ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ২ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

গবেষণায় ২ কোটি ৩৫ লাখের অনুদান পেল পাবিপ্রবি

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৯
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
গবেষণায় ২ কোটি ৩৫ লাখের অনুদান পেল পাবিপ্রবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক গবেষণায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান পেয়েছে। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তৌকির আহমেদ প্রধান গবেষক হিসেবে এ অনুদান লাভ করেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে ইউজিসি দেশের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মোট ৩৮ কোটি ২১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুল-আওয়াল ও  প্রধান গবেষক ড. মো. তৌকির আহমেদ।

প্রধান গবেষক ড. মো. তৌকির আহমেদ জানান, এ প্রকল্পের আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কৃষিপণ্যের গুণগত মান নির্ণয়ে গবেষণা পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, “আমেরিকায় আমার গবেষণার বিষয় ছিল হাইপারস্পেকট্রাল ইমেজিং। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি কৃষি খাতে প্রয়োগ করা হবে, যা এআইভিত্তিক অ্যাগ্রিকালচারাল কোয়ালিটি ডিটেকশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ইউজিসি বাস্তবায়নাধীন ‘ইম্প্রুভিং কম্পিউটার অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং টারশিয়ারি এডুকেশন (আইসিএসইটিইপি)’ প্রকল্পের আওতায় ‘গবেষণা ও উন্নয়ন অনুদান’ উপখাতে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জাতীয় পর্যায়ে আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজ

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    জাতীয় পর্যায়ে আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজ

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ এ জাতীয় পর্যায়ে আবারও রাজশাহী কলেজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গৌরব অর্জন করায় আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করা হয়। এসময় র‍্যালিটি রাজশাহী কলেজ প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে জাদুঘর মোড় হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কলেজের প্রশাসন ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

    আনন্দ র‍্যালি উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো: ইব্রাহিম আলী, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু মোঃ ইউসুফ আলী, রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো: সেরাজ উদ্দিন, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শিখা সরকারসহ অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।

    এসময় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো:  ইব্রাহিম আলী বলেন, রাজশাহী কলেজ বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীনতম কলেজ এবং এটি তার ইতিহাস ও ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে বজায় রেখেছে। যা রাজশাহী কলেজের জন্য একটি গৌরবের বিষয়। আমাদের শিক্ষক, শিখন-পাঠদান পদ্ধতি, অবকাঠামো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মানদণ্ড বিবেচনায়  জাতীয় পর্যায়ে আমরা শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, এই অর্জন কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী সবার প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে। রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মানসম্মত করার আশা ব্যক্ত করেন।

    এছাড়াও দীর্ঘদিনের এই ধারাবাহিকতায় এবারও দেশসেরা কলেজ হিসেবে রাজশাহী কলেজ গৌরব অর্জন করায় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীদের মাঝে আনন্দ ও উল্লাস লক্ষ্য করা যায়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

      শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ও নোকসু নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৬
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ও নোকসু নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন

      শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) স্থগিতের প্রতিবাদে এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (নোকসু) আয়োজনের দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

      মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্লোগানগুলো হলো— “হারার ভয়ে খেলেনা, এই কথা তো বলেনা”, “তোমার আমার অধিকার- নকসু নকসু”, “নকসু নিয়ে টালবাহানা— চলবে না, চলবে না”, “নকসু আমার অধিকার- দিতে হবে, দিয়ে দাও”, “ হি হ্যাস এ প্লান - শাকসু করেছে ব্যান”।

      নোবিপ্রবি শাখা ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক আবদুল রহমান বলেন— “আমাদের প্রথম দাবি হচ্ছে ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা। সেই অধিকার অনুযায়ী ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি কিছু রাষ্ট্রীয় মহলের প্রভাব কাজে লাগিয়ে একটি পক্ষ শাকসু নির্বাচন বর্জন করছে। এর প্রতিবাদেই আমরা আজ এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি।

      কিছুদিন আগে আমরা নোবিপ্রবি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছিলাম। কিন্তু প্রশাসন সে বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করেনি। প্রশাসন বারবার বলছে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—ছাত্র রাজনীতি কোনো নিষিদ্ধ বিষয় নয়। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব তৈরি হবে না।

      আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদের আমলে যারা এমপি হয়েছিল, তাদের অনেকেই আজও ছাত্র না হয়ে ব্যবসায়ী। তারা ছাত্রদের অধিকার বোঝে না। তাই আমরা জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি—দ্রুত নোবিপ্রবি ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।”

      সমাপনী বক্তব্যে শিবির সভাপতি আরিফুল ইসলাম সৈকত বলেন— “দীর্ঘ ১৬ বছরের জুলুমের রাজত্বে যখন ছাত্রলীগ তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালু রেখেছে এবং অন্যান্য সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছিল, ঠিক তখনই এদেশের ছাত্র সমাজ ২৪ সালের জুলাই আন্দোলন সম্পন্ন করে। সেই অভ্যুত্থানের অন্যতম দাবী ছিল লেজুর ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা।

      কিন্তু অভ্যুত্থান পরবর্তীতে যে সরকার দায়িত্বে আসে তারা ছাত্র সংসদ নিয়ে নানান টালবাহানা করে। সমস্ত কার্যক্রম শেষ করার পরও একটি দলের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সে দলকে নির্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের নেতা নাকি লন্ডন থেকে এসে বলেছিলেন আই হ্যাভে প্লান। কিন্তু উনি জানতেন না আমাদের ডিসিশন অলরেডি নেয়া হয়ে গেছে। ছাত্র সংসদ এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বমূলক একটা প্ল্যাটফর্ম উপহার দেবো।’

      “এর ধারাবাহিকতায় যখন আমরা গত নভেম্বরের ৩০ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ১৩ দফা দাবির একটি স্মারকলিপি অফিসিয়ালি দিলেও তারা আমাদের কোনো অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম করে দেয়নি, এবং অফিসিয়াল কোনো জবাবও দেয়নি।” এ দাবি আদায়ে তারা অনড় থাকবেন বলেও তিনি জানান।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সাংবাদিকদের জন্য ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই এখন অপরিহার্য দায়িত্ব : উপ-উপাচার্য

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        সাংবাদিকদের জন্য ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই এখন অপরিহার্য দায়িত্ব : উপ-উপাচার্য

        খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (খুবিসাস) এবং দ্য ডিসেন্ট এর যৌথ উদ্যোগে আজ ২১ জানুয়ারি (বুধবার) ‘ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন রিজিওনাল মিডিয়া সাপোর্ট ফান্ডের সহযোগিতায় এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়।

        সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। সাংবাদিকতায় নীতি-নৈতিকতা ও সত্যনিষ্ঠাই সর্বোচ্চ মানদণ্ড। বর্তমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে তথ্যের সহজলভ্যতা যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বাস্তবতায় সাংবাদিকদের জন্য ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই এখন অপরিহার্য দায়িত্ব।

        তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা ভবিষ্যৎ পেশাদার সাংবাদিক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এ ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়। এতে করে তারা সত্যনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও সমাজসচেতন সাংবাদিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে। তিনি এই কর্মশালা সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে খুবিসাসকে ধন্যবাদ জানান।
        অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বিশ্বাসযোগ্যতা, আর সেই বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে ওঠে সঠিক ফ্যাক্টচেকিংয়ের মাধ্যমে। বর্তমান সময়ে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক ভূমিকা পালন করতে হবে। সমাজের প্রতি সাংবাদিকদের দায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে একজন আদর্শ ও নৈতিক সাংবাদিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের এখন থেকেই নিজেদের দক্ষতা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের চর্চা বাড়াতে হবে।

        বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন খুবিসাস’র উপদেষ্টা, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো. মাহদী-আল-মুহতাসিম নিবিড়। ‘ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন’ বিষয়ে আলোচনা করেন কী-নোট স্পিকার দ্য ডিসেন্ট-এর ডিজিটাল ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টার হাসান আল মানজুর।
        অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন সমিতির সভাপতি আলকামা রমিন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরাজুল ইসলাম। এ কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যসহ খুলনার বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
         

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বেরোবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৬
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          বেরোবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

          ‎রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

          ‎বুধবার ২১ জানুয়ারি দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি হেয়াত মামুূদ ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে  ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

          ‎আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ নজরুল ইসলাম; বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান; বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

          ‎‎শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থী বিশাখা বলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ একটি স্বনামধন্য বিভাগ।  ভবিষ্যতে বিভাগটি আরও এগিয়ে যাবে। এছাড়াও সার্বিক উন্নতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অনেক অগ্রগতি হলেও ল্যাবসংকটসহ কিছু ক্ষেত্রে আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। ল্যাবের ঘাটতি পূরণ করা হলে শিক্ষার্থীদের জন্য তা আরও উপকারী হবে।

          আরেক শিক্ষার্থী সালমা আক্তার বলেন  প্রত্যাশা এই বিভাগ থেকে  ভালো মানের সাংবাদিক বের হয়।তারা যেন আন্তজার্তিক পযার্য়ে সাংবাদিকতা করতে পারে।

          ‎বিভাগের বিভাগীয় প্রধান  তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, “আজকের আয়োজন ছিল খুবই সীমিত পরিসরের। আমি এই বিভাগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। যতদিন আমি এই বিভাগে থাকব, বিভাগের সুখ-দুঃখে পাশে থাকব।” তিনি আরও বলেন, “বিভাগে মিডিয়া ল্যাব থাকলেও তা এখনো চালু হয়নি। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও অগ্রগতি নেই। আশা করি শীঘ্রই ল্যাবটি চালু হবে।”

          ‎বিভাগের ছাত্রসংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনের পর বিভাগীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।

          ‎বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান বলেন, “গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি বিভাগ। এখানে নানামুখী বিষয়ে শিক্ষাদান করা হয়। অতীতের সবকিছু ভুলে বিভাগটি নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাক এটাই আমার প্রত্যাশা।”

          ‎‎উল্লেখ্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ে  গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৪ বছরে বিভাগটি শিক্ষা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।বর্তমানে নয়জন শিক্ষক ও প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিভাগটি পরিচালিত।
           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত