ঢাকা, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এক পা নেই তবুও দেশসেরা কৃষক শফিউল বাশার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৮:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক
এক পা নেই তবুও দেশসেরা কৃষক শফিউল বাশার

খাগড়াছড়ির গোমতীর সফল কৃষক শফিউল বাশারের এক পা নেই। প্রবল ইচ্ছা, কঠোর পরিশ্রম আর বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে বর্গা জমিতে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের সবজি খেত। সব খরচ বাদ দি‌য়ে বছরে তার লাভ হয় ৬  থেকে ৭ লাখ টাকা।

১৯৯৬ সালের কথা। এক প্রতিবেশীর ঘরের আগুন নেভাতে গিয়ে বিষাক্ত কিছু লেগে সংক্রমণ দেখা দেয় শফিউলের বাম পায়ে। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ২০০১ সালে তার বাম পা কেটে ফেলতে হয়। পা কেটে ফেলে দেওয়ার পর বেকার জীবন কাটাচ্ছিলেন শফিউল।

পা কেটে ফেলার পরে পঙ্গু জীবনে কোনো উপায় না পেয়ে নিজের বুদ্ধিতে বাড়ির পাশে অন্যর কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে সবজি চাষ শুরু করেন ২০০৩ সালে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ২০ বছর একই জমিতে চাষ করে নিজের কিছু জমিও করেছেন তিনি।

বর্তমানে তার জমিতে কাজ করে সংসার চালান অন্তত ১০ জন। এই জমি চাষ করে সব খরচ শেষে বছরে আয় করেন ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা।

গোমতির বান্দরছড়া গ্রামে অন্যের কাছ থেকে বন্ধক নেওয়া ৯ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের সবজির খেত। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর দৃঢ় মনোবল নিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অর্জন করেছেন সফল সবজি চাষির জাতীয় স্বীকৃতি। নিজের জমি না থাকলেও যে সাফল্য অর্জন করা যায়, তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শফিউল।

স্ত্রীসহ দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার শফিউল বাশারের। সবজি চাষ করে পরিবারের ব্যয় মিটিয়ে তার দুই ছেলেকে বিএ পাস করিয়েছেন। ছেলেরা শিক্ষিত হয়েও সানন্দে প্রতিবন্ধী বাবার কাজে সহযোগিতা করেন। শ্রমিকের সঙ্গে কাজ করেন দুই ছেলে। ৭-৮ বছর আগে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন।

শফিউল বাশারের বড় ছেলে আবুল বাশার বলেন, ‘আমরা ছোট থেকে দেখছি বাবা ক্রাচে ভর করে জমিতে সবজি চাষ করেন। যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করতাম। পাশাপাশি স্কুলে পড়তাম। এখন লেখাপড়া শেষে চাকরির পেছনে না ছুটে বাবার স্বপ্ন পূরণে তার সঙ্গে কৃষিকাজে যুক্ত হয়েছি। বাবার অদম্য মনোবল আমাদের অনুপ্রাণিত করে।’

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, একজন প্রতিবন্ধী হয়েও সবজি চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন শফিউল বাশার, যা এলাকার মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। অনেক মানুষ তাকে দেখে সবজি চাষে আগ্রহী হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৩০ ইঞ্চির জীবন জয়ী পাখির সংগ্রাম

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৬:৩৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩০ ইঞ্চির জীবন জয়ী পাখির সংগ্রাম

    নাইমা সুলতান পাখি, বয়স ২৪ বছর, উচ্চতা ৩০ ইঞ্চি, ওজন মাত্র ২০ কেজি। সমাজের সকল প্রতিকুলতাকে পেছনে ফেলে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে যাচ্ছে নিজের প্রবল ইচ্ছে শক্তির বলে।

    ফরিদপুরের সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের উলুকান্দায় বাড়ি পাখির। নাদের মাতব্বার ও আইমা সুলতানার তিন কন্য সন্তানের মধ্যে সবার বড় নাইমা সুলতানা পাখির জন্ম ১৯৯৯ সালে। সমাজের আর দশ জনের সাথে মেলানো যাবে না তাকে।

    ব্রেন স্টোক করে শয্যাশায়ি বাক প্রতিবন্ধি পিতা নাদেরের সংসারের আলো বড় মেয়ে পাখি। তাদের কোন ভাই না থাকায় সংসারের হাল ধরতে চান ৩০ ইঞ্চি উচ্চতার পাখি। কিন্তু আকারে খর্বকায় হওয়ায় অনেক কাজ করা তার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তার পরও হাল ছাড়তে নারাজ পাখি।

    কারোর ওপর নির্ভরশিল হতে চান না পাখি, ধরতে চান পরিবারের হাল। জন্মের দুই বছর পর জানা যায় পাখি শারীরিক প্রতিবন্ধী। অনেক ডাক্তার দেখিয়েও কোন লাভ হয়নি। স্বাভাবিক জীবনের আশা ছেড়ে দিয়ে ছয় বছর বয়সে তাকে স্কুলে ভর্তি করেন তার মা। পাখি ২০১০ সালে প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়ে ২০১৭ সালে মানবিক বিভাগ থেকে ৩.২৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হন এবং ২০১৯ এইচএসসি তে ৪.৩৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

    এরপর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ ভর্তি হয়ে বর্তমানে সেখানে অধ্যয়রত আছে নাইমা সুলতানা পাখি। থাকছেন কলেজের হোস্টেলে। তার রুমমেটরা জানার দারুন স্বদালোপি পাখি। সম্ভব হলে কাজেও সহযোগীতা করে। গান, কবিতা ও নাচে পারদর্শী পাখি সকলকে মাতিয়ে রাখেন কলেজে।

    মেধাবী পাখিকে কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজ, হোস্টেলের সকল ফি ফ্রি করে দিয়েছন। উপজেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক তাকে দিয়েছেন একটি ল্যাপটপ।

    তার এই সংগ্রামী জীবন ও পড়ালেখা নিয়ে সমাজের মানুষ কটু কথা বলতেও ছাড়েনি। সব বাধা পেরিয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে পাখি। তার ইচ্ছে পড়ালেখা শেষ করে করবেন সরকারি চাকরি। সমাজের বোঝা হতে চায় না সে। নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়ে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান পাখি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাকৃবির সমাবর্তনে দুই পদক পেলেন শান্তা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৪৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বাকৃবির সমাবর্তনে দুই পদক পেলেন শান্তা

      ২০১৬-১৭ সেশনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কীটতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হন বদরুন্নেছা শান্তা। পড়ালেখায় মনোযোগি এই ছাত্রী কৃষি অনুষদে তার ব্যাচে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেয়ে স্নাতক পাশ করে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হন। একই সঙ্গে স্নাতক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ায় পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা। রোববার (১২ জানুয়ারি) সমাবর্তনে তার হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেওয়া হয়।

      স্বর্ণপদক ও বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্তির পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শান্তা। তিনি বলেন, স্নাতক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকের জন্য নির্বাচিত হয়েছি। কৃষি অনুষদে আমার ব্যাচে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের সুবাদেও পাচ্ছি পুরস্কার। স্নাতক শেষ করেই সঙ্গে সঙ্গে সমাবর্তন পাচ্ছি বলে আমার আনন্দটা আরও বেশি।

      তিনি আরো বলেন, আমাদের ক্যাম্পাস খুব সুন্দর হলেও শুরুতে পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমার খুব কষ্ট হয়েছে। নানা প্রতিকূল পরিবেশে পড়ালেখা চালিয়ে গেছি। প্রচণ্ড শীতেও অনেক সময় বাইরে বসে পড়তে হয়েছে। তবু ভালো ফল ধরে রাখতে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলাম। ক্লাসে অনুপস্থিত ছিলাম না এক দিনও। পরীক্ষার আগের নির্ঘুম রাতগুলোর কথাও মনে পড়ছে।

      শান্তা বলেন, আজকের এ অবস্থানের পেছনে আমার মা-বাবার অবদান অপরিসীম। শিক্ষকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা। তাঁরা সাহায্য না করলে আমি প্রতিকূলতা পেরোতে পারতাম না।

      বদরুন্নেছা শান্তা এখন কীটতত্ত্ব বিভাগে স্নাতকোত্তর করছেন। ভবিষ্যতে গবেষণা ক্ষেত্রে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে দেশের কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি।

      বাকৃবির এবারের সমাববর্তনে স্নাতক পর্যায়ে ১৮ জন ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ২০৪ জন পেয়েছেন স্বর্ণপদক। স্নাতক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ায় আরও ৪৯ জন পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এবার একুশে পদক পাচ্ছেন যারা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:৩২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        এবার একুশে পদক পাচ্ছেন যারা

        সাঈদ মঈন: রোববার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনসহ দুই প্রতিষ্ঠান এবং ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি পেতে যাচ্ছেন এবারের একুশে পদক। তাদের মধ্যে সাতজনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

        এবার ভাষা আন্দোলনে খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক এবং হাজী মো. মজিবর রহমানকে একুশে পদক দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে শামসুল হক মরণোত্তর এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

        অভিনয়ে মাসুদ আলী খান ও শিমূল ইউসুফ, সংগীতে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আব্দুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর), আবৃত্তিতে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, চিত্রকলায় কনক চাঁপা চাকমা, শিল্পকলায় নওয়াজীশ আলী খান পাচ্ছেন একুশে পদক।

        মুক্তিযুদ্ধে মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো. আবদুল মজিদ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর) ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরকে একুশে পদক দেওয়া হবে।

        এ ছাড়া সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও মো. সাইদুল হক, রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর) ও আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামানকে একুশে পদককের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে সরকার।

        স্বাধীনতা পুরস্কারের পর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পদক দিয়ে আসছে সরকার।

        আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের একুশে পদক দেবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন চার লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বাকৃবির সমাবর্তনে একসঙ্গে স্বর্ণপদক পেলেন দুই ভাই

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:২২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বাকৃবির সমাবর্তনে একসঙ্গে স্বর্ণপদক পেলেন দুই ভাই

          বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অষ্টম সমাবর্তন স্মরণিয় হয়ে থাকবে আপন দুই ভাই আরিফ সাকিল ও আরিফ সাদিকের স্মৃতিতে। করণ আপন দুই ভাই সমাবর্তনে স্বর্ণপদক পেয়েছেন একসাথে। রোববার (১২ জানুয়ারি) তাদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন সমাবর্তনের অতিথিরা।

          সাকিল ও সাদিক ২০১১–২০১২ সেশনে ভর্তি হন বাকৃবির কৃষি অনুষদে। তারা থেকেছেন একই হলে একই রুমে। ছাত্রজীবন শেষ করে দুই ভাই শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিয়েছেন দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে।

          তাদের মধ্যে আরিফ সাকিল বাকৃবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ইতোমধ্যে জাপানের সাইতামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডিও করেছেন।

          আরেক ভাই আরিফ সাদিক এখন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ বোটানি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। মাইক্রোগ্রিনস ও উদ্ভিদের লবণাক্ততা সহনশীলতার ওপর গবেষণা করছেন তিনি। বৃত্তি নিয়ে জাপানের সুকুবা ইউনিভার্সিটিতে মাইক্রোগ্রিনস নিয়ে গবেষণা করে এসেছেন। এখন পিএইচডির জন্য লেখালেখি করছেন।

          স্বর্ণপদক পাওয়ার বিষয়ে আরিফ সাকিল বলেন, আমি আর আমার ভাই আরিফ সাদিক একসঙ্গে বাকৃবিতে পড়েছি। আপন ভাইকে রুমমেট, ব্যাচমেট হিসেবে পাওয়া এমনিতেই দারুণ একটা ব্যাপার। একসঙ্গে দুজন এবার স্বর্ণপদকও পেয়েছি। ক্যাম্পাসজীবনটা দারুণ কেটেছে। ব্রহ্মপুত্রে সাঁতার, লেকের জলে মাছ ধরা, আমবাগানে রাতে ভূত এফএম শোনা, বিজয় একাত্তর ও শাপলা চত্বরের পাদদেশে গানের আসর, কেআর মার্কেট ও ফসিলের মোড়ের চায়ের আড্ডায় কখন যে পার করেছি জীবনের ছয়টি বসন্ত, বুঝতেই পারিনি।

          এবারের সমাববর্তনে ৬ হাজার ৫২২ জন গ্রাজুয়েটের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৮ জন ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ২০৪ জন পেয়েছেন স্বর্ণপদক। স্নাতক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ায় আরও ৪৯ জন পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত