ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

১০০ ব্যবসায়ী নিয়ে ঢাকায় এলেন চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও

অনলাইন ডেস্ক
৩১ মে, ২০২৫ ১৮:১
অনলাইন ডেস্ক
১০০ ব্যবসায়ী নিয়ে ঢাকায় এলেন চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও
১০০ ব্যবসায়ী নিয়ে ঢাকায় এলেন চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও। ছবি: সংগৃহীত

চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের বিশাল প্রতিনিধিদল নিয়ে ঢাকা সফরে এসেছেন।

শনিবার (৩১ মে) দুপুরে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। 

সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রায় ১০০ জন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী। মোট প্রতিনিধিদলের সদস্য সংখ্যা প্রায় ২০০ জন।

সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করবেন চীনা বাণিজ্যমন্ত্রী। রোববার তিনি পাঁচটি সেশনে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ম্যাচমেকিং বৈঠকে অংশ নেবেন। ওইদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

আগামী ২ জুন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-চীন যৌথ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কমিশনের বৈঠক। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং চীনের পক্ষে থাকবেন ওয়াং ওয়েনতাও।

সফরসূচি অনুযায়ী, একইদিন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চীনা উদ্যোক্তাদের পৃথক ম্যাচমেকিং সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া চীনা প্রতিনিধিদলের একটি অংশ গাজীপুরের একটি তৈরি পোশাক কারখানা পরিদর্শনে যাবেন।

সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চীনা বাণিজ্যমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ-চীন যৌথ বাণিজ্য কমিশনের বৈঠকে অংশগ্রহণ। তার সঙ্গে আসা প্রায় ১০০ জন চীনা ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীর প্রতিনিধিদলের মোট সদস্য সংখ্যা ২০০ জনের মতো। আশা করা হচ্ছে, সফরকালে তারা বাংলাদেশে সম্ভাব্য কিছু বিনিয়োগের ঘোষণা দেবেন।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সূত্র জানিয়েছে, সফরকালে দ্বিপাক্ষিক আমদানি-রপ্তানির বাধা দূরীকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। এ বিষয়ে চীন ইতোমধ্যে গত মার্চে একটি খসড়া প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের হার ২৪.৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে : আসিফ মাহমুদ

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩১ মে, ২০২৫ ১৩:১১
    অনলাইন ডেস্ক
    বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের হার ২৪.৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে : আসিফ মাহমুদ
    উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়েছে।

    উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের পুরো অর্থবছরের মোট পরিশোধের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।’

    উপদেষ্টা বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ আসল বাবদ পরিশোধ করেছে প্রায় ২০২ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৬৬ কোটি ডলার-অর্থাৎ ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি।’

    অপর এক পোস্টে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পরেও এবার জলাবদ্ধতা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় কম হয়েছে। আগে থেকেই পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ঠিক করা হয়েছিল। এছাড়া, সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীরা বৃষ্টিতে ভিজে রাতভর কাজ করার ফলে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

    কোথাও জলাবদ্ধতা থাকলে, কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেছেন উপদেষ্টা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ পাঁচ দেশে আনুষ্ঠানিক আম রপ্তানি শুরু

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৮ মে, ২০২৫ ১৯:১০
      অনলাইন ডেস্ক
      যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ পাঁচ দেশে আনুষ্ঠানিক আম রপ্তানি শুরু

      যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সৌদি আরব, কাতার ও বাহরাইনে  আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানি শুরু হলো।  এসব দেশে ১৩ টনের চালান পাঠিয়ে আজ প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আম রপ্তানি উদ্বোধন করেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)  মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। 

      রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে আয়োজিত আম রপ্তানির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা  বলেন, আম রপ্তানি বাড়াতে সরকার কাজ করছে। কারণ বিদেশে বাংলাদেশের আমের বিপুল চাহিদা রয়েছে। 

      উপদেষ্টা এসময় বলেন, আমের উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে প্রকল্পের মাধ্যমে আম উৎপাদন করা হচ্ছে। আম চাষীদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে কৃষি প্রণোদনা দেয়া হবে। স্বল্প মূল্যে হর্টিকালচার সেন্টার থেকে কৃষকরা উন্নত জাতের আমের চারা পাবেন। প্রণোদনার মাধ্যমে হর্টিকালচার সেন্টারে আমের চারা উৎপাদন বাড়াতে উপদেষ্টা এ সময় নির্দেশ দেন।

      কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে সকলকে আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, কৃষক যাতে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পায়। দেশে কৃষি জমির পরিমাণ কমলেও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সুবাদে বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন কয়েকগুণ বেড়েছে। আম চাষের ক্ষেত্রেও উৎপাদন বাড়ানোর প্রযুক্তি ও জাত উন্নয়নে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জোর দিতে হবে বলে উপদেষ্টা উল্লেখ করেন। আম চাষি ও রপ্তানিকারকগণ বাগানে আমের ব্যাগিং, প্যাকিং, পরিবহণ, প্রণোদনাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানালে উপদেষ্টা বিষয়গুলো সমাধানে কাজ করার আশ্বাস দেন।

      কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম উপস্থিত ছিলেন।

      মন্তব্য

      শেখ পরিবারসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর পৌনে ২ লাখ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৯ মে, ২০২৫ ১৮:৪৬
      অনলাইন ডেস্ক
      শেখ পরিবারসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর পৌনে ২ লাখ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

      লুটপাট ও পাচারের অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় শেখ পরিবারসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকার অর্থ ও সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। এসব অর্থ দিয়ে ‘লুটের টাকা ব্যবস্থাপনা তহবিল’ গঠন করবে সরকার।

      সোমবার (১৯ মে) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে পাচার টাকা ফেরত আনার বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানানো হয়।

      এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান এ এফ এম শাহিনুর ইসলাম।

      প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের পাশাপাশি ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর এক লাখ ৩০ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকার অর্থ অ্যাটাচমেন্ট আছে। ১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার (দেশীয় মুদ্রায় পরিমাণ ২০০০ কোটি টাকা) এবং ৪২ হাজার ৬১৪ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি স্থিতি (ফ্রিজিং) অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া বিদেশে ২৫৩ কোটির (২ কোটি ৭ লাখ ডলার) অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ আছে। এই অর্থ থেকে একটি 'লুটের টাকা ব্যবস্থাপনা তহবিল' গঠন করা হবে, যা সরকারের ব্যবস্থাপনায় থাকবে।

      সরকার গঠিত ১১টি তদন্ত দলের অনুসন্ধানে ১০ শিল্পগোষ্ঠীসহ শেখ পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যাংকঋণে অনিয়ম, কর ফাঁকি ও অর্থপাচারসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম ও পাচার করা অর্থের খোঁজ মিলেছে এস আলম গ্রুপের। ইতোমধ্যে এসব ঘটনায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। সেই সঙ্গে, এই অর্থ উদ্ধারে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নির্ধারণের কাজও চলছে। এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিচ্ছেন বিশ্বব্যাংকের উদ্যোগে গঠিত পাচার করা অর্থ উদ্ধারে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ দল।

      বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আদালতের সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনে আইন সংশোধনের মাধ্যমে ফান্ড (লুটের টাকা ব্যবস্থাপনা তহবিল) গঠন করা হবে। ব্যাংক ক্ষতিপূরণ এবং জনহিতকর কাজে ব্যবহারের জন্য দুই ধরনের ফান্ড গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

      গভর্নর বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটা ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা। যেটার অর্থ দিয়ে আমরা ব্যাংকগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারব। কারণ ব্যাংকগুলো বিশালভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের টাকা তো লুট করা হয়েছে। এছাড়া বাকি টাকা যেগুলো নন ব্যাংক রিলেটেড, যেগুলো দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করা হয়েছে, সেগুলো সরকার আরেকটা ফান্ডে নিয়ে জনহিতকর কাজে ব্যয় করবে। সবই আইনগতভাবে করা হবে। কোনোটাই আইনের বাইরে হবে না।

      পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের বিষয়ে আহসান এইচ মনসুর বলেন, টাকা কীভাবে ফেরত আনতে হয়, সেটার কোনো অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল এক্সপেরিয়েন্সটা আমরা জানি। সাধারণত এটি করতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। কিন্তু এর মধ্যে ইমিডিয়েট কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বিদেশে তাদের যে সম্পদ আছে, সেটাকে ফ্রিজ করা যায়। সেটা আপেক্ষিকভাবে বছর খানেকের মধ্যে করা সম্ভব। প্রথমে আইনের প্রক্রিয়া আমাদের দেশের সম্পন্ন করতে হবে, তারপর সঠিক প্রণালীতে বিদেশে রিকোয়েস্ট করতে হবে। যেটাকে বলা হয় মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স (এমএলএ)। আমরা এখন এই প্রক্রিয়ায় আছি। আমরা রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        পুঁজিবাজারে ধস, রাস্তায় কফিন মিছিল বিনিয়োগকারীদের

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৮ মে, ২০২৫ ১৯:৪৭
        অনলাইন ডেস্ক
        পুঁজিবাজারে ধস, রাস্তায় কফিন মিছিল বিনিয়োগকারীদের

        পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের প্রতিবাদে কফিন নিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন দেশের শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা।

        রোববার (১৮ মে) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এই ব্যতিক্রমধর্মী বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের অপসারণ দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

        বিক্ষোভের আয়োজক বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে বিনিয়োগকারীরা প্রথমে কফিন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে হাটখোলা মোড় হয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে তারা প্রতীকী কফিন নিয়ে গায়েবানা জানাজা পড়েন।

        বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারীরা বলেন, শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের কারণে লাখো বিনিয়োগকারী পথে বসেছেন। মাকসুদের নেতৃত্বে বাজার থেকে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা মূলধন উধাও হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, পুঁজি হারিয়ে অনেক বিনিয়োগকারী চরম হতাশায় পড়েছেন, কেউ কেউ আত্মহননের পথও বেছে নিচ্ছেন।

        বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ পুঁজিবাজার বোঝেন না। তার নেতৃত্বে বাজারে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। তারা আরও বলেন, গতকাল এক বৈঠকে তিনি অংশীজনদের হুমকি দিয়েছেন, যাতে বাজার সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক তথ্য গণমাধ্যমে না আসে এবং তার বিরুদ্ধে কেউ আন্দোলন না করে। বিনিয়োগকারীদের মতে, এই মানসিকতা দায়িত্বশীল পদে থাকা কারও হতে পারে না।

        এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের পুঁজিবাজার রক্ষা করা আমাদের কাজ নয়- মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষোভকারীরা। তাদের মতে, অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ খাতকে রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব সংস্থার দায়িত্ব রয়েছে।

        বিনিয়োগকারীরা বলেন, সামনে কোরবানির ঈদ। এর আগেই, বাজারের এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আরও অনেক বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হবেন। তারা বলেন, কফিন নিয়ে রাস্তায় নামা আমাদের বাধ্য হয়েই করতে হয়েছে। এখন যদি পরিবর্তন না আসে, তাহলে আন্দোলনের মাত্রা আরও বাড়ানো হবে। তাদের একটাই দাবি— বাজার বাঁচাতে হলে খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

        বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ এবং অর্থনীতি ঘিরে নানা অনিশ্চয়তা শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর ধারাবিকতায় রোববার (১৮ মে) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। পাশাপাশি, উভয় বাজারেই কমেছে সবকটি মূল্যসূচক।

        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত