শিরোনাম
মানি চেঞ্জারদের লাইসেন্স নবায়ন ফি বাড়ল
মানি চেঞ্জারদের লাইসেন্স নবায়ন ফি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে লাইসেন্স নবায়নের জন্য বছরে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এতো দিন এই নবায়ন ফি ছিল ৫ হাজার টাকা। নতুন নির্ধারিত ফি আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
এর আগে ২০০২ সালের একটি সার্কুলারের মাধ্যমে মানি চেঞ্জারদের জন্য বছরে ৫ হাজার টাকা লাইসেন্স নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর এবার লাইসেন্স নবায়ন ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এছাড়া লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত অন্যান্য শর্ত ও নির্দেশনা আগের মতোই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫ ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার, দ্রুত বাস্তবায়ন
অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে এবং সরকার নির্ধারিত দামে এসব ওষুধ বিক্রি করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সায়েদুর রহমান বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সরকার নির্ধারণ করলে সাধারণ মানুষের ওষুধ প্রাপ্তিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ভোক্তারা উপকৃত হবেন।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পিপিপি বিবেচনায় রেখে ওষুধ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব যাচাই করে দাম নির্ধারণ করা হবে। আন্ডার পেটেন্ট ও আউট অব পেটেন্ট ওষুধের জন্য আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হবে।
সায়েদুর রহমান জানান, এ লক্ষ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। টাস্কফোর্সটি ওষুধ উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেছে। এই কাঠামোই ভবিষ্যতে ড্রাগ প্রাইস অথরিটি হিসেবে কাজ করবে এবং পর্যায়ক্রমে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্তৃপক্ষে রূপ নেবে। এর ফলে ওষুধ প্রাপ্তির পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এলপিজি আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট কমাল সরকার
সারাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। এরইমধ্যে সরকার জানিয়েছে, এলপি গ্যাস আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট কমানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
বলা হয়, আমদানিকৃত এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয় পর্যায়ে তা ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (LOAB) এর সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম কমানো এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা।
প্রস্তাবিত শুল্ক পুনর্বিন্যাস দেশের সাধারণ ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে উৎসগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির মধ্যেই এবার এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধে রেখেছে ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে সারাদেশে বন্ধ রয়েছে সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভোক্তারা।
এদিকে, খুচরা পর্যায়ে কোনো দোকানেই মিলছে না সিলিন্ডার। হোটেলগুলোয় বিকল্প উপায়ে রান্নার কাজ চালু রাখলেও, অনেক বাসাবাড়িতে জ্বলছে না চুলা। একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন ভোক্তারা।
চলতি মাসে এল ২৩৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে ২৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৭৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, নভেম্বরের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এ বছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
তিনি বলেন, সোমবার (২৪ নভেম্বর) ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন জানিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ২৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
এর আগে গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ
দীর্ঘ চার মাসের টানা মূল্যবৃদ্ধির পর রাজধানীর সবজির বাজারে অবশেষে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও সরবরাহ ঘাটতির প্রভাব ধীরে ধীরে কেটে যাওয়ায় গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দামে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে।প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শীতের আগমনী হাওয়া লাগতেই বাজারে মৌসুমি নতুন সবজির সরবরাহ বাড়ছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ ও খিলগাঁওসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে,
সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে, প্রতি কেজি ৩০ টাকা।
এছাড়া আলু ৩০ টাকা, পটল ও ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ধন্দুল ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, বেগুন, ঢেঁড়স, করলা ও বরবটি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন উঠেছে শালগম, বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকায়। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৬০ টাকা,
শসা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, কচু ৬০ টাকা এবং শিম ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
বেসরকারি চাকরিজীবী সাজ্জাদ হোসেন তোহা, যিনি মগবাজারে সবজি কিনতে এসেছিলেন, বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে সবজির দাম খুবই বেশি ছিল। গত সপ্তাহে কিছুটা কমলেও আজ আবার কিছুটা বেড়েছে। তবে আগের তুলনায় বাজার এখন অনেকটা স্বস্তিদায়ক।”
মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা সোহেল হোসেন জানান, “বৃষ্টির কারণে কিছু সবজি নষ্ট হয়েছে, তাই দাম সামান্য বেড়েছে। তবে শীতের শুরুতে নতুন সবজি উঠতে থাকায় দাম দ্রুত কমবে। পুরো শীতজুড়ে সরবরাহ বাড়বে, তখন বাজার আরও স্থিতিশীল হবে।”
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেম্বরের শেষ দিক থেকেই বড় পরিসরে শীতকালীন সবজি আসবে বাজারে। ফলে দাম আরও ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য