ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যেভাবে কাটাবেন আশুরার দিনটি

অনলাইন ডেস্ক
৫ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৮
অনলাইন ডেস্ক
যেভাবে কাটাবেন আশুরার দিনটি

আশুরা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ দিবস। আশুরা বলা হয়, মহররমের ১০ তারিখকে। মহান আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য বিশেষ কিছু সময় ও মৌসুম দিয়েছেন; যে সময়ে সামান্য আমল করে সহজেই তার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত।

ইসলামি শরিয়তের আলোকে, যেভাবে কাটাবেন আশুরার দিন: 

রোজা রাখা

পবিত্র রমজানের পর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মাস বলা হয়েছে মহররমকে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 

রমজানের রোজার পর সর্বোত্তম রোজা হচ্ছে আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। (মুসলিম: ২৬৪৫)

আশুরার রোজার ফজিলত

বিভিন্ন হাদিসে আশুরার রোজার ফজিলতের কথা বলা হয়েছে। হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মহান আল্লাহর কাছে আমি আশা পোষণ করি যে, তিনি আশুরার রোজার মাধ্যমে আগের এক বছরের পাপ (ছগিরা গোনাহ) ক্ষমা করে দেবেন। (তিরমিজি: ৭৫২)

আশুরার রোজা রাখার বিধান

রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল। রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পর এ দিন রোজা রাখা মুস্তাহাব। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, 

জাহেলি সমাজের লোকেরা রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার দিন রোজা রাখত। এ দিন কাবায় গিলাফ জড়ানো হতো। এরপর যখন রমজানের রোজা ফরজ হলো তখন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যিনি এ দিন রোজা রাখতে চায় সে রাখুক। যিনি না চায় না রাখুক। (বুখারি: ১৫৯২)

এ ক্ষেত্রে ইহুদিদের সঙ্গে মিল না হওয়ার জন্য ১০ তারিখের আগের দিন অথবা পরের দিন আরও একটি রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

তওবা করা

তওবা গুরুত্বপূর্ণ আমল। সবার কর্তব্য এটির কদর করা। আশুরার দিন তওবা কবুলের মোক্ষম সময়। এদিনে তওবা কবুল হওয়া, নিরাপত্তা এবং অদৃশ্য সাহায্য লাভ করার কথাও রয়েছে। এ জন্য এ সময়ে এমন সব আমলের প্রতি মনোনিবেশ করা উচিত, যাতে মহান আল্লাহর রহমত বান্দার দিকে আরও বেশি ধাবিত হয়।

নবীজির এক সাহাবি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রসুল! রমজানের পর আপনি কোন মাসে রোজা রাখতে বলেন? নবীজি বলেন, 

তুমি যদি রমজানের পর রোজা রাখতে চাও তাহলে মহররমে রোজা রাখো। কেননা মহররম হচ্ছে আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন এক দিন আছে, যেদিন মহান আল্লাহ অতীতে অনেকের তওবা কবুল করেছেন। ভবিষ্যতেও অনেকের তওবা কবুল করবেন। (তিরমিজি: ৭৪১)

আশুরার রোজা কবে?

বাংলাদেশে সোমবার (৮ জুলাই) থেকে মহররম মাস গণনা শুরু হয়। সে হিসেবে বুধবার (১৭ জুলাই) পালিত হবে পবিত্র আশুরা। এ হিসেবে মহররমের ১০ তারিখ বুধবার (১৭ জুলাই) একটি, আর এর আগে মহররমের ৯ তারিখ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অথবা পরের দিন মহররমের ১১ তারিখ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আরও একটি।

আশুরার রোজা কয়টি রাখতে হবে?

আশুরার রোজা দুটি রাখতে হবে। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা আশুরার দিনে রোজা রাখো, তবে এ ক্ষেত্রে ইহুদিদের সঙ্গে মিল না হওয়ার জন্য ১০ তারিখের আগের দিন অথবা পরের দিন আরও একটি রোজা রেখো। (মুসনাদে আহমদ: ২১৫৪)

 

বিদয়াত থেকে দূরে থাকা

আশুরার দিন বিদয়াতি কার্যক্রম থেকে দূরে থাকা উচিত। যেমন, হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের স্মরণ করে মাতম-বিলাপ, তাজিয়া মিছিল, নিজ দেহে চাবুকের আঘাত ও ছুরিকাঘাত- এসব অনৈসলামিক কাজ। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 

শোকে বিহ্বল হয়ে যে ব্যক্তি গাল চাপড়ায়, কাপড় ছেঁড়ে ও জাহেলি যুগের মতো আচরণ করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। (বুখারি: ১২৯৭)

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আশুরায় যে আমল করবেন

    অনলাইন ডেস্ক
    ৫ জুলাই, ২০২৫ ১৪:১৯
    অনলাইন ডেস্ক
    আশুরায় যে আমল করবেন

    মুহাররম মাসের সব থেকে মহিমান্বিত দিন আশুরা বা মুহাররমের ১০ তারিখ। হাদিসে আশুরার দিনের অনেক ফজিলত হয়েছে। ইসলামপূর্ব আরব জাহেলি সমাজে এবং আহলে কিতাব- ইহুদী-নাসারাদের মাঝেও ছিল এ দিনের বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদা। 

    আল্লাহ তায়ালা আশুরার দিন কুদরত প্রকাশ করেছেন। বনি ইসরাইলের জন্য সমুদ্রে রাস্তা বের করে দিয়েছেন এবং তাদের নিরাপদে পার করে দিয়েছেন। আর একই রাস্তা দিয়ে ফেরাউন ও তার অনুসারীদের ডুবিয়ে মেরেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১/৪৮১)

    মুসলিম উম্মাহ এ দিনটিকে বিশেষ আমল তথা রোজা পালনের দিন হিসেবে শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকে। সব নবী-রাসুলের যুগেই আশুরার রোজা আমল ছিল। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় থাকতেও আশুরার রোজা পালন করতেন। হিজরতের পর মদিনায় এসেও নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেখতে পেলেন, ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখছে। তিনি রোজা রাখার কারণ জানলেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে বললেন, ‘মুসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ইহুদিদের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ও অগ্রগণ্য। সুতরাং তোমরাও আশুরায় রোজা রাখো। তবে তাদের অনুকরণ বা সাদৃশ্য যেন না হয় সে জন্য তিনি আগের কিংবা পরের ১ দিন রোজা পালনের কথাও বলেছেন।

    আশুরার রোজা সম্পর্কে  হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রমজানের পর সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ রোজা হল আল্লাহর মাস মহররমের রোজা।’

    হাদিসে বর্ণিত মহররমের রোজাটি মূলত ১০ মহররম তথা আশুরার রোজা। এদিন রোজা রাখা মহররমের মর্যাদা ও বরকতের উৎসও বটে।

    আরেক হাদিসে হজরত আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় আশুরার রোজা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন- আশুরার রোজা বিগত বছরের পাপসমূহ মোচন করে দেয়।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      একটানা তিন জুমা না পড়ার পরিণতি: ইসলামী বিধান ও খুতবা শোনার গুরুত্ব

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৮ জুন, ২০২৫ ১৮:৫৫
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      একটানা তিন জুমা না পড়ার পরিণতি: ইসলামী বিধান ও খুতবা শোনার গুরুত্ব

      শুক্রবার বা জুমার দিন মুসলমানদের জন্য একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে জুমার নামাজ ফরজ করা হয়েছে, যা ইসলামে ঈদের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত। কুরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করার পরিণতি সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
       
      জুমার নামাজ না পড়ার শাস্তি
       
      জুমার নামাজ ফরজ  এ বিষয়ে ইসলামে কোনো মতভেদ নেই। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তিনবার জুমার নামাজ ত্যাগ করে, তাদের সম্পর্কে হাদিসে এসেছে কঠোর হুঁশিয়ারি। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি বিনা কারণে তিনটি জুমার নামাজ পরপর ত্যাগ করে, আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেন।” — (সুনান আবু দাউদ: ১০৫২, সহিহ হিসেবে বর্ণিত)
       
      অন্য একটি হাদিসে এসেছে:“অবশ্যই লোকেরা যদি জুমার নামাজ ত্যাগ করতে থাকে, তবে আল্লাহ তাদের অন্তর মোহর করে দেবেন। অতঃপর তারা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।” — (সহিহ মুসলিম: ৮৬৫)
       
      এ থেকে বোঝা যায়, জুমার নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেওয়া মহাপাপ। কেউ যদি কোনো শরয়ি ওজর (যেমন মারাত্মক অসুস্থতা, ভ্রমণ ইত্যাদি) ছাড়া জুমার নামাজ পরিত্যাগ করে, তাহলে তা কবিরা গুনাহ হিসেবে পরিগণিত হবে এবং তার অন্তর অন্ধ হয়ে যেতে পারে — এমনকি তার ঈমান বিপদের মুখে পড়তে পারে।
       
      খুতবা না শুনলে জুমার নামাজের হুকুম :
       
      জুমার নামাজের অন্যতম মূল অংশ হচ্ছে খুতবা। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন: “হে মুমিনগণ! যখন জুমার দিনের নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ত্যাগ করো। এটিই তোমাদের জন্য উত্তম।” — (সূরা জুমু’আ: ৯)
       
      রাসূল (সা.) বলেছেন:“যে ব্যক্তি খুতবা চলাকালীন কথা বলে, সে অনর্থক কাজ করেছে।” — (সহিহ মুসলিম)
       
      এখান থেকে বোঝা যায়, খুতবা জুমার নামাজের পূর্বশর্ত। যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে খুতবা শুনতে দেরিতে আসে বা পুরোপুরি বাদ দেয়, তাহলে তার নামাজ আদায় হলেও তার পূর্ণতা থাকবে না। 
       
      জুমার নামাজ ফরজ এবং তা ছেড়ে দেওয়া মহাপাপ। বিনা কারণে জুমার নামাজ তিনবার পরিত্যাগ করলে অন্তরে মোহর পড়ে এবং ঈমান বিপদের মুখে পড়ে। তেমনি, খুতবা হলো জুমার নামাজের অপরিহার্য অংশ। ইচ্ছাকৃতভাবে তা না শুনলে জুমার নামাজের মূল উদ্দেশ্যই নষ্ট হয়ে যায়। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত যথাসময়ে মসজিদে উপস্থিত হয়ে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা এবং নিয়মিতভাবে জুমার নামাজ আদায় করা।

      মোঃ আরিফুল ইসলাম/

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আটকে পড়া ইরানি হাজিদের যে সহায়তা দেবে সৌদি আরব

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৪ জুন, ২০২৫ ১৬:২৫
        অনলাইন ডেস্ক
        আটকে পড়া ইরানি হাজিদের যে সহায়তা দেবে সৌদি আরব

        ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। হামলা পর তাৎক্ষণিক তেহরান তাদের দেশের আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে সৌদি আরবে আটকা পড়েছেন ইরানের অনেক হজযাত্রী। আটকেপড়া হজযাত্রীদের সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান।

        ইরানি হজযাত্রীরা স্বদেশে ফিরে যাওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

        শুক্রবার সৌদি বাদশাহ সালমান নির্দেশ দিয়েছেন যে, সৌদি আরবে আটকে পড়া ইরানি হজযাত্রীদের স্বদেশে ফিরে যাওয়ার উপযুক্ত পরিস্থিতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

        সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাতে জানানো হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বাদশাহকে আটকে পড়া ইরানি হজযাত্রীদের সহায়তার একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর বাদশাহ সালমান এটি অনুমোদন করেন। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা হজযাত্রীদের সবধরনের প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা নিশ্চিত করে।

        হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি, শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার আদায় করা ফরজ। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে হজের কার্যক্রম। প্রতি বছর হাজার হাজার ইরানি হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যান। এ বছর বিশ্বব্যাপী ১৬ লাখের বেশি মুসলমান হজে অংশ নিয়েছেন। 

        শুক্রবার ভোরে ইরানে বিমান হামলা চালায় সন্ত্রাসবাদী দেশ ইসরায়েল। তারা জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সামরিক কর্মকর্তারা। 

        শুক্রবার পরবর্তীতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান তেলআবিব লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, ফলে দীর্ঘমেয়াদি ও আরও বিপজ্জনক যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

        সূত্র : আরব নিউজ

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গরমকালে হজ হবে না আগামী ২৫ বছর

          অনলাইন ডেস্ক
          ১০ জুন, ২০২৫ ১৭:৪৫
          অনলাইন ডেস্ক
          গরমকালে হজ হবে না আগামী ২৫ বছর

          হজ করতে আগামী ২৫ বছর যারা সৌদি আরব যাবেন, তাদের আর তীব্র গরম সইতে হবে না। ২০২৬ সাল থেকে শুরু করে হজযাত্রা ধীরে ধীরে বসন্ত, শীত ও শরতের মত তুলনামূলক ‘ঠান্ডা’ মৌসুমে চলে আসবে হবে বলে গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে।

          দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র—এনসিএমের মুখপাত্র হুসেইন আল কাতানি বলেন, এবার যে হজ হলো, সেটা গ্রীষ্মের শেষ হজ। তিনি বলেন, আগামী আট বছর হজ হবে বসন্তে; পরের আট বছর শীতে। তারপর শরৎ পার করে আস্তে আস্তে তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে প্রায় ২৫ বছর পর গিয়ে গ্রীষ্মে ফিরবে।

          এনসিএমের মুখপাত্র বলেন, চন্দ্রবর্ষের হিসাব ধরে ২৫ বছরের হজ পঞ্জিকা করা হয়েছে। হিজরি বর্ষপঞ্জির ভিত্তিতে ২০৫০ সাল পর্যন্ত হজের যেসব তারিখ পাওয়া গেছে, সেগুলো গ্রেগরিয়ান হিসাবে কবে পড়ে, তাও পঞ্জিকায় তুলে ধরা হয়েছে।

          হিজরি বর্ষপঞ্জি চাঁদের গতিপথের ওপর নির্ভর করায় এটি গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির তুলনায় প্রায় ১১ দিন ছোট। আর ছোট হওয়ায় হজের সময় প্রতিবছর কিছুটা করে এগিয়ে আসে।

          সেই হিসাবে ২০৫০ সালে গ্রীষ্মকাল ফিরে আসার আগ পর্যন্ত হজযাত্রীরা তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা আবহাওয়া পাবেন।

          ২০৫০ সাল পর্যন্ত হজের সূচি:

          ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বসন্তে (মে থেকে মার্চ)
          ২০৩৪ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত শীতে (ফেব্রুয়ারি থেকে জানুয়ারি, পরে ডিসেম্বর)
          ২০৪২ থেকে ২০৪৯ সাল পর্যন্ত শরতে (নভেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর)
          ২০৫০ সালে আবার আগস্টে; অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে

          হজের সময়ের এই পরিবর্তনটি হাজিদের শারীরিক কষ্ট লাঘবে সহায়ক হবে। বিশেষ করে বয়স্ক এবং যাদের স্বাস্থ্য সমস্যায় রয়েছে। পাশাপাশি হজের সময় জনসমাগম পরিচালনা, লজিস্টিকস এবং নিরাপত্তা পরিকল্পনায় সহায়তা করবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত