ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মাভাবিপ্রবিতে বাঁধন বিভাগীয় জোনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৩ মে, ২০২৫ ১৫:১৩
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
মাভাবিপ্রবিতে বাঁধন বিভাগীয় জোনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

‎“একের রক্ত, অন্যের জীবন—রক্তই হোক আত্মার বাঁধন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাঁধন বিভাগীয় জোন-১ এর সহযোগীতায় বাঁধন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) ইউনিট আয়োজন করেছে “চড়ুইভাতি-২০২৫” নামক দিনব্যাপী উৎসব। 

আজ শুক্রবার (২৩ মে ২০২৫) মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাস্থ সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল প্রাঙ্গণে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাভাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ বলেন, “বাঁধন মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। রক্তদান এমন একটি সাহায্য যার বিনিময়ে কোন প্রতিদান নেওয়া হয় না, রক্তদান চিনে না কোন সম্পর্ক, কোন আত্মীয়তার বন্ধন। লকডাউনের মত সময়েও আমি বাঁধনের মাধ্যমে সাহায্য পেয়েছিলাম। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা এসেছেন তাদেরকে স্বাগতম ও ধন্যবাদ জানাই।"

পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মাভাবিপ্রবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসাইন, বিজিই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম মহিউদ্দিন, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. মো. আবু জুবাইর।

‎অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মোঃ সুজায়েত হোসেন বলেন, "চড়ুইভাতি-২০২৫ শুধু একটি আনন্দ আয়োজন নয়, এটি বাঁধনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক দৃঢ় করার এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। আমরা বিশ্বাস করি, মানবসেবার এই যাত্রায় ভালোবাসা, সম্মান ও একতার বন্ধন আমাদের মূল শক্তি। আজকের এই মিলনমেলায় সকল ইউনিটের সদস্যরা যেভাবে অংশ নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাঁধনের এই আয়োজন তরুণদের মাঝে দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলবে। ভবিষ্যতেও বাঁধনের কার্যক্রম আরও বর্ণিল ও কার্যকর করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।"


‎বাঁধন বিভাগীয় জোন-১ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম জানান, “চড়ুইভাতি-২০২৫ আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও গভীর করেছে। বাঁধনের মূল চেতনা হলো মানবিকতা ও স্বেচ্ছাসেবা, আর এই আয়োজন সেই চেতনারই উদাহরণ। সকল সদস্যের আন্তরিকতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। আমরা চাই এই ঐক্য ও বন্ধন আগামীতেও বজায় থাকুক এবং আমাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হোক।"

‎ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দ মোহন কলেজ, সরকারি সা'দত কলেজ ,গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি দেবেন্দ্র কলে, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, বদরে আলম কলেজ, সরকারি গুরুদয়াল কলেজসহ মোট ৯টি ইউনিট এবং টঙ্গী সরকারি কলেজ, শেরপুর সরকারি কলেজ, আশেক মাহমুদ কলেজ জামালপুরসহ মোট ৩টি পরিবারের অংশগ্রহণে আজকের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত। এতে চাচা আপন প্রাণ বাঁচা, পিলো পাসিং ও বল নিক্ষেপ খেলার আয়োজন করা হয়।

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

খুবির উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য আশ্রয় নেন জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টে

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৩ মে, ২০২৫ ১৩:০
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
খুবির উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য আশ্রয় নেন জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টে

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) তৎকালীন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। 

৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রাণরক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা জাহানাবাদ সেনানিবাসে আশ্রয় নেন।

 আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ২২ মে (বৃহস্পতিবার) রাতে এক বিবৃতিতে জানায়, খুলনা-যশোর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শীর্ষ পর্যায়ের এই দুই কর্মকর্তা ছিলেন সেই ৬২৬ জনের তালিকায়, যাদের বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল।

আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়, আশ্রয়প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ২৪ জন রাজনৈতিক নেতা, ৫ জন বিচারক, ১৯ জন বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা, ৫১৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাসহ বিবিধ পেশার ১২ জন এবং ৫১ জন নারী ও শিশু—যারা ছিলেন তাদের পরিবারবর্গ।

খুলনার জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টে স্থান পাওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা সিটির তৎকালীন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও তার সহধর্মিণী, সাবেক উপমন্ত্রী ও বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক এমপি হাবিবুন নাহার। আছেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, কেসিসির সাবেক প্যানেল মেয়র এস এম রফিউদ্দিন আহমেদ।

তালিকায় আরও রয়েছে যশোরের তৎকালীন ডিসি, এসপি, ইউএনওসহ একাধিক সরকারি কর্মকর্তা এবং সাবেক এমপি কাজী নাবিল আহমেদ ও তার সহকারী।

আইএসপিআর জানিয়েছে, সে সময় নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়।
 

