ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বই মেলায় আসছে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীর কাব্যগ্রন্থ 'মন করিডোরে আলোর মিছিল'

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জানুয়ারি, ২০২৪ ২২:৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
বই মেলায় আসছে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীর কাব্যগ্রন্থ 'মন করিডোরে আলোর মিছিল'

রাসেল হোসেন, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুবায়েদ মোস্তফার পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ আসছে এবারের একুশে বইমেলায়। জুবায়েদ মোস্তফা লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী।

বইমেলায় প্রকাশিতব্য কাব্যগ্রন্থের নাম ‘মন করিডোরে আলোর মিছিল’। এতে গদ্যছন্দ এবং স্বরবৃত্ত ছন্দে রচিত জীবন থেকে নেওয়া জীবনমুখী বাস্তবধর্মী কবিতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতাগুলোর মাঝে একজন মানুষ হুবহু নিজেকে খুঁজে পাবে।

২০২০ সালে অগ্নিশিখা বই প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্য অঙ্গনে নিজের সক্ষমতা জানান দেন।করোনার প্রবল ঝাঁকুনিতে মানুষ যখন নিজেকে হারিয়ে খুঁজেছে ঠিক তখনি ২০২১ সালে জুবায়েদ মোস্তফার দ্বিতীয় বই আলো আঁধারের সন্ধিক্ষণ প্রকাশ করে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসেন।বইটি প্রকাশ করেন বিসর্গ প্রকাশনী। ২০২২ সালে লেখকের তৃতীয় বই "রঙিন ফুলের স্বপ্ন" প্রকাশের মাধ্যমে তৈরি করে নেন নিজস্ব জগৎ। ২০২৩ সালে চতুর্থ বই সাইক্লোনের শহরে সন্ধি প্রকাশ হলে ব্যাপক সাড়া ফেলে পাঠক মহলে।

বহু প্রতিভার অধিকারী এই শিক্ষার্থী বাংলার প্রকৃতি ও ভোরের পাখি কবিতার জন্য কলকাতা মহানগরী সাহিত্য পুরস্কার, ‘তোমার সীমানায়’ কবিতার জন্য সময়ের সুর সাহিত্য পুরস্কার- ২০২২ লাভ করেন। ডাক বাংলা সাহিত্য পরিষদ থেকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মৃতি পদক ২২, সুকান্ত ভট্টাচার্য স্মৃতি পদক রয়েছে তার ঝুলিতে। এছাড়া জাতীয় পত্রিকায় লেখালেখির নৈপুণ্যে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বশেমুরবিপ্রবি শাখার ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষসেরা লেখক নির্বাচিত হন।

মন করিডোরে আলোর মিছিল সম্পর্কে জানা যায়,মানুষের জীবনের খন্ড খন্ড চিত্র খুব নিখুঁতভাবে প্রদর্শনী করা হয়েছে বইয়ে। রংধনুর মত মানুষের জীবনে যে রঙ পরিবর্তন হয় সেটা খুব সাবলীল ভাবে দেখানো হয়েছে। "প্রণয় কথনে রাখবো যতনে" অধ্যায়ের মাধ্যমে ভালোবাসার জয় গান গেয়েছেন, মানুষের জীবনের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ ভালোবাসা। ভালোবাসার বাঁকা হাসিতে কখনো কখনো বিচ্ছেদের সুর লুকানো এটাও স্পষ্ট ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে "বিচ্ছেদের ঐ মলিন সুরে থেকো নাকো আর দূরে" নামক পাঠের আদলে।মানুষ সময়ের পরিক্রমায় হয়ে উঠে বিদ্রোহী, বাস্তবতা লেপ্টে যায় জীবনে চমৎকার ভাবে দেখানো হয়েছে মোনালিসার চিত্রকল্প অঙ্কনের মাধ্যমে।

নতুন কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের বিষয়ে তরুণ লেখক জুবায়েদ মোস্তফা বলেন, মানুষের জীবনচিত্র, প্রকৃতি এবং বাস্তবতার সংমিশ্রণে বইটি সাজানোর চেষ্টা করছি। জীবন ধর্মী কবিতাগুলো পড়তে গিয়ে একজন পাঠক নিজেকে খুঁজে পাবে। নতুন আঙ্গিকে সাজানো এবারের বইটি‌।এবারের বইটি প্রণয় কথনে রাখবো যতনে, বিচ্ছেদের ঐ মলিন সুরে থেকো নাকো আর দূরে, মোহ ছেড়ে দ্রোহের পথে বাস্তবতার ছোঁয়া জীবন রথে, এই তিনটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। মানুষের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের খন্ড চিত্র বইয়ে স্থান দেওয়ার চেষ্টা করেছি‌।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বশেমুরবিপ্রবির ৬৮ শিক্ষক শিক্ষার্থী

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৮ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৪:৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বশেমুরবিপ্রবির ৬৮ শিক্ষক শিক্ষার্থী

    বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ আলপার ডগার (এডি) "সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাংকিং–২০২৪" এ বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি ) সর্বমোট ৬৮ জন গবেষক জায়গা করে নিয়েছেন। র‍্যাংকিংয়ে সারা বিশ্বের ২২ হাজার ৭৭৪টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯১ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক আছেন।

    এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্সের অফিসিয়াল ওয়েব পেজে এই তালিকা প্রকাশিত হয়।

    তালিকায় দেখা যায়, এ বছরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষকদের মধ্যে প্রথম স্থানে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দীপংকর কুমার। তিনি গাণিতিক বিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণা করে বশেমুরবিপ্রবিতে প্রথম, বাংলাদেশে ২৯৭তম, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ৫৮ হাজার ৮১৫.

    বশেমুরবিপ্রবিতে গবেষকদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন জাহিদুল ইসলাম শুভ (বাংলাদেশে ৩৪৬তম)। ৩য় অবস্থানে আছেন মিলন মন্ডল (বাংলাদেশে ১০২৫ তম)।

    ‘আলপার ডজার সায়েন্টিফিক ইনডেক্স’ এমন একটি জরিপ যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের গবেষকদের অ্যাকাডেমিক প্রকাশনায় তাদের কর্মদক্ষতাকে স্থান দেওয়া হয়। বিজ্ঞানী ও গবেষকদের গুগল স্কলারের রিসার্চ প্রোফাইলের গত ছয় বছরের গবেষণার এইচ-ইনডেক্স, আইটেন-ইনডেক্স ও সাইটেশন স্কোরের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করে থাকে এডি সায়েন্টিফিক। বিশ্বের সেরা গবেষক, মহাদেশভিত্তিক সেরা গবেষক এবং দেশভিত্তিক সেরা গবেষকের তালিকা প্রকাশ করা হয় এই র‍্যাংকিংয়ে।

    এবারে সেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকের তালিকায় সারা বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়ং পুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এইচ. জে. কিম। একক বিশ্ববিদ্যালয় হতে সর্বাধিক সংখ্যক গবেষক হিসেবে উক্ত তালিকায় প্রথম স্থানে আছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

    এশিয়া মহাদেশ থেকে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২১৭ জন। বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার ৩৩ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক আছেন এবারের জরিপে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬৬৫ জন এ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরেই আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) যেখান থেকে তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ৫০৩ জন। এরপরই ৪৮৩ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক নিয়ে তালিকায় তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      টানা ৪ বছর ধরে বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৮ জানুয়ারি, ২০২৪ ১২:৫৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      টানা ৪ বছর ধরে বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান

      বিশ্বব্যাপি সেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নিয়ে নিয়মিত বার্ষিক তালিকা প্রকাশ করে থাকে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং প্রস্তুতকারী সংস্থা আলপার ডগার (এডি) সায়েন্টিফিক ইনডেক্স।

      এবার সায়েন্টিফিক ইনডেক্সের তালিকায় বাংলাদেশের ২০১টি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার ৩৩ জন গবেষক ও বিজ্ঞানী স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।

      বিশ্বসেরা গবেষক ও বিজ্ঞানিদের নিয়ে প্রকাশিত এই তালিকায় বরাবরের মতো স্থান করে নিয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. কামরুজ্জামান। বর্তমানে তিনি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) কর্মরত রয়েছেন।

      মো. কামরুজ্জামান মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৯ গবেষকের মধ্যে ৭ম স্থানে এবং বাংলাদেশে ৭০৫তম স্থানে রয়েছেন। এছাড়া ল অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ ক্যাটাগরির ক্রিমিনোলজি, ভিকটিমোলজি ও এ সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম, বাংলাদেশে ২য়, এশিয়ায় ১১৭ এবং বিশ্বে ২ হাজার ৫১তম স্থানে রয়েছেন।

      জানা যায় ২০১৯ সালে পুলিশের উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। চাকরির পাশাপাশি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে অপরাধাবিজ্ঞান সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নিরলস গবেষণা করে আসছেন। আগামীতেও তিনি দেশের অপরাধের ধরণ ও কারণ অনুসন্ধান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, পুলিশের সার্বিক সংস্কার ও আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে এ সকল গবেষণা তিনি চলমান রাখবেন।

      ২০২১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স প্রকাশিত বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন কামরুজ্জামান। ২০২১ সালের পর থেকে প্রতি বছরই মাভাবিপ্রবির গবেষকদের মধ্যে সেরা দশে স্থান পেয়েছেন মাভাবিপ্রবির সাবেক এই শিক্ষার্থী। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ও দেশে প্রথমসারিতে স্থান পেয়ে আসছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

      এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্সের ২০২৪ সালে প্রকাশিত তালিকায় বিশ্বের ২১৯টি দেশের ২২ হাজার ৭৬৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯৩ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক স্থান পেয়েছেন।

      প্রসঙ্গত, এডি’র সায়েন্টিফিক ইনডেক্স সূচকটিতে গবেষকদের বিশ্লেষণ ও বিষয়গুলো নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে গণ্য করা হয়। কৃষি ও বনায়ন, কলা, নকশা ও স্থাপত্য, ব্যবসায় ও ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, ইতিহাস দর্শন ও ধর্মতত্ত্ব, আইন, চিকিৎসা, প্রকৃতিবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞানসহ মোট ১২টি ক্যাটাগরিতে প্রতি বছর এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিভাগে প্রথম; শিক্ষা ক্যাডারে দ্বিতীয় রাবির রনি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৫:১৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বিভাগে প্রথম; শিক্ষা ক্যাডারে দ্বিতীয় রাবির রনি

        রাবি প্রতিনিধি: ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডারের ইংরেজি বিষয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার রনি।

        এর আগে ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স পরীক্ষায় নন-থিসিস গ্রুপ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন শাহরিয়ার রনি।

        শিক্ষা ক্যাডারে দ্বিতীয় হওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে শাহরিয়ার রনি বলেন, "মহান আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞ আমি। রোলটা রেজাল্ট শীটে খুঁজে পাওয়ায় ভীষণ খুশি হয়েছিলাম; আর শিক্ষা ক্যাডারের ইংরেজি বিষয়ের মেধাতালিকার প্রথম দিকে নিজের রোলটা দেখতে পাওয়া আরো নতুন মাত্রা যোগ করে।"

        ডিপার্টমেন্টে ভালো রেজাল্ট করার পেছনে আগে থেকেই শিক্ষক হওয়ার ইচ্ছেটা ছিল কি না?—এই প্রশ্নের উত্তরে রনি জানান, "ইংরেজি বিভাগে ভালো করাটা আসলে পরবর্তীতে শিক্ষক হতে সাহায্য করবে তেমন মানসিকতা থেকে হয়নি। আমি মোটামুটি প্রথম থেকেই বিসিএস নিয়ে আগ্রহী ছিলাম; সেই হিসাবে ডিপার্টমেন্টে প্রথম দিকে থাকতেই হবে এমন প্রয়োজন অনুভব করিনি। তবে ডিপার্টমেন্টে ভালো করার প্রধান কারণ: প্রথমত আল্লাহর সাহায্য; দ্বিতীয়ত, সাহিত্যের প্রতি ভালো লাগা আগে থেকেই ছিল, কারণ আমার বড় ভাই নিজেও ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন এবং বর্তমানে একটি সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।"

        তিনি আরও বলেন, "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে আসার পর সসম্মানিত শিক্ষকগণ ও তাদের নির্দেশনা; ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ও বন্ধুদের মধ্যে বিভিন্ন আইডিয়া, ফিলোসোফি নিয়ে ডিসকাশন সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসাটা আরও বাড়িয়ে দেয়। এজন্যই যতটুকু অর্জন তা সম্ভব হয়েছে।"

        বিসিএস পরীক্ষার জন্য নিজের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শাহরিয়ার রনি বলেন, "প্রিলিমিনারি পরীক্ষা যেহেতু লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বাছাই পর্ব; তাই প্রিলির ক্ষেত্রে যত মার্কস পেলে রিটেনের জন্য মনোনীত হওয়া সম্ভব, তত মার্কের আশেপাশের টার্গেট নিয়ে প্রস্তুতি নিতাম। রিটেনে সবগুলো বিষয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি, পরীক্ষায় টাইম মেনেজমেন্টের উপর গুরুত্ব দিয়েছি। সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আসার চেষ্টা করেছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে। ভাইভাতে সাবলীল থাকার চেষ্টা করেছি। উত্তর দেবার সময় জড়তা যেন না আসে সেদিকে সতর্ক ছিলাম। ইংরেজি সাহিত্য বিভাগ থেকে যা যা শিখেছি, সেগুলো এখানে অনেক সহযোগিতা করেছে।"

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ১ লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে বেরোবির শাহাদাতের সফল উদ্যেক্তা হওয়ার গল্প

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ ২০:৪৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১ লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে বেরোবির শাহাদাতের সফল উদ্যেক্তা হওয়ার গল্প

          বেরোবি প্রতিনিধি: করোনাকালীন সময়ে মাত্র ১লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসাইন এখন সফল উদ্যোক্তা।মাসে আয় দশ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

          শাহাদাত হোসাইনের বাড়ি তারাগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বেরোবি থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পূর্ণ করেছেন।শাহাদাত হোসাইনের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনে আমার মামার কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়েছি।তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন।দেখতাম মামা সবার খরচ চালানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। আমারও পড়াশোনায় যতটাকা লাগে উনিই দিতেন।

          আমিও তখন মামাকে দেখে ভাবলাম আমি যদি চাকুরী করি সে ক্ষেত্রে আমি আমার স্ত্রী,সন্তানের দায়িত্ব নিতে পারবো।আর মা-বাবাকে তো দেখা লাগবেই।কিন্তু আমি আমার ভাগিনী,ভাতিজি ভাগিনা এদের দায়িত্ব তো নিতে পারবো না।

          আর চাকুরীর ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান মুখস্থ করে চাকুরী নেওয়া লাগবে এটা আমার ভালো লাগে নাই।বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এমবিএ শেষ করলাম। আবার কেনো আমি আরো পাঁচ বছর মুখস্থ পড়া পড়ে চাকরির পিছনে ছুটতে যাবো।মূলত সবার দায়িত্ব নিতে ও চাকরির ব্যবস্থাকে ভালো লাগে নাই এবং তৃতীয় সমাজের জন্য কিছু একটা করতে লাগবে।এখান থেকেই আমি তখন ভানলাম উদ্যোক্তা হবো।

          শাহাদাত বলেন,যখন আমি দোকানে কোনো জিনিস কিনতে যেতাম তাদের পণ্য গুলো ভালো মানের ছিলো না আর একটা বিষয় আমি কোনো পণ্যের জন্য দামাদামি করতে পারতাম না।এসব দেখে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকার মত ছিল আর মায়ের কাছ থেকে চল্লিশ-পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকা দিয়ে ব্যবসায় শুরু করি।

          ক্রাফট ফান্ডিং এর মাধ্যমে সততাবিডি নামে একটা কোম্পানি দার করিয়েছি।এখানে বিনিয়োগ করার অপশন রেখেছি।অনেকে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।দিনদিন বিনিয়োগকারির সংখ্যা বাড়তেছে।এই কোম্পানিতে আমি একাই কাজ করি।কারণ আমি অন্যের জীবনের ঝুঁকি কেনো নিবো।আগে কোম্পানিকে দ্বার করবো তারপর এখানে অনেকে কাজ করার সুযোগ পাবে।তবে এক্ষেত্রে বিনিয়োগ কারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

          সততাবিডি নাম রাখার পিছনে কারণ জানতে চাইলে তিনি বলে, আমি সততার সাথে ব্যবসা করতে চাই।কাস্টমারকে ঠকাতে চাই না।মানুষকে ঠকানোর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে চাই না এজন্য মূলত সততাবিডি নাম রাখা হয়েছে।

          আপনার ক্রেতা কারা এবং বিনিয়োগ কারীদের মধ্যে কারা আছেন এমন প্রশ্নে শাহাদাত বলেন,কোচিং সেন্টার,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ সকল পেশার মানুষ এবং পুরো বাংলাদেশে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য ডেলিভারি করে থাকি।আর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী,শিক্ষক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।আর লভ্যাংশ কোম্পানির লাভের উপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ কারীদের দেওয়া হয়।

          তিনি বলেন,রংপুরের হাড়িয়াভাঙ্গা আম,বগুড়ার দই, শার্ট, টি-শার্ট, জার্সি,খেজুরের বিভিন্ন প্রকার খাঁটি গুড়।যেমন পাটালি গোল গুড়,পাটালি ফয়েল প্যাকেট গুড় ইত্যাদি।

          আমার ফান্ডিং এর ঘাটতি রয়েছে।ফান্ড বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন প্রকার পণ্য যুক্ত করবো।সেটা করতে একটু সময় লাগবে।প্লান অনেক বড় তবে শুরু করা হয়েছে ছোট করে।

          পরিবারের বাধা আছে কি না? শাহাদাত বলেন,পরিবারের বাধা তো আছেই চাকরি করবো না বলে অভিমান করে বের হয়ে চলে আসা লাগছে।আমি আমাদের দেশের চাকরি পাওয়ার যে প্রশ্নপদ্ধতি প্রচন্ড ঘৃণা করতাম তার অনেক কারন আছে।অবশ্য দোষটা আমাদের সমাজের কারন চাকরি চাকরি করে সবার মাথা খেয়েছে।মা অসুস্থ হলে তখন তখন বাড়িতে যাই কিন্তু কিছুক্ষণ থেকে চলে আসি আর ফোনে তেমন কথা হয় না। আমার মা-মামাকে অনেক ভালোবাসি

          যারা নতুন উদ্যোক্তা হতে চান তাদের উদ্দেশ্যে শাহাদাত বলেন, আপনার প্যাশন কি বলে আপনার মন কি চায় সেটাকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং আপনি কোন বিষয়ে পারদর্শী কোন কাজটা করলে আপনাকে ভালো লাগে সেটাই করতে হবে।

          এম কে পুলক আহমেদ/

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত