শিরোনাম
প্রকাশ্যে নারী নির্যাতন: দৃশ্যমান পদক্ষেপ কোথায়?
সামিহা তাসনিম: চতুর্দিকে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়া নারীর প্রতি হয়রানিমূলক ঘটনাগুলো বর্তমানে রাষ্টের অতি উদ্বগজনিত বিষয়গুলোর একটি। গনপরিবহনে নারী উত্যক্তাকারীদের দ্বারা হেনস্তা, ক্রেতাদের দ্বারা দরদাম ও পন্যসামগ্রীক বিষয়কে কেন্দ্র করে হেনস্তা, রাস্তাঘাটে, কর্মক্ষেত্রে, সামাজিক মাধ্যমে পোশাকসহ নানা বিষয় নিয়ে বিদ্রুপ মন্তব্য এমনকি নিজ গৃহেও নারীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে; যার অন্যতম প্রধান কারন বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারী বিদ্বেষী মনোভাব। যেমন বহু আগে থেকেই বাসে নারীরা শারীরিকভাবে অস্বস্তিকর ও অনিরাপদ পরিবেশের স্বীকার হয়ে এসেছে ফলে নারীদের জন্য ৯টি সিট বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা করা হয় কিন্তু বর্তমানে সাধারন সিটকে পুরুষ সিট হিসেবে আখ্যায়িত করে সেখানে নারীরা বসতে পারলে নারী সিটে কেন পুরুষরা বসতে পারবেনা এমন প্রশ্নে কিছু পুরুষরা নারী সিটগুলো দখল করে রাখে।
নারী পুরুষ সাম্য অধিকার চাওয়ার মানে এই নয় যে নারী পুরুষে আর কোনো ভিন্নতা নেই, বরং এই চাওয়া সেইসব নিয়মের বিরুদ্ধে যেখানে উভয়ই সমান পরিশ্রমী ও যোগ্য় হলেও সম্মানি থেকে শুরু করে সমাজের পদমর্যাদায় পুরুষকে প্রাধান্য দিয়ে আসা আর দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র নারী হওয়ায় তাকে সক্ষম না মনে করা।
আমরা ভুলে যাই গনপরিবহনে প্রচুর শারীরিক হয়রানির শিকার হওয়ায় নারী নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষেই মুলত পৃথক নারী আসনের ব্যবস্থা, নারীদের আলাদা সুযোগ সুবিধা দিতে নয়। এই শারীরিক হয়রানি বা হেনস্তার শিকার নিশ্চয় কোনো পুরুষকে হতে হয়না। আবার প্রকৃতভাবেই অধিক বল ও জোর না থাকায় গনপরিবহনে নারীদের জন্য চলাচল করা তুলনামূলক বেশি কষ্টসাধ্য এজন্যও কিছু পৃথক আসন বরাদ্দ। শারীরিক গঠন ভিন্ন বলেই নারী পুরুষকেও সর্বক্ষেত্রে ভিন্ন পরিস্থিতির সস্মুখীন হতে হয় তাই এখানে তুলনা করা যেন এক নীচু মনমানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। আবার অনেক যাত্রী মনে করেন খালি সিট না থাকলে নারীদের যেনো বাসে না উঠানো হয়, যা ভাবনা দোষের কিছু নয়। স্বাভাবিকভাবে মেয়েরা নিজেরাও দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে অস্বস্তিকর বোধ করে তবে যখন নির্দিষ্ট সময়ে অফিস,পরীক্ষা-ক্লাসসহ নানা কারনে যাতায়াত করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে উঠে তখন ভিড় থাকা সত্ত্বেও দাঁড়িয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকেনা। এতে কিছু পুরুষ যাত্রীর তীব্র প্রতিক্রিয়াসহ বাসে মহিলা না উঠানো নিয়ে জোড় মন্তব্যগুলো নারীদের জন্য খুবই অপমানজনক ও অবমাননাকর যা সামগ্রিক ভাবনার উদ্দেশ্যকেই আড়াল করে দেয়।
জীবিকা নির্বাহসহ পুরো পরিবারের আর্থিকভাবে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্মজীবি নারীদের পক্ষে সবসময় পৃথক যানবাহন ব্যবহার করা সম্ভব নয় কেননা তা অধিক ব্যয়বহুল, ফলে দীর্ঘদিন পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু পরিবহনগুলোতে পুরুষদের দ্বারা বাজে আকার ইঙ্গিত ও বিদ্রূপ মন্তব্যে নারীরা যেভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হয়ে থাকে তা তাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। আবার দরদাম ও একাধিক পন্য দেখতে চাওয়া নিয়ে কথা কাটাকটি হওয়ায় নারী গ্রাহকের উপর ক্রেতাদের অত্যাধিক বাজে মন্তব্য করা সহ গায়ে হাত উঠানোর মত অপরাধ্মূলক কর্মকান্ড এড়িয়ে চলার মত নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে এক নারীর অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কারনে রেস্তরার এক কর্মচারী দ্বারা তাকে পিটানোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল, সেখানে মেয়েটি যদি রেস্তোরায় কোনো অসামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি করেও থাকে তবে তার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যেত তবে তার উপর হওয়া শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের বিশেষ করে তাদের জনপ্রিয় মুখদের প্রচুর বাজে মন্তব্যের শিকার হতে হয় যার মধ্যে ধর্ষণ ও মৃত্যু হুমকি পর্যন্ত রয়েছে এছাড়াও নারী নির্যাতন বিষয়ে যারা সহমত পোষণ করে অনলাইনে নারী বিদ্বেষী মনোভাব ছড়িয়ে দেয় তাদের প্রতিও সচ্চার ব্যবস্থা নিতে হবে কেননা তাদের মানসিকতাও সমাজে নারী অবমাননার জন্য অনেক আংশে দায়ী। সামাজিক মাধ্যমে নারীনিরাপত্তা নিয়ে জোর পদক্ষেপ না নিলে এরকম ঘৃণ্যমূলক কর্মকান্ড আরো বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীই তাদের জীবনসঙ্গী বা স্বামী কর্তৃক সহিংসতার শিকার হয়ে থাকে। দেশের ৭০ শতাংশ নারী জীবদ্দশায় অন্তত একবার হলেও স্বামীর দ্বারা শারীরিক, যৌন, মানসিক এবং অর্থনৈতিক সহিংসতার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের শিকার হন। গত ১২ মাসে ৪১ শতাংশ নারীর ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে ‘নারীদের ওপর সহিংসতা শীর্ষক জরিপ ২০২৪’-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। এতে আরও বলা হয়, সহিংসতার শিকার নারীদের মধ্যে মাত্র ৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী আইনের আশ্রয় নেন। বাকি ৯৩ দশদিক ৬ শতাংশ নারী এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেন না। এ ছাড়া সহিংসতার শিকার ৬৪ শতাংশ নারী তাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সহিংসতার কথা কখনও কাউকে বলেনও নি। জরিপে দেখা যায় যে নারীদের অন্য কারও তুলনায় স্বামীদের কাছ থেকে শারীরিক সহিংসতার শিকার হওয়ার আশঙ্কা তিনগুণ বেশি এবং যৌন সহিংসতার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ১৪ গুণ বেশি। এতে প্রতীয়মান যে নিজ বাসায়ও নারীর নির্যাতনের ঘটনা কতটা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তবে আজকাল বাংলাদেশ পুলিশের নারী নির্যাতন মূলক কিছু ঘটনার বিরুদ্ধে তৎপর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে যা সাময়িক স্বস্তির হলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যথেষ্ট নয়। নারী নির্যাতন আইনের কঠোর ও বাস্তবিক প্রয়োগ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই এরকম হয়রানিকে দমাতে পারবে। তবুও সবকিছুর উর্ধে প্রয়োজন মনস্তাত্ত্বিক সংস্কার ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। রাস্তাঘাটে কারোর পোশাক আপনার নিকট দৃষ্টিকটু মনে হলেই তাকে হেনস্তা করা বা তাকে নিয়ে বিদ্রূপ মন্তব্য করা যাবে এমন ভাবনা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আবার কোনো বিষয় কেন্দ্রিক দ্বিমতের ফলে শুধুমাত্র নারী হওয়ায় তার প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়াসহ ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমন করার ও অবমাননা করার সাহস দেখানো যেন আরেক কাপুরুষতার পরিচয়। এরকম পরিস্থিতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি সকলের সোচ্চার প্রতিবাদই যেনো ব্যপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া নারীর প্রতি সহিংসতাকে নিয়ন্ত্রনে আনতে পারবে।
লেখক: শিক্ষার্থী, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
ঈদ আনন্দ: শৈশবের উচ্ছ্বাস বনাম তারুণ্যের উপলব্ধি
সামিহা তাসনিম: ঈদ ভাবনার কথা বললেই শৈশবের ঈদ আনন্দের স্মৃতিগুলোর মত স্নিগ্ধ ও সুন্দর বোধহয় আর কিছুই হয় না। উদযাপন যেন আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যেত, চাঁদ দেখা থেকে শুরু করে, ঈদকার্ড বিনিময় মেয়েদের মেহেদী রাঙ্গানোর উৎসব, মায়েদের ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাবারের আয়োজনের প্রস্তুতিসহ নতুন জামা নিয়ে আগ্রহ ও হাসি-উল্লাসের আড্ডায় অনেকটা ঘুমহীন রাতই কাটত সকলের। বাবার হাত ধরে ঈদের নামাজে যাওয়া ও সবার কুশল বিনিময় করে কোলাকুলি করার এক প্রীতিকর অনুভূতি দিয়েই শুরু হত এই আনন্দময় দিনের। বড়দের শ্রদ্ধায় ও ছোটদের স্নেহময়ে সালামি দেয়া নেয়া যেন পরিবারের সবচেয়ে সুন্দরতম মুহূর্তগুলোর মধ্যে একটি।
সেই ঈদ আনন্দের অনুভূতি হয়ত আমরা অনেকেই হারিয়ে ফেলেছি জীবনের নানা ব্যস্ততার ফাঁদে। তবে এই অনুভূতিকে ফিরে পাওয়া সম্ভব। শৈশবে বাবা মা যেভাবে বিশেষ উপহার দিয়ে ঈদকে বিশেষ করে তুলতেন সেভাবেই তাদের উপহার দিয়ে কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করার মাধ্যমে বা ছোটদের সালামি, উপহার দিয়ে তাদের দিনকে বিশেষ করানো কিংবা ঈদের দিন সকলের জন্য বিশেষ কিছু খাবার তৈরি করে দেয়াসহ সবাইকে নিয়ে ঘুড়তে যাওয়া ও সময় কাটানো সেই অনুভূতিকে ফিরিয়ে দিতে পারে।
বড় হওয়ার সাথে সাথে ঈদ আনন্দ অনুভূতির কিছুটা পরিবর্তন আসে বটে তুবে হারিয়ে যায়না। সকলের ঈদে সুন্দর স্মৃতি উপহার দেয়ার প্রয়াসই যেন আমাদের শৈশবের ঈদের আনন্দকে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়।
বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুভূতি, পুরো পরিবারের সাথে থাকতে পারার স্বস্তি এক ধরনের উৎসবমুখোরতা দিলেও পরিবারের সদস্যদের সঠিক মূল্যায়ন ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা-মমতা যেন ঈদের আনন্দকে দ্বিগুন করে দেয়।
সর্বোপরি আমাদের এই দিনের বিশেষ আমেজে যেন বাদ না পরে যায় অসহায় ও খেটেখাওয়া মানুষরা। পথশিশু, এতিম কিংবা পরিবারহারা মানুষদের সাথে খুশী ভাগ করে নেয়ার পাশাপাশি বাসার দারোয়ান থেকে শুরু করে কাজে সাহায্য করা প্রতিটা মানুষকে সাথে নিয়ে উদযাপনই প্রকৃতপক্ষে ঈদ আনন্দের পরিপূর্ণতা মিলাবে।
লেখক: শিক্ষার্থী, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ব্রিটেনে শিশুদের খেলার মাঠ থেকে ২য় বিশ্বযুদ্ধের ১৭৫টি বো-মা উদ্ধার
ডেস্ক রিপোর্ট: নর্থ ব্রিটেনে শিশুদের একটি খেলার মাঠে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পুঁতে রাখা ১৭৫টিরও বেশি অনুশীলন বোমা পাওয়া গেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ইউএস সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে খেলার মাঠে আরও কিছু বোমা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্কটল্যান্ড সীমান্তের কাছে ইংল্যান্ডের নর্থম্বারল্যান্ডের একটি ছোট শহর উলারে স্কটস পার্ক খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য একটি নির্মাণ প্রকল্প চলাকালীন বোমাগুলি আবিষ্কৃত হয়। যদিও এগুলি অনুশীলন বোমা, যা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবুও এগুলো এখনই চার্জ বহন করে। সেজন্যে বোমাগুলো ক্ষতিকারক হতে পারে। বোমাগুলো উদ্ধারের পর দেখা যায় ফিউজ এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, শ্রমিকরা মাঠে খনন করার সময় একটি সন্দেহজনক বস্তু খুঁজে পান। প্রথম বোমাটি পাওয়া যাওয়ার একদিন পর, নির্মাণ শ্রমিকরা দ্বিতীয়টি খুঁজে পান। এরপর ২৩ জানুয়ারি ওই কোম্পানি মোট ৬৫টি অনুশীলন বোমা খুঁজে পায়। প্রতিটির ওজন ১০ পাউন্ড।
গা-জা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার : জাতিসংঘ
ডেস্ক রিপোর্ট: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার। জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্স-২৪’ এ তথ্য জানায়।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গাজা পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠন শুরু করার জন্য একটি ‘রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো’ তৈরি করতে হবে। ইসরায়েলি দখলদারিত্ব দ্রুত শেষ করা এবং একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান প্রতিষ্ঠার জন্য একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করা যেতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি।
৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এরপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-এর আক্রমণের ফলে স্কুল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য অবকাঠামোসহ গাজার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
“প্রতিবেদনে গাজা উপত্যকা জুড়ে স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুমান করা হয়েছে ৫৩.১৪২ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে, প্রথম তিন বছরে প্রায় ২০.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে অনুমান করা হয়েছে।
ভারতে ফুটপাতে গাইলেন এড শিরান, না চিনে থামিয়ে দিল পুলিশ
ডেস্ক রিপোর্ট: ভক্তদের সারপ্রাইজ দিতে গান শোনাতে ভারতের রাস্তায় নামেন বিশ্বখ্যাত পপস্টার এড শিরান। গায়কের গান শুনে শ্রোতামহল মুগ্ধ হলেও স্থানীয় পুলিশদের মুগ্ধ করতে ব্যর্থ হন সংগীতশিল্পী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতে অবস্থান করছেন শিরান। সেখানকার ভক্তদের সারপ্রাইজ দিতে চার্চ স্ট্রিটে শুরু করেন জ্যামিং সেশন।
গানের তালে যখন সবাই বিভোর ঠিক সে মুহূর্তে স্থানীয় এক পুলিশ এসে ঘটান এক অদ্ভুত কাণ্ড। রাস্তায় মাইক নিয়ে গান গেয়ে ভক্তদের জড়ো করে জ্যাম তৈরি করায় শিরানের পারফরম্যান্স বন্ধ করে দেন ওই পুলিশ।
নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সে মুহূর্ত। যে ভিডিওতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, পুলিশের এমন কাণ্ডে বিব্রত এবং কিছুটা বিরক্ত শিরান।
এদিকে পুলিশের এমন কাণ্ডে অন্তর্জালে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিরানের ভক্তরা। সোশ্যাল মিডিয়াও নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এমন ঘটনায়।
গত বছর ভারতে কনসার্ট করে ভক্তদের মাতান এড শিরান। গতবারের মতো এবারও ভারতীয় ভক্তদের মাতাতে ভারতে অবস্থান করছেন। ৫ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ের কনসার্ট শেষ করে ৮ ফেব্রুয়ারি বেঙ্গালুরুতে জমান গানের আসর।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শিলং এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে কনসার্ট করে ভারত সফর শেষ করবেন ‘পারফেক্ট’ খ্যাত এ ব্রিটিশ গায়ক।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য