মন্তব্য

বিভাজনমূলক বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন মাহফুজ আলম

অনলাইন ডেস্ক
২২ মে, ২০২৫ ১৮:৪৯
অনলাইন ডেস্ক
বিভাজনমূলক বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন মাহফুজ আলম

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বিভাজনমূলক বক্তব্য দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

‘ব্যক্তির আদর্শ, সম্মান ও আবেগের চেয়ে দেশ বড়’ শিরোনামের ওই পোস্টে উপদেষ্টা লিখেছেন,  ‘দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য অনিবার্য। আগেকার যেকোনো বক্তব্য ও শব্দচয়ন, যা বিভাজনমূলক ছিল—সেগুলোর জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

তিনি বলেন, ‘সরকারে আর এক দিন থাকলেও অভ্যুত্থানের সব শক্তির প্রতি সম্মান ও সংবেদনশীলতা রেখে কাজ করতে চাই। পুরাতন বন্দোবস্তের বিভেদকামী স্লোগান ও তকমাবাজি, যা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে হত্যাযোগ্য করে তোলে, সেগুলো পরিহার করলেই আশা করি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে।’

মাহফুজ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের শত্রুরা ঐক্যবদ্ধ ও আগ্রাসী। সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে। দেশপ্রেমিক জনগণ যারা জুলাই অভ্যুত্থানে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, তাদের সামনে দীর্ঘ পরীক্ষা। এ পরীক্ষা ঐক্যের ও ধৈর্যের। এ পরীক্ষা উতরে যেতেই হবে।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের পদত্যাগ

    অনলাইন ডেস্ক
    ২২ মে, ২০২৫ ১৫:৩৪
    অনলাইন ডেস্ক
    অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের পদত্যাগ

    শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলী।

    বৃহস্পতিবার (২২ মে) তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। কুয়েটের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গতকাল বুধবার শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. ফারুক হোসেন জানান, অন্তর্বর্তী উপাচার্য অধ্যাপক মো. হযরত আলীর প্রতি অনাস্থা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। কুয়েটের চলমান সংকট নিরসনে শিক্ষক সমিতি উপাচার্যকে দ্রুত পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে।

    আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য দুর্বার বাংলার পাদদেশে ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে অন্তর্বর্তী উপাচার্য মো. হজরত আলীকে অপসারণ এবং একজন যোগ্য উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে দ্রুত অচলাবস্থা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

    ২৫ এপ্রিল কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস কে শরীফুল আলমকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    ১ মে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলীকে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জবিতে জকসু নিয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আলোচনা সভা

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২১ মে, ২০২৫ ২১:৫৬
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      জবিতে জকসু নিয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আলোচনা সভা

      জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের দাবিতে 'জকসু: কী, কেন ও কীভাবে?' শীর্ষক আলোচনা সভা আয়োজন করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জবি শাখা। বুধবার (২১ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে অনুষ্ঠিত এই গণতান্ত্রিক আলোচনা সভায় অংশ নেন বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ একাধিক ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকমণ্ডলী।

      আলোচনা সভা শেষে বিকেলে জবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট উপাচার্যের কাছে জকসুর খসড়া গঠনতন্ত্র ও প্রস্তাবনা জমা দেয়।

      সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জকসু নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। আবাসন সংকট, পরিবহণ সমস্যা, শ্রেণিকক্ষের অভাব, কো-কারিকুলার কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে তারা ছাত্র সংসদের অনুপস্থিতিকে দায়ী করেন।

      আলোচনায় অংশ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, “জকসু নেই বলেই জবি আজ বঞ্চনার শিকার। এর অভাবে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে দুর্নীতির সুযোগ নিচ্ছে।” তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন কমিটি গঠন করে, যা পরবর্তীতে বিশেষ সিন্ডিকেটে উত্থাপিত হয়। তবে শিক্ষার্থীদের মতামত গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্তের সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

      সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জকসু গঠনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক নজির স্থাপন করতে পারে। তবে খসড়া গঠনতন্ত্রে সভাপতি নির্বাচনসহ কয়েকটি বিষয়ে সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেন কোনো অগণতান্ত্রিক ধারা স্থান না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

      তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্র যদি গণতান্ত্রিক না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও গণতন্ত্র টিকে না। ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জায়গা—এই চেতনাকে ধারণ করেই জকসু পুনঃপ্রতিষ্ঠা জরুরি।”

      সভায় সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জবি শাখার আহ্বায়ক ইভান তাহসিফ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মারুফ। অনুষ্ঠানে ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি মাঈন আল মোবাশ্বির, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের যুগ্ম সদস্য সচিব কিশোর আনজুম সাম্যসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

      উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ পর্যন্ত কোনো জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রতিনিধিত্ব ও মতপ্রকাশের অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকছে বলে অভিযোগ উঠছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত