শিরোনাম
বাংলার বদ্বীপ সৃষ্টি হলো কীভাবে?
হাজার বছরের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠেছে বাংলার বদ্বীপ—যা আজ বিশ্বের বৃহত্তম নদীবাহিত ডেল্টা হিসেবে পরিচিত। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা—এই তিন প্রধান নদীর পলি সঞ্চয়ের ফলেই গঠিত হয়েছে এই বিশাল ভূখণ্ড, যার অধিকাংশই বর্তমান বাংলাদেশে অবস্থিত।
বাংলার বদ্বীপ সৃষ্টি হলো কীভাবে?
ভূতাত্ত্বিকদের মতে, প্রায় ছয় থেকে দশ হাজার বছর আগে হিমালয়ের হিমবাহ গলে সৃষ্ট নদীগুলো বিপুল পরিমাণ পলি বয়ে আনে দক্ষিণ দিকে। বাংলাদেশের সমতল ভূমিতে এসে নদীর গতিবেগ কমে যায়, ফলে এই পলি ধীরে ধীরে নদীতল ও তীরবর্তী অঞ্চলে জমা হতে থাকে। দীর্ঘকাল ধরে জমতে থাকা এই পলিই তৈরি করেছে আজকের বাংলার বদ্বীপ।
বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর দিক থেকে, ব্রহ্মপুত্র তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চল থেকে এবং মেঘনা আসাম ও ত্রিপুরা অঞ্চল থেকে নেমে এসে বাংলার সমভূমিতে মিলিত হয়। এই মিলনস্থলেই পলি জমে নতুন ভূমি বা চর সৃষ্টি হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব চর একত্রে মিলিত হয়ে বিশাল বদ্বীপ অঞ্চল তৈরি করেছে।
বাংলার ২টি ভূমি ছাড়া পুরোটাই ছিল বঙ্গপসাগরের অংশ! বাংলার বদ্বীপ সৃষ্টি হলো কীভাবে?
দক্ষিণাঞ্চলের ভূখণ্ড বিশেষভাবে নতুন পলিতে গঠিত বলে একে “নিম্ন বদ্বীপ” বলা হয়। অন্যদিকে, উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনামূলক পুরোনো ভূমিকে ধরা হয় “উচ্চ বদ্বীপ” হিসেবে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এখনো এই বদ্বীপের গঠন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। প্রতিবছর বর্ষার সময়ে নদীগুলো পাহাড়ি বন্যার সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পলি নিয়ে আসে, যা বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জমে নতুন চর তৈরি করছে। ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও বরিশাল অঞ্চলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক নতুন ভূমির উত্থান তারই প্রমাণ।
নদীর পলির সঞ্চয়ে গড়ে উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডেল্টা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বদ্বীপের এই পলি সমৃদ্ধ মাটি বাংলাদেশের কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। তবে একইসঙ্গে নদীর গতিপথ পরিবর্তন, ভাঙন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এই বদ্বীপ অঞ্চলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে।
প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে গঠিত এই বদ্বীপ আজ বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, কৃষি এবং সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর ও প্রাণবন্ত বদ্বীপগুলোর মধ্যে বাংলা বদ্বীপ তাই আজও এক অনন্য ভূ-অবয়বের প্রতীক।
শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০তম
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে ৬ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স-এর হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যাংকিংয়ের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে সংস্থাটি। সেখানে দেখা যায়, তালিকার ১০৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০তম। এই অবস্থানে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে আছে উত্তর কোরিয়া।
তিন মাস পরপর এই তালিকা প্রকাশ করে হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স। সর্বশেষ তালিকাটি প্রকাশ হয়েছিল গত জুলাই মাসে। সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৪তম।
বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা অবশ্য এখনও ৩৮টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন। এই দেশগুলো হলো- বাহামা, বার্বাডোজ, ভুটান, বলিভিয়া, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, বুরুন্ডি, কম্বোডিয়া, কেপ ভার্দ আইল্যান্ডস, কোমোরো
আইল্যান্ডস, কুক আইল্যান্ডস, জিবুতি, ডমিনিকা, ফিজি, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মাদাগাস্কার, মালদ্বীপ, মাইক্রোনেশিয়া, মন্তসেররাত, মোজাম্বিক, নেপাল, নিউই, রুয়ান্ডা, স্যামোয়া, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, শ্রীলংকা, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনেস, গাম্বিয়া, তিমুর, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, টুভ্যালু এবং ভানুয়াতু।
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের অক্টোবরের তালিকায় বাংলাদেশের পেছনে থাকা বাকি ৬টি দেশ হলো নেপাল (১০১ তম), সোমালিয়া (১০২ তম), পাকিস্তান (১০৩ তম), ইয়েমেন (১০৩ তম), ইরাক (১০৪ তম), সিরিয়া (১০৫ তম) এবং আফগানিস্তান (১০৬ তম)।
এ তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশের নাম সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯৩টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন। আর দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের পাসপোর্টধারীরা ভ্রমণ করতে পারবেন যথাক্রমে ১৯০ এবং ১৮৯টি দেশে।
চতুর্থ অবস্থানে আছে জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, স্পেন এবং সুইজারল্যান্ড। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৮টি দেশে যেতে পারবেন ভিসা ছাড়া। পঞ্চম অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারবেন ১৮৭টি দেশে।
বিশ্বের প্রথম ‘বিটকয়েন জাতি’ এল সালভাদরের ভাগ্যে কী আছে
আগামী মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে এল সালভাদর। বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে দেশটি এ দিন বিটকয়েনকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চলেছে। প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে মত দিয়েছেন—এই উদ্যোগ সালভাদরের প্রবাসীদের কোটি কোটি ডলার সাশ্রয় করবে। কারণ, প্রচলিত মুদ্রায় দেশে অর্থ পাঠাতে গেলে ব্যাংকগুলো প্রচুর কমিশন কেটে রাখে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, দেশটির বড় অংশ এখনো এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ভুগছে।
বিটকয়েনে রেমিট্যান্সের লাভ-ক্ষতি
গত বছর বিদেশে থাকা সালভাদরবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২৩ শতাংশ। প্রেসিডেন্ট বুকেলে দাবি করেছেন, বিটকয়েন ব্যবহার করলে রেমিট্যান্স পাঠানোর কমিশন বাবদ বছরে তাঁদের প্রায় ৪০ কোটি ডলার সাশ্রয় সম্ভব হবে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক প্রবাসী ও তাঁদের পরিবার এখনো এই ডিজিটাল মুদ্রার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। তা ছাড়া বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এল সালভাদর ইতিমধ্যে ডলারভিত্তিক অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স খরচ করা দেশগুলোর একটি। বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করে বললে—এল সালভাদর ২০০১ সাল থেকে ডলারভিত্তিক অর্থনীতি অনুসরণ করছে, অর্থাৎ দেশটির সরকারি মুদ্রা হচ্ছে মার্কিন ডলার। ফলে প্রবাসীরা যখন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য দেশ থেকে অর্থ পাঠান, সেখানে মুদ্রা রূপান্তরের ঝামেলা বা অতিরিক্ত ফি লাগে না।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে এল সালভাদরে অর্থ পাঠাতে গড়ে ২–৩ শতাংশ কমিশন খরচ হয়, যেখানে লাতিন আমেরিকার অনেক দেশের ক্ষেত্রে তা ৬–৮ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। অর্থাৎ এল সালভাদরে অর্থ পাঠানো তুলনামূলকভাবে অনেক সস্তা ও সহজ।
তবে প্রেসিডেন্ট বুকেলের যুক্তি হলো—বিটকয়েন ব্যবহারে এই খরচ আরও কমানো সম্ভব।
এদিকে দেশটির মাত্র ৩০ শতাংশ মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ফলে অনেকে আশা করছেন, বিটকয়েনের মাধ্যমে দেশটিতে আরও বেশি মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ঘটতে পারে। তবে ২০২০ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের মধ্যে এল সালভাদরের মানুষদের ইন্টারনেটে প্রবেশের হার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন—যা বিটকয়েন ব্যবহারে বড় বাধা হতে পারে।
পরিবেশগত উদ্বেগ
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে একটি বড় বিতর্ক—এর পরিবেশগত প্রভাব। ডিজিটাল মুদ্রা তৈরিতে বা মাইনিংয়ে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে, যা কার্বন নির্গমন বাড়ায়। ব্যাংক অব আমেরিকার হিসাবে, বৈশ্বিক বিটকয়েনশিল্প থেকে বছরে প্রায় ৬ কোটি টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসৃত হয়, যা ৯০ লাখ গাড়ির নিঃসৃত কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমান।
তবে বুকেলে এই সমালোচনার জবাবে জানিয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রীয় ভূতাপীয় বিদ্যুৎ কোম্পানি ‘লাজিও’-কে আগ্নেয়গিরির শক্তি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব বিটকয়েন মাইনিংয়ের পরিকল্পনা করতে বলেছেন।
নিয়ন্ত্রক ও আর্থিক ঝুঁকি
বিটকয়েনের স্বাধীন লেনদেন অনেকের কাছে দারুণ উদ্ভাবন মনে হলেও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এটিকে আর্থিক ঝুঁকি হিসেবে দেখছে। কারণ, এর মাধ্যমে মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও ট্যাক্স এড়ানোর আশঙ্কা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে ফিচ ও আইএমএফ।
ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ‘ফিচ’ জানিয়েছে, পুঁজি লাভে কর না থাকায় ও বিটকয়েনে ট্যাক্স পরিশোধের সুযোগ থাকলে বিদেশি অবৈধ অর্থপ্রবাহের ঝুঁকি থাকবে। এই আশঙ্কায় ‘মুডিস’ ইতিমধ্যে এল সালভাদরের ক্রেডিট রেটিং কমিয়ে দিয়েছে। ফলে দেশটির ডলার বন্ডে চাপ বেড়েছে।
বিনিময় ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ
বিটকয়েন ও ডলারের রূপান্তর সহজ করতে এল সালভাদরের সরকার ১৫ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠন করেছে। কিন্তু ডিজিটাল মুদ্রার অস্থির মূল্যমান—যার দাম এক দিনেই শত শত ডলার বেড়ে যেতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে—অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। এমন অবস্থায় বিমা কোম্পানি ও ব্যাংকগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছে ফিচ।
তারপরও এল সালভাদরের উপকূলীয় শহর এল জোন্টেতে বিটকয়েন ইতিমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেখানকার অভিজ্ঞতা বলছে, প্রযুক্তিগত বাধা না থাকলে এটি বিদেশি আয়ের ক্ষেত্রে নতুন দরজা খুলে দিতে পারে।
বিশ্ব প্রাণী দিবস আজ
বিশ্ব প্রাণী দিবস আজ। ‘প্রাণী বাঁচান, গ্রহ বাঁচান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রাণীদের অধিকার নিশ্চিতে ৪ অক্টোবর দিবসটি পালিত হয়ে থাকে।
জানা গেছে, বিশ্ব প্রাণী দিবস সর্বপ্রথম হেনরিক জিম্মারমেন নামের একজন জার্মান লেখক ও প্রকাশক মেন্স উন্ড হুন্দ (মানুষ ও কুকুর) নামের একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশ করেছিলেন। তিনিই প্রথম ১৯২৫ সালের ২৪ মার্চ জার্মানির বার্লিন স্পোর্ট প্যালেসে এ দিবস উদযাপন করেন। সেখানে ৫ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেয়।
পরে ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে পরিবেশবিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে ৪ অক্টোবরকে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
সেই থেকে প্রাণীদের কল্যাণার্থে ও তাদের অধিকার রক্ষার্থে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ৪ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব প্রাণী দিবস। সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ন্যাচার ওয়াচ ফাউন্ডেশন। এ ছাড়াও দেশে দেশে প্রাণী কল্যাণমূলক সংস্থা দিবসটি পালন করে থাকে।
দি অ্যাঞ্জেল মেকার : যারা শত শত পুরুষকে হত্যা করেছিল!
“একটা গ্রাম, যেখানে শত শত পুরুষ মারা যাচ্ছিল… আর তাদের মেরে ফেলছিল কারা জানেন? নিজেদের স্ত্রী!”
সময়টা ১৯২৯ সালের ডিসেম্বর, হাঙ্গেরির ছোট শহর সলনোকের একটি স্থানীয় আদালতে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মামলাটি কাছের নাগিরেভ গ্রামকে কেন্দ্র করে, যেখানে স্বামীদের ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল কয়েক ডজন নারীকে।
কে দিলো বিষ?
গ্রামের নারীরাই! তাদের ডাকনাম ছিল—Angel Makers। মানে যারা কাউকে মেরে ‘পরলোকে পাঠিয়ে দেয়।
বেশিরভাগ সময় টার্গেট ছিল স্বামীরা। কখনো কখনো অবাঞ্ছিত শিশুও।
১৯২৯ সালে ব্যাপারটা সামনে আসে। প্রায় ৫০ জন নারীকে একসাথে আদালতে তোলা হয়। পুরো হাঙ্গেরি অবাক হয়ে যায়।
নিউ ইয়র্ক টাইমস সে সময় প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল যে পুরুষদের বিষ প্রয়োগের অভিযোগে প্রায় ৫০ জন নারী বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন। সংবাদপত্রটি উল্লেখ করে, ১৯১১ থেকে ১৯২৯ সালের মধ্যে, বুদাপেস্ট থেকে ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত কৃষকদের একটি বসতি নাগিরেভে ৫০ জনেরও বেশি পুরুষকে আর্সেনিক দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
“ভাবতে পারেন? একটা গ্রামই তখন হয়ে গিয়েছিল ‘মার্ডার কেপিটাল’।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য