ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ফেসবুকে কত ভিউয়ে কত আয়, জেনে নিন সহজ হিসাব

অনলাইন ডেস্ক
২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:২৩
অনলাইন ডেস্ক
ফেসবুকে কত ভিউয়ে কত আয়, জেনে নিন সহজ হিসাব

জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়ের পথ খুলে রেখেছে। চাইলে ফেসবুক মনিটাইজেশন প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে আয় করা যায়। এজন্য মানসম্মত ভিডিও প্রকাশ করা জরুরি। জানুন ফেসবুকে প্রকাশিত ভিডিও কত ভিউ হলে কত টাকা আয় হয়।

ফেসবুক ভিডিওতে আয়

অনেক  ছোট বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ফেসবুকে তাদের কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য ফেসবুককে টাকা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে কিছু কিছু কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বড় অংকের টাকা দেয় ফেসবুককে তাদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। আবার কিছু কিছু কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কম টাকা দেয় তাদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য।

এরপর ফেসবুক ওসব কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনগুলো পেজের বিভিন্ন ভিডিওতে দেখায়। যে কোম্পানি বেশি টাকা দিয়েছে ফেসবুককে সেই কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখালে ভিডিও থেকে বেশি আয় হয়। আবার যে কোম্পানি কম টাকা দিয়েছে ফেসবুককে তাদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য, যখন সেই কোম্পানির বিজ্ঞাপনগুলো ভিডিওতে কম দেখানো হয় তখন কম টাকা আয় হয়।

দেখা যায় কখনো কখনো ১ লাখ ভিউতে ১০ হাজার টাকা আয় হয়। আবার কখনো কখনো কখনো দেখা যায় ১ লাখ ভিউতে ৫ হাজার টাকা আয় হয়।

ফেসবুক ভিডিওতে আয় বাড়ানোর উপায়

  • আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত রুটিন করে ভিডিও আপলোড করতে হবে।
  • ভিডিও কোয়ালিটি দিন দিন বৃদ্ধি করতে হবে।
  • পেজের ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যাকটিভ থাকতে হবে, কমেন্টের রিপ্লাই দিতে হবে, পেইড মার্কেটিং করতে পারেন।
  • ব্র্যান্ডিং তৈরি করার জন্য, ইউটিউবসহ অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন, ও নিয়মিত পোস্ট করুন।
     
প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল, নারী নির্যাতন; তৌহিদ আফ্রিদির কুকীর্তি ফাঁস

    বিনোদন ডেস্ক
    ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৩
    বিনোদন ডেস্ক
    প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল, নারী নির্যাতন; তৌহিদ আফ্রিদির কুকীর্তি ফাঁস
    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথীর বিরুদ্ধে নানা সময়ে প্রতারণা, নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেইল নিয়ে 'ক্রাইম এডিশন' একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে ইউটিউবার ও ব্লগারদের আওয়ামী লীগের পক্ষে জোর করে কাজ করানোসহ তৌহিদ আফ্রিদির নানা কুর্কীতির তথ্য উঠে এসেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩০ জুলাই ২০২৪—অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতার উপর চলে অবর্ণনীয় গণহত্যা।

    সেই গণহত্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বিশেষত ডিবি প্রধান হারুনুর রশিদ ছিলেন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে থাকা ছয় সমন্বয়ককে আটকের পর আন্দোলন এক প্রকার স্তব্ধ হয়ে পড়ে। ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন তার ইউটিউব চ্যানেলে ডিবি প্রধান হারুনুর রশিদের এক নারীর সাথে করা আপত্তিকর একটি ভিডিও আপলোড করেন।
    ওই ভিডিও প্রকাশের পর হারুন ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অভিযান বন্ধ করে নিজের উলঙ্গ ভিডিও সরানোর অভিযানে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
    ওইদিন বিকেলেই হারুনুর রশিদ ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদিকে তার কার্যালয়ে আসতে বলেন। যেভাবেই হোক সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ওই ভিডিও সরাতে আফ্রিদিকে অনুরোধ করেন। হারুনের ভিডিও সরাতে আফ্রিদি বাসা থেকে তুলে আনেন সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপার্ট মোহাম্মদ জুবায়েরকে।

    জুবায়ের জানান, রাতভর তাকে ডিবি কার্যালয়ে আটকে রেখে বিভিন্ন পেজ থেকে হারুনের ভিডিও সরাতে বাধ্য করা হয়।
    প্রতিবেদনে বলা হয়, তৌহিদ আফ্রিদিকে শুধু একজন ইউটিউবার মনে করলে ভুল হবে। বরং তিনি ছিলেন অনলাইন মাফিয়া। তার নিয়ন্ত্রণেই চলতে হতো সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় সব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের। কথামতো না চললেই শুরু হতো নির্যাতন।

    আফ্রিদির কথা না শুনে উপায়ও ছিল না। কারণ, ডিবি, সিআইডি, এটিইউ কিংবা সিটিটিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়া সংশ্লিষ্ট যেকোনো কাজে এসব গোয়েন্দা সংস্থা আফ্রিদিকে ব্যবহার করত।
    ৩০ জুলাই রাতে হারুনুর রশিদের ভিডিও প্রকাশের পর আব্দুল্লাহ আল ইমরান নামে আরেকজনকে তুলে আনা হয়। তাকেও জোরপূর্বক ওই ভিডিও সরানোর কাজে বাধ্য করা হয়।

    তৌহিদ আফ্রিদির নির্যাতনের শিকার হন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্বপন আহমেদ। স্বপনের মূল ‘অপরাধ’ ছিল—তিনি আলেমদের পক্ষে এবং ভারতের বিপক্ষে কনটেন্ট তৈরি করতেন। এ কারণে আফ্রিদি তাকে এ ধরনের কনটেন্ট বানাতে নিষেধ করেন। কিন্তু স্বপন আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে রাজি না হওয়ায় তাকে আদালতের বারান্দায় পর্যন্ত যেতে হয়েছে।

    হাসি-খুশির আবরণে ভয়ঙ্কর এক অন্ধকার জগৎ গড়ে তুলেছিলেন আফ্রিদি। সেই রহস্যময় জগতের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে আছে মানুষের দীর্ঘশ্বাস।

    প্রতিবেদনে আফ্রিদির একটি আস্তানা দেখানো হয়। বলা হয়, নতুন কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে রাজি হলে সেখানে তাকে বরণ করা হতো। তবে ওই আস্তানায় যখন কাউকে শাস্তি দেওয়া হতো, সেই ভিডিও ধারণ করা প্রায় অসম্ভব ছিল।

    তৌহিদ আফ্রিদির নির্মম নির্যাতনের শিকার ব্লগারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুগেছেন সায়েম। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পাশে একটি ভবনে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সায়েমকে ৩০ থেকে ৩৫টি থাপ্পড় মারা হয়। সরকারি বাহিনীর কর্মকর্তাদের সামনেই আফ্রিদি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যা করার হুমকি দেন।

    প্রতিবেদনে আফ্রিদির নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী একজন সেই ভয়াবহ দিনের কথা তুলে ধরেন। ভুক্তভোগী জানান— “যেভাবেই হোক একটা ভিডিও করাবে। যদি কোনো ভিডিও ব্ল্যাকমেইলের জন্য যথেষ্ট না হয়, তখন কী করবে? একটা মেয়ে দিয়ে দেবে। কারণ ওই জিনিস মানুষকে সমাজে কলঙ্কিত করে। কোনদিন যদি ভুক্তভোগী আফ্রিদির বিপক্ষে যায়, তখন ওই ভিডিও দিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে ধ্বংস করে দেয়।”

    প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই আন্দোলন চলাকালে আফ্রিদি দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের হুমকি দিয়ে সরকারের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়েছেন। তাছাড়া, আফ্রিদির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগও উঠেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, দীর্ঘদিন সম্পর্কে থাকার পর আফ্রিদি হঠাৎ করেই তাকে ছুড়ে ফেলে দেয়। পরে তাকে ডিবি অফিসে ডেকে গায়েব করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে সংসার করার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় তার।

    ওই নারী আরও বলেন— 'আমার সাথে সম্পর্কের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করলে উল্টো আফ্রিদি আমাকে হুমকি দেয়, মুনিয়ার মতো আমাকেও পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। আমি জানতে পারি, তার একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি মুনিয়া নামের একটি মেয়ের সাথেও সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করলে সে আমাকে খুব বাজেভাবে রিঅ্যাক্ট করে। সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয়, মুনিয়ার মতো আমারও পরিণতি হবে।'

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই নারীর অভিযোগের সূত্র ধরে কিছু ফোন রেকর্ড হাতে আসে। যেখানে মুনিয়ার বাসায় আফ্রিদির যাতায়াত এবং ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ মেলে। মুনিয়ার সাথে আফ্রিদির সম্পর্ক এবং আরেক প্রেমিকার সাক্ষ্য মিলিয়ে দেখলে হত্যাকাণ্ডের রহস্য ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে।

    আফ্রিদির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দুইটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে—জুলাই আন্দোলনে আসাদুল হক বাবু নামের এক বিক্ষোভকারীকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি জড়িত। আরেকটি মামলা হয়েছে বাড্ডা থানায়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়—২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্য বাড্ডা ফ্লাইওভারের নিচে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর এলোপাতারি গুলি চালায় আফ্রিদি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ‘১% মিডলম্যান, ৫% মিনিস্ট্রির’—উপদেষ্টা আসিফের প্রেস সেক্রেটারির অডিও ফাঁস

      অনলাইন ডেস্ক
      ২১ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৫২
      অনলাইন ডেস্ক
      ‘১% মিডলম্যান, ৫% মিনিস্ট্রির’—উপদেষ্টা আসিফের প্রেস সেক্রেটারির অডিও ফাঁস

      অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারির বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও ফাঁস করেছেন সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর। ফাঁস হওয়া ওই অডিওতে তাকে টেন্ডারের কমিশন নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়।

      সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের দাবি, কথোপকথনটি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রেস সেক্রেটারি মাহফুজ আলমের।


      বুধবার (২০ আগস্ট) রাতে জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুকে অডিওটি ফাঁস করেন। মুহূর্তেই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

      ফেসবুক পোস্টে জাওয়াদ নির্ঝর বলেন, ‘মাহফুজ আলমের (আসিফ মাহমুদের প্রেস সেক্রেটারি) সিডিআর মানে কললিস্ট নিয়ে কাজ করছিলাম। সে দুবাইয়ে রিয়েল স্টেট এবং বিনিয়োগ কম্পানিতে ফোন দেয়।

      আগেও এর ধান্দাবাজির অন্য অডিও ফাঁস হয়েছে।’
      মাহফুজ আলম এবং এই অডিও নিয়ে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন জাওয়াদ নির্ঝর।

      ফাঁস হওয়া অডিওতে মাহফুজ আলমকে এক ব্যক্তির সঙ্গে টেন্ডার নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। কথার এক পর্যায়ে ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তি ৩ পার্সেন্ট কমিশন দেওয়ার কথা বলেন।

      তখন মাহফুজ আলম বলেন, ‘কাজ কনফার্ম করে দিলে ৩ পার্সেন্ট, এটা হইলো। এখন কিছু কাজ চলতেছে, যেগুলো আমি সিক্স পার্সেন্টে করেছি আপনি খোঁজ নেন। ওয়ান পার্সেন্ট মিডলম্যান এবং ফাইভ পার্সেন্ট মিনিস্ট্রির জন্য। এগুলো ফিক্সড থাকে।’
      কাজের প্রসেস সম্পর্কে তাকে বলতে শোনা যায়, আমি যেটা করছি তা হলো অ্যাডভাইজর মহোদয় সাইন করবেন, ফিফটি পার্সেন্ট দিয়ে দেবে; সিসিজিবি পাস হবে, বাকি ফিফটি পার্সেন্ট দিয়ে দেবে।

      তাকে আরো বলতে শোনা যায়, আপনি ওদেরকে বলেন এখন সবগুলো হচ্ছে এই ফরমেটে।
      কথা ঠিক না থাকলে ফাইল আটকে দেওয়ারও হুমকি দেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, ‘আমি ফাইল আটকে রাখব এখন। কমিটমেন্ট ঠিক না থাকলে তো এখন দেখছেন। কথা দুইরকম হইলে কিন্তু সমস্যা হয় বুঝছেন?...আমি আজকে ইজিপি করাব, করায়ে কিন্তু আমি নোয়া (চুক্তিপত্র) ঝুলিয়ে রাখব। আপনি কনফার্মেশন দেবেন এরপরে নোয়া। আর দুইটা ১.৫, দুইটা ১ পার্সেন্ট এগুলো কিন্তু হবে না ভাই; ১.৫ মানে ১.৫, দ্যাটস ইট।’

      সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই অডিও ফাঁস নিয়ে চলছে আলোচনা। অনেকেই ঘটনাটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, বিষয়টি সত্য হলে এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রতি বড় চ্যালেঞ্জ। একজন মন্তব্যে লিখেছেন, ‘এটা যদি সত্যি হয়, তবে এটা শুধু ব্যক্তি মাহফুজের না, পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্নীতির প্রতিফলন।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রশিক্ষককে ওরকার মেরে ফেলার ভিডিওটি আসলেই কি সত্যি?

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৪১
        অনলাইন ডেস্ক
        প্রশিক্ষককে ওরকার মেরে ফেলার ভিডিওটি আসলেই কি সত্যি?

        কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে আসল আর নকলের পার্থক্য করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। নতুন প্রজন্মের এআই টুল দিয়ে এমন সব ভিডিও বানানো হচ্ছে, যা দেখলে মনে হয় সত্যিই কোনও ঘটনা ঘটেছে। এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে ‘জেসিকা র‌্যাডক্লিফ’ নামের এক সামুদ্রিক প্রাণী প্রশিক্ষককে লাইভ শো চলাকালীন ওরকা বা কিলার হোয়েল মেরে ফেলেছে দাবি করা ভয়ঙ্কর ভিডিওর কথা বলা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক, ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক ঝড় তুলেছে। তবে একাধিক ফ্যাক্ট-চেকিং সূত্র নিশ্চিত করেছে, ফুটেজটি পুরোপুরি এআই দিয়ে বানানো এবং এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।


        • ভিডিওতে যা দেখা যাচ্ছে

        ভাইরাল হওয়া এই ক্লিপে দেখা যায়, এক তরুণী প্রশিক্ষক প্যাসিফিক ব্লু মেরিন পার্কে ওরকার পিঠে নাচছেন। দর্শকেরা উল্লাস করছেন, ওরকা পানিতে লাফিয়ে উঠছে। কিছু সময় পর হঠাৎ সেটি ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং জেসিকা র‌্যাডক্লিফকে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। ভিডিওটি শেয়ার করা কয়েকজন ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, পানির নিচ থেকে তুলে আনার কয়েক মিনিট পর ওই নারী মারা যান।


        • ঘটনা কিংবা প্রশিক্ষকের কোনও প্রমাণ নেই

        ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও ‘জেসিকা র‌্যাডক্লিফ’ নামের কোনও সামুদ্রিক প্রশিক্ষককে কিলার হোয়েল আক্রমণ করেছে; এমন দাবির পক্ষে কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি কর্তৃপক্ষ, সামুদ্রিক উদ্যান কিংবা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম কোথাও কোনও নথি কিংবা ঘটনার প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার বলেছে, ফুটেজটি কাল্পনিক। এমনকি ভিডিওর কণ্ঠস্বরও কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে ধারণা করা হচ্ছে।


        অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামুদ্রিক উদ্যানে এমন দুর্ঘটনা ঘটলে সাধারণত যেভাবে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়, তেমন কিছেই দেখা যায়নি। ফরেনসিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভিডিওতে পানির অস্বাভাবিক গতি ও বিরতি আছে। এর মাধ্যমে ভিডিওটি যে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, তার প্রমাণ মিলেছে। এমনকি পার্কের নামটিও ভুয়া।


        • সম্পূর্ণ এআই-নির্ভর ভিডিও

        মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফোর্বস ভিডিওটিকে ‘প্রতারণা’ বলে আখ্যা দিয়ে বলেছে, এমন কোনও সত্যিকারের বড় ঘটনা ঘটলে তা আন্তর্জাতিক সংবাদের শিরোনাম হতো। ভিডিওর দৃশ্য ও শব্দ সম্ভবত এআই টুল দিয়ে নাটকীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে। দ্য ইকোনমিক টাইমস বলেছে, গল্প ও নাম কোনও যাচাইযোগ্য রেকর্ডের সঙ্গে মেলে না, যা প্রমাণ করে পুরো ঘটনাটি মনগড়া।


        • বাস্তব ট্র্যাজেডির ছায়া ব্যবহার

        এ ধরনের ভুয়া ভিডিও সত্যের আংশিক অংশকে ব্যবহার করে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে। ২০১০ সালে সি-ওয়ার্ল্ডে ডন ব্রাঞ্চো এবং ২০০৯ সালে আলেক্সিস মার্টিনেজের মৃত্যুর মতো বাস্তব ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয় এই দৃশ্য। যেখানে প্রশিক্ষকরা ওরকার আক্রমণে প্রাণ হারান। তবে সেসব ঘটনা প্রমাণিত ও নথিভুক্ত। আর র‌্যাডক্লিফের গল্পের কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্যই পাওয়া যায়নি।


        • ভুয়া ভিডিও কেন মানুষকে নাড়া দেয়

        বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অনেক সময় ভিডিওর আবেগী প্রভাব ও বাস্তবসম্মত নির্মাণশৈলী এসব ভিডিওকে ভাইরাল হতে সাহায্য করে। এ ধরনের ক্লিপ বুদ্ধিমান সামুদ্রিক প্রাণীদের বন্দিদশায় রাখার নৈতিকতা নিয়ে মানুষের গভীর উদ্বেগকে কাজে লাগায় এবং চমকপ্রদ উপস্থাপনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফ্যাক্ট-চেক করার আগেই মুহূর্তের মাঝেই ভাইরাল হয়ে যায়।


        জেসিকা র‌্যাডক্লিফকে ঘিরে ওরকার আক্রমণের ভিডিওটি পুরোপুরি এআই ব্যবহার করে বানানো। এ ধরনের ঘটনা ঘটার কোনও প্রমাণ মেলেনি। অনুসন্ধানে ওই প্রশিক্ষকের অস্তিত্বও পাওয়া যায়নি। অনলাইনে এ ধরনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বাসযোগ্য সূত্র দিয়ে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা কখনও এতটা স্পষ্ট ছিল না।


        সূত্র: এনডিটিভি।



        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          “আমরা নিঃসন্দেহে হাসিনার জাহেলি আমল থেকে ভালো আছি, নিরাপদ আছি”

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৪ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৯
          অনলাইন ডেস্ক
          “আমরা নিঃসন্দেহে হাসিনার জাহেলি আমল থেকে ভালো আছি, নিরাপদ আছি”

          ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল ফেলো এবং উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ড. সিব্বির আহমদ নিউইয়র্কভিত্তিক টাইম টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে “জুলাই বিপ্লবের এক বছর: আমাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” নিয়ে কথা বলেছেন। পরে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সংক্ষেপে ওই আলোচনার মূল বক্তব্য শেয়ার করেন।


          ড. সিব্বির বলেন, “আমরা নিঃসন্দেহে হাসিনার জাহেলি আমল থেকে এখন অনেক বেশি ভালো আছি, নিরাপদ আছি। কিন্তু যে স্বপ্ন, যে প্রত্যাশা নিয়ে এই পরিবর্তন এসেছিল—সেসবের অনেকটাই এখনও অপূর্ণ রয়ে গেছে।”


          তিনি চারটি প্রধান বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেন—


          ১) আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া

          ২) বিচারের কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়া

          ৩) প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়া

          ৪) এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে- ডিআওয়ামীফিকেশনের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে ফ্যাসিবাদী এলিমেন্টগুলো দূর করার প্রক্রিয়া শুরু না করা।


          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত