ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ২ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাউলকন্যা মিতা এখন ম্যাজিস্ট্রেট!

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাউলকন্যা মিতা এখন ম্যাজিস্ট্রেট!

নূন আনতে পান্তা ফুরায়, টানাটানির সংসার। পরিবারের খরচ জোটাতেই যেখানে হিমশিম খাচ্ছেন বাবা-মা। সেখানে মেয়েদের পড়াশোনার খরচ বহন করা পরিবারের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য। তবে, অভাব ও শত কষ্টের মধ্যে থেকেও দমে যাননি আসমা আক্তার মিতা। বাউল শিল্পী মোতার হোসেনের কন্যা মিতা এখন ম্যাজিষ্ট্রেট। আসমা আক্তার মিতা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মেয়ে।

৪০ তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন মিতা। অভাবী বাউল শিল্পী বাবা মোতাহার হোসেন লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করতে না পারলেও থেমে যাননি মিতা প্রচেষ্টা। টিউশুনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ যুগিয়েছেন। অবশেষে ধরা দিয়েছে সফলতা। সেই গরীব পরিবারে বইছে আনন্দের বণ্যা।  অভিন্দন জানাতে আসছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

আসমা আক্তার মিতা বাউলশিল্পী মোতাহার হোসেন মন্ডলের মেয়ে। তিন মেয়ে ও এক ছেলে তার। বড় ছেলে ফয়সাল হোসেন রিকো একজন মটরশ্রমিক (বাসের স্টাটার)। বড় মেয়ে রেশমা আক্তার লতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে মাস্টার্স শেষ করেছেন। মেঝো মেয়ে আসমা আক্তার মিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে এখন সুপারিশপ্রাপ্ত। ছোট মেয়ে শামীমা আক্তার নিপা দশম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছেন।

আসমা আক্তার মিতা ২০১০ সালে কেকেইপি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কলারোয়া কাজীর হাট কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হয়ে ২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃবিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৩.৫৯ পেয়ে অনার্স ও একই বিষয়ে জিপিএ ৩.৬০ পেয়ে মাস্টার্স উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে ৪০ তম বিসিএস প্রশাসন বিভাগে মেধাক্রমে ৬০ পেয়ে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন।

মিতার বাবা বাউল শিল্পী মোতাহার হোসেন বলেন, আমি আধ্যাত্মিক জগতের সাধনা করি গান লিখি, গবেষণা করি। দুনিয়ার অর্থ সম্পদের প্রতি কখনো আমার লোভ ছিল না এখনো নেই। আমার বাবাও ছিলেন আধ্যাত্মিক সাধক। অভাবের মধ্যেই মেয়ে পড়াশোনা করেছে। এখন ম্যাজিষ্ট্রেট হয়েছে এটা আল্লাহ্’র দান। আমি যেভাবে সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি ঠিক তেমনিভাবে যেন আমার মেয়ে মিতাও তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারে সেজন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

আসমা আক্তার মিতা জানান, আমি সব সময় চাইতাম বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটাবো। একটা সরকারি চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন ছিল। ভালো পোশাক ভালো খাওয়া দাওয়া এসব অতটা আশা করিনি কোনদিন। আমার কষ্টের টাকা দিয়ে (টিউশনি করে) বই কিনেছি। দিনে ১৫-১৬ ঘন্টা লেখাপড়া করেছি। আজ সাফল্যের চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গেছি। দায়িত্ব পালনকালে সব সময় আমি সঠিক কাজটি করবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ময়মনসিংহের রাস্তা কাপাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি ল্যাম্বরগিনি!

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:৪২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ময়মনসিংহের রাস্তা কাপাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি ল্যাম্বরগিনি!

    ইতালিয়ান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ল্যাম্বরগিনি’র তৈরি বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ও জনপ্রিয় স্পোর্টসকার। সেই ল্যাম্বরগিনি অ্যাভেন্টেডর’ই কীনা এবার তৈরি হলো বাংলাদেশে!

    সত্যিকারের ‘ল্যাম্বরগিনি’ না হলেও সেই আদলে গাড়ি নির্মাণ করে রীতিমতো হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছেন আব্দুল আজিজ নামে ময়মনসিংহের মোটর মেকানিক। হেডলাইট, টেইল লাইট, বডি ডিজাইন, সিটের গঠন ঠিক ল্যাম্বরগিনি অ্যাভেন্টেডর এলপি-৭০০ মডেলের গাড়ির মতোই। এমনকি আসল ‘ল্যাম্বরগিনি’র মতো গাড়ির দরজাগুলোও খুলে উঠে যায় উপরের দিকে।

    আব্দুল আজিজ নগরীর শম্ভুগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। পুরনো একটি টয়োটা স্টারলেট মডেলের গাড়িকে ল্যাম্বরগিনি স্পোর্টসকারের আদলে তৈরি করে নিয়েছেন তিনি। আজিজ মাসকান্দা এলাকার শাহাদাত মোটর ওয়ার্কশপে মেকানিক হিসেবে কাজ করেন। সেখানেই কাজের বিরতিতে ১৫ মাসের চেষ্টায় তৈরি করেন হলুদ রঙ্গের ১৫০০ সিসি গাড়িটি। যা চলতে পারে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে। ১১ লাখ টাকা ব্যাংক লোনসহ মোট ১৫ লাখ টাকা খরচ করে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন আজিজ।

    আব্দুল আজিজ বলেন, আমি মোটর ওয়ার্কশপে কাজ করি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে। ঢাকায় ২১ বছর কাজ করার পর গত ৪ বছর ধরে আমি ময়মনসিংহের ওই ওয়ার্কশপে কাজ করছি। হঠাৎ করেই আমার মাথায় চিন্তা এলো স্পোর্টস কার তৈরি করা যায় কীনা। সেই চিন্তা থেকে ২০২১ সালে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এর কাজ শুরু করি। ইউটিউবে দেখেছি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এ রকম গাড়ি তৈরি করেছে।

    তিনি বলেন, এটি বানাতে গিয়ে গাড়ির পার্টস পাওয়াই কষ্টসাধ্য ছিল। কারণ বাংলাদেশে এই ধরনের গাড়ি নেই। বডি বানাতে তো কষ্ট হয়েছেই, তার ওপর লাইটগুলো তৈরি করতে আমার প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। এ কাজে ইমন নামে এক সহকর্মী আমার সহযোগী ছিল। গাড়িটির বাহ্যিক দিকের কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলেও ভেতরে এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে।

    আজিজের এখন চাওয়া, সরকার যেন তার গাড়িটি চলাচলের অনুমতি দেয়। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ মাস শ্রম দিয়ে একটা গাড়ি তৈরি করে যদি এটাকে রাস্তায় না চালাতে পারি তাহলে আমার পরিশ্রমটার মূল্য কোথায়। সেইসঙ্গে সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমি কোনো ব্র্যান্ডের আদলে নয়, আমাদের নিজস্ব ডিজাইনের গাড়ি তৈরি করতে পারবো। আমি চাই এমন গাড়ি বাংলাদেশেও তৈরি হোক।

    আব্দুল আজিজের চাওয়া সরকার যেন এটার রোডপারমিটের ব্যবস্থা করে দেয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মির্জা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও বেগম বদরুননেসা স্মৃতি বৃত্তি পেলেন ঢাবি’র ৪ শিক্ষার্থী

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ২০:১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      মির্জা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও বেগম বদরুননেসা স্মৃতি বৃত্তি পেলেন ঢাবি’র ৪ শিক্ষার্থী

      পড়াশোনায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ-এর ৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘মির্জা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও বেগম বদরুননেসা স্মৃতি বৃত্তি’ প্রদান করা হয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্তরা হলেন দীপ্তি, ইসরাত জাহান ইমু, জান্নাতুল ফেরদৌস জেরিন ও মেহেদী হাসান।

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আজ ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ রবিবার মুজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তির চেক বিতরণ করেন।

      ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ-এর পরিচালক ড. দিলারা জাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গ্লোবাল উনিভার্সিটি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ও দাতা পরিবারের সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং ডা. মির্জা মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রয়াত মির্জা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং বেগম বদরুননেসার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তাঁরা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ। তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য উপাচার্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার হলেন ভ্যালি চাকমা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:৫৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার হলেন ভ্যালি চাকমা

        বাংলাদেশের চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার রাঙামাটির ভ্যালি চাকমা। তিনি উচ্চ আদালতে চাকমা সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় নারী আইনজীবী। ভ্যালি চাকমা বাবার অনুপ্রেরণায় আইন পড়তে উদ্ধুদ্ধ হন। ব্যারিস্টার হওয়ার বাসনা নিয়ে ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে আইনে । সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে জজকোর্ট ও হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

        তারপর ব্যারিস্টারি পড়তে পাড়ি জমান লন্ডনে। ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর লন্ডনের লিংকন্সইন থেকে অফিসিয়ালি ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে এসে উচ্চ আদালতে আইনপেশা শুরু করেছেন তিনি।

        আরো পড়ুন: গুগলে ডাক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী

        নিজ সম্প্রদায়ের অসহায় মানুষকে আইনগত সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করতে চান, আইন পেশায় অবদান রাখতে চান উদীয়মান এই নারী ব্যারিস্টার।

        নিজের সফলতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি সফলতার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার সেটা হলো মনোবল। আপনার ডেডিকেশন থাকতে হবে এবং আপনার উইল পাওয়ার থাকতে হবে। যদি মনে করেন আপনি এটা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি পারবেন।

        আরো পড়ুন: ৮৯ বছর বয়সে মাস্টার ডিগ্রি পরীক্ষা পাশ করলেন এক বৃদ্ধা

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গুগলে ডাক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:৩২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          গুগলে ডাক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী

          টেক জায়ান্ট গুগল-এ যোগ দিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ডাক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের মোট চারজন শিক্ষার্থী। জানা গেছে, ডাক পাওয়া চার শিক্ষার্থীর মধে শাহেদ শাহরিয়ার এবং তামিম আদ্দারী গুগলে যোগদানের জন্য ইতোমধ্যে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনের জন্য পাড়ি জমিয়েছেন।

          তামিম আদ্দারি কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ হতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন এবং শাহেদ শাহরিয়ার রংপুর জিলা স্কুল হতে মাধ্যমিক এবং রংপুর সরকারি কলেজ হতে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন।

          শাহেদ শাহরিয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। এছাড়াও,তিনি ২০১৭ সালের আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালিস্ট ছিলেন। উল্লেখ্য, তামিম আদ্দারী গুগলের নিউ ইয়র্ক অফিসে ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন এবং শাহেদ শাহরিয়ার পোল্যান্ড অফিসে ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন।

          এই দুইজন ছাড়াও নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা এবং শারমীন মাহজাবিন রাখী গুগলে ডাক পেয়েছেন। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এই দুইজন কবে যোগ দিবেন তা এখনো গুগল থেকে জানানো হয়নি। এদের মধ্যে শাহেদ শাহরিয়ার এবং তামিম আদ্দারি দুইজনই কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের ১৯ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। শারমীন মাহজাবিন রাখী এবং নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা একই বিভাগের ২০ এবং ২১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

          এদের মধ্যে শারমীন মাহজাবিন রাখী এই বছরের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ইন্টারভিউ দিয়ে আসেন। তিনি আমাদেরকে জানান, জুলাইয়ে গুগলের মিউনিখ অফিসে তার যোগদানের কথা থাকলেও করোনার কারণে কবে যোগ দিবেন তা নিশ্চিত নয়। তিনি মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকে যথাক্রমে এ কে হাই স্কুল এন্ড কলেজ এবং আইডিয়াল কলেজে পড়াশোনা করেছেন।

          অপরদিকে নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা জানিয়েছেন, তিনি গত বছরের জুলাইয়ে সিংগাপুরে ইন্টারভিউ দেন। এই বছরের জানুয়ারিতে গুগলের তাইওয়ানের তাইপেই অফিসে যোগ দেবার কথা থাকলেও করোনার কারণে কবে যোগ দিবেন সেই ব্যাপারে এখনো গুগল থেকে জানানো হয় নি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যোগ দেবার আশা করছেন তিনি। নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা হলিক্রস গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন।

          নাহিয়ান আশরাফ রাঈদা এবং শারমীন মাহজাবিন রাখীর সাথে আলাপ করে জানা যায় , বেশ কয়েকটি ধাপে গুগলের রিক্রটিং প্রসেস অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে ফোনকলের মাধ্যমে প্রার্থীর সাথে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়া আলোচনা করে গুগল।

          এরপর গুগলের কোন ইঞ্জিনিয়ার ভিডিও কলে ৪৫ মিনিটের একটি ইন্টারভিউ নেয়। এই ধাপ পেরোলে গুগলের কোন এক অফিসে গিয়ে অনসাইট ইন্টারভিউ দিতে হয়। অনসাইটে ৩-৫ টি ৪৫ মিনিটের ইন্টারভিউ হয়।

          সদ্য গ্রাজুয়েট হলে সবগুলোই প্রবলেম সল্ভিং ইন্টারভিউ নেয়া হয়। অন্যথায়, একটি সিস্টেম ডিজাইন ইন্টারভিউ নেয়া হয়। সবগুলো ধাপে সফল হলে গুগলের কোন টিমের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাপারে জেনে গুগলের সংশ্লিষ্ঠ টিম মনোনীত প্রার্থীর সাথে যোগাযোগ করে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত