ঢাকা, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
 
শিরোনাম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে নারীরা

অনলাইন ডেস্ক
২০ অক্টোবর, ২০২৫ ১:২৬
অনলাইন ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে নারীরা

দ্রুত বেড়ে ওঠা জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডিজিটালাইজেশনের বিস্তারে নারী ও পুরুষ উভয়েই চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তবে নারীরা এর প্রভাব বেশি ভোগ করবেন। এটি কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য আরও বাড়াতে পারে। জাতিসংঘের নীতিবিষয়ক এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

বাংলার বদ্বীপ সৃষ্টি হলো কীভাবে?

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিকবিষয়ক দপ্তরের (ডিইএসএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী নারীদের হাতে থাকা চাকরির ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ জেনারেটিভ এআইয়ের কারণে স্বয়ংক্রিয় হয়ে যেতে পারে বা বড় পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারে। অন্যদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে এ হার ২১ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ঝুঁকির মূল কারণ, কাঠামোগত বৈষম্য, প্রযুক্তিতে লিঙ্গভিত্তিক পক্ষপাত ও ডিজিটাল উপকরণে নারীদের অসম প্রবেশাধিকার।

প্রতিবেদনে বলা হয়Ñ উচ্চ ও উচ্চমধ্যম আয়ের দেশগুলোয় এ প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। কারণ, এসব দেশে নারীরা মূলত অফিস সহকারী, শিক্ষা ও জনপ্রশাসনের মতো খাতে বেশি কাজ করেন। এসব খাতে জেনারেটিভ এআইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

এ প্রবণতা নতুন নয়। ডিজিটাল রূপান্তরের আগের ধাপগুলোতেও একই রকম চিত্র দেখা গেছে। তখন যেসব প্রযুক্তি মূলত রুটিন বা হাতের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করত, সেসবও নারীদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলেছিল।

২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ লাখ নারী তাঁদের প্রশাসনিক সহায়তা (যেমন অফিস সহকারী, রিসেপশনিস্ট, ডেটা এন্ট্রি ক্লার্ক, ক্যালেন্ডার বা ফাইল ম্যানেজমেন্টের কাজ) কিংবা অ্যাসেম্বলি লাইনের চাকরি হারান। একই সময় পুরুষের এমন চাকরি হারানোর সংখ্যা ছিল ১০ লাখ।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ ‘চাকরি হারানো এখন অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।’ এতে আরও বলা হয়Ñ ‘আগের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিগুলো মূলত স্বল্প দক্ষ কাজকে প্রভাবিত করেছিল। কিন্তু জেনারেটিভ এআই বিভিন্ন দক্ষতার স্তরের কাজকে স্বয়ংক্রিয় করে আরও বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে পারে।’

চাকরি হারানোর ঝুঁকির এ সমস্যাকে আরও জটিল করছে প্রযুক্তি খাতে নারীদের স্বল্প উপস্থিতি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (এসটিইএম) বিষয়ে নারীদের কম অংশগ্রহণ ‘লিঙ্গবৈষম্যকে আরও গভীর করতে পারে।’ ৭৩টি দেশের একটি নমুনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ এক-তৃতীয়াংশের কম।

নারীদের অংশগ্রহণের এ ব্যবধান শুধু বর্তমান চাকরির ক্ষেত্রেই নয়, ভবিষ্যতের জন্যও উদ্বেগজনক। কারণ, পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষিত এআই ব্যবস্থাগুলো ‘চাকরির নিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বৈষম্যকে স্থায়ী এবং আরও তীব্র করতে পারে’ বলে সতর্ক করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এ পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি খাতে কর্মীদের মধ্যে বৈচিত্র্য বাড়ানো সংকটের সম্পূর্ণ সমাধান না হলেও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি পক্ষপাতপূর্ণ প্রযুক্তির ঝুঁকি চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণে তুলনামূলকভাবে বেশি সক্ষম।

তবে ঝুঁকির পাশাপাশি ডিজিটালাইজেশন নারীদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগও তৈরি করছে। যেমন দূর থেকে বা অনলাইনে কাজ করা ও গিগ ইকোনমির (স্বল্পমেয়াদি কাজের মাধ্যমে উপার্জন) মতো নতুন কর্মপদ্ধতি নারীদের জন্য এমন সুযোগ তৈরি করছে, যাতে তাঁরা সময়ের কড়াকড়ি বা পরিবারের দায়িত্বের মতো প্রচলিত বাধাগুলো এড়িয়ে কাজ করতে পারেন।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ ‘ডিজিটালাইজেশন আরও নমনীয় ও উদ্ভাবনী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে নারীদের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও ক্ষমতায়নের পথ খুলে দিতে পারে।’

উন্নয়নশীল দেশগুলোয় অনেক নারী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ই-কমার্সের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন। তবে এখনও এক স্থায়ী ‘ডিজিটাল লিঙ্গ ব্যবধান’ অনেক নারীকে এ সুযোগ থেকে দূরে রাখছে।

এ ঝুঁকি মোকাবিলা ও সুযোগ কাজে লাগাতে জাতিসংঘ সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা নারীদের জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সুবিধা বাড়িয়ে, ডিজিটাল দক্ষতার প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং প্রযুক্তি খাতে নারীদের কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ডিজিটাল লিঙ্গ ব্যবধান দূর করার বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৪৫
    অনলাইন ডেস্ক
    বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস

    আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৫। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে হাত পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরতেই ২০০৮ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে এই দিনটি উদযাপিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘It Might Be Gloves. It’s Always Hand Hygiene’। অর্থ্যাৎ ‘পরিষ্কার হাত, নিরাপদ জীবন’, ‘সংক্রমণ রোধে নিয়মিত হাত ধোয়া একটি শক্তিশালী অভ্যাস’। এর মাধ্যমে জানানো হয়েছে, গ্লাভস বা অন্য কোনো সুরক্ষা উপকরণ হাত ধোয়ার বিকল্প নয়; বরং হাত পরিচ্ছন্নতাই সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি।

    হাত ধোয়া হতে পারে ছোট অভ্যাস, কিন্তু এটি বড় সুরক্ষা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত ধোয়া একটি সাধারণ অথচ কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। পরিষ্কার পানি ও সাবান ব্যবহার করে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুলে জীবাণুর সংক্রমণ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত হাত ধোয়া ডায়রিয়াজনিত রোগ ৪০% পর্যন্ত এবংশ্বাসকষ্টজনিত রোগ ২০% পর্যন্ত কমাতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই অভ্যাস গড়ে তুললে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতি ৫৭% পর্যন্ত হ্রাস করা যায়।

    ঋতুভিত্তিক সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধে হাত ধোয়া কার্যকর। বৃষ্টি, শীত কিংবা গরম; ঋতু পরিবর্তনের সময় নানা সংক্রমণ বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত হাত ধোয়া এসব ঋতুভিত্তিক রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। মুখ বা চোখে হাত দেওয়ার আগে হাত ধোয়া ফ্লু বা জ্বর ভাইরাস ছড়ানো কমায়। টয়লেট ব্যবহারের পর এবং খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া অপরিহার্য। হাত ধোয়া ময়লা হাত থেকে চোখে জীবাণু সংক্রমণ রোধে সহায়ক। নিয়মিত হাত ধোয়া ক্লাসরুমে সংক্রমণ কমায় এবং পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

    সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নির্দেশনা: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া উচিত। খাওয়ার আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর, হাঁচি-কাশির পর এবং বাইরে থেকে ফিরে এসে হাত ধোয়া প্রয়োজন। পানি না থাকলে ৬০% অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। গ্লাভস ব্যবহারের আগে ও পরে হাত ধোয়া জরুরি।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুরা ছোটবেলা থেকেই হাত ধোয়ার অভ্যাসে অভ্যস্ত না হলে পরবর্তী জীবনে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা কমে যায়। স্কুলে মজার খেলা, পোস্টার বা ইন্টার‌্যাকটিভ কার্যক্রমের মাধ্যমে হাত ধোয়া শেখানো হলে তারা সহজে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      আপনার কম্পিউটারে কি RDP চালু? তাহলে আপনি বড় ঝুঁকিতে

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৪৩
      অনলাইন ডেস্ক
      আপনার কম্পিউটারে কি RDP চালু? তাহলে আপনি বড় ঝুঁকিতে

      সাবধান! যদি আপনার কম্পিউটার এ RDP চালু থাকে, তাহলে আপনি বড় ঝুঁকিতে আছেন! 😱

      বহু সংখ্যক আক্রমণকারী  (BotNet) কম্পিউটারকে একত্রে করে  ইন্টারনেট এ কানেক্টেড থাকা কম্পিউটার এর মধ্যে থেকে RDP সার্ভার ওপেন থাকা খুজে খুঁজে বের করে, সে সকল কম্পিউটার এ প্রবেশ করার চেষ্টা করে — এবং সফল হলে পুরো নেটওয়ার্কই নিজের কন্ট্রল এ নিচ্ছে।

      💻 RDP কি?

      RDP (Remote Desktop Protocol) হল এক ধরনের সার্ভিস যা আপনাকে আপনার কম্পিউটার কে অন্য কোনো কম্পিউটারের মাধ্যমে  দূর থেকে ব্যবহার এর সুযোগ দেয় — মানে আপনার অফিস/হোম সার্ভার বা পিসি অন্য কোনো জায়গা থেকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সাধারণত এটি প্রশাসনিক কাজ, রিমোট সাপোর্ট, সার্ভার মেইনটেন্যান্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। (প্রচলিত পোর্ট: 3389)

      কেন এখন ঝুঁকি বাড়ছে? হ্যাকাররা কী করছে — সহজ ভাষায়:

      • বোটনেট স্ক্যানিং ও ক্র্যাকিং: BoTNet এর মাধ্যমে মাল্টিপল কম্পিউটার একত্রে ইন্টারনেট স্ক্যান করে RDP চালু থাকা মেশিন খুঁজে বের করে। তারপর স্বয়ংক্রিয় টুল দিয়ে তাতে আক্রমন করে।
      • ল্যাটারাল মুভমেন্ট: একবার কোনো সার্ভারে প্রবেশ করলে হ্যাকাররা সেখানে থেকে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে অন্যান্য মেশিনও কন্ট্রোল করতে পারে — র‍্যাঞ্চাই, ডেটা চুরি বা র‍্যানসমওয়্যার ছড়ানোর উদ্দেশ্যে।

      🛡️ কীভাবে নিজেকে ও সংগঠনকে রক্ষা করবেন — জরুরি চেকলিস্ট :

      1. RDP ইন্টারনেটে সরাসরি এক্সপোজ করা বন্ধ করুন। যদি সম্ভব হয়, RDP কে সরাসরি পাবলিক ইন্টারনেটে খুলে রাখবেন না। পরিবর্তে VPN / Zero Trust / Remote Access Gateway ব্যবহার করুন।

      2. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও পাসওয়ার্ড পলিসি লম্বা, জটিল পাসওয়ার্ড এবং নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন বাধ্যতামূলক করুন। ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং ঠেকাতে একই পাসওয়ার্ড একাধিক সিস্টেমে ব্যবহার করবেন না।

      4. Account Lockout ও Rate Limiting সেট করুন একাধিক ব্যর্থ লগইন হলে অ্যাকাউন্ট লক করে দিন এবং IP-ভিত্তিক রেট লিমিটিং চালু করুন।

      5. নেটওয়ার্ক লেভেলে সীমাবদ্ধ করুন (IP allow list) প্রয়োজনীয় অফিস বা VPN IP ছাড়া অন্য কোথাও থেকে RDP কনেক্ট না করতে দিন — Firewall/Router-এ নিয়ম সেট করুন।

      6. Network Level Authentication (NLA) ব্যবহার করুন RDP-তে NLA চালু করলে কনেকশন তৈরির আগে ব্যবহারকারীকে প্রমাণীকরণ করতে হবে — এটাও এক ধাপ নিরাপদ।

      7. RDP গেটওয়ে/ব্রোকার ব্যবহার করুন রিমোট ডেক্সটপ গেটওয়ে দিয়ে কনসোল ভেবে এবং সেশন প্রক্সি করে এক্সপোজার কমান।

      8. লগিং, মনিটরিং ও অ্যালার্ম সেট করুন অস্বাভাবিক লগইন প্রচেষ্টা, অনেক ব্যর্থ চেষ্টা বা অচেনা IP থেকে অ্যাক্সেস হলে ডিটেক্ট করুন ও অটোমেটেড অ্যালার্ট চালু রাখুন।

      9. OS ও RDP সফটওয়্যার আপডেট রাখা প্যাচ মিস করলে পরিচিত দুর্বলতা দিয়ে হ্যাকাররা প্রবেশ করতে পারে — নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট লাগান।

      10. ব্লকলিস্ট ও থ্রেট ইন্টেল লিস্ট ব্যবহার করুন GreyNoise বা অন্যান্য থ্রেট ফিড থেকে সন্দেহজনক আইপি ব্লকলিস্ট ব্যবহার করে জানা ম্যালিসিয়াস আইপি ব্লক করুন।

      নিচে দেওয়া হলো Windows-এ RDP (Remote Desktop) বন্ধ করার সহজ ধাপগুলো 👇

      ✅ কিভাবে  ( RDP )  Remote Desktop Protocol বন্ধ করবেন?

      ➤ পদ্ধতি ১: Settings থেকে (Windows 10 / 11)

      1. Settings খুলুন → কীবোর্ডে চাপুন Windows + I

      2. যান System → Remote Desktop

      3. “Enable Remote Desktop” অপশনটি Off করে দিন

      4. Confirm এ ক্লিক করুন

      এখন RDP বন্ধ হয়ে গেছে। ✅

      ➤ পদ্ধতি ২: Control Panel থেকে

      1. কীবোর্ডে চাপুন Windows + R, তারপর লিখুন SystemPropertiesRemote → Enter চাপুন

      2. Remote ট্যাবে যান

      3. Remote Desktop সেকশনে গিয়ে “Don’t allow remote connections to this computer” সিলেক্ট করুন

      4. Apply → OK চাপুন

      এতে করে RDP পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। ✅

      ➤ পদ্ধতি ৩: Command Prompt দিয়ে

      1. Command Prompt (Admin) খুলুন

      2. নিচের কমান্ডটি কপি করে চালান: reg add "HKLM\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\Terminal Server" /v fDenyTSConnections /t REG_DWORD /d 1 /f

      3. RDP সার্ভিস বন্ধ করতে চাইলে নিচের কমান্ড দিন: net stop termservice

      যদি আপনার কাছে সার্ভার/সিস্টেমে RDP চালু থাকে, এখনই চেক করুন: লগগুলো দেখুন, অস্বাভাবিক প্রবেশপ্রচেষ্টা আছে কিনা দেখুন, আর উপরের কিছু পয়েন্ট দ্রুত বাস্তবায়ন করুন। প্রয়োজন হলে সাহায্য চাইলে আমি সহায়তা করতে পারি — সিস্টেম অডিট থেকে নির্দেশনা পর্যন্ত।

      Stay safe! নিরাপত্তা অবহেলা করলে দাম চুকাতে হবে — সময় এখনই। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আজ আন্তর্জাতিক কফি দিবস

        অনলাইন ডেস্ক
        ১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৪৮
        অনলাইন ডেস্ক
        আজ আন্তর্জাতিক কফি দিবস

        কফি কেবল এক কাপ পানীয় নয়। বরং আমাদের ভোরের ঘুম ভাঙানোর সঙ্গী, পুরনো বন্ধুর সঙ্গে আড্ডার উপলক্ষ, কিংবা নতুন কিছুর শুরু। রাজধানীর রাস্তা ধরে হাঁটলে দুই পাশে দেখা যায় অসংখ্য কফিশপ। এ দৃশ্য দেখে বোঝা যায়, কফির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কটা বেশ গভীর।

        তবে আজ কেন কফি নিয়ে এত কথা? কারণ যারা কফি ভালোবাসেন তাদের জন্য আজকের দিনটি বিশেষ। কারণ আজ কফি দিবস। যদিও কফি পান করতে কোনো নির্দিষ্ট দিন লাগে না। তবুও আন্তর্জাতিক কফি দিবসে কফিপ্রেমীদের একটু বিশেষ হতেই পারে।

        কফি দিবস পালন করতে কী করতে হবে? সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এক কাপ মজাদার কফি পান করা। কালো কফি দুধ-চিনি দিয়ে পান করা, অথবা লাটে, আমেরিকানো, ক্যাপুচিনো যা খুশি তাই।

        আজ ভিন্ন কোনো দেশের কফির স্বাদও নিতে পারেন। যেমন, তুর্কি কফি (ইব্রিক পাত্রে), ভিয়েতনামিজ কফি (কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে), কিংবা আইরিশ কফি। এসব কফির ভিন্ন স্বাদ বিশেষ অভিজ্ঞতা এনে দেবে।

        ফ্রেঞ্চ প্রেস, মকা পট, কেমেক্স, অ্যারোপ্রেস যে পদ্ধতিই বেছে নেন না কেন প্রতিবার ভিন্ন স্বাদ পাবেন।

        কফি দিবসে কফির ইতিহাসটা সংক্ষেপে জেনে নিতে পারি। বলা হয়, কফির জন্ম ইথিওপিয়ায়। প্রচলিত আছে, নবম শতকে এক রাখাল লক্ষ্য করেছিল, তার ছাগল কফির বীজ খেয়ে বেশ চনমনে হয়ে যায়।

        ১৫শ শতকে কফি আরবে জনপ্রিয় হয়। তারপর ছড়িয়ে পড়ে এশিয়া, ইউরোপ হয়ে আমেরিকা পর্যন্ত।

        আধুনিক কফি সংস্কৃতির সূচনা হয় মাত্র পঞ্চাশ বছর আগে, যখন থার্ড ওয়েভ কফি শপ আসতে শুরু করে।

        আন্তর্জাতিক কফি দিবস প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয় ২০১৫ সালে ইতালির মিলানে। মূলত কফি চাষিদের দুর্দশা তুলে ধরতে এবং ন্যায্য বাণিজ্যের প্রচারে দিবসটির প্রচলন হয়।

        দেশে ভিন্ন ভিন্ন দিনে কফি দিবস পালিত হলেও সবচেয়ে প্রচলিত তারিখ হলো ১ অক্টোবর।

        তাই আজ যখন এক কাপ কফি হাতে নেবেন। তখন স্বাদটাকেও ভিন্নভাবে উপভোগের চেষ্টা করুন। আর ভাবুন, কফি কীভাবে ইথিওপিয়ার পাহাড় থেকে শুরু করে আপনার টেবিলে এসে পৌঁছাল।

        কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা হলো, আজ আনন্দ নিয়ে কফি পান করুন! উপভোগ করুন প্রিয় কফির স্বাদ।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ফুলে গেলে যা করবেন

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:১৮
          অনলাইন ডেস্ক
          মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ফুলে গেলে যা করবেন

          সাধারণত দীর্ঘদিন ব্যবহারে মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ফুলে যেতে দেখা যায়। এই বিষয়টি মোটেও হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। স্মার্টফোনের ব্যাটারি ফুলে গেলে শুধু মোবােইলের ক্ষতিই হয় না বরং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ে। এতে আগুন বা বিস্ফোরণের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।

           

          ব্যাটারি ফুলে যাওয়ার কারণ-

          অতিরিক্ত চার্জ দেওয়া: দীর্ঘ সময় চার্জে রেখে দিলে ব্যাটারির ভেতরে চাপ তৈরি হয়।

          অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া: ফোনের প্রসেসর বেশি গরম হলে তা ব্যাটারিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

          নিম্নমানের চার্জার বা কেবল ব্যবহার: সস্তা বা অনুমোদনহীন চার্জার ব্যাটারির আয়ু দ্রুত কমিয়ে দেয়।

          ব্যাটারির আয়ু শেষ হয়ে যাওয়া: পুরোনো ব্যাটারিতে রাসায়নিক পরিবর্তন বেশি হয়, ফলে গ্যাস সৃষ্টি হয়।

          শর্টসার্কিট বা ত্রুটি: ফোনের ভেতরে কোনো ত্রুটি থাকলে তা ব্যাটারি ফুলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

          ব্যাটারি ফুলে গেলে করণীয়

          ১. মোবাইল ফোনটি সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করুন এবং চার্জার খুলে ফেলুন।

          ২. ব্যাটারি আলাদা করা সম্ভব হলে আলতোভাবে খুলে ফেলুন।

          ৩. কোনো অবস্থাতেই ব্যাটারিতে ছিদ্র বা কাটা যাবে না, এতে বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকে।

          ৪. মোবাইল বা ব্যাটারি গরম হলে ঠান্ডা স্থানে রাখুন, কিন্তু পানির কাছে নয়।

          ৫. ব্যাটারি বদলাতে বিশ্বস্ত ও অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত