ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২৭ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ করে যে অ্যাপগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ মার্চ, ২০২২ ১১:১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ করে যে অ্যাপগুলো

স্মার্টফোনের ব্যাটারি পুরো চার্জ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ক্লাস শেষে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে যখন বাসে উঠলেন, তখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা প্রায়। বাসে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করেই চমকে উঠলেন তিনি। স্মার্টফোনের ব্যাটারি প্রায় শেষের পথে। কিন্তু তিনি তো আজ বেশি সময় স্মার্টফোনে কথা বলেননি, ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করেছিলেন কেবল। তাহলে ব্যাটারি শেষ হলো কীভাবে? মোস্তাফিজুরের মতো এ সমস্যা আমাদের অনেকেরই হয়। কারণ আর কিছুই নয়, আমাদের স্মার্টফোনে থাকা অ্যাপগুলোই গোপনে শেষ করে দেয় ব্যাটারির চার্জ । এমনকি চালু না থাকলেও ঠিকই ব্যাটারি খরচ করতে থাকে অ্যাপগুলো। স্মার্টফোনে বেশি ব্যাটারি খরচ করা অ্যাপগুলোর পরিচয় জেনে নিন।

স্ন্যাপচ্যাট স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপ আমরা অনেকেই ব্যবহার করি। কিন্তু আপনি জানেন কি, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি স্মার্টফোনের ব্যাটারি ধীরে ধীরে শেষ করে ফেলে। এমনকি ব্যবহার না করলেও গোপনে কাজ করতে থাকে। আপনার অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে হালনাগাদ নোটিফিকেশন বার্তা জানান দিতেই এমনটি করে অ্যাপটি। শুধু তা-ই নয়, আপনাকে না জানিয়েই নিয়মিত হালনাগাদ হতে থাকে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয়। এ ছাড়া বার্তা বিনিময় ও ভিডিও দেখানোর জন্য স্মার্টফোনের ব্যাটারি বেশি খরচ করে অ্যাপটি।

নেটফ্লিক্স এবং ইউটিউব যেকোনো ভিডিও অ্যাপ ব্যবহারের সময় ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। ব্যাটারি বেশি খরচ করা অ্যাপগুলোর তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নেটফ্লিক্স। নতুন সিনেমা বা সিরিজের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহের জন্যও সব সময় স্মার্টফোনে চালু থাকে নেটফ্লিক্স অ্যাপ। ফলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। ইন্টারনেটের গতি বেশি থাকায় অনেকেই ইউটিউবে দীর্ঘক্ষণ ভিডিও দেখেন। কিন্তু অনলাইন থেকে সরাসরি ভিডিও প্রদর্শন করায় স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ করে ইউটিউব। তবে ইউটিউব ব্যবহারের সময় কমিয়ে ব্যাটারি বাঁচানো সম্ভব। ইউটিউবের Remind me to take a break ফিচারটি ব্যবহার করে স্মার্টফোনের ব্যাটারি বাঁচানোর সুযোগ মিলে থাকে।

ফেসবুক বার্তা বিনিময়ের পাশাপাশি আমরা প্রায় সবাই ফেসবুকে ভিডিও দেখে থাকি। এতে তুলনামূলক বেশি ব্যাটারি খরচ হয়। তবে ফেসবুক অ্যাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এটি আপনার অজান্তেই স্মার্টফোনে চালু থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। পাশাপাশি নিজেদের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার মালিকানাধীন অন্যান্য অ্যাপের সঙ্গেও যুক্ত থাকে। ফলে দ্রুত ব্যাটারি খরচ হয়। তবে ফেসবুক লাইট অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাটারি খরচ কিছুটা কমানো যায়।

মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ অন্য মেসেজিং অ্যাপ থেকে সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে। কারণ, ফেসবুকের মতো মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপও গোপনে সব সময় স্মার্টফোনে চালু থাকে। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন অ্যাপ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে।

ভিপিএন অ্যাপ অনলাইনে বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেকেই ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) অ্যাপ ব্যবহার করেন। ভিপিএন অ্যাপও গোপনে সব সময় চালু থাকে। ফলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয়।

গেম স্মার্টফোনে গেম খেললে ব্যাটারি খরচ বেশি হয়, এ তথ্য সবারই জানা। মূলত গেম খেলার সময় স্মার্টফোনের স্পিকার, গ্রাফিকস, টাচস্ক্রিন বেশি ব্যবহারের কারণেই ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন গেম অনলাইন থেকে বিভিন্ন তথ্যও সংগ্রহ করতে থাকে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়

টিকটক টিকটকে ভিডিও দেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করেন অনেকেই। ভিডিও দেখার পাশাপাশি ভিডিও ধারণের সুযোগ থাকায় অ্যাপটি অনেক বেশি ব্যাটারি খরচ করে। শুধু তা-ই নয়, ব্যবহারকারীদের অবস্থান ও আগ্রহ অনুযায়ী ভিডিও দেখাতে স্মার্টফোনে চালু থাকে অ্যাপটি।

ব্যাটারি বুস্টার অনেকেই ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যাটারি বুস্টার অ্যাপ ব্যবহার করেন। অ্যাপটি ডাউনলোড করার পর স্মার্টফোনে থাকা অন্য অ্যাপগুলোকে গোপনে চালু হতে বাধা দেয়। কিন্তু এ কাজ করার জন্য নিজেই সব সময় চালু থেকে ব্যাটারি খরচ করতে থাকে।

মাইক্রোসফট আউটলুক দৈনন্দিন জীবনে খুব দরকারি অ্যাপ হলেও ব্যাটারি খরচ করা অ্যাপের তালিকায় মাইক্রোসফট আউটলুকও রয়েছে। অনলাইনে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করায় অ্যাপটি ব্যাটারির খরচ বেশি করে।

কেনাকাটার অ্যাপ অনলাইনে কেনাকাটা করার জন্য বিভিন্ন শপিং অ্যাপে ঢুঁ মারেন অনেকেই। অ্যাপগুলো ক্রেতাদের সামনে বিভিন্ন অফার ও ছাড়ের তথ্য তুলে ধরতে সব সময় অনলাইনে যুক্ত থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে, ফলে ব্যাটারির খরচ তুলনামূলক বেশি হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ডিগ্রি যা-ই হোক, হয়ে উঠুন আইটি প্রফেশনাল!

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১১ মার্চ, ২০২২ ২২:৫৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ডিগ্রি যা-ই হোক, হয়ে উঠুন আইটি প্রফেশনাল!

    তানজিল হাসান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের একটি কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক ডিগ্রিধারী। ইতিহাসের প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল তা কিন্তু নয়! অন্যদের মতোই সে বিভিন্ন কলেজ থেকে ভর্তি পরীক্ষার ফরম ক্রয় করে এবং পরে একটি কলেজে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়ে সেখানেই ভর্তি হন। ভালো রেজাল্ট করেই তানজিল তাঁর স্নাতক শেষ করেন এবং চাকরির সন্ধান শুরু করেন। ভালো ক্যারিয়ার গড়তে বিসিএসের প্রস্তুতির পাশাপাশি তিনি ব্যাংক, ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন চাকরির চেষ্টা চালিয়ে যান।

    হঠাৎ একদিন তানজিলের চোখে পড়ে IsDB-BISEW–এর ফেসবুক পেজ, IT Scholarship Programme–এর আবেদনের নোটিশ I লিংকটি। প্রথম দেখাতেই তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় এবং IsDB-BISEW–এর ওয়েবসাইট ঘেঁটে বিভিন্ন তথ্য জেনে তিনি আরও উত্সুক হয়ে পড়েন। তিনি আর অপেক্ষা না করে সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন করেন এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে IT Scholarship Programme–এ নির্বাচিত হন। কম্পিউটার ফান্ডামেন্টাল কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে তানজিল পরে প্রোগ্রামিংয়ের একটি কোর্সে নির্বাচিত হন। এক বছর মেয়াদি প্রোগ্রামিং কোর্সটি সফলভাবে সম্পন্ন করে একটি স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

    তানজিলের মতো এমন হাজার হাজার প্রশিক্ষণার্থী IsDB-BISEW IT Scholarship Programme–এর আওতায় IT প্রশিক্ষণ শেষ করে দেশে-বিদেশে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন। এখন তাঁরা আত্মবিশ্বাসী, স্বাবলম্বী ও সমাজের চোখে সফল মানুষ।

    IsDB-BISEW বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যেখানে যেকোনো বিভাগ (বিজ্ঞান, বাণিজ্য বা মানবিক) থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা IT প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান। ফলে নানা প্রতিবন্ধকতায় যাঁরা তথ্যপ্রযুক্তিতে একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন না, তথ্যপ্রযুক্তিতে সেসব আমাদেরও স্বপ্ন ছোঁয়ার সুযোগ করে দেয় IsDB-BISEW IT Scholarship প্রোগ্রাম। এমনকি যাঁরা কখনোই ‘কম্পিউটার’ স্পর্শ করেননি, তাঁরাও সফলতার সঙ্গে এই প্রোগ্রামের আওতায় IT প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। সুদক্ষ ট্রেইনারের তত্ত্বাবধানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে এখানে সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতি মাসে বিভিন্ন মডিউলের ওপর আলাদাভাবে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীর যথাযথ প্রস্তুতির ঘাটতি পাওয়া গেলে তার জন্য অতিরিক্ত সময় পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়।

    কোর্স শেষে প্রশিক্ষণার্থী একজন সুদক্ষ তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেন।

    BISEW) বাংলাদেশ সরকার এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, জেদ্দা, সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষা খাতে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা ও নিজেদের দক্ষতাকে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে IsDB-BISEW নিজস্ব অর্থায়নে কর্মমুখী শিক্ষা ও বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়ন, অর্থায়ন এবং বাস্তবায়ন করে থাকে। প্রতিবছর সহস্রাধিক প্রশিক্ষণার্থী সফলতার সঙ্গে IT প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। তাঁরা নিয়োজিত আছেন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে এবং অনেকেই IT উদ্যোক্তা হিসেবে সুনামের সঙ্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করে দেশের জন্য নিয়ে আসছেন রেমিট্যান্স। উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের শতকরা ৯২ শতাংশ নিচের পেশাগুলোসহ আরও অন্যান্য পেশায় কর্মরত আছেন।

    • Web Developer

    • Java Software Developer

    • Software Developer

    • Database Developer

    • Network Engineer

    • Graphics and Motion Designer

    • Programmer

    • CAD Engineer

    • Support Engineer

    • Digital Marketing Officer

    • .Net Developer

    • Visual & Graphics Engineer এই স্কলারশিপের অধীন বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ৬ ও ১২ মাসের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। স্কলারশিপে যেসব কোর্সের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক-লক চাকরির বাজারে এসব কোর্সের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কোর্সগুলো নিম্নরূপ:

    আবেদনের যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক, মাস্টার্স, ফাজিল ও কামিল পাস প্রার্থীরা এবং মাস্টার্স বা কামিলে অধ্যয়নরতরাও স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কম্পিউটার, টেলিকমিউনিকেশন, ইলেকট্রনিকস, সিভিল, আর্কিটেকচার, সার্ভে ও কন্সট্রাকশন বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমাধারীরাও আবেদন করতে পারবেন। তবে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটারে স্নাতক প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। অনলাইনে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে (apply.isdb-bisew.info) আবেদন করতে হবে। স্কলারশিপ প্রোগ্রামটি IsDB-BISEW কর্তৃক সম্পূর্ণ অর্থায়িত। এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ নিজস্ব প্লেসমেন্ট সেলের মাধ্যমে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের দেশে ও বিদেশে চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে। সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে নিজের অদম্য ইচ্ছার বাস্তবায়ন হতে পারে IsDB-BISEW IT Scholarship প্রোগ্রামের মাধ্যমে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      অব্যবহৃত ডাটা যোগ হওয়ার প্যাকেজ কার্যকর ১৫ মার্চ থেকে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১ মার্চ, ২০২২ ১০:২৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      অব্যবহৃত ডাটা যোগ হওয়ার প্যাকেজ কার্যকর ১৫ মার্চ থেকে

      আগামী ১৫ মার্চ থেকে মোবাইল ফোনের নতুন ডাটা প্যাকেজ কার্যকর হতে যাচ্ছে। নতুন প্যাকেজে ডাটার অফারের সংখ্যা কমিয়ে পুরাতন ডাটা নতুন প্যাকেজে যুক্ত করার একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

      সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) উপ-পরিচালক মো. জাকির হোসেন খান জানান, ১ মার্চের পরিবর্তে নতুন নির্দেশনা আগামী ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।

      বিটিআরসি জানায়, ডাটা এবং ডাটা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কিত জারিকৃত নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব মোবাইল অপারেটরকে নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্যাকেজ, সিস্টেম ডিজাইন ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং ডাটা প্যাকেজগুলোর অনুমোদন কমিশন থেকে নিতে হবে।

      এরপর পূর্বঘোষিত ১ মার্চের পরিবর্তে আগামী ১৫ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকেই জারিকৃত নির্দেশিকার সব নির্দেশনা অনুযায়ী ডাটা এবং ডাটা সংশ্লিষ্ট সব প্যাকেজ পরিচালনা করা হবে।

      নির্দেশিকা অনুযায়ী, একটি অপারেটর তিনটি বিভাগে ৯৫টি প্যাকেজ অফার করতে পারবে।এগুলো হলো- নিয়মিত প্যাকেজ, গ্রাহক কেন্দ্রিক প্যাকেজ এবং উন্নয়ন ও গবেষণা প্যাকেজ।

      প্রসঙ্গত, মোবাইল ইন্টারনেটের ডাটা প্যাকেজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে চলেছে বিটিআরসি। এই পরিবর্তনের ফলে অপারেটরদের অফারের সংখ্যা কমে যাবে এবং গ্রাহকরা তাদের বর্তমান প্যাকেজের অব্যবহৃত ডেটাও পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে পেয়ে যাবেন।

      অধিক প্যাকেজ এবং জটিল শর্তের জাল থেকে গ্রাহকদের স্বস্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ এসব প্যাকেজ থেকে নিজের সুবিধাজনক প্যাকেজটি খুঁজে নেওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যুদ্ধের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহার সীমিত করে দিয়েছে রাশিয়া

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৯:৩২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        যুদ্ধের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহার সীমিত করে দিয়েছে রাশিয়া

        ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহার সীমিত করে দিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

        রাশিয়ার যোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা রোসকোমনাদজোরের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফেসবুক রাশিয়ান নাগরিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা লঙ্ঘন করছে।

        রাশিয়া সরকারের হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক মেসেঞ্জার এবং ইনস্টাগ্রামে প্রবেশ সীমিত করে দেবে কি না, তা জানা যায়নি।

        রাশিয়া রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ, রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল জাভেজদা এবং ক্রেমলিনপন্থী নিউজ সাইট লেনটা ডট আরইউ ও গেজেটা ডট আরইউর ওপর বৃহস্পতিবার ফেসবুক যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল তা তুলে নেওয়ার দাবি করেছিল রুশ সরকার।

        তবে মেটা রুশ সরকারের এই অনুরোধ রাখেনি।

        মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্যার নিক ক্লেগ বলেছেন, ‘রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ আউটলেটের বিষয়বস্তুর স্বাধীন তথ্য-পরীক্ষা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি।’

        তবে রাশিয়ায় মেটার সব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে বলে জানান নিক ক্লেগ। তিনি বলেন, ‘সাধারণ রাশিয়ানরা নিজেদের সংগঠিত করতে আমাদের অ্যাপগুলো ব্যবহার করছে।’

        রাশিয়ার অনেক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মিডিয়া আউটলেট ইউক্রেনে রুশ হামলাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখিয়েছে। এই হামলাকে একটি ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ বলে আখ্যায়িত করছে তারা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          টিকটকের সঙ্গে পাল্লা দেবে ইনস্টাগ্রাম

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৮:৪২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          টিকটকের সঙ্গে পাল্লা দেবে ইনস্টাগ্রাম

          ছোট আকারের ভিডিও তৈরি ও আদান–প্রদানের সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই টিকটক বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। টিকটকের মতো একইভাবে ব্যবহারকারীদের ছোট ছোট ভিডিও তৈরির সুযোগ পাওয়া যায় আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামেও। কিন্তু তাদের ভিডিওগুলোর সময় বেশ কম হওয়ায় ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়েছে ইনস্টাগ্রাম। সমস্যা সমাধানে এবার ব্যবহারকারীদের আরও বেশি সময়ের ভিডিও ধারণের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইনস্টাগ্রাম।

          নতুন এ উদ্যাগের আওতায় ইনস্টাগ্রামের রিলস ফিচারে ৯০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভিডিও ধারণ করা যাবে। বর্তমানে ১৫, ৩০ ও ৬০ সেকেন্ডের ভিডিও ধারণ করা যায় ইনস্টাগ্রামে। রিলস ফিচারের আওতায় ৯০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভিডিও ধারণের সুযোগ দিতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে ইনস্টাগ্রাম। কবে নাগাদ এ সুবিধা মিলবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি তারা।

          ২০২০ সালে রিলস চালুর সময় মাত্র ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরির সুযোগ ছিল। গত বছর থেকে এ সময় ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় ইনস্টাগ্রাম। শুরুতে ১ মিনিটের ভিডিও ধারণের সুযোগ দিলেও ইনস্টাগ্রামকে পেছনে ফেলতে গত বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩ মিনিট ভিডিও ধারণের সুবিধা চালু করে টিকটক। ফলে প্রতিযোগিতায় ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ে ইনস্টাগ্রাম।

          এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের প্রধান নির্বাহী অ্যাডাম মোসেরি বলেন, ‘আমরা শুধু ছবি বিনিময়ের অ্যাপ নই। ভিডিও প্ল্যাটফর্ম উন্নয়নের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি।’ সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত