শিরোনাম
ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ রিট বাতিলের দাবিতে
হাইকোর্টের সামনে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান
হাইকোর্টের সামনে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ রিট বাতিলের দাবিতে অবস্থান করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকাস্থ সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।
বিষয়টি নিয়ে বিক্ষোভে অবস্থান নেওয়া এক শিক্ষার্থী জানান, তারা তাদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে এখানে এসেছেন। তারা অবরোধ কর্মসূচির দিকে যাবেন না। শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি জানাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, ঢাকা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা শুধু অবস্থান করছেন। ঢাকার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও আসছেন।
এরআগে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ দেশের কারিগরি শিক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষায় একটি অরাজনৈতিক ও অগ্রণী ছাত্র সংগঠন। সংগঠনটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কারিগরি ছাত্র সমাজকে অবহিত করতে আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
এক ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের পদোন্নতি মামলার রায় বাতিলের দাবিতে ১৮ মে সারাদেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে বিক্ষোভ কার হবে। কারণ সম্প্রতি হাইকোর্ট কর্তৃক ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত মামলার রায় স্থগিত করা হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ মে।
কারিগরি ছাত্র সমাজ পূর্বের রায়কে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আমরা কারিগরি ছাত্র সমাজ এই মামলার রায় সম্পূর্ণ বাতিল চাই। আমরা জানি, ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের মূল কাজ হলো ল্যাব পরিচালনায় সহায়তা এবং প্রাকটিক্যাল ক্লাসে যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তারা এসএসসি অথবা এইচএসসি ভোকেশনাল পাস। এই যোগ্যতায় তারা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে অক্ষম এবং অযোগ্য। তাই শিক্ষক পদে তাদের পদোন্নতি অযৌক্তিক। তাদের জন্য মন্ত্রণালয় ভিন্নভাবে চিন্তাভাবনা চালাচ্ছে যে কীভাবে তাদের সিস্টেমে প্রমোশন দেওয়া যায়। তারাও তাদের সিস্টেমে প্রমোশন পাবে এ বিষয়ে সুন্দর পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রমোশন পাওয়ার অধিকার সবার আছে তবে সেটা হতে হবে যৌক্তিক।
আরও পড়ুন
আরও বলা হয়, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি-জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষক) পদে পদোন্নতির জন্য ভিন্ন কোনো মানদণ্ডে বা বাছাই ছাড়া সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে না। শিক্ষকদের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদটি কেবলমাত্র ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা (বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন) এর মাধ্যমে বাছাইকৃত হয়ে নিয়োগ পায়। যার এই পদে আসতে চায় তারা নির্দিষ্ট যোগ্যতা নিয়ে বিপিএসি এর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে যোগ্যতার ভিত্তিতে আসুক। কোনো স্পেশালভাবে এই পদে কারো পদোন্নতি নিয়ে আসার সুযোগ নাই। আমরা চাই, ১৮ তারিখ হাইকোর্ট এ মামলাটি বাতিল করে দিয়ে কারিগরি শিক্ষার স্বচ্ছতা ও মান রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক।
খুবি শিক্ষক লাঞ্ছিত: হত্যা চেষ্টা মামলায় বিতর্ক, রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন
আম পাড়াকে কেন্দ্র করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষক হাসান মাহমুদ সাকিকে লাঞ্ছনার ঘটনায় দায়ের হওয়া ‘হত্যাচেষ্টা’র মামলাটি নিয়ে সমালোচনা চলছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাংলা ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মোবারক হোসেন নোমানের ৩ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১৬) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হরিণটানা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ খায়রুল বাশার বিষয়টি প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন। এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
হত্যাচেস্টার মামলা অতিরঞ্জিত হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইশরিয়াক কবির বলেন, ২০–৩০ জনকে নিয়ে কেউ হত্যা করতে আসে না। তার হাতে কোন অস্ত্র ছিলো না। হয়তো তাৎক্ষণিক মেজাজ হারিয়ে এমন করেছে। তবে তদন্ত করে দেখতে হবে ব্যক্তিগত কোন শত্রুতা আছে কিনা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এসএম মাহবুবুর রহমান বলেন, রিমান্ডের বিষয় আমরা জানিনা, আমরা তো রিমান্ডের জন্য বলিনি। আমরা হত্যা চেষ্টা সংক্রান্ত ৩০৭ ধারাটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি চিঠি দিয়েছি।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী মো. তাসবি হাসান বলেন, “নোমানের কাজ দণ্ডনীয়। কিন্তু প্রশাসন যেটা করেছে সেটা করেছে অতিরঞ্জিত। এটাকে 'হত্যাচেষ্টা' বলা বাড়াবাড়ি।”
এ বিষয়ে আসামী পক্ষের আইনজীবী মিনা মিজানুর রহমান বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নোমানকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। আগামীকাল আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হবে।তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৩০৭ ধারাটি (হত্যাচেষ্টার অভিযোগ) প্রত্যাহারের জন্য একটি চিঠি দিয়েছে ঠিকই, তবে এখন বিষয়টি তদন্তাধীন। মামলা এখন তদন্তাধীন অবস্থায় আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে নয়। তদন্তে যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে চার্জশিট দাখিল হবে।
এর আগে ২ মে (শুক্রবার) বিকেলে আম পাড়ার দায়ে ৪ শিক্ষার্থীকে চোর সাব্যস্ত করার অভিযোগ ওঠে । এরপর সন্ধ্যায় প্রতিবাদ জানাতে ২৫–৩০ জন শিক্ষার্থী উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আম পাড়তে যান। সেখানে ভুক্তভোগীি শিক্ষক হাসান মাহমুদ সাকি লাঞ্ছনার শিকার হন।
ঘটনার দিন রাতেই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তিন দফা দাবি জানায় এরপর বিকালে সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং তার স্নাতক সনদ সাময়িক স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ‘অ্যাটেম্পট টু মার্ডার’ ধারায় মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত হয়।
হলে শিক্ষার্থী তুলতে হল প্রশাসনের গড়িমসি, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) নতুন ১০ তলা ছাত্রহল দ্রুত খুলে দেওয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন।
শনিবার (১৭ মে) সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে তারা ‘লং মার্চ টু হল’ কর্মসূচি পালন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মে নতুন হলের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানকে হল প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দেয় প্রশাসন। তবে নিয়োগের পরেও হলে শিক্ষার্থী তোলার ব্যাপারে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, “দীর্ঘদিন ধরে হল চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাদের ঘুরানো হচ্ছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও হ্যামার টেস্ট ও নানা অজুহাতে হল খোলা হচ্ছে না। এতে আমরা চরমভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।”
চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমাদের পড়াশোনা প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। অথচ এখনও হলে উঠতে পারছি না—এটা আমাদের জন্য মানসিকভাবে কষ্টদায়ক। আমরা বাইরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছি। সেখানে বাড়িওয়ালাদের দুর্ব্যবহার ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।”
আন্দোলনের এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা নতুন ছাত্রহল-২ এর সামনে অবস্থান নিলে সহকারী প্রভোস্টরা উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
সহকারী প্রভোস্ট রেদওয়ান আহমেদ বলেন, “হলটি এতদিন আমাদের অধীনে ছিল না। সম্প্রতি আমরা দায়িত্ব পেয়েছি। তবে এ সময়ের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার কারণে হল সংক্রান্ত কোনো নোটিশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে প্রভোস্ট টিম সকল অফিসিয়াল আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করেছে। বিষয়টি উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবগতিতে রয়েছে। আজ অথবা আগামীকাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং আগামী ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে।”
অনশন ভাঙালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব দাবি মেনে নিয়েছে সরকার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টানা তিন দিন প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার রাস্তায় অবস্থানের কর্মসূচির পর শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে সরকার।
শুক্রবার (১৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজের উপস্থিতিতে এ ঘোষণা দেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন বাজেট বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজেট বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রথম দাবি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আবাসন সংকট নিরসনে অস্থায়ী হল নির্মাণে খুব দ্রুত এ কাজ শুরু হবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অতি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সারা দিন এটা নিয়ে কাজ করেছি। ইউজিসি একটি পরিবার হিসেবে সবাই মিলে সমাধান করতে পারব। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি একসঙ্গে বসে সব সমাধান করব। আপনাদের সব দাবি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।
এসময় ইউজিসি চেয়ারম্যান দাবি আদায়ের জন্য গণঅনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান।
জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছউদ্দীন বলেন, আমাদের চতুর্থ দাবি ছিল আমাদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। হামলার ঘটনায় পুলিশ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এ ছাড়া সাত দিনের মধ্যে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া সরকার আমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে।
ইবি ভিসিকে নজরদারিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের চেষ্টা প্রো-ভিসির
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর কার্যালয়ে নজরদারিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে ভিসির অনুমতি ছাড়াই এ কাজ করার অভিযোগ উঠে। পরবর্তীতে ভিসির নির্দেশে ক্যামেরা খুলতে বাধ্য হন কর্মচারীরা। তবে বিষয়টি ভুল বুঝাবুঝি বলে দাবি করেছেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী।
জানা যায়, কিছুদিন আগে প্রোভিসির কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা মেরামতের জন্য আইসিটি সেলে নোট পাঠান প্রোভিসি। পরে কাজ শুরু করতে দেরি করায় আইসিটি সেলের ইলিয়াস জোয়ার্দারের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার 'ইউনিক কম্পিউটার' নামক প্রতিষ্ঠানকে এ কাজ করতে নির্দেশ দেন এম এয়াকুব আলী।
সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজে নিয়জিত কর্মচারী তুষার বলেন, প্রোভিসি স্যার আমাকে বলেছিলো যে,' ভিসি স্যারের ঐ জায়গায় অনেক ঝামেলা হয়, আমি অফিস থেকে যেতে দেরি হয়। এজন্য মাঝে মাঝে রাগারাগি করে। তুমি ঐ জায়গায় একটা ক্যামেরা দিয়ে দাও।' পরে আমি ক্যামেরা লাগিয়ে প্রোভিসির স্যারের অফিসে ক্যামেরাগুলোর কানেকশন করে চলে আসি। ক্যামেরা খোলার বিষয়ে কর্মচারী তুষার বলেন,
আজকে সকালে বিল সাবমিট করতে আসলে ভিসি স্যার ডেকে নিয়ে রাগারাগি করে ক্যামেরা খুলে ফেলতে বলেন। পরে স্যারের কার্যালয়ের সামনের ক্যামেরা খুলে ফেলছি।
এ বিষয়ে উপাচার্যের পিএস গোলাম মাহফুজ মঞ্জু বলেন,'আমি ঢাকায় থাকায় এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। প্রক্টর স্যার ভালো বলতে পারবেন।'
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহান আলী বলেন, 'প্রো-ভিসি স্যার অনেকদিন আগে আমাদেরকে ফাইল পাঠাইছিলো। ঐ ফাইল এখনো চলমান আছে। তারপরে ভিসি স্যার সিসি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এরমধ্যে আর একটা বিষয় আমি শুনেছি, প্রো-ভিসি স্যারও ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। সে বিষয়ে আমিও কনফার্ম না।
আরও পড়ুন
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহীনুজ্জামান বলেন, 'প্রোভিসি স্যার সিসি তার কার্যালয়ে ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে ভিসি স্যারের কার্যালয়ের সামনে একটা ক্যামেরা লাগানো হয়। ভিসি স্যার বিষয়টি জানতে পারলে তা খুলে ফেলার নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন,'যারা কাজ করেছে তারা বুঝতে ভুল করেছে। আমি তাদের বলেছি তিন তলার সিঁড়িতে একটা লাগাতে যেটার কানেকশন থাকবে আমার রুমে। আর ভিসি স্যারের রুমের সামনের ক্যামেরার কানেকশন থাকবে ভিসি স্যারের রুমে।'
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য