শিরোনাম
ইবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুনিম, সম্পাদক জুয়েল
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ইবিসাস) কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও দৈনিক খবরের কাগজের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম এবং এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী ও ডেইলি অবজারভারের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জুয়েল রানা।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ইবি প্রেস কর্নারে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম। এছাড়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সুজা উদ্দিন ও ইমরান শুভ্র। নির্বাচন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফলাফল ঘোষণা করেন।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি মোর্শেদ মামুন (কালবেলা), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইদুল হাসান ফারহান (দিনকাল), অর্থ সম্পাদক জামাল উদ্দিন (শিক্ষাবার্তা), দপ্তর সম্পাদক তানিম তানভীর (রাইজিংবিডি), প্রচার সম্পাদক আবু উবায়দা (বাসস) ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনিসুর রহমান (ইত্তেফাক)।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা বলেন, “আমাকে নির্বাচিত করায় ইবিসাসের সকল সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখতে অগ্রজদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়কে সুন্দর রাখতে সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”
নবনির্বাচিত সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেন, “আমার ওপর আস্থা রাখায় ইবিসাসের সকল সহযোদ্ধার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কাম্য।
ইবিতে জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া’র ৯৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার ৯৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গগন হরকরা গ্যালারিতে এসে সমবেত হয় এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ধর্মতত্ত্ব ও ইসলাম শিক্ষা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. আ. ব. ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী।
আলোচনা সভায় সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং আসাদুল্লাহ আল গালিব ও এস এম শামীম এর যৌথ সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ইবি তালাবা'র সাবেক সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মো. জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সায়েম, সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মোস্তফা আল মুজাহিদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আরিফ প্রমূখ। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী,বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শাখা তালাবা'র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন
এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সভাপতি মো মাহমুদুল হাসান। সভায় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগে একশত নম্বরের ইসলামীক স্টাডিজ কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা, ধর্মতত্ত্বের সাবেক শিক্ষার্থীদের উক্ত কোর্সের জন্য শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা তালাবা'র দুই নেতৃবৃন্দের নামে কোন ভবনের নামকরণ করার দাবি জানান।
সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন,
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাদ্রাসার ছাত্রদের বিভিন্ন দাবির পক্ষে সোচ্চার হয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া। মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে ধরে রেখেছে এই সংগঠন। একসময় দেশে এধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হতো না। বিভিন্ন বাঁধা আসতো। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এই সংগঠন কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।
উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী শিক্ষা বিস্তারে জমিয়তে তালাবেয়ে আরাবিয়া দীর্ঘ ৯৬ বছর ধরে কাজ করে আসছে। তালাবায়ে আরাবিয়া কোন রাজনৈতিক সংগঠনের লেজুড়বৃত্তি করে না। এই সংগঠন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে কাজ করবে আশা করছি। আলিয়া, কওমি-সহ যারা ইসলামী শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে তাদের সাথে থাকতে হবে। সর্বদা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। পরে অতিথিবৃন্দের বক্তব্য শেষে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয় এবং আলোচনা সভায় সমাপ্তি ঘটে।
প্রাথমিকের শিক্ষকদের কাজে ফেরার নির্দেশ, অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা
কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কাজে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যথায়শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তাদের সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দের কয়েকটি সংগঠন ১ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতি এবং পরবর্তীতে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে তথাকথিত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অবহিত রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপ এবং বিদ্যমান পরিস্থিতির বিষয়ে বলা হয়, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন প্রদানের দাবিসহ অন্য আরো দুটি দাবি, যথা ১০ ও ১৬ বছর চাকরি শেষে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য হতে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির বিষয়ে ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালায়ের দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা এবং বেতন-কমিশনের সভাপতির সঙ্গে উল্লিখিত দাবিসমূহ বাস্তবায়নের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছেন। এর আগে এ মন্ত্রণালয় থেকে গত ৭ আগস্ট সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেড এ উন্নীতকরণের বিষয়টি বিবেচনার জন্য জাতীয় বেতন কমিশনের সভাপতিকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি পে-কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই অর্থ বিভাগ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে মর্মে ১০ নভেম্বর অর্থ বিভাগের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করার পরেও দেখা যাচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠন চলমান বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ না করে বিভিন্নভাবে ওই পরীক্ষা গ্রহণে বাধা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন এবং কোথাও কোথাও পরীক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষকদের ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মসূচি গ্রহণ সরকারি চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালার পরিপন্থী এবং ফৌজদারি আইনেও বিবেচ্য।
এ পরিস্থিতিতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অবিলম্বে কাজে যোগদান করে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিকের পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত বিদ্যালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া যাচ্ছে। অন্যথায় এ ধরনের শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকুরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হার্ডলাইনে যাচ্ছে সরকার!
প্রাথমিক শিক্ষকরা কাজে না ফিরলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে কাজে যোগদানের নির্দেশ দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, অন্যথায় এ ধরনের শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দের কয়েকটি সংগঠন ১ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতি এবং পরবর্তীতে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে তথাকথিত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অবহিত রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপ এবং বিদ্যমান পরিস্থিতির বিষয়ে বলা হয়, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন প্রদানের দাবিসহ অন্য আরো দুটি দাবি, যথা ১০ ও ১৬ বছর চাকরি শেষে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য হতে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির বিষয়ে ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ওই দাবিসমূহ বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা এবং বেতন-কমিশনের সভাপতির সঙ্গে উল্লিখিত দাবিসমূহ বাস্তবায়নের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছেন। এর আগে এ মন্ত্রণালয় থেকে গত ৭ আগস্ট সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেড এ উন্নীতকরণের বিষয়টি বিবেচনার জন্য জাতীয় বেতন কমিশনের সভাপতিকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি পে-কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই অর্থ বিভাগ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে মর্মে ১০ নভেম্বর অর্থ বিভাগের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করার পরেও দেখা যাচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠন চলমান বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ না করে বিভিন্নভাবে ওই পরীক্ষা গ্রহণে বাধা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন এবং কোথাও কোথাও পরীক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষকদের ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মসূচি গ্রহণ সরকারি চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালার পরিপন্থী এবং ফৌজদারি আইনেও বিবেচ্য।
‘এ পরিস্থিতিতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অবিলম্বে কাজে যোগদান করে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিকের পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত বিদ্যালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া যাচ্ছে। অন্যথায় এ ধরনের শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকুরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দ্য ভয়েস অব জেকেকেএনআইইউ’ এর গ্রান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত ময়মনসিংহ বিভাগের সবচেয়ে বড় পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা ‘The Voice of JKKNIU’–এর গ্রান্ড ফিনালে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বর্ণিল আয়োজনে সেরা বক্তার মুকুট জিতেছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আশকা আলম।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মুকিত (২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষ) এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাসসুম মেহনাজ (২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষ)।
গ্রান্ড ফিনালে মোট ১৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা এসেছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দ মোহন কলেজ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।
বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ১৫ হাজার টাকা ক্যাশ পুরস্কার, ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং ৩০ হাজার টাকার সমমূল্যের উপহার সামগ্রী।
চূড়ান্ত পর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রেকিট বেঙ্কিজার (বাংলাদেশ) পিএলসি–এর সিনিয়র টেরিটরি সেলস ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল রাহাত এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের কাস্টমার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ফাংশনের সিনিয়র টেরিটরি ম্যানেজার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান রাব্বী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যারিয়ার ক্লাবের উপদেষ্টা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জনি।
ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি আবুল আবছার বাপ্পি বলেন, “The Voice of JKKNIU শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি তরুণদের আত্মবিশ্বাস তৈরি, বক্তৃতা দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকে চিনে নেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম। দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন সফল করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে, আরও সৃজনশীলভাবে এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে চাই।”
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘The Voice of JKKNIU’ তরুণদের যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং আত্মপ্রকাশের চর্চা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য