শিরোনাম
ঈদ আনন্দ: শৈশবের উচ্ছ্বাস বনাম তারুণ্যের উপলব্ধি
সামিহা তাসনিম: ঈদ ভাবনার কথা বললেই শৈশবের ঈদ আনন্দের স্মৃতিগুলোর মত স্নিগ্ধ ও সুন্দর বোধহয় আর কিছুই হয় না। উদযাপন যেন আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যেত, চাঁদ দেখা থেকে শুরু করে, ঈদকার্ড বিনিময় মেয়েদের মেহেদী রাঙ্গানোর উৎসব, মায়েদের ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাবারের আয়োজনের প্রস্তুতিসহ নতুন জামা নিয়ে আগ্রহ ও হাসি-উল্লাসের আড্ডায় অনেকটা ঘুমহীন রাতই কাটত সকলের। বাবার হাত ধরে ঈদের নামাজে যাওয়া ও সবার কুশল বিনিময় করে কোলাকুলি করার এক প্রীতিকর অনুভূতি দিয়েই শুরু হত এই আনন্দময় দিনের। বড়দের শ্রদ্ধায় ও ছোটদের স্নেহময়ে সালামি দেয়া নেয়া যেন পরিবারের সবচেয়ে সুন্দরতম মুহূর্তগুলোর মধ্যে একটি।
সেই ঈদ আনন্দের অনুভূতি হয়ত আমরা অনেকেই হারিয়ে ফেলেছি জীবনের নানা ব্যস্ততার ফাঁদে। তবে এই অনুভূতিকে ফিরে পাওয়া সম্ভব। শৈশবে বাবা মা যেভাবে বিশেষ উপহার দিয়ে ঈদকে বিশেষ করে তুলতেন সেভাবেই তাদের উপহার দিয়ে কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করার মাধ্যমে বা ছোটদের সালামি, উপহার দিয়ে তাদের দিনকে বিশেষ করানো কিংবা ঈদের দিন সকলের জন্য বিশেষ কিছু খাবার তৈরি করে দেয়াসহ সবাইকে নিয়ে ঘুড়তে যাওয়া ও সময় কাটানো সেই অনুভূতিকে ফিরিয়ে দিতে পারে।
বড় হওয়ার সাথে সাথে ঈদ আনন্দ অনুভূতির কিছুটা পরিবর্তন আসে বটে তুবে হারিয়ে যায়না। সকলের ঈদে সুন্দর স্মৃতি উপহার দেয়ার প্রয়াসই যেন আমাদের শৈশবের ঈদের আনন্দকে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়।
বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুভূতি, পুরো পরিবারের সাথে থাকতে পারার স্বস্তি এক ধরনের উৎসবমুখোরতা দিলেও পরিবারের সদস্যদের সঠিক মূল্যায়ন ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা-মমতা যেন ঈদের আনন্দকে দ্বিগুন করে দেয়।
সর্বোপরি আমাদের এই দিনের বিশেষ আমেজে যেন বাদ না পরে যায় অসহায় ও খেটেখাওয়া মানুষরা। পথশিশু, এতিম কিংবা পরিবারহারা মানুষদের সাথে খুশী ভাগ করে নেয়ার পাশাপাশি বাসার দারোয়ান থেকে শুরু করে কাজে সাহায্য করা প্রতিটা মানুষকে সাথে নিয়ে উদযাপনই প্রকৃতপক্ষে ঈদ আনন্দের পরিপূর্ণতা মিলাবে।
লেখক: শিক্ষার্থী, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ব্রিটেনে শিশুদের খেলার মাঠ থেকে ২য় বিশ্বযুদ্ধের ১৭৫টি বো-মা উদ্ধার
ডেস্ক রিপোর্ট: নর্থ ব্রিটেনে শিশুদের একটি খেলার মাঠে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পুঁতে রাখা ১৭৫টিরও বেশি অনুশীলন বোমা পাওয়া গেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ইউএস সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে খেলার মাঠে আরও কিছু বোমা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্কটল্যান্ড সীমান্তের কাছে ইংল্যান্ডের নর্থম্বারল্যান্ডের একটি ছোট শহর উলারে স্কটস পার্ক খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য একটি নির্মাণ প্রকল্প চলাকালীন বোমাগুলি আবিষ্কৃত হয়। যদিও এগুলি অনুশীলন বোমা, যা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবুও এগুলো এখনই চার্জ বহন করে। সেজন্যে বোমাগুলো ক্ষতিকারক হতে পারে। বোমাগুলো উদ্ধারের পর দেখা যায় ফিউজ এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, শ্রমিকরা মাঠে খনন করার সময় একটি সন্দেহজনক বস্তু খুঁজে পান। প্রথম বোমাটি পাওয়া যাওয়ার একদিন পর, নির্মাণ শ্রমিকরা দ্বিতীয়টি খুঁজে পান। এরপর ২৩ জানুয়ারি ওই কোম্পানি মোট ৬৫টি অনুশীলন বোমা খুঁজে পায়। প্রতিটির ওজন ১০ পাউন্ড।
গা-জা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার : জাতিসংঘ
ডেস্ক রিপোর্ট: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে লাগবে ৫৩ বিলিয়ন ডলার। জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্স-২৪’ এ তথ্য জানায়।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গাজা পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠন শুরু করার জন্য একটি ‘রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো’ তৈরি করতে হবে। ইসরায়েলি দখলদারিত্ব দ্রুত শেষ করা এবং একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান প্রতিষ্ঠার জন্য একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করা যেতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি।
৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এরপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-এর আক্রমণের ফলে স্কুল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য অবকাঠামোসহ গাজার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
“প্রতিবেদনে গাজা উপত্যকা জুড়ে স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুমান করা হয়েছে ৫৩.১৪২ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে, প্রথম তিন বছরে প্রায় ২০.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে অনুমান করা হয়েছে।
ভারতে ফুটপাতে গাইলেন এড শিরান, না চিনে থামিয়ে দিল পুলিশ
ডেস্ক রিপোর্ট: ভক্তদের সারপ্রাইজ দিতে গান শোনাতে ভারতের রাস্তায় নামেন বিশ্বখ্যাত পপস্টার এড শিরান। গায়কের গান শুনে শ্রোতামহল মুগ্ধ হলেও স্থানীয় পুলিশদের মুগ্ধ করতে ব্যর্থ হন সংগীতশিল্পী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতে অবস্থান করছেন শিরান। সেখানকার ভক্তদের সারপ্রাইজ দিতে চার্চ স্ট্রিটে শুরু করেন জ্যামিং সেশন।
গানের তালে যখন সবাই বিভোর ঠিক সে মুহূর্তে স্থানীয় এক পুলিশ এসে ঘটান এক অদ্ভুত কাণ্ড। রাস্তায় মাইক নিয়ে গান গেয়ে ভক্তদের জড়ো করে জ্যাম তৈরি করায় শিরানের পারফরম্যান্স বন্ধ করে দেন ওই পুলিশ।
নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সে মুহূর্ত। যে ভিডিওতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, পুলিশের এমন কাণ্ডে বিব্রত এবং কিছুটা বিরক্ত শিরান।
এদিকে পুলিশের এমন কাণ্ডে অন্তর্জালে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিরানের ভক্তরা। সোশ্যাল মিডিয়াও নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এমন ঘটনায়।
গত বছর ভারতে কনসার্ট করে ভক্তদের মাতান এড শিরান। গতবারের মতো এবারও ভারতীয় ভক্তদের মাতাতে ভারতে অবস্থান করছেন। ৫ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ের কনসার্ট শেষ করে ৮ ফেব্রুয়ারি বেঙ্গালুরুতে জমান গানের আসর।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শিলং এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে কনসার্ট করে ভারত সফর শেষ করবেন ‘পারফেক্ট’ খ্যাত এ ব্রিটিশ গায়ক।
ভারতের কুম্ভ মেলার পথে ৩০০ কিলোমিটারের যানজট
ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের চলমান মহাকুম্ভ মেলায় পৌঁছানোর জন্য ভক্তরা যাওয়ার পথে বিশাল ট্রাফিক জ্যামের সম্মুখীন হয়েছেন। যানজটটি অন্তত ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এতে জ্যামে আটকে পড়েছেন হাজার হাজার ভক্ত। খবর এনডিটিভির।
খবরে বলা হয়েছে, প্রয়াগরাজ যাওয়ার পথে শত শত কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। যানজট সামলাতে পার্শ্ববর্তী মধ্যপ্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় পুলিশ যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০০-৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ট্রাফিক জ্যাম থাকায় সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রয়াগরাজের দিকে যাওয়া অসম্ভব। পুলিশের মহাপরিদর্শক (রেওয়া জোন) সাকেত প্রকাশ পান্ডে জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে ভিড়ের কারণে এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়াগরাজ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গাড়িগুলো ৪৮ ঘণ্টা ধরে আটকে আছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে অন্তত ১০-১২ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে।
বেনারস, লখনউ এবং কানপুর থেকে প্রয়াগরাজ যাওয়ার পথে ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজটের পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি শহরের ভেতরেও অন্তত সাত কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা দিয়েছে। ভিড় সামলাতে প্রয়াগরাজ সঙ্গম রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে অফিসার কুলদীপ তিওয়ারি জানিয়েছেন, প্রয়াগরাজ সঙ্গম স্টেশনের বাইরে ভিড়ের কারণে যাত্রীদের স্টেশন থেকে বের হতে পারছে না। ভক্তদের এমন ভিড়ের কারণেই স্টেশনটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে প্রয়াগরাজ জংশন স্টেশনে একমুখী যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার কুলদীপ সিং বলেছেন, মেলাতে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে বিপুল সংখ্যক গাড়ি। যানবাহনের সংখ্যাও অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। ভক্তরা মেলায় যতটা সম্ভব কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছেন। এ কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব প্রয়াগরাজের যানজট নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করছেন, যানজটের ফলে শহরে প্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য