শিরোনাম
গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
মানসম্মত সেবা (ভয়েস কল ও ইন্টারনেট) দিতে না পারায় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।
বুধবার (২৯ জুন) দুপুরে বিষয়টির অনুমোদনের পরে বিটিআরসি এক নির্দেশনা গ্রামীণফোনে পাঠিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না গ্রামীণফোন। গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারলেই নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে অপারেটরটি।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করেও গ্রামীণফোনের সেবার মান ভালো করার কোনও উদ্যোগ নিতে দেখিনি। তারা গ্রাহক বাড়াবে, কিন্তু সেবার মান বাড়াবে না, এটা হতে দেওয়া যাবে না। যতদিন না তারা সেবার মান ভালো করবে এবং তা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না হবে ততদিন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খবর সঠিক। তারা মানসম্মত সেবা (ভয়েস কল ও ইন্টারনেট) দিতে পারছে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অপারেটরটির (গ্রামীণফোন) সিম বিক্রি করতে পারবে না।
ফেসবুক প্রফেশনাল মুড আসলে কী?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য নিয়মিত আপডেট আনছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ফেসবুক প্রফেশনাল মুড নামের নতুন একটি আপডেট এনেছে। যা ব্যবহারকারীদের মধ্যে একধরনের উন্মাদনা তৈরি করেছে।
বলা হচ্ছে এই আপডেটের ফলে প্রতিটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেসবুক পেজ এর মতো দেখা যাবে। ফলে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইল থেকেও টাকা আয় করা যাবে। তাহলে চলুন জেনে নিই, ফেসবুক প্রফেশনাল মুড আসলে কি-
ফেসবুকের প্রফেশনাল মুড অনেকটা ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ক্রিয়েটর মুডের মতই। এটি এক প্রকার ফেসবুক প্রোফাইলকে পেজে পরিবর্তন করা। অর্থাৎ ফেসবুক পেজে আমরা যেসব টুলস দেখতে পাই, ফেসবুক প্রফেশনাল মুড চালু করার ফলে ব্যক্তিগত প্রোফাইলেও একই রকম টুল দেখা যাবে।
দেখতে অনেকটা ফেসবুক পেজের মতো মনে হবে। এমনকি ফেসবুক পেজ থেকে যেমন টাকা আয় করা যায়, ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে প্রফেশনাল মুডে পরিবর্তন করে টাকা আয় করা যাবে। তবে, অবশ্যই ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট পার্থক্য থাকবে।
এখন কথা হলো, ফেসবুক প্রফেশনাল মুড কীভাবে চালু করতে হয়? প্রথমত ফেসবুক এখনো সবার জন্য এটি উন্মুক্ত করেনি। তাই সবার অ্যাকাউন্টে এই আপডেট আসবে না। সেক্ষেত্রে তাদের অপেক্ষা করতে হবে।
তবে ফেসবুক জানিয়েছে, ধীরে ধীরে সব অ্যাকাউন্টে ফিচারটি সচল করে দেওয়া হবে। এটি চালু করার জন্য নির্দিষ্ট সেটিংস নেই।
যারা এই ফিচারের জন্য প্রযোজ্য বা যেসব অ্যাকাউন্টে এই ফিচার চালু করা হয়েছে তাদের কাছে ফেসবুক থেকে ইতিমধ্যে নোটিফিকেশন পাঠানো হয়েছে। নোটিফিকেশনটি চেক করে সেখান থেকে Turn on অপশনে ক্লিক করে ফেসবুক প্রফেশনাল মুড চালু করা যাবে।
তবে, যদি আপনি নোটিফিকেশন নাও পেয়ে থাকেন বা নোটিফিকেশন ডিলিট করে ফেলেন তাহলেও কোনো সমস্যা নেই। যদি আপনি এই আপডেটের জন্য উপযুক্ত হয়ে থাকেন তাহলে অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল থেকে থ্রি ডট অপশনে ক্লিক করুন। এখান থেকেই পেয়ে যাবেন মুড চেঞ্জ করার অপশন।
ইনস্টাগ্রাম আইডি ভেরিফাই করবেন যেভাবে
যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ইনস্টাগ্রাম। বিভিন্ন দেশে ইনস্টাগ্রামের কয়েক মিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে। সাইটটি একের পর এক নতুন ফিচারও যুক্ত করছে। এজন্য মেটার এই সাইটটি দিন দিন আরও ব্যবহারকারীদের পছন্দের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে।
তাই ছবির গ্রহণযোগ্যতা বা এর বিশ্বাসযোগ্যতা অক্ষুন্ন রাখার পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিরাপদ করতে এখানেও আছে নীল ব্যাচ। অর্থাৎ অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন বা বিশ্বাসযোগ্য প্রোফাল হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ।
ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে তিনটি সহজ ধাপ অনুসরণ করতে পারেন:
১. লগইন করে প্রোফাইলে গিয়ে ওপরের ডান দিকে থাকা তিন লাইনের বারটিতে চাপ দিন।
২. সেখান থেকে স্ক্রিনের নিচের দিকে সেটিংস অপশনে যান। সেটিংস থেকে স্ক্রল করে নিচের দিকে গেলে রিকোয়েস্ট ভেরিফিকেশন অপশনটি পাবেন।
৩. সেখানে আপনার পূর্ণ নাম লিখুন( ন্যাশনাল আইডি কার্ডে যেভাবে লিখা আছে ) এবং ভেরিফিকেশনের জন্য এনআইডি দিয়ে আবেদন করুন। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা সরকারের দেওয়া কোনো আইডি কার্ড ব্যবহার করতে হবে। এগুলো দিয়ে সাবমিট করলে তা পর্যালোচনা করবে ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ।
ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ অবশ্য সতর্ক করে বলেছে, আবেদন করা মানেই পেজ ভেরিফায়েড হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত নয়। যদি আবেদন গ্রহণ করা বা বাতিল করা হয়, তবে তা নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।
স্মার্টফোন বিক্রি করে সাইবার ঝুঁকিতে পড়ছেন না তো?
বর্তমানে আমাদের জীবনের অপরিহার্য একটি ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ‘স্মার্টফোন’। নিজেদের প্রয়োজনের সঙ্গে এটি ফ্যাশনের যন্ত্রও হয়ে গিয়েছে।
মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিত্য নতুন ফিচার সম্বলিত স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসছে। এতে আজকে যে স্মার্টফোন সবচেয়ে আধুনিক—অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সেটি পুরনো হয়ে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগে হয়তো কয়েক মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যুক্ত ফোন যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। একশোর বেশি মেগাপিক্সেল আর সঙ্গে তিন-চারটি ক্যামেরা যুক্ত স্মার্টফোন খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রিয় মানুষের মাঝে ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মেলাতে ঘন ঘন স্মার্টফোন পরিবর্তনের প্রবণতা রয়েছে। এতে বেড়েছে পুরনো ফোন বেচাকেনাও। যে কেউ চাইলেই খুব সহজে পুরনো ফোন বিক্রি করতে বা কিনতে পারছেন। কিন্তু এই সহজ কাজটিই কখনো কখনো জীবন জটিল ও কঠিন করে দিতে পারে।
কিছুদিন আগের একটি ঘটনা। এক ব্যক্তির মোবাইলে তার কিছু ব্যক্তিগত ছবি পাঠানো হয়। এরপর তিনি ভাবতে লাগলেন, এত সচেতনতার সঙ্গে মোবাইল ব্যবহার করেন, কিন্তু ব্যক্তিগত ছবি অন্য ব্যক্তি পেলেন কীভাবে? এদিকে ব্ল্যাকমেইলার তাকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছিল। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে ধরতে সক্ষম হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কিছুদিন আগে তার পুরনো ফোনটি একটি দোকানে বিক্রি করেছিলেন। সেই ফোনটিই হাত ঘুরে ব্ল্যাকমেইলারের কাছে যায়। আর তিনি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই ফোন থেকে পুরনো ডাটা পুনরুদ্ধার করেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে—ফোন থেকে সব কিছু মুছে দিলেও কি তা পুনরায় পাওয়া সম্ভব?
এর উত্তর, সম্ভব তো বটেই। এমনকি ফ্যাক্টরি রিসেট করলেও তা রিকভার করা সম্ভব। সত্যি বলতে আমরা যখন কোনো ফাইল মুছে দিই, তখন তা ফাইল সিষ্টেমের লিষ্ট থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে শূন্য জায়গা দেখালেও ফাইলটি সেই ডিক্সেই থাকে, যা কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করে উদ্ধার করা সম্ভব। আর এটিকে বলা হয় ডাটা কারভিং। তাই পুরনো ফোন বিক্রির আগে চাই একটুখানি সতর্ক থাকা।
ডাটা এনক্রিপশন: এন্ড্রয়েড ফোনগুলোতে ডাটা এনক্রিপশনের একটা সুবিধা আছে। সিষ্টেম সেটিংসে গিয়ে মোবাইলের ডাটাগুলো এনক্রিপ্ট করে নিলে তা ডিক্রিপ্ট করার জন্য একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে। আর এটি শুধু আপনিই জানবেন। ফলে কেউ যদি আপনার ডাটাগুলো রিকভারও করে ফেলে—তা দেখার জন্য সেই পাসওয়ার্ডটি প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে হ্যাকার বা দুষ্কৃতীর পক্ষে ডিক্রিপ্ট করা সম্ভব হলেও পাসওয়ার্ড না পাওয়া পর্যন্ত তা রিকভার করা অনেক কঠিন হবে।
ডাটা প্রতিস্থাপন: ডিজিটাল ডাটা তখনই রিকভার করা সম্ভব হয় যতক্ষণ পর্যন্ত সেই ডিভাইসে নতুন কোনো ডাটা দ্বারা প্রতিস্থাপন করা না হয়। একবার ডিভাইসে নতুন ডাটা রাইট হয়ে গেলে পুরনো ডাটা ফিরে পাওয়া কঠিন। তাই মোবাইলের ফ্যাক্টরি রিসেট করার পর কিছু পুরনো অপ্রয়োজনীয় ডাটা যেমন গান, নাটক-চলচ্চিত্র বা অন্যকোনো ফাইল কপি করে আবার রিসেট করা যেতে পারে।
এছাড়াও কিছু থার্ড পার্টি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডাটা মুছে ফেলা যায়। সফটওয়্যারের এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ডাটা ওয়াইপ। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। প্রযুক্তিতে অসম্ভব বলে কিছু নেই। নিত্য নতুন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনেক পুরনো ডাটা রিকভার করা সম্ভব। তাই একজন সাধারণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী হিসেবে নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টার বিকল্প নেই।
ফেসবুকে রিচ বাড়ানোর উপায় জেনে নিন
অবসরে সময় কাটানো ফেসবুক এখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞাপনদাতা থেকে শুরু করে ক্রিয়েটর সবাই এখন চেষ্টা করছে অর্গানিক উপায়ে কীভাবে আরও বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে নিজেদের কন্টেন্ট পৌঁছানো সম্ভব হবে। কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ পোস্টের রিচ অর্গানিক উপায়ে তুলনামূলক অনেক কম হচ্ছে। রিচ বাড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে প্রমোট করতে হচ্ছে। জেনে নিন ফেসবুকে রিচ বাড়ানোর উপায়।
প্রথমেই জেনে নিন ফেসবুক পোস্টের রিচ কেন কম হচ্ছে? ফেসবুক তার ইউজারদের মনোভাব বুঝে তাদের কাছে পোস্ট রেকমেন্ড করে। ধরে নিন আপনার একটি ফেসবুক পেজ রয়েছে যেখানে আপনি খাবার সংক্রান্ত বিষয়ে পোস্ট করেন। আপনার ওই পেজ যারা লাইক করেছেন তাদের কাছে সেই পোস্ট পৌঁছনোর কথা। কিন্তু দেখা গেল যারা লাইক করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই আপনার পোস্টগুলো পছন্দ করছেন না, অথবা হয়তো আগে পছন্দ করতেন কিন্তু এখন সেগুলি পছন্দের তালিকায় নেই। ফেসবুক কিন্তু সবই বুঝতে পারে। এবং যারা আপনার পোস্ট পছন্দ করছেন না তাদের কাছে আপনার পেজের পোস্টগুলো রেকমেন্ড করবে না। ফলে কমবে আপনার পোস্ট রিচ।
কোন সময়ে কন্টেন্ট পোস্ট করছেন তার উপর নির্ভর করে আপনার পোস্ট রিচ হয়। আপনি কোনও পোস্ট যদি মাঝরাতে করেন তাহলে তা এমনিতেই বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কাছে কম পৌঁছবে। পাশাপাশি ফেসবুক-এ সবসময় ট্র্যাফিক সমান থাকে না, ফলে ট্র্যাফিক যখন কম থাকে তখন পোস্ট করলে রিচ কমবে আপনার পেজের কন্টেন্টের। আপনার পোস্ট করা কন্টেন্টে যত ভালো তথ্য থাকে রিচ তত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এরসঙ্গে আরও একটি বিষয় জেনে রাখা দরকার। আপনি যখনই ফেসবুক-এ লগইন করেন তখন সর্বপ্রথম দেখা হয় আপনার প্রোফাইলের কোনও বন্ধু বা কোনও পেজ থেকে নতুন কিছু পোস্ট করা হয়েছে কিনা। এমন সেগুলি আপনি পছন্দ করবেন কিনা। এরসঙ্গে দেখা হয় ওই কন্টেন্টগুলিতে আপনার কমেন্ট, লাইক বা শেয়ার করার সম্ভাবনা কতটা। পুরো বিষয়টি করে ফেসবুক-এর এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)।
কীভাবে পেজের রিচ বাড়াবেন? আপনার পোস্টে যেন হিউম্যান টাচ থাকে সে বিষয়ে নজর দিন। অর্থাৎ হিউম্যান ইন্টারেস্ট কন্টেন্টের উপর নজর দিন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ট্যাগ করে পোস্ট করুন।
গতানুগতিক পোস্ট করলেই হবে না। মাঝে মধ্যে ইনফোগ্রাফিক্স বা ভিডিও পোস্ট করুন। ওপেন এন্ডেড প্রশ্ন পোস্ট করুন। যার মাধ্যমে আপনার পেজের ফলোয়ার্স বা আপনার বন্ধুরা কোনও মন্তব্য করতে পারবেন। তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
ক্লিক বেইট কোনও কিছু পোস্ট করা যাবে না। কারণ ফেসবুক এর অ্যালগরিদম এবং এআই অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তারা পুরো বিষয়টি ধরে ফেলবে। তাই ক্লিক বেইট কোনও কন্টেন্ট পোস্ট করা একদম উচিত নয়।
অর্গানিক রিচের ডেটা অ্যানালিসিস করুন নিয়মিত। ফেসবুক এর ইনসাইট বোঝার চেষ্টা করতে হবে। কোনও দিন রিচ বাড়ছে, কোনোদিন কমছে তা যেমন বুঝতে হবে তেমন কেন বাড়ছে বা কমছে তা বুঝতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য