ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নোয়াখালীতে বালু মজুত করায়, ২ লাখ টাকা জরিমানা

জেলা প্রতিনিধি
২৭ মে, ২০২৫ ২০:৬
জেলা প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে বালু মজুত করায়, ২ লাখ টাকা জরিমানা

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে অবৈধ ভাবে বালু মজুত করার এক ব্যক্তিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেট মং এছেন এই অর্থদণ্ড দেন।

জানা যায়, অবৈধ ভাবে বালু মজুত করে গণউপদ্রব সৃষ্টি,রাস্তাঘাট নষ্ট করে ফেলা এবং পরিবেশের ক্ষতি করায় চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অপরাধ স্বীকার করায় বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে বালু ব্যবসায়ী ইব্রাহীম খলিলকে ২ লাখ জারিমানা করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন বয়ারচর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
 
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আলাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবসময় সতর্ক দৃষ্টি রাখছে উপজেলা প্রশাসন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

৭৯ বছর বয়সেও সুনিপুণ দক্ষতায় সেলাই মেশিন চালাচ্ছেন সাইফুল

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৭ মে, ২০২৫ ১৯:১৮
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৭৯ বছর বয়সেও সুনিপুণ দক্ষতায় সেলাই মেশিন চালাচ্ছেন সাইফুল

বয়স শুধু একটি সংখ্যা মাত্র, মানুষের ইচ্ছাশক্তির কাছে কোনো কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ৭৯ বছর বয়সী রাজশাহীর মো: সাইফুল ইসলাম। বৃদ্ধি বয়সে অনেকেই যেখানে বিশ্রাম নেওয়ার কথা চিন্তা করেন, সেখানে বয়সের ভারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেলাই মেশিনের কাজে নিজেকে ব্যস্ত  রাখে চলেছেন সাইফুল ইসলাম। সময়ের সাথে বয়স বাড়লেও এখনো কমেনি তার সেলাইয়ের দক্ষতা বরং আগের মতোই এখনো সুনিপুণ দক্ষতার সাথে সেলাই মেশিনে ফুটিয়ে তুলছেন বাহারি রকমের সব ডিজাইন।

মো: সাইফুল ইসলাম (৭৯)। রাজশাহী শহরের বিমান চত্তর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা। ছোট বেলায় ১৯৬২ সালের দিকে ৪র্থ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ভারতের মুসলিমদের উপর যখন নির্যাতন বৃদ্ধি পায়, তখন তিনি একটি হাফ পেন্ট আর পরণে একটি শার্ট পরিহিত অবস্থায় জীবন বাঁচানোর তাগিদে বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তখন থেকেই শুরু তার জীবন সংগ্রামের গল্প। 

একসময় সঙ্গীতের প্রতি তার গভীর টান থাকায় দীর্ঘদিন সঙ্গীত চর্চার সাথে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে অজ্ঞাত কোনো কারণ বশত সঙ্গীত চর্চা চলমান রাখতে পারেননি। এছাড়াও তিনি রাজশাহীর নিউমার্কেটে একসময় অন্যের দোকানে দীর্ঘদিন দর্জির কাজ করেছেন। পরবর্তীতে একসময় তিনি নিজের নামে একটি দর্জির দোকান আরম্ভ করেন।

বর্তমানে তার দোকান রাজশাহীর নিউমার্কেট এলাকার ওয়ে হোম আবাসিক হোটেলের পাশেই অবস্থিত। যেখানে তিনি এখন পর্যন্ত তার কর্ম জীবনের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে চলেছে।

মো: সাইফুল ইসলাম তার দীর্ঘদিনের কর্মজীবন সম্পর্কে বলেন, তিনি এই পেশার সাথে প্রায় ১৯৭৬ সাল থেকে জড়িত। অলস জীবনযাপন তার পছন্দ নয়। এই পেশাটি তার কাছে খুব ভালো লাগে এবং এর মাধ্যমে তিনি নিজেকে পরিশ্রমী ও সবল রেখেছেন। তার মতে একজন মানুষ পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে যতটা সুস্থ সবল রাখতে পারে, অলস জীবনে সেটা সম্ভব নয়। 

তিনি প্রতিদিন সকালে দোকানে আছেন আর রাতে বাসায় ফিরেন। অবসর সময়ে দোকানে থাকা টিভি দেখে তিনি তার অবসর সময় পার করেন। এছাড়াও তার স্কুল কলেজের ছেলেদের সাথে বেশ পরিচিতি রয়েছে। অবসর সময়ে স্কুল কলেজের ছেলেরা তার দোকানে আসলে তাদের সাথে গল্প করেও তার সময়টা বেশ আনন্দে কাটে।

এছাড়াও তিনি এই বৃদ্ধ বয়সেও প্রতিনিয়ত মাসে বেশ কয়েকবার দূরের বিভিন্ন জায়গা, আত্মীয়দের বাড়িতে প্রতিনিয়ত ঘুরতে যান। তার কাছে এই বয়সেও ঘুরে বেড়ানো বেশ আনন্দের বলে তিনি জানান।

তিনি জানান, তার ছেলেরা তাকে এই বয়সে কাজ না করে বাসায় বিশ্রামের কথা বলেন। কিন্তু তার ইচ্ছা তিনি কখনো কারো প্রতি নির্ভরশীল না থেকে যতদিন বাঁচবেন নিজের উপর নির্ভরশীল থাকতে চান। তিনি মনে করেন নিজে কিছু করে নিজের প্রতি নির্ভরশীল থাকার মধ্যে ভিন্নধর্মী প্রশান্তি রয়েছে।

বর্তমান সময়ের বেকার যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পৃথিবীতে কোনো কাজ ছোট নয়, সব পেশার মর্যাদা রয়েছে। অনেক যুবকদের দেখি লেখাপড়া শেষ করে ছোট কাজকে লজ্জাজনক মনে করে। তার মতে লেখাপড়া শেষ করে বাবার কাঁধের উপর ভর না করে নিজেদের কিছু একটা করার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হওয়া প্রয়োজন। 

বর্তমান সমাজের কাছে সাইফুল ইসলামের জীবন সংগ্রাম অনুপ্রেরণার জীবন্ত উদাহরণ। সৎ মানসিকতা আর অধ্যবসায় জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায় এই বার্তায়  যেন তিনি তার প্রতিদিনের জীবন সংগ্রামের তুলে ধরে চলেছেন। 
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ছাত্রদলের সভাপতি হলেন শিবির

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ মে, ২০২৫ ১৭:২৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ছাত্রদলের সভাপতি হলেন শিবির

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মৌলভীবাজার জেলা শাখার অধীনে ভুনবির দর্জিপুরত কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    সদ্যঘোষিত এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শিবির মিয়া।

    ২৫ মে ২০২৫ তারিখে ছাত্রদলের জেলা শাখার প্যাডে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সহ-সভাপতি খায়রুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হক নাইম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিব মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ হোসাইন, প্রচার সম্পাদক আফিক বোধ এবং দপ্তর সম্পাদক আবির হোসেন।

    কমিটি প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে জেলা ছাত্রদলের দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নতুন নেতৃত্বে ভুনবির দর্জিপুরত কলেজ ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    মন্তব্য

    বড়াইবাড়ী সীমান্তে গুলির পর ড্রোন উড়াচ্ছে বিএসএফ

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ মে, ২০২৫ ১৪:৫৩
    অনলাইন ডেস্ক
    বড়াইবাড়ী সীমান্তে গুলির পর ড্রোন উড়াচ্ছে বিএসএফ

    কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী সীমান্তে ১৪ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ ইনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) ভোর রাত থেকে এই উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় সীমান্তের ভারতীয় অংশে গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর ওই সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে অবস্থান নেয় গ্রামবাসী। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ওই সীমান্তে ড্রোন উড়াত দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলারের ১০৬৭ এর ১ সাব এলাকায় মঙ্গলবার ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর থানাধীন এলাকার কাকরিপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ১৪ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরের বড়াইবাড়ী সীমান্তে পুশ ইন করেন।

    পুশ ইন হওয়া ভারতীয় নাগরিকদের সীমান্তের শূন্যরেখায় বিজিবি নিয়ে গেলে বিএসএফ অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ৪ রাউন্ড গুলি চালায়। পরে বিজিবি শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বড়াইবাড়ী গ্রামবাসীসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন ছুটে এসে শূন্যরেখায় তারাও অবস্থান নেন। পরে ওই এলাকায় ড্রোন উড়ায় বিএসএফ। তাছাড়া সীমান্তের ওপারে রাস্তার নিচে অসংখ্য বিএসএফ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

    এর আগে ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল বড়াইবাড়ি গ্রামে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (তৎকালীন বিডিআর) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। ওই সংঘর্ষে বিএসএফের ১৬ জন সৈন্য নিহত হয়- যাদের মরদেহ বাংলাদেশ সীমান্তের ধান ক্ষেতে পড়ে থাকে। এ সংঘর্ষে দুজন বিডিআর সদস্যও নিহত হন। তবে স্থানীদের দাবি, তৎকালীন সময়ে আরও বেশি বিএসএফ সদস্য নিহত হয়েছেন।

    ঐতিহাসিক ওই সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-বিএসএফ নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। 

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাইফুল ইসলাম নামে বাংলাদেশের বড়াইবাড়ি গ্রামের এক বাসিন্দার সঙ্গে কথা হয়। সাইফুল ২০০১ সালে ‘বড়াইবাড়ি যুদ্ধে’ অংশ নেওয়া যোদ্ধা। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোরে ভারতের আসাম রাজ্যের মাইনকারচর কাকড়িপাড়া সীমান্ত পথে বিএসএফ ১৪ জনকে (৯ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী) গেট খুলে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। বিজিবি ও স্থানীয়রা খবর পেয়ে এতে বাধা দেয়। এ বিজিবি ওই নারী পুরুষদের ভারতীয় সীমান্তে ফেরত দিতে চাইলে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে বিএসএফ রাবার বুলেট ছোড়ে, কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।’

    সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, ‘বিএসএফ সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য জড়ো করেছে। আমরাও বিজিবিসহ সীমান্তে অবস্থান করছি। ওরা অন্যায়ভাবে ওদের নাগরিকদের আমাদের দেশে ঠেলে দিছে।’

    কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ২০০১ সালে বড়াইবাড়ি যুদ্ধে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, ‘১৪ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিয়েছে বিএসএফ। তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। বিজিবি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। এ নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা চলছে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ঠেলে দেওয়া নারী পুরুষ সবাই ভারতীয় বলে জানা গেছে।’

    ‘আমি বিজিবি সদস্যরাসহ সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে গিয়ে ঠেলে দেওয়া নারী পুরুষকে ফেরত নিতে বিএসএফকে বলি। কিন্তু তারা উত্তেজিত হয়। তারা কয়েক রাউন্ড গুলি মারে। আমরা নিরাপদে সরে এসেছি।’ যোগ করেন ২০০১ সালে ‘বড়াইবাড়ী যুদ্ধে’ অংশ নেওয়া সাবেক এই সংসদ সদস্য ও বিডিআর জওয়ান।

    বিএসএফের ঠেলে দেওয়া নারী পুরুষদের মধ্যে খাইরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির জবানবন্দির একটি ভিডিও রেকর্ডে বলতে শোনা গেছে, ‘আমরা ভারতের নাগরিক। আসামের মরিগাঁও জেলায়। সেখানে আমি সিপি (প্রাইমারি) স্কুল শিক্ষক। আমার আদি পুরুষ ভারতীয়। আমার মাটি-বাড়ি সব ভারতে। আমার মা ও ভাই সেখানে ওয়ার্ড মেম্বার পাস করেছে। গত ২৩ মে আমাকে ধরে এসপি অফিস নিয়ে যায়। সেখান থেকে গোয়ালপাড়া ডিটেনশন ক্যাম্পে নেয়। বিএসএফ ভোরে আরও ১৩ জনসহ আমাকে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়।’

    ‘আসতে চাইনি বলে মারধর করেছে। আসার সময় হাতে ২০০ টাকা, লাঞ্চের প্যাকেট ও একটি পানির বোতল ধরায় দিছে।’ যোগ করেন নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত স্কুল শিক্ষক খাইরুল।

    এ বিষয়ে জামালপুর বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়নের অধীন রৌমারী বড়াইবাড়ী বিজিবি ক্যাম্পের কেউ আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। জামালপুর বিজিবি অধিনায়কের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার সরকারি নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে বিজিবির দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    মন্তব্য

    মেঘনার এক কোরাল বিক্রি হলো ২৬ হাজার টাকায়

    জেলা প্রতিনিধি
    ২৬ মে, ২০২৫ ১৩:২৪
    জেলা প্রতিনিধি
    মেঘনার এক কোরাল বিক্রি হলো ২৬ হাজার টাকায়

    নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ২৫ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। পরে মাছটি ২৬ হাজার ৫০০টাকায় কিনেছেন এক আড়তদার।

    রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চরবগুলা ঘাটে মাছটি বিক্রি করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেলে উপজেলার চরকিং চরবগুলা গ্রামের আশ্রাফ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। এ সময় মাছটি দেখতে সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়।


    জানা যায়, বিকেলের দিকে স্থানীয় আশ্রাফ মাঝির জালে একটি বড় কোরাল ধরা পড়ে। পরে মাছটি চরবগুলা ঘাটের মৎস্য আড়তে মনির মেম্বারের দোকানে আনা হয়। পরে তিনি প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০ টাকা হিসেবে ২৬ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন।



    আশ্রাফ মাঝি বলেন, জেলেদের নিয়ে আমি বিকেলে মেঘনায় মাছ ধরতে যাই। সেখানে আগে থেকে নদীতে পাতানো জাল তুলতে গিয়ে জালে কোনো বড় মাছ আটকা পড়েছে টের পাই। জাল তুলতেই কোরাল মাছটি দেখতে পাই। পরে মাছটি তীরে নিয়ে আসি। মাছটি মনির মেম্বারের মৎস্য আড়তে ২৬ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করি। মাছটির ওজন ২৫কেজি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত