরাষ্ট্রের মার্সার ইউনিভার্সিটির ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

    নতুন ওষুধের মাধ্যমে কীভাবে রক্তনালির ত্রুটি সংশোধন করা যায় এবং উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ঠেকানো যায়, সেই বিষয়ে বিস্তর গবেষণা করছেন তিনি। গত বছর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ থেকে পেয়েছেন ৪ লাখ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার অনুদান। এছাড়া আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন থেকে বিশেষ ফেলোশিপ পেয়েছেন।

    মাধ্যমিকে ছয় বিষয়ে লেটার মার্কস পেয়ে ১৯৯৯ সালে পাস করেন রায়পুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে। কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ শেষ করেন। ভর্তি পরীক্ষায় টিকে ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসি বিভাগে।

    জাবির ফার্মাসি বিভাগ থেকে স্নাতকে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে বিপণন নির্বাহী হিসেবে কর্মজীবন শুরু। ৯ মাস পর শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকতে প্রথমে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং পরে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১০ সালে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে শিক্ষাবৃত্তিসহ ভর্তির সুযোগ পান।

    বাংলাদেশের বহু মানুষ হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের কারণে মারা যায়, এ নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন রকিবুল। ২০১৬ সালে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন তাঁকে গবেষণার জন্য অনুদান দেয়।

    বাবা শিক্ষক বলেই শিক্ষকতার সুযোগই খুঁজছিলেন রকিবুল। সে সুযোগ হয় ২০১৮ সালে, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সার ইউনিভার্সিটির ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগে যোগ দেন তিনি। গবেষণার জন্য নিজস্ব ল্যাব স্থাপন করেন। মাস্টার্স ও পিএইচডির শিক্ষার্থীদের গবেষণা তত্ত্বাবধান করছেন। পাশাপাশি ডক্টর অব ফার্মাসির শিক্ষার্থীদের পড়ান।

    রকিবুলের প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের সংখ্যা ৫২। তাঁর প্রতিবেদনকে সাইটেশন করা হয়েছে দেড় হাজারের বেশি প্রবন্ধে। রকিবুল বলেন, সব সফলতার জন্য আমার বাবার কাছে কৃতজ্ঞ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শত প্রতিকূলতায় ঘুরে দাঁড়ানো পারভীন চান্স পেলেন মেডিকেলে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৯ মার্চ, ২০২৩ ১৩:৩৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      শত প্রতিকূলতায় ঘুরে দাঁড়ানো পারভীন চান্স পেলেন মেডিকেলে

      টিআরসি রিপোর্টঃ পার্বত্যাঞ্চলের দূর্গম জনপথ লংগদু। সেখানেই বেড়ে উঠা এক অদম্য শিক্ষার্থীর নাম পারভীন আক্তার। এই দূর্গম অঞ্চল থেকে পারভিনই প্রথম মেয়ে যে সরকারি মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

      মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নওগাঁ মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছে পারভীন আক্তার। সারাদেশে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় ১০৪৮৩তম স্থান অর্জন করেন।

      রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদম ইউনিয়নের চাইল্যাতলী এলাকার মো. সাহেব আলীর ছোট মেয়ে পারভীন আক্তার। আট ভাই-বোনের মধ্যে পারভীন সবার ছোট বোন। তার পরে ছোট এক ভাই রয়েছে। অর্থাভাবে পারভীনের বড় তিন বোনের পড়ালেখা বেশিদুর এগোয়নি। তার সংসার জীবনে ব্যস্ত। পারভীনের পরবর্তী বড় তিনবোনের একজন রাঙামাটি সরকারি কলেজে মাস্টার্স করছেন, অন্য দুইজন অনার্স পড়ছেন। ছোট ভাই শহরের একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছেন।

      এলাকায় ছোট্ট টিনের ঘর ছাড়া তাদের আর তেমন কিছু নেই। তবুও মনকে কখনো ছোট করেনি, শত বাঁধাবিপত্তি, আর্থিক অনটন ও গ্রাম্য কুসংস্কার ডিঙিয়ে আপন ঠিকানায় ছুটে চলেছেন তিনি।

      পারভীনের বাবা মো. সাহেব আলী জানান, সামন্য ব্যাটালিয়েন চাকরি করে সংসার ও সন্তানদের পড়ালেখার খরচ চালানো কষ্টসাধ্য। তবুও সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেষ্টা করছেন। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও আমার ছোট মেয়ে সরকারি মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে এটাই আমাদের বড় পাওয়া।

      স্কুল শিক্ষক আল মামুন ইবনে মিজান বলেন, পারভীন খুবই মেধাবী একজন শিক্ষার্থী। সে নিজের মেধা ও প্রজ্ঞায় মেডিকেলে পড়ার চান্স পেয়েছে। সে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীর মধ্যে শান্তশিষ্ট ও শিক্ষকদের অনুগত ছাত্রী ছিলেন।

      তিনি আরো বলেন, পারভীন এই দূর্গম অঞ্চল থেকে প্রথম মেয়ে যে সরকারি মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। আশা করি ওর এই দৃষ্টান্ত অনুকরণ করে সামনে আরও অনেকে ভালো অবস্থান করে নিবে। পারভীন রাবেতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করেছে। সে মেডিকেলে পরীক্ষা দিয়ে মেধার অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

      পারভীন আক্তার বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। এই ইচ্ছা শক্তিই আমাকে এ সফলতা এনে দিয়েছে। শিক্ষা জীবন জুড়েই বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিয়ে লেখাপড়া চালিয়েছি। নিজ প্রচেষ্টায় সব বাঁধা জয় করে এখন মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেয়েছি।

      কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে নিজ অঞ্চলে গরীব দুঃখি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মেডিকেলে তৃতীয় তাবিয়া: চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চান

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:৪৪
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মেডিকেলে তৃতীয় তাবিয়া: চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চান

        এবারের মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৮ নম্বর পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন তাযকিয়া তাবিয়া রিফাত। তিনি রাজধানীর ভিকারুননেসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। জিপিএ সহ তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ২৮৮।

        ভর্তি পরীক্ষায় পুরো দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করার পর অনুভুতি প্রকাশে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে এত ভালো ফলাফল করতে পেরেছি। আমার স্বপ্ন, আমি চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করবো। আমি সর্বদা গরীব অসহায়দের পাশে থাকতে চাই। একজন চিকিৎসকের এটাই স্বপ্ন হওয়া উচিৎ।

        এর আগে রোববার (১২ মার্চ) দুপুর দুইটায় সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবার পাস করেছেন ৪৯ হাজার ১৯৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থী ২৮ হাজার ৩৮১ জন এবং ছেলে শিক্ষার্থী ২০ হাজার ৮১৩ জন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আইপিডিসি প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা পেলেন দেশের কীর্তিমান ৯ জন শিক্ষক

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:২৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          আইপিডিসি প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা পেলেন দেশের কীর্তিমান ৯ জন শিক্ষক

          চতুর্থবারের মতো আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আইপিডিসি প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা ২০২২’।

          রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সেলেব্রিটি হলে এক মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের কীর্তিমান ৯ জন শিক্ষককে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

          গত বছরেরর ৫ অক্টোবর এক ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা ২০২২-এর মনোনয়ন গ্রহণ। সারাদেশ থেকে মোট ১,৭৭৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। প্রাথমিক পর্যায়ের ২০১ জন এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ১,৫৭৮ জন শিক্ষক মনোনয়ন পান, যাদের মধ্য থেকে ৯ জন শিক্ষককে জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তে ‘প্রিয় শিক্ষক’ সম্মাননা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই ৯ জন শিক্ষককে বৃহস্পতিবার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

          অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। এছাড়া ঢাকার কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি) গণ্যমান্য শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

          প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা প্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেনঃ

          গাইবান্ধার তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. জহুরুল হক চৌধুরী, কক্সবাজারের ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক নূরুল ইসলাম, লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. তউহিদুল ইসলাম সরকার, চট্টগ্রামের মোস্তফা বেগম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জন্নাত আরা বেগম, দিনাজপুরের ঈদগাহ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান, বগুড়ার বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. ফৌজিয়া হক বীথি, মৌলভীবাজারের দাসের বাজার উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস, রাজশাহীর ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন, মৌলভীবাজারের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক দ্বীপেন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচাৰ্য্য।

          আরো পড়ুন>> বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির শ্রদ্ধা

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত