ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মেডিকেলে তৃতীয় তাবিয়া: চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চান

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
মেডিকেলে তৃতীয় তাবিয়া: চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চান

এবারের মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৮ নম্বর পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন তাযকিয়া তাবিয়া রিফাত। তিনি রাজধানীর ভিকারুননেসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। জিপিএ সহ তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ২৮৮।

ভর্তি পরীক্ষায় পুরো দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করার পর অনুভুতি প্রকাশে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে এত ভালো ফলাফল করতে পেরেছি। আমার স্বপ্ন, আমি চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করবো। আমি সর্বদা গরীব অসহায়দের পাশে থাকতে চাই। একজন চিকিৎসকের এটাই স্বপ্ন হওয়া উচিৎ।

এর আগে রোববার (১২ মার্চ) দুপুর দুইটায় সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবার পাস করেছেন ৪৯ হাজার ১৯৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থী ২৮ হাজার ৩৮১ জন এবং ছেলে শিক্ষার্থী ২০ হাজার ৮১৩ জন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আইপিডিসি প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা পেলেন দেশের কীর্তিমান ৯ জন শিক্ষক

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:২৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    আইপিডিসি প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা পেলেন দেশের কীর্তিমান ৯ জন শিক্ষক

    চতুর্থবারের মতো আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আইপিডিসি প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা ২০২২’।

    রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সেলেব্রিটি হলে এক মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের কীর্তিমান ৯ জন শিক্ষককে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    গত বছরেরর ৫ অক্টোবর এক ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা ২০২২-এর মনোনয়ন গ্রহণ। সারাদেশ থেকে মোট ১,৭৭৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। প্রাথমিক পর্যায়ের ২০১ জন এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ১,৫৭৮ জন শিক্ষক মনোনয়ন পান, যাদের মধ্য থেকে ৯ জন শিক্ষককে জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তে ‘প্রিয় শিক্ষক’ সম্মাননা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই ৯ জন শিক্ষককে বৃহস্পতিবার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। এছাড়া ঢাকার কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি) গণ্যমান্য শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা প্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেনঃ

    গাইবান্ধার তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. জহুরুল হক চৌধুরী, কক্সবাজারের ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক নূরুল ইসলাম, লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. তউহিদুল ইসলাম সরকার, চট্টগ্রামের মোস্তফা বেগম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জন্নাত আরা বেগম, দিনাজপুরের ঈদগাহ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান, বগুড়ার বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. ফৌজিয়া হক বীথি, মৌলভীবাজারের দাসের বাজার উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস, রাজশাহীর ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন, মৌলভীবাজারের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক দ্বীপেন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচাৰ্য্য।

    আরো পড়ুন>> বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির শ্রদ্ধা

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      উচ্চ মাধ্যমিক পাসের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটিতে পড়ার সুযোগ পেল নাফিস

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৪:৪৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      উচ্চ মাধ্যমিক পাসের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটিতে পড়ার সুযোগ পেল নাফিস

      বিশ্বের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের (এইচএসসি) বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র নাফিস উল হক ওরফে সিফাত। এইচএসসি পাসের আগেই বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানে স্নাতকের সুযোগ পেয়ে অবাক নাফিস নিজেও।

      বাংলাদেশী পড়ুয়াদের মধ্যে নাফিস সবচেয়ে কম বয়সে এমআইটির আন্ডারগ্রাজুয়েটে (স্নাতক) পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

      জানা যায়, চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাটে নাফিসের বাড়ি। তার মা ও বাবা দুইজনেই শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত আছেন। চাঁদপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ বিজ্ঞান শাখার মেধাবী শিক্ষার্থী মো. নাফিস উল হক সিফাত যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কেমব্রিজ শহরে অবস্থিত বিশ্ব খ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) স্নাতক (সম্মান) কোর্সে পড়ার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

      তথ্য মতে, এমআইটি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রকৌশল ও মৌলিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলো সব সময় আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথমে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন বিশ্বের নামকরা সব পণ্ডিত ও গবেষকরা। ১৮৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) সুনাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণায় এর পরিচিতি বিশ্বব্যাপী। নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে ৭৬ জন এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন।

      এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নাফিস। বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বেলা ২টায় নাফিস কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছলে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ নাফিসকে বুকে টেনে নেন। তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছাও জানান।

      এমআইটিতে নাফিসের ইচ্ছা কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার। নাফিস এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্স (আইওআই) এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন।

      উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাশের আগেই কীভাবে এই অসাধ্য সাধন সম্ভব হলো?— এমন প্রশ্নের জবাবে হেসে নাফিস বলেন, ‘কোন কিছুই আসলে অসম্ভব নয়। চেষ্টা থাকতে হবে, আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। ওরা আসলে দেখতে চায় পড়ালেখায় একজন ছাত্র কতটা ভালো, মানুষ হিসেবে কেমন, কোন বিষয়ে আগ্রহ আছে এবং সে কীভাবে সমস্যার সমাধান করছে। আমি আসলে অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্স এ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করায়, তারা আমাকে সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে। আমি সবার দোয়া চাই। বাংলাদেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ থাকবে, ভালোভাবে পড়াশোনা করতে হবে এবং এর পাশাপাশি এক্সটা কারিকুলাম একিটিভিটিসগুলোতে নিজেদেরকে যুক্ত রাখতে হবে।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এমআইটিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের ছাত্র নাফিস

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৬ মার্চ, ২০২৩ ১৫:৩৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        এমআইটিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের ছাত্র নাফিস

        চাঁদপুরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটা ছেলে, নাফিস উল হক, পৃথিবীর সেরা ইউনিভার্সিটি এমআইটিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

        কলেজের একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও নাফিসের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গ্রুপে নাফিসের এমআইটিতে চান্স পাওয়ার খবরটি প্রকাশ করছে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

        ওই ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের একটা ছেলে এবারের মেডিকেল এডমিশনে ফার্স্ট হইসে। টিভি বা প্রেস মিডিয়ার বদৌলোতে এই খবরটা সবাই জানেন।

        ঠিক একই সময়ে, চাঁদপুরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটা ছেলে, নাফিস উল হক, পৃথিবীর সেরা ইউনিভার্সিটি এমআইটিতে এডমিশন পাইসে। এখনও পর্যন্ত আমি কোন টিভি বা প্রেস মিডিয়াতে তারে নিয়া ইন্টারভিউ বা ফিচার হতে দেখি নাই।

        না, আবারও বলি, ডোন্ট গেট মি রং। মেডিকেল এডমিশন খুবই কঠিন একটা এডমিশন এবং এখানে ফার্স্ট হলে তারে নিয়ে মাতামাতি হওয়াই উচিত। ইন্টারভিউ হওয়া উচিত এবং তার কথা সবার জানাও উচিত।

        একই সাথে, যে ছেলেটা চাঁদপুরের একটা সরকারি কলেজ থেকে আমেরিকা এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা ইউনিতে এডমিশন পাইসে, তার ইন্টারভিউও কি দরকার নাই? তার কথাও কি এদেশের ছেলেমেয়েদের জানা উচিত না? যাতে ভবিষ্যতে ওর মতো আরো অনেক ছেলেমেয়ে এই সাহসটা করতে পারে?

        আমরা আমাদের ইয়াং জেনারেশনদের নিয়া সবচে কমন যে অভিযোগটা করি, সেটা হলো, এরা গতানুগতিক। এবং এদের সবাই শুধু ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হইতে চায়, বিসিএস ক্যাডার হতে চায়, চেনা ছকেই শুধু সামনে আগাইতে চায়।

        বাট এইটার দায় কি আমাদের মিডিয়ারও না? বা সমাজেরও না?

        মিডিয়া যদি প্রতিনিয়ত শুধু চেনা পথের হিরোদেরকেই সবার সামনে পরিচয় করাইয়া দেয়, অচেনা পথের হিরোদের আড়াল কইরা রাখে, তাহলে পোলাপাইন সেই অচেনা পথের খোঁজ পাবে কেমনে? আর সেই পথে চলার সাহসটাই বা কী করে?

        প্রতিবছর বিসিএস বা এডমিশনে ফার্স্ট হওয়াদের নিয়ে যতগুলো ইন্টারভিউ বা ফিচার করা হয়, ওগুলো দেখে লাখ লাখ ছেলেমেয়ে তাদের চলার পথ নির্ধারণ করে। রুটিন বানায়। পড়াশোনার কৌশল নির্ধারণ করে। কাজেই, চাঁদপুরের সরকারি কলেজ থেকে এমআইটি যাওয়ার পথটা নিয়েও যদি এখন ফিচার করা যায়, ব্যাপকভাবে প্রচার করা যায়, তাহলে নিশ্চিত করেই বলা যায়, পরের বছর রংপুর বা খুলনার কোন কলেজের স্টুডেন্টও ওখানে যাওয়ার সাহস করবে। এটলিস্ট স্বপ্নটা অন্তত দেখবে।

        নাফিস উল হক তার নিজের কাজটা করেছেন। পরিশ্রম দিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। তাকে অভিনন্দন। এখন তার এই স্বপ্নকে আরো হাজারো তরুণ-তরুণীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজটা এই দেশের মিডিয়াকে এবং মানুষকেই করতে হবে।

        পথিক সবসময়ই নতুন পথের সৃষ্টি করে। সাথে এইটাও মনে রাখতে হবে, এক সফল পথিক হাজারো নতুন পথিকের জন্ম দিতে পারে, যারা ঐ পথ ধরে আরো নতুন একশোটা পথ তৈরির ক্ষমতা রাখে।

        এ ব্যাপারে চাঁদপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অসিত বরণ দাশ রাইজিং ক্যাম্পাসকে বলেন, তিনি বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন। নিজেও গণমাধ্যমে নাফিসের চান্স পাওয়ার কথা শুনেছেন। বিকেলে বিষয়টি নিয়ে তিনি বিস্তারিত জানাবেন। নাফিস অনেক মেধাবী।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          মাত্র ১৩৫ দিনে কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের শিশু

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৬ মার্চ, ২০২৩ ১৪:৪৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          মাত্র ১৩৫ দিনে কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের শিশু

          আশরাফুল ইসলাম নামে আট বছরের এক শিশু মাত্র ১৩৫ দিনে সম্পূর্ণ কোরআন হেফজো করতে সক্ষম হয়েছে। তার এমন অসাধারণ সাফল্যে তার বাবা-মা, শিক্ষক ও এলাকাবাসি বেজায় খুশি। আশরাফুল এত অল্প বয়সে হাফেজ হওয়ায় এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আশরাফুলকে উৎসাহ দিতে সংবর্ধনা ও পুরস্কার দিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

          আশরাফুল ইসলাম সিরাজগঞ্জে জেলার এনায়েতপুর থানার গোপরেখী গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে। আশরাফুলের বাবা একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। মা একজন গৃহিণী।

          গত মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) বিকেলে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরের মিফতাহুল উলূম কওমি মাদরাসা চত্বরে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে গোপরেখী পশ্চিমপাড়া বাইতুন নূর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মিফতাহুল উলুম কওমি মাদরাসার উদ্যোগে হাফেজ আশরাফুল ইসলামকে সংবর্ধণা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি আলহাজ মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার।

          অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এত অল্প বয়সে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্থ করা একটা অবাক করার মতো বিষয়। আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকত ছাড়া এটা সম্ভব হয়নি। আমরা হাফেজ আশরাফুল ইসলামের জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন কবুল করে নেন, বিশ্বব্যাপী তার ব্যাপক সুনাম ছড়িয়ে পড়ুক।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত