ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইউটিউব-ফেসবুক-ইমোতে বিজ্ঞাপন, হিসাব চেয়েছে বিটিআরসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ আগস্ট, ২০২২ ২২:৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউটিউব-ফেসবুক-ইমোতে বিজ্ঞাপন, হিসাব চেয়েছে বিটিআরসি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- গুগল, হোয়াটসঅ্যাপ, ইয়াহু, অ্যামাজন, ইউটিউব, ফেসবুক ও ইমোতে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুরোধে বুধবার সব মোবাইল অপারেটর, আইএসপি অপারেটর, আইএসপিএবি, টিভ্যাস অপারেটর, এমটব, এটুপি এসএমএস এগ্রিগেটর অপারেটরকে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রচলিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (গুগল, হোয়াটসঅ্যাপ, ইয়াহু, অ্যামাজন, ইউটিউব, ফেসবুক, ইমো) বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে। 'এ পরিপ্রেক্ষিতে আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে গুগল, হোয়াটসঅ্যাপ, ইয়াহু, অ্যামাজন, ইউটিউব, ফেসবুক, ইমো ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অন্য কোনো ইন্টারনেট ভিত্তিক ডিজিটাল মাধ্যমে বিগত ২০২১ সালে প্রদানকৃত (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) মাস ভিত্তিতে সকল ধরনের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের তথ্যাদি আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনে পাঠাতে হবে। '

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নজরদারিতে আসছে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ফেসবুক, যাবে চিঠি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৪ জুলাই, ২০২২ ১৪:০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নজরদারিতে আসছে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ফেসবুক, যাবে চিঠি

    দেশের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারে মনিটরিং জোরদার করছে সরকার। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ সংক্রান্ত চিঠি দেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিপ্তর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রচার, গুজব তৈরি ও দায়িত্ব পালনে অবহেলা ঠেকাতে এর আগেও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে কোনও ধরনের অপ্রচার, সরকারবিরোধী প্রচারণা কিংবা গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে, সে জন্য এই নির্দেশনা দেওয়া হবে। শিক্ষক-কর্মচারীদের সচেতন করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    খবির চৌধুরী বলেন, অনেক শিক্ষক ফেসবুকে বিভিন্ন নামে গ্রুপ বা পেজ খুলে বুঝে বা না বুঝে অন্যদের অপপ্রচার চালাতে সহযোগিতা করছে। তারা যেন সচেতন হয়, সে কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রথমে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হবে।

    মাধ্যমিক ছাড়াও প্রাথমিকে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারে মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় পর্যায়, জেলা পর্যায় ও উপজেলা পর্যায়ে ২৭ সদস্যবিশিষ্ট চারটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ‘সোশ্যাল মিডিয়া তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও উপস্থাপন’ নামে আরেকটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

    চলতি বছরের পবিত্র রমজান মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান অব্যাহত রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের বিপরীতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত হন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা। এ ছাড়া নানা সময় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের খবর আসে গণমাধ্যমে।

    এছাড়া গত বছর ফেসবুকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে নিয়ে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় দুই শিক্ষককের সেপ্টেম্বর মাসের এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। গত বছর জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে চাঁদপুর মডেল থানায় আইসিটি আইনে একটি মামলাও দায়ের করা হয়।

    এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হামিদুল হক সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ অনুসরণ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং করা হবে।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইন্টারনেট ছাড়াই অন্যের কাছে পাঠানো যাবে মেইল!

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৬ জুলাই, ২০২২ ২১:২০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ইন্টারনেট ছাড়াই অন্যের কাছে পাঠানো যাবে মেইল!

      বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেইলিং সার্ভিসগুলোর মধ্যে অন্যতম জিমেইল। ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাদের প্রতিদিনের দরকারি মেইল পাঠাতে জিমেইল ব্যবহার করেন। তাই ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে সম্প্রতি জিমেইল অফলাইনেও তাদের সেবা চালু রাখার বিষয়টি জানিয়েছে।

      জীবনের প্রয়োজনে এখন সবার হাতে হাতেই শোভা পাচ্ছে স্মার্টফোন। দ্রুত যোগাযোগ আর তথ্য আদান-প্রদানের জন্য মোবাইল এখন এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর এই যোগাযোগমাধ্যমকে আরও দ্রুতগতির করতে বিশ্বের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ তাদের মোবাইল ডিভাইসে জিমেইল অ্যাপ ব্যবহার করেন।

      ক্যালিফোর্নিয়ার টেক জায়ান্ট মাউন্টেন ভিউর রিপোর্ট অনুযায়ী, জিমেইল ব্যবহারকারীরা এখন থেকে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও জিমেইলের ইনবক্সের মেসেজগুলো পড়তে পারবেন। এ ছাড়া ইন্টারনেট ছাড়াই প্রয়োজনে কাউকে জরুরি ভিত্তিতে মেইলও পাঠাতে পারবেন। নতুন এই ফিচার যুক্ত হলে মেইল সার্ভিসের জগতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

      ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ বাংলার একটি প্রতিবেদনে সার্ভিসটি অ্যাক্টিভেট করার কয়েকটি ধাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর জন্য প্রথমে আপনাকে হিডেন মোড ব্যবহার করার পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে নরমাল মোড। গুগল ক্রমের মাধ্যমে mail.google.com-এ যেতে হবে।

      এরপর ইনবক্সের সেটিংস অপশনে গিয়ে সি অল সেটিংসে ক্লিক করতে হবে। এরপর ক্লিক করতে হবে অফলাইন ট্যাবটি। এবার চেকবক্সে এনাবল অফলাইন মেইল অপশনে ক্লিক করলে জিমেইলের নতুন সেটিংস অপশন দেখা যাবে। এখানে জিমেইল অফলাইনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কত দিনের ইমেইল সিঙ্ক থাকবে, ডেটা রাখার স্পেস কিংবা অফলাইন ডেটা ‘রিমুভ’ করার অপশন দেখাবে।

      এসবের মধ্যে আপনার পছন্দ অনুযায়ী অপশন সিলেক্ট করে সেভ চেঞ্জ অপশনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই মোবাইল অথবা কম্পিউটারে অফলাইন জিমেইল সার্ভিস চালু হয়ে যাবে।

      এই সুবিধাটির মাধ্যমে কম কানেক্টিভিটি বা ইন্টারনেট নেই এমন জায়গায় বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে থেকে যোগাযোগ কিংবা তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাই বিশ্বের প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে গুগলের এই জনপ্রিয় জিমেইল অ্যাপটি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৬ জুলাই, ২০২২ ২১:১৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ

        মোবাইল অপারেটরগুলোর ইন্টারনেট সেবার ভ্যাট বৃদ্ধির কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ বাড়ছে।

        এতদিন মোবাইল অপারেটরগুলো ইন্টারনেট সেবার বিপরীতে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিয়ে আসছিল, গত ১ জুলাই থেকে সেটি ১৫ শতাংশ আদায় করছে। ফলে ৬-৮ শতাংশ বেশি দামে গ্রাহকদের ইন্টারনেট কিনতে হবে।

        গত ৩০ জুন মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটব (অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ) চিঠি দিয়ে বিষয়টি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) জানায়।

        বর্তমানে মোবাইল অপারেটরগুলো ৫ শতাংশ ভ্যাট দিচ্ছে। কিন্তু এ ভ্যাটের বিপরীতে রেয়াত গ্রহণ করতে পারছে না অপারেটরগুলো। অন্যদিকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিলে রেয়াত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। তাই অপারেটরগুলো ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে চাইছে। এতে অপারেটরগুলোর সুবিধা হলেও গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ ইন্টারনেট কেনায় ১০ শতাংশ ভ্যাট বেশি দিতে হবে।

        এ প্রসঙ্গে রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, গত এক বছর অপারেটরগুলো ৫ শতাংশ ভ্যাট দিয়েছে। হ্রাসকৃত হার হওয়ায় এই ভ্যাট সমন্বয় করা যায়নি। ফলে কার্যকরি ভ্যাট হার ১৭ শতাংশ গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

        এ ছাড়া চলতি বাজেটে ভ্যাট আইনে যেসব সংশোধন আনা হয়েছে, তা হিসাব-নিকাষকে আরও জটিল করে তুলেছে। তাই সব অপারেটর ইন্টারনেট প্যাকেজের ওপর ১৫ শতাংশ আদর্শ হারে ভ্যাট আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

        তিনি জানান, এতে ইন্টারনেটের দাম ৬-৮ শতাংশ বাড়তে পারে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গুগল-অ্যাপলকে টিকটক সরানোর আহ্বান এফসিসির

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৪ জুলাই, ২০২২ ১৩:৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          গুগল-অ্যাপলকে টিকটক সরানোর আহ্বান এফসিসির

          অ্যাপল ও গুগলকে তাদের অ্যাপ স্টোর থেকে চীনের ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক সরানোর আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন (এফসিসি)।

          মঙ্গলবার (২৮ জুন) অ্যাপল ও গুগলকে এ বিষয়ে চিঠি লিখেছেন এফসিসি কমিশনার ব্রেন্ডন কার।

          মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ক্ষুদ্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি। প্রতিষ্ঠানের কাছে কোটি কোটি মার্কিন গ্রাহকের ব্যক্তিগত ডেটা থাকায়, চীন সরকার তা হাতিয়ে নিতে পারে বলেও শঙ্কা এফসিসি’র। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তাদের হাতে যাওয়া তথ্যগুলো বেইজিং সহজে পাচ্ছে। গেল সপ্তাহেই মার্কিন নিউজ আউটলেট বাজফিড একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, মার্কিন নাগরিকদের নানা তথ্য চীনের হাতে যাচ্ছে। তারপরই টিকটক নিয়ে এ চিঠি গেল এফসিসি থেকে।

          যুক্তরাষ্ট্রের একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বলছেন, মার্কিন নাগরিকদের কোনো ডেটা যদি টিকটকের হাতে যায় তবে তা চীনা সরকারের হাতেও যাচ্ছে। চীনা সরকারের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগ আগেও উঠেছে টিকটকের বিরুদ্ধে।

          চীনে তৈরি সামাজিক মাধ্যমের এই অ্যাপটির যাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালে। এরপরই এর জনপ্রিয়তা হু হু করে বেড়ে যায়। ২০১৮-র অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে সব থেকে বেশি ডাউনলোড করা অ্যাপ ছিল এই টিকটক। দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি থাকায় ২০২০ সালে ভারত এটি নিষিদ্ধ করেছিল।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত