ঢাকা, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ ৯ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৯:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ

বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ বর্তমানে প্রায় সকল শিক্ষার্থীর নিত্যদিনের স্বপ্ন। যদি সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বপ্নের পিছে না ছুটে অপরিকল্পিতভাবে ছুটে বেড়ানো হয় তখন এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। তবে সঠিক পরিকল্পনা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা অসম্ভব কিছুই নয়। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে।

আপনি উচ্চশিক্ষার জন্য কোন দেশে যেতে ইচ্ছুক, সেই দেশ কেমন হবে, সেখানে স্কলারশিপের ব্যবস্থা আছে কিনা, পার্টটাইম কাজের সুযোগ আছে কিনা, আবার যে প্রোগ্রাম এবং কোর্স করার জন্য আপনি বিদেশে যেতে চাইছেন সেই কোর্সটি দেশে কোথাও করা যায় কিনা, আর করা গেলেও দেশে এবং বিদেশে কী কী সুবিধা-অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন সেসব বিষয়গুলো সম্পর্কে তুলনামূলক ধারণা রাখতে হবে আপনাকে। এই সকল দিক বিবেচনা করেই আপনাকে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে। আজ আমরা এই বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রথমেই দেশ নির্বাচন

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই আপনাকে একটি দেশ নির্বাচন করতে হবে। যেখানে আপনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। নিজেকে উচ্চমানে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিকল্প নেই। তবে শুধু বিদেশ হলেই হয় না ,কারণ সকল দেশের শিক্ষার মান এবং শিক্ষাব্যবস্থা এক নয়। এই বিষয়টি সবার আগে মাথায় রাখা উচিত। এশীয় দেশের মধ্যে মালয়েশিয়া ও চীন এবং ইউরোপের মধ্যে ফিনল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক ,জার্মানি,অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কানাডা, কোরিয়া, রাশিয়া, আমেরিকা ইত্যাদি দেশগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। অনেকে আবার নেদারল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, হংকং, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং এমনকি আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য পাড়ি জমান।

বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন

বিদেশে কেউ স্নাতক, কেউ স্নাতকোত্তর, কেউবা পিএইচডি করতে যেয়ে থাকেন। আপনি কোন স্তরের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক সেটা ঠিক করে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই বয়সের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আপনি কোন বিষয়ে পড়তে যাবেন, সেটাও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী বিদেশে ডিপ্লোমা, স্নাতক,স্না তকোত্তর, এমফিল, পিএইচডি যেকোনো লেভেলে পড়তে যেতে পারেন। আপনি চাইলে প্রচলিত বিষয়গুলোর বাইরেও একবারে নতুন একটি বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাহিদা রয়েছে এমন চাহিদা-সম্পন্ন বিষয় নির্বাচন করা যেতে পারে। মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসা প্রশাসন, কমার্স, আর্টস, সায়েন্স, মেরিন ইত্যাদি বিষয়গুলোও হতে পারে আপনার উচ্চশিক্ষার বিষয়। দেশ ও বিষয় নির্বাচন হয়ে গেলে আপনাকে সঠিক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের ভৌগোলিক অবস্থান, টিউশন ফি, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা, আবাসিক সুবিধা, বৃত্তির ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক র‍্যাংঙ্কিংয়ের অবস্থান, পড়াশোনার পদ্ধতি, ভর্তির প্রাথমিক যোগ্যতা, খরচাদি ইত্যাদি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে। এজন্য আপনি চাইলে গুগল থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন।

মূল সনদ সংগ্রহে রাখা

আপনাকে শিক্ষা বোর্ড বা স্কুল-কলেজ থেকে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মূল সনদপত্র এবং নম্বরপত্র সংগ্রহ করে রাখতে হবে। স্নাতকোত্তরের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে স্নাতকের মূল সনদপত্র এবং নম্বরপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতকোত্তর করার ক্ষেত্রে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়-নির্ধারিত খামে সনদ পাঠাতে হয়, এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সঙ্গে মূল সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সনদ সত্যায়িত করতে রাখতে হবে।

পাসপোর্ট তৈরি রাখা

উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনার সময়ের আগে থেকেই পাসপোর্ট করে রাখা ভালো। কারণ বাহিরের দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদনের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট নম্বরের প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠান ভেদে ভিন্নও হতে পারে। এছাড়া আইইএলটিএস, টোয়েফল, স্যাট, জিম্যাট, জিআরই পরীক্ষা দিতে পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে পাসপোর্টে নামের বানান অবশ্যই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক সনদের মতোই হতে হবে। কারণ বানানের গরমিলের জন্য অনেকেই ভর্তি বা বৃত্তির আবেদন করতে পারে না।

ভর্তির শর্ত পূরণ

প্রতিটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভর্তির শর্তসমূহ থাকে। আপনি বিষয়ভেদে এবং কোন লেভেলে পড়াশোনা করতে যাবেন, তার ওপর নির্ভর করে শর্তসমূহ। একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রতিটি শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা। যদিও ইউরোপের অনেক দেশে বিষয়টির ক্ষেত্র শিথিল রয়েছে। তবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস (IELTS), অনেক দেশে GRE, SAT, GMAT, TOFEL পরীক্ষার মাধ্যমে ভাষাজ্ঞান প্রমাণ করতে হয়।

ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু ও শেষ হওয়ার তারিখ

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক, অবশ্যই সেখানে কোন তারিখে ভর্তির আবেদন শুরু হয় এবং কবে শেষ হয়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত এবং পরিষ্কার জ্ঞান রাখতে হবে।

খরচ ও স্কলারশিপ

আপনি যে দেশ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক সেই দেশের জীবনযাত্রার মান সম্পর্কে ভালো এবং স্পষ্ট ধারণা নিতে হবে। সবাই তো উন্নত জীবনমান ও মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পেলে তা লুফে নিতে চায়। তবে সুযোগ লুফে নেওয়ার আগে অবশ্যই লেখাপড়া এবং জীবনযাত্রার খরচের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আপনি যদি নিজ খরচে পছন্দের কোর্স সম্পন্ন করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কোর্স সম্পন্ন করতে সর্বমোট কত খরচ হতে পারে এবং কীভাবে পরিশোধ করতে হবে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। আপনি চাইলে আপনার পছন্দকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইমেইল করে মোট খরচের একটি খসড়া হিসাব ও পরিশোধের পদ্ধতি জেনে নিতে পারবেন।

যারা স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যেতে ইচ্ছুক তাদের বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। প্রথমে দেখতে হবে স্কলারশিপের মেয়াদ কতদিন। সেটি নবায়ন করা যাবে কিনা। স্কলারশিপ যদি নবায়ন করাও যায়, তবে তা কী ধরনের যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে, তা জানতে হবে। স্কলারশিপের অর্থে কী কী খরচ করা যাবে, তা জেনে রাখাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্র দিতে হয়। আপনি সহজেই আপনার পছন্দকৃত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা থেকে এ তথ্য জেনে নিতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র পাসপোর্টের কপি (বর্তমান ও আগের পাসপোর্টের ব্যবহৃত পাতা) আবেদন ফরম জন্মসনদ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অনুমতি সংক্রান্ত চিঠি (কনফার্মেশন অব এনরোলমেন্ট) স্বাস্থ্যবিমার প্রমাণপত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা (সকল বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট) ও কর্ম-অভিজ্ঞতা সনদ পূরণকৃত অর্থনৈতিক সামর্থ্যের (স্পন্সর বা গ্রান্টর) ফরম স্পন্সরের সঙ্গে আবেদনকারীর সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ, পাসপোর্ট কিংবা স্কুলের কাগজপত্র স্পন্সরের আয়ের উৎসের বিস্তারিত কাগজপত্র সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করার ইতিহাস থাকলে সেখানে কাজের রেকর্ড ও ছাড়পত্র কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (১২ মাসের বেশি পুরনো নয়) বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী, সন্তানদের সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্ম-সনদ ও বিবাহ সনদ স্বামী-স্ত্রী কেউ মারা গিয়ে থাকলে বা বিচ্ছেদ হয়ে থাকলে মৃত্যুসনদ বা বিচ্ছেদ-সংক্রান্ত কাগজপত্র স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রমাণপত্র

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিনা খরচে স্নাতকোত্তর করুন থাইল্যান্ডে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:৪৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বিনা খরচে স্নাতকোত্তর করুন থাইল্যান্ডে

    আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফুল-ফ্রিতে দুই বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তরের সুযোগ দিচ্ছে থাইল্যান্ডের চুলভর্ন গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট স্কলারশিপ (CGI) । বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।

    চুলাভর্ন গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট (CGI) ২০০৫ সালে প্রফেসর ড. হার রয়্যাল হাইনেস প্রিন্সেস চুলভর্ন মাহিদলের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। চুলাভর্ন গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট হল একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি স্নাতকোত্তর একাডেমিক ইনস্টিটিউট, যার মধ্যে চুলাভর্ন রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং থাইল্যান্ডের অন্যান্য নেতৃস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সারা বিশ্বের একাডেমিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ফ্যাকাল্টি সদস্য রয়েছে।

    সুযোগ-সুবিধাসমূহঃ- • টিউশন ফি এবং অন্যান্য একাডেমিক খরচ প্রদান। • ভিসা ফি প্রদান। • মাসিক ভাতা প্রদান। • রাউন্ড এয়ার ট্রিপের সুবিধা প্রদান। • বিনাখরচ আবাসন সুবিধা প্রদান। • শিক্ষা সামগ্রী ক্রয়ের জন্য আলাদা ভাতা প্রদান। • হেলথ ইনস্যুরেন্স, ভিসা ফি সহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান। যোগ্যতাসমূহঃ- • আবেদনকারীর বয়স ৩০ বছরের কম হতে হবে। • ইংরেজী ভাষায় দক্ষ হতে হবে । (আইএলটিএস বা টোফেল সনদ)। • আবেদনকারীকে অন্তত চার বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রীধারী হতে হবে এবং সিজিপিএ অন্তত ২.৭৫/৪.০ থাকতে হবে। • যে প্রোগ্রামে আবেদন করতে চাইবেন, সেই প্রোগ্রামের দেয়া অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণ করতে হবে।

    যে সকল বিষয়ে আবেদন করা যাবে- ১. বিজ্ঞানঃ- রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, আণবিক জীববিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান। ২. চিকিৎসা বিজ্ঞানঃ- মেডিসিন, চিকিৎসা প্রযুক্তি ,ফার্মাসি বা ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স। ৩. ফলিত জৈবিক বিজ্ঞানঃ- পরিবেশগত স্বাস্থ্য।

    প্রয়োজনীয় নথিপত্রঃ- ১) আবেদন ফরম। ২) সম্পূর্ণ একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট। ৩) তিনটি সুপারিশপত্র। ৪) মেডিক্যাল রিপোর্ট। ৫) স্টেটমেন্ট অব পারপাস। ৬) আবেদনকারীর ছবি। ৭) অন্যান্য নত্রিপত্র (যদি থাকে)।

    আবেদন পদ্ধতিঃ- আবেদনকারীদের চুলাভর্ন গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আবেদন ফর্মটি পূরণ করে নিম্নলিখিত পদ্ধতির মাধ্যমে নথিগুলো জমা দিতে হবে।

    ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদনপত্রের স্ক্যান ফাইল এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি এখানে পাঠাতে হব। থাইল্যান্ড ইমেল: cgi_academic@cgi.ac.th

    তারপরে উল্লেখিত ঠিকানায় ডাক পরিষেবার মাধ্যমে সমস্ত মূল নথি পাঠাতে হবে। চুলাভর্ন রয়্যাল একাডেমি, চুলভর্ন গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট (সিজিআই স্কলারশিপ প্রোগ্রাম) 906 কামফাংফেট 6 রোড, তালাত ব্যাং খেন, লক্ষী, ব্যাংকক 10210 ।

    আবেদন ফরম পেতে এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য ক্লিক করুনঃ- https://www.cgi.ac.th/admissions/cgi-af-scholorship/ ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট লিঙ্ক- https://www.cgi.ac.th/

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ফুল-ফ্রি স্কলারশিপে মাস্টার্স করুন নেদারল্যান্ডসে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১১:৩৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ফুল-ফ্রি স্কলারশিপে মাস্টার্স করুন নেদারল্যান্ডসে

      আন্তজার্তিক শিক্ষার্থীদের নেদারল্যান্ডসের নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল-ফ্রিতে স্নাতকোত্তর এবং বিভিন্ন শর্ট কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ দিচ্ছে অরেঞ্জ নলেজ প্রোগ্রাম (ওকেপি) স্কলারশিপ । বাংলাদেশসহ বিশ্বের আরো ৪০টি দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১১ অক্টোবর।

      অরেঞ্জ নলেজ প্রোগ্রাম স্কলারশিপটি নেদারল্যান্ডসের ডাচ মন্ত্রণালয় দ্বারা অর্থায়নকৃত। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা নেদারল্যান্ডস’র শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়ে থাকে। এছাড়া স্কলারশিপটি এক হাজারেরও বেশি কোর্স অফার করে।

      স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রোগ্রামের সময়কাল সাধারণত ১২ মাস হয় এবং অনলাইন কোর্সের বিভিন্ন সময়কাল থাকে। যেমন ২ মাস, ৬ মাস আবার ১২ মাসও হতে পারে।

      সুযোগ-সুবিধা: ১. সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করবে । ২. ভিসা খরচ। ৩. ভ্রমণ খরচ। ৪. স্বাস্থ্য বীমা।

      যোগ্যতা সমূ: ১. ওকেপি দ্বারা নির্ধারিত দেশের হতে হবে। ২. বৈধ পরিচয়পত্র থাকতে হবে। ৩. বিগত ডিগ্রিগুলোর একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে। ৪. সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকতে হবে। ৫. ইংরেজি অথবা ফরাসি ভাষায় দক্ষ হতে হবে।

      আবেদন প্রক্রিয়া: আবেদন করার আগে অনলাইনের মধ্যমে ওকেপি যোগ্যতাসমূহ পূরণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে এবং ওকেপি’র তালিকা থেকে কোর্স নির্ধারণ করে নিতে হবে। কোর্সের তালিকা দেখুন লিংকে (https://www.studyinnl.org/dutch-education/studies?scholarship=Orange+Knowledge+Programma+%28OKP%29)।

      আবেদন করতে এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন (https://www.studyinnl.org/finances/orange-knowledge-programme#countries)

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        উচ্চশিক্ষায় কানাডার সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:২৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        উচ্চশিক্ষায় কানাডার সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়

        উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ কানাডা। কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান, স্কলারশিপ প্রাপ্তি, বাৎসরিক টিউশন ফি, আবাসন সুবিধা বিষয়সমূহের আধিক্যতার কারণে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কানাডায় উচ্চশিক্ষার আগ্রহ ক্রমশ বেড়েই চলছে। এছাড়া বিশ্বের সেরা ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তিনটিই কানাডার দখলে। আজ আমরা কানাডার সেরা ১০ টি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানবো।

        University of Toronto

        ১৮২৭ সালের ১৫ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়। এটি কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোতে অবস্থিত। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। কানাডার পাবলিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়টি ব্যাচেলরের জন্য প্রায় ৭০০টি এবং মাস্টার্সের জন্য ২০০টি কোর্স অফার করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৬১ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

        টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসকল অনুষদ রয়েছে:

        Faculty of Applied, Science and Engineering, Arts and Science, Dentistry, Information, Management, Music, Pharmacy, Architecture, Landscape and Design, Continuing Studies, Education, Law, Medicine, Nursing, Public Health.

        McGill University

        কানাডার আরেকটি গবেষণা ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় হলো ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৮২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় কানাডার কুইবেক প্রদেশের মন্ট্রিয়াল শহরে অবস্থিত। কানাডার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ২য়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩৯ হাজার ৭৩৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ১৫০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৪০০টির বেশি প্রোগ্রাম রয়েছে।

        ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসকল অনুষদ রয়েছে:

        Faculty of Arts, Faculty of Education, Faculty of Dentistry, Faculty of Engineering, Faculty of Law, Faculty of Medicine and Health Sciences, Faculty of Science, Desautels Faculty of Management, Faculty of Agricultural and Environmental Sciences.

        University of British Columbia

        কানাডার অন্যতম একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়া।এটি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় অবস্থিত। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানটি ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার দুইটি ক্যাম্পাস রয়েছে। ২টি ক্যাম্পাস মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থী প্রায় ২২ শতাংশ।

        ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় যেসকল অনুষদ রয়েছে:

        Applied Science, Dentistry, Arts, Education, Forestry, Medicine, Science, Music, Nursing, Land and food systems.

        University of Montreal

        ১৮৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইউনিভার্সিটি অব মন্ট্রিইয়াল। এটি সর্বজনীনভাবে অর্থায়িত গবেষণা ভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৯ হাজার ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রছাত্রীসহ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৫৫৯ জন।

        Arts and Science, Education, Dentistry, Environmental Design, Kinesiology, Law, Medicine, Music, Optometry, Nursing, School of Public Health, Pharmacy, Veterinary, Continuing Education.

        University of Alberta

        ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা কানাডার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে একটি এবং বিশ্বের নেতৃস্থানীয় পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে এটি একটি। মানবিক, বিজ্ঞান, সৃজনশীল শিল্প, ব্যবসা, প্রকৌশল এবং স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য বেশ খ্যাতি রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির। ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির দুইটি শহরে মোট পাঁচটি ক্যাম্পাস রয়েছে। ব্যাচেলরে ২০০ এবং মাস্টার্সে প্রায় ৫০০টির উপরে কোর্স চালু রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০ হাজার ৬১ জন (প্রায়)।

        McMaster University

        ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি ২৩ এপ্রিল, ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় কানাডার অন্টারিও প্রদেশের হ্যামিল্টন শহরের একটি সরকারি গবেষণা ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়। ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটিতে যেসকল অনুষদ রয়েছে:

        Arts & Science, Business & Commerce, B.Tech, B.Com Integrated Humanities, Business & Engineering Health, Engineering Science & Entrepreneurship, Engineering & Management, Engineering, Computer Science, Engineering and Health Sciences, Biomedical, Engineering, Humanities, Midwifery, Science/Kinesiology, MELD, Nursing, Medical Radiation, Science, Social Sciences.

        University of Waterloo

        ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়টি কানাডার অন্টারিওর ওয়াটারলুতে অবস্থিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে ৪২,০০০ থেকেও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৪ হাজার পাঁচশত। শুধুমাত্র ৭৪ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে ১৯৫৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির পথচলা শুরু হয়েছিল।

        ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসকল অনুষদ রয়েছে:

        Arts, Engineering, Environment, Health, Mathematics, Science.

        Western University

        ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও কানাডার অন্যতম অন্যতম প্রাচীন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি অন্টারিও অঙ্গরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। ৭ মার্চ, ১৮৭৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ১% এর মধ্যে স্থান পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ১২৮টি দেশের ৫ হাজার আটশত ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রছাত্রীসহ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২ হাজার।

        ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসকল অনুষদ রয়েছে:

        Faculty of Music, Faculty of Social Science, Faculty of Arts and Humanities, Faculty of Education, Faculty of Engineering, Faculty of Health Sciences, Faculty of Information and Media Studies, Faculty of Law, Faculty of Science.

        University of Ottawa

        অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বব্যাপী বৃহত্তম দ্বিভাষিক (ইংরেজি-ফরাসি) বিশ্ববিদ্যালয়। কানাডার রাজধানী অটোয়ায় এটি অবস্থিত। ইউনিভার্সিটি অব আটোয়া ১৮৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২ হাজারেরও বেশি।

        ইউনিভার্সিটি অব অটোয়ার অনুষদসমূহ:

        Faculty of Arts, Faculty of Engineering, Faculty of Law - Civil Law Section, Faculty of Medicine, Faculty of Social Sciences, Faculty of Education, Faculty of Health, Sciences, Faculty of Law - Common Law Section, Faculty of Science, Telfer School of Management.

        University of Calgary

        ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারি কানাডার শীর্ষ গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে একটি। ১৯৬৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৬ সালের আগ পর্যন্ত এটি আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালগারি শাখা হিসাবে ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। ১৪টি অনুষদের অধীনে প্রায় ২৫০টিরও বেশি প্রোগ্রাম রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসের সংখ্যা পাঁচটি। মজার বিষয় হচ্ছে, প্রধান ক্যাম্পাসটির আয়তন প্রায় ৪৯০ একর। যা ক্যালগারির পুরো ডাউনটাউনের চেয়েও বড় এলাকা।

        ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারির অনুষদসমূহ:

        Faculty of Arts, Cumming School of Medicine, Faculty of Graduate Studies, Faculty of Kinesiology, Haskayne School of Business, Faculty of Law, Faculty of Nursing (Qatar), Faculty of Nursing, Schulich School of Engineering, Faculty of Science, Faculty of Social Work, Faculty of Veterinary Medicine, Werklund School of Education.

        উপরোক্ত বর্ণিত সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও কানাডায় রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। যেগুলোর পড়াশোনার পরিবেশ এবং মান অনেক উন্নত। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রদানকৃত স্কলারশিপ সম্পর্কে জানতে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ভালোভাবে তথ্য জেনে নিতে হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          স্কলারশিপ নিয়ে বিনা খরচে ভারতে পড়ার সুযোগ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০:৩৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          স্কলারশিপ নিয়ে বিনা খরচে ভারতে পড়ার সুযোগ

          বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর স্কলারশিপের মাধ্যমে বিনা বেতনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দেয় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর)। শুধুমাত্র উচ্চশিক্ষা নয় বরং ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক ও নানা আকর্ষণীয় স্থান ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে থাকে এই স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের।

          যার ফলে শিক্ষার্থীরা ভারতের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়ে থাকেন। এর ফলে দিন দিন বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে স্কলারশিপের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে এবং প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করে থাকেন।

          ভারত সরকার বাংলাদেশের পাশাপাশি ইউরোপ-আমেরিকা-আফ্রিকা-এশিয়ার মোট ৭৩টি দেশের শিক্ষার্থীকে এই স্কলারশিপ দিচ্ছে। বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কলারশিপ স্কিমের আন্ডারে বছরে একবার স্কলারশিপ পায়। এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০০ জন বাংলাদেশী এ স্কলারশিপটি পেয়েছেন।

          এই স্কলারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা ভারতের নামকরা সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। তবে শুধু মেডিকেল বিষয়ক সাবজেক্টে স্কলারশিপ দেওয়া হবে না। মেডিকেলের যাবতীয় ডিগ্রি নিজ খরচে করতে হবে। প্রতি বছর ICCR-এর আওতায় মোট ২০০ জন স্কলারকে নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে ১০০টি ইঞ্জিনিয়রিং সাবজেক্টের জন্য আর ১০০টি নন-ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের জন্য। যেমন- স্নাতক ১৪০টি, স্নাতকোত্তর ৪০টি এবং এমফিল ও পিএইচডি’র জন্য ২০টি।

          সুযোগ-সুবিধা

          সম্পূর্ণ টিউশন ফ্রি। হোস্টেল এবং খাবার খরচ। প্রতি মাসে উপবৃত্তি ১৮ হাজার ভারতীয় রুপি। যাওয়া-আসার ফ্লাইট ভাড়া। যোগ্যতাসমূহ

          বিগত সকল পরিক্ষায় কমপক্ষে ৬০% মার্ক থাকতে হবে। ভেলিড পার্সপোর্ট ও বিগত সকল পরিক্ষার সার্টিফিকেট থাকতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় অভিজ্ঞ হতে হবে এবং দক্ষতার সনদ সরবরাহ করতে হবে।

          পরিক্ষা পদ্ধতি

          অনলাইনে ২০০ মার্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। যা সরাসরি হাইকমিশনার ডিল করে।

          প্রয়োজনীয় নথিপত্র

          ছবি। সকল একাডেমিক মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট। পাসপোর্ট। এন আই ডি বা জন্ম সনদের ইংরেজি কপি। ফিজিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট। আবেদন প্রক্রিয়া

          আইসিসিআর প্রতিবছর জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদন গ্রহণ করে থাকে এবং অনলাইনের মাধ্যমেই আবেদন করা যায়।ভারত সরকারের আইসিসিআর পোর্টালে নিজের একাউন্ট খুলে আপনি খুব সহজেই এ আইসিসিআর স্কলারশিপ এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। মনে রাখবেন আইসিসিআর স্কলারশিপটি পাওয়ার জন্য আগের রেজাল্টের চেয়ে পরীক্ষা ও ভাইভা ভালো করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন প্রক্রিয়া এবং আইসিসিআর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত