শিরোনাম
জুমার দিনে সুগন্ধি ব্যবহারের বিষয়ে হাদিসে যা এসেছে
জুমাবার অর্থাৎ শুক্রবার মুসলমানদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়েছে হাদিসে। সপ্তাহের বাকি ছয় দিনের তুলনায় অধিক মর্যাদাসম্পন্ন দিনটির আমলও অনেক ফজিলতপূর্ণ। এই দিনের ইবাদত যেন সর্বোত্তমভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে ইসলাম কিছু সুন্দর ও শিষ্টাচারভিত্তিক নির্দেশনা দিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো- সুগন্ধি ব্যবহার। আর সুগন্ধি ব্যবহার করা সব সময়ই সুন্নত ও উত্তম কাজ। রাসুল (সা.) সব সময় সুগন্ধি ব্যবহার করতেন।
আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, চারটি কাজ সব নবির সুন্নত; সুগন্ধি ব্যবহার করা, বিয়ে করা, মেসওয়াক করা ও লজ্জাস্থান আবৃত রাখা। (মুসনাদে আহমা: ২২৪৭৮)
নবীজি (স.)-এর সরাসরি নির্দেশনা
হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘জুমার দিন তোমরা মিসওয়াক করবে এবং যার সুগন্ধি আছে, সে তা ব্যবহার করবে।’ (সহিহ বুখারি: ৮৮০)। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, জুমার দিনে সুগন্ধি ব্যবহার শুধু পরিচ্ছন্নতার অংশ নয়, বরং ইবাদতের প্রস্তুতির একটি অনন্য উপায়ও বটে।
মসজিদের পরিবেশকেও সুবাসিত করার নির্দেশ
দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.) জুমার দিনে জোহরের আগে মসজিদে সুগন্ধি ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন। এছাড়াও রাসুলুল্লাহ (স.) মসজিদ পরিষ্কার রাখা এবং সুবাসিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ‘তোমরা তোমাদের মসজিদগুলো পরিষ্কার রাখো এবং তা সুগন্ধি দাও।’ (ইবনে মাজাহ: ৭৫৯)
সুগন্ধি ব্যবহারের তাৎপর্য
জুমার দিনে সুগন্ধি ব্যবহারের রয়েছে বহুমাত্রিক তাৎপর্য রয়েছে। যেমন-
ইবাদতের প্রস্তুতি: নামাজের আগে সুগন্ধি ব্যবহার মানুষকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে।
পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য: সুগন্ধি ব্যবহারে একজন মুসলিম পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল জীবনধারার পরিচয় দেন।
সম্মান প্রদর্শন: জুমার দিনের মর্যাদা রক্ষা ও সম্মান জানাতে সুগন্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
ইবাদতের পরিবেশে সৌহার্দ্য: মসজিদে সবাই যখন সুগন্ধি ব্যবহার করে আসেন, তখন তা ইবাদতের পরিবেশকে আরও মনোরম করে তোলে।
জুমার আরো কিছু আমলের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তন্মধ্যে কিছু আমল ধারাবাহিক উল্লেখ করা হচ্ছে- এক. গোসল করা। দুই. উত্তম পোশাক পরিধান করা। তিন. সুগন্ধি ব্যবহার করা। চার. মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা।
জুমার দিনে সুগন্ধি ব্যবহার ইসলামের সৌন্দর্যময় সংস্কৃতির একটি উজ্জ্বল দিক। এটি যেমন ইবাদতের মর্যাদা বাড়ায়, তেমনি মুসলিম সমাজে পরিচ্ছন্নতা, রুচিবোধ ও সৌহার্দ্য তৈরি করে। তাই ব্যক্তি জীবনে এই সুন্নত অনুসরণ ও তা সমাজে প্রসারে আমাদের সচেষ্ট হওয়া উচিত।
হজ নিবন্ধনের সময় বাড়ল
হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আগের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রোববার (১২ অক্টোবর) হজযাত্রী প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় শেষ হয়।
২০২৬ সালের হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবার উদ্দেশ্যে সময় বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশেষ বিবেচনায় সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো। এ সময়ের মধ্যে হজে গমনেচ্ছুদের নিবন্ধন করে তাদের হজ গমন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছর বাংলাদেশের হজের কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন।
সৌদি আরবের রোডম্যাপ অনুযায়ী হজযাত্রী নিবন্ধনের শেষ সময় ছিল রোববার। এ সময়ের মধ্যে ৬০ হাজারের মতো হজযাত্রী নিবন্ধিত হয়েছেন। এখনও অনেক হজযাত্রী নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষমান আছেন বলে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়। তারা নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি জানান।
সময় শেষ হওয়ার পরও এখনো কত সংখ্যক হজযাত্রী নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষমান আছেন- এ বিষয়ে তথ্য জানানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সিগুলোর কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। এজেন্সিগুলো মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তথ্য পাঠায়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী এখনো অপেক্ষমান আছেন বলে এজেন্সিগুলো জানিয়েছে।
নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে সোমবার (১৩ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সৌদি সরকারের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হবে। এই বৈঠকে হয়তো তারা আমাদের কাছে জানতে চাইবেন, কতজন কতজন নিবন্ধিত হয়েছেন কতজনের ভাউচার হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে আমরা আশাবাদী, সময় একটু বাড়তে পারে তারা যদি অ্যালাউ করেন। আমরা তাদের সময় বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করবো।
জুমার দিন যে সময় দোয়া কবুল হয়
জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠতম দিন। এই দিনে আছে বিশেষ ইবাদত ও আমল। এই দিনে আছে এমন মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন মহান আল্লাহ বান্দার যাবতীয় দোয়া কবুল করেন। বান্দা তখন আল্লাহর কাছে যা চাইবে আল্লাহ তা-ই দান করেন।
তবে সেই সময় খুব সীমিত। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিন সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, তাতে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা সালাতরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে অবশ্যই তিনি তাকে তা দান করেন। কুতায়বা (রা.)-এর বর্ণনায় আরো আছে, তিনি তাঁর হাত দ্বারা মুহূর্তটির স্বল্পতার প্রতি ইঙ্গিত করেন। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৫৪)
দোয়া কবুলের এই মাহেন্দ্রক্ষণ কখন, তা নির্ধারণ করা নিয়ে একাধিক অভিমত আছে।
সর্বাধিক বিশুদ্ধ অভিমত হচ্ছে দুটি :
প্রথম অভিমত হলো, জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত হলো, ইমাম খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বারে বসা থেকে জুমার সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত। এ অভিমতের দলিল হলো, হাদিসে এসেছে, আবু মুসা আল আশআরি (রা.) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কি তোমার পিতাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্ত সম্পর্কে হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছ? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। আমি পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ইমামের বসা থেকে সালাত শেষ করার মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে সেই মুহূর্ত আছে। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৬০)
দ্বিতীয় অভিমত হলো, জুমার দিন দোয়া কবুলের মাহেন্দ্রক্ষণ হলো আসরের পর।
উভয় অভিমতের মধ্যে এটি সর্বাধিক প্রাধান্যযোগ্য। এটি আবদুল্লাহ বিন সালাম (রা.), জাবের (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.)-এর উক্তি এবং ইমাম আহমাদ (রহ.)সহ অনেকের অভিমত। এ অভিমতের পক্ষে দলিল হলো, জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিনের ১২ ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্ত তোমরা আসরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)
এখানে উল্লেখ্য, জুমার দিন বিশেষ সময়ে দোয়া কবুল হওয়া প্রসঙ্গে কোনো কোনো হাদিসে সালাতরত অবস্থায় দোয়া করার কথা বলা হয়েছে।
কিন্তু আসরের পর সালাত না থাকায় আলোচ্য হাদিসের মূল উদ্দেশ্য পরবর্তী সালাতের জন্য অপেক্ষায় থাকা। ওই অবস্থায় দোয়া কবুল হয়। কেননা সালাতের জন্য অপেক্ষারত থাকলে সালাতের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। (দেখুন : তিরমিজি, হাদিস : ৪৯১)
মহান আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ। হিজরি সালের ১১ রবিউস সানিকে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম হিসেব পালন করা হয়। হিজরি ৫৬১ সালের এ দিনে ইন্তেকাল করেন বিখ্যাত ইসলাম প্রচারক ও সাধক হজরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)। মূলত, তার ইন্তেকালের দিনটিকেই ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ হিসেবে পালন করা হয়।
‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ। এর অর্থ এগারো। ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের ১১তম দিনকে বোঝায়। এটি আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর স্মরণে পালিত হয়।
আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর বাবার নাম সৈয়দ আবু সালেহ এবং মায়ের নাম বিবি ফাতেমা। তিনি ৪৭০ হিজরিতে ইরানের জিলান নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাগদাদের মহান পীর হজরত আবু সাঈদ ইবনে আলী ইবনে হুসাইন মাখরুমির (রহ.) কাছে মারেফাতের জ্ঞানে পূর্ণতা লাভ করেন এবং খেলাফতপ্রাপ্ত হন। আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) ‘বড় পীর’ হিসেবে পরিচিত।
এ কথা অনস্বীকার্য হজরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.) এর অবদান মুসলিম বিশ্বে অনন্য। তিনি মুসলিমদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে মিনিটে।
শুভ জন্মাষ্টমী আজ
সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী আজ শনিবার। দেশের হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উত্সবের মধ্য দিয়ে জন্মাষ্টমী পালন করবে।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি আয়োজিত মতবিনিময়সভায় বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ঘোষিত হয়েছে, বিরাজিত পরিস্থিতি তা ধারণে ব্যর্থ হচ্ছে। অব্যাহত সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে বিপর্যস্ত ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় এই নতুন পরিস্থিতিতে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আয়োজিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর। সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা কাজল দেবনাথ ও অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, পরিষদের সহসভাপতি মণিন্দ্র কুমার নাথ, পূজা কমিটির সহসভাপতি বাবুল দেবনাথ ও শ্যামল কুমার রায়, যুগ্ম সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস (সাধন), ব্রজগোপাল দেবনাথ প্রমুখ।
সভায় লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল ও ছাত্রনেতাদের আন্তরিক চেষ্টায় গত কয়েক মাসে সাম্প্রদায়িক হামলার তীব্রতা কমে এলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
এখনো তা চলছে। তবে এখন যেটা ভয়ংকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তা হলো নীরব চাঁদাবাজি। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষকদের হুমকি দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে। ফলে এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
জন্মাষ্টমীর দুই দিনের উৎসব : মতবিনিময়সভায় জানানো হয়, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি প্রতিবছরের মতো এবারও দুই দিনের অনুষ্ঠানসূচি গ্রহণ করেছে। আজ শনিবার সকাল ৮টায় দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় শ্রীশ্রী গীতাযজ্ঞ, বিকেল ৩টায় ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিল ও রাতে শ্রীকৃষ্ণ পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে আয়োজিত গীতাযজ্ঞ পরিচালনা করবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের শংকর মঠ ও মিশন। বিকেল ৩টায় পলাশীর মোড়ে কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. মঈন খান।
দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান হবে আগামী মঙ্গলবার।
সেদিন বিকেল ৩টায় আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
প্রধান উপদেষ্টার বাণী : শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ধর্মাবতার শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উত্সব। সমাজে সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে শ্রীকৃষ্ণ আজীবন ন্যায়, মানবপ্রেম ও শান্তির বাণী প্রচার করেছেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